Computer Solution and Training Centre
ডিজাইনারদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং এর কিছু প্রয়োজনীয় টিপস:
১. ক্লায়েন্টের সাথে সম্পর্ক: ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন অংশই হচ্ছে ক্লায়েন্ট বা বায়ার। এ কারনেই ক্লায়েন্টদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।
আপনার কাজের মানের তুলনায় কখনই ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে কম মূল্য চাইবেন না।
যদি ক্লায়েন্ট কোনো কারনে আপনার ওপর রেগে যায় তাহরে সাথে সাথে রিপ্লাই না দিয়ে সময় নিন। ক্লায়েন্টকে ঠান্ডা হওয়ার সময় দিন।
ক্লায়েন্ট সবসময় সঠিক কথা না-ও বলতে পারে। সেক্ষেত্রে ভদ্রভাবে না বলুন।
কাজ শুরু করার আগে ক্লায়েন্টের কাছ থেকে কিছু টাকা আপফ্রন্ট রাখুন।
সবসময় প্রফেশনাল থাকুন।
২. ডিজাইনিং এর সময়: বিভিন্ন ডিজাইনারদের কাজ করার পদ্ধতি বিভিন্ন। কেউ সরাসরি কম্পিউটারে বসেই ডিজাইনিং শুরু করেন, কেউ আবার প্রথমে কাগজে পেন্সিল দিয়ে ডিজাইন করে নেন। আপনি যেভাবেই ডিজাইন করতে চান সেই পদ্ধতিতেই চলতে পারেন। এখানে আমার কিছু টিপস হলো:
কম্পিউটারে ডিজাইন করার আগে কাগজে স্কেচিং করে আপনার আইডিয়া ফুটিয়ে তুলুন।
ক্লায়েন্টের টার্গেট অডিয়েন্স সম্পর্কে রিসার্চ করে তারপর ডিজাইনিং শুরু করুন।
ডিজাইন করার সময় আপনি হিসেবে নয় ব্যাবহারকারী হিসেবে ডিজাইনটিকে পর্যবেক্ষন করুন।
বিভিন্ন সোর্সের ডিজাইন দেখে নিজেকে অনুপ্রানিত করুন।
৩. সময় ও কাজ ব্যাবস্থাপনা: সময় ও কাজ ব্যাবস্থাপনা ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বূর্ন বিষয়। মনে রাখবেন এক সময় আসবে যখন আপনি অনেক জায়গা থেকেই কাজের অফার পাবেন। সেই মুহুর্তে আপনার সময় ও কাজের মধ্যে সমন্ময় সাধন করা অনেক জরুরী অন্যথায় আপনার কাজ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে কিছু টিপস হলো:
আপনার কাজের জন্য একটি লিস্ট তৈরি করুন ও সেই অনুযায়ী কাজ করুন।
গুরুত্বপূর্ন কাজগুলো আগে করার চেষ্টা করুন।
কাজের সুবিধার জন্য কোনো প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট এপ্লিকেশন ব্যাবহার করতে পারেন।
যখন অনেক ব্যাস্ত থাকবেন তখন আপনার কাজগুলো অন্য ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে করিয়ে নিতে পারেন।
৪. মার্কেটিং: অনেক ফ্রিল্যান্স ডিজাইনারই মনে করেন যে তাদের মার্কেটিং এর কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্তু ভালো ক্লায়েন্ট পেতে হলে মার্কেটিং এর বিকল্প নেই। নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য নিচে কিছু মার্কেটিং টিপস্ দেওয়া হলো:
সোসাল মিডিয়াকে আপনার মার্কেটিং এর বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করতে পারেন।
আপনার কভার লেটার আরও আকর্ষনীয় করার চেষ্টা করুন।
লোকাল মার্কেটে ও সারা বিশ্বে আপনার মার্কেটিং করুন।
নিজের বিজনেস কার্ড তৈরি করুন এবং যখনই পারেন তা অন্যকে দেওয়ার চেষ্টা করুন।
কোনো ইন্টারনেট ফোরামে আপনার কাজের এডভার্টাইজ করবেন না।
এছাড়া আরও কিছু টিপস রয়েছে যা আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ন। টিপসগুলো হলো:
একটি আকর্ষনীয় পোর্টফোলিও তৈরি করুন।
একটি ই-মেইল সফটওয়্যার ব্যাবহার করুন।
আপনার ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিন ও সামনে এগিয়ে যান।
যত কাজের অফার পাবেন সবগুলোই একসেপ্ট করবেন না। যাচাই বাছাই করে কাজ নিন।
কাজের ফাঁকে ফাঁকে বিরতিরও প্রয়োজন রয়েছে তাই মাঝে মাঝে নিজেকে বিশ্রাম দিন। কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন।
(copy post)
https://www.facebook.com/CSTC.bd
26/03/2020
Stay At Home...
https://www.facebook.com/CSTC.bd/
নবীণ ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আদর্শ মার্কেটপ্লেস
ফাইভারে কাজের ধরন এবং এর ওয়েবসাইটের সাবলিল গঠনকাঠামো ও ব্যবস্থাপনা নিঃসন্দেহে নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য খুবই সুবিধাজনক এবং কার্যকরি। সাধারনত নতুন ফ্রিল্যান্সারদের শুরুতেই বড় প্রজেক্টে কাজ করার প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা থাকেনা; সেজন্য তাদের ঐ বিষয়ে ব্যাপক অভিজ্ঞতা থাকার সম্ভাবনাও কম। অন্যান্য মার্কেটপ্লেসে ক্লায়েন্ট যেহেতু একজন ফ্রিল্যান্সা্রের এসব বিষয়ে সন্তুষ্ঠ হলে পরেই প্রজেক্টে নিয়োজিত করে সেহেতু তাদের জন্য শুরুর দিকে কাজ পাওয়া অনেক ক্ষেত্রেই কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু ফাইভার-এ নতুন ফ্রিল্যান্সাররা তাদের অর্জিত দক্ষতাকে ছোট ছোট সার্ভিসে ভাগ করে বিভিন্ন মূল্যমানের ছোট ছোট গিগ আকারে সাজাতে পারেন এবং গিগগুলো কিছু সহজ কৌশল অবলম্বন করে প্রমোট করার মাধ্যমে সেল করতে পারেন।
https://www.facebook.com/CSTC.bd/
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Khulna
Khulna
9100