Dr Rajib kumar paul
ডা. রাজীব কুমার পাল
অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ ও ট্রমা সার্জন।
কনসালটেন্ট( অর্থোপেডিক সার্জারি)
বোন্স জয়েন্ট ট্রমা স্পেশালিষ্ট সার্জন
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খুলনা
এডভান্স ট্রেনিং (ভেলোর ইন্ডিয়া) পেইন ম্যানেজমেন্ট
AO TRAUMA(SWITSWITZERLAND)
26/04/2026
আপনার শখের টাইলস করা মেঝে কেন আপনার গোড়ালির হাড় ও লিগামেন্টের জন্য বিষের মতো ক্ষতিকর? 🏠🦴⚠️
আমরা যখন আধুনিক ঘর সাজাই, তখন সবচেয়ে সুন্দর টাইলসটিই খুঁজি। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই শক্ত ও সমতল টাইলস করা মেঝেতে দীর্ঘক্ষণ খালি পায়ে হাঁটা আপনার পায়ের গঠন চিরতরে নষ্ট করে দিতে পারে? পহেলা বৈশাখের পর থেকে যখন গৃহিণীরা দীর্ঘক্ষণ রান্নাঘরে বা মেঝের কাজে ব্যস্ত থাকেন, তখন এই সমস্যাটি আরও প্রকট হয়ে ওঠে।
আমি ডা. রাজীব কুমার পাল। সুইজারল্যান্ডের AO Trauma এবং ভারতের ভেলোরে আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, বর্তমান সময়ে গোড়ালি ব্যথার অন্যতম প্রধান কারণ হলো 'প্লান্টার ফাসাইটিস', যার মূলে রয়েছে ঘরের শক্ত মেঝেতে খালি পায়ে হাঁটার অভ্যাস।
কেন শক্ত মেঝে ক্ষতিকর?
১. শক অ্যাবসর্পশন নেই: মাটি বা কার্পেটের মতো টাইলস শরীরের ভার শোষণ করতে পারে না। ফলে সব চাপ সরাসরি গোড়ালির হাড়ের ওপর পড়ে।
২. লিগামেন্টে টান: পায়ের তলার পেশি বা ফাসিয়া অতিরিক্ত প্রসারিত হয়ে ছোট ছোট ফাটল তৈরি করে, যা সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর তীব্র ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
৩. হিল স্পার: দীর্ঘদিনের অযত্নে গোড়ালির হাড়ে বাড়তি ক্যালসিয়াম জমে একটি সুচালো হাড় (Heel Spur) তৈরি হতে পারে।
পা ও গোড়ালি বাঁচাতে ৩টি গ্লোবাল অর্থোপেডিক সমাধান:
১. ইনডোর স্লিপার (Indoor Slippers): ঘরের ভেতর ব্যবহারের জন্য আলাদা এক জোড়া নরম সোলের চটি বা জুতো রাখুন। এটি পায়ের তলার আর্চকে সাপোর্ট দেবে এবং সরাসরি চাপ কমিয়ে দেবে।
২. বরফ মালিশ (Ice Massage): সারাদিন কাজ শেষে একটি পানির বোতলে পানি জমিয়ে বরফ করুন। সেই বোতলের ওপর পা রেখে ৫-১০ মিনিট রোল করুন। এটি প্রদাহ কমাতে জাদুর মতো কাজ করে।
৩. স্ট্রেচিং: ঘুমানোর আগে এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে বিছানায় বসেই পায়ের পাতা ও আঙুলগুলো নিজের দিকে টানুন। এটি আপনার পায়ের পেশিকে সচল রাখবে।
আপনার পা আপনার পুরো শরীরের ভার বহন করে। তাই একে সুস্থ রাখতে সামান্য সচেতনতা প্রয়োজন।
আপনার সেই মা, বোন বা বন্ধুদের এই পোস্টে মেনশন করুন যারা সারাদিন ঘরের ভেতর খালি পায়ে কাজ করেন। আপনার একটি শেয়ার হয়তো কাউকে গোড়ালির মারাত্মক যন্ত্রণা থেকে বাঁচিয়ে দেবে।
সুস্থ থাকুন, সঠিক পাদুকায় পা সুরক্ষিত রাখুন।
ধন্যবাদ।
ডা. রাজীব কুমার পাল
অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ ও ট্রমা সার্জন
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, খুলনা শাখা।
৩৭ কে ডি এ এভিনিউ, খুলনা (রুম নং: ৪০৪)।
সিরিয়াল: ০১৯৭৮ ১১৩৭০৬ / ০১৭৭৯ ৯০৩৫৯৮
#গোড়ালি_ব্যথা #টাইলস_সতর্কতা #সচেতনতা #খুলনা #হাড়ের_যত্ন #ব্যথামুক্তি
25/04/2026
গরম যত বাড়ছে, আমাদের চেম্বারে হাড়ের জয়েন্টে ব্যথার রোগীর সংখ্যাও তত বাড়ছে। অনেক সময় আমরা একে সাধারণ ব্যথা ভেবে ভুল করি, কিন্তু এর আসল কারণ হতে পারে শরীরে পানির অভাব বা ডিহাইড্রেশন।
আমি ডা. রাজীব কুমার পাল। সুইজারল্যান্ডের AO Trauma এবং ভারতের ভেলোরে আমার প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, হাড়ের জয়েন্টের সচলতা বজায় রাখতে ‘সাইনোভিয়াল ফ্লুইড’ বা পিচ্ছিল রসের ভূমিকা অপরিসীম। আর এই রসের প্রধান উপাদানই হলো পানি।
গরমে কেন জয়েন্টে ব্যথা বাড়ে?
১. লুব্রিকেন্ট কমে যাওয়া: শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে পানি বেরিয়ে গেলে জয়েন্টের ভেতরের লুব্রিকেন্ট ঘনত্ব হারায়। ফলে নড়াচড়া করার সময় হাড়ের ওপর হাড়ের ঘর্ষণ বাড়ে।
২. পুষ্টির অভাব: কার্টিলেজে কোনো রক্তনালী থাকে না, এটি কেবল পানির মাধ্যমেই পুষ্টি পায়। ডিহাইড্রেশনের ফলে কার্টিলেজ শুকিয়ে পাতলা হয়ে যায়।
৩. ইউরিক এসিড বৃদ্ধি: শরীরে পানির অভাব হলে রক্তে ইউরিক এসিডের ঘনত্ব বাড়তে পারে, যা জয়েন্টে জমা হয়ে তীব্র ব্যথা সৃষ্টি করে।
হাড় ও জয়েন্ট বাঁচাতে ৩টি গ্লোবাল হাইড্রেশন টিপস:
১. হাইড্রেশন রুল: প্রতিদিন অন্তত ৩ থেকে ৪ লিটার পানি পান নিশ্চিত করুন। মনে রাখবেন, পিপাসা পাওয়া মানেই আপনার শরীর অলরেডি ডিহাইড্রেটেড হয়ে গেছে।
২. ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স: কেবল সাদা পানি নয়, ডাবের পানি বা ঘরোয়া লেবুর শরবত পান করুন যা শরীরের পটাশিয়াম ও সোডিয়ামের মাত্রা ঠিক রাখে।
৩. ঠান্ডা স্থানে স্ট্রেচিং: প্রচণ্ড রোদে কাজ করার মাঝে বিরতি নিয়ে ঠান্ডা স্থানে বসুন এবং হালকা জয়েন্ট মুভমেন্ট করুন যাতে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে।
আপনার জয়েন্ট সুস্থ রাখতে আজই পানির বোতলটি সাথে নিন। আপনার সচেতনতাই আপনাকে পঙ্গুত্বের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।
আপনার সেই পরিচিত বন্ধুদের এই পোস্টে মেনশন করুন যারা এই গরমে বাইরে কাজ করেন। আপনার একটি শেয়ার হয়তো কাউকে দীর্ঘমেয়াদী হাড়ের ক্ষয় থেকে বাঁচিয়ে দেবে।
সুস্থ থাকুন, পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
ধন্যবাদ।
ডা. রাজীব কুমার পাল
অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ ও ট্রমা সার্জন
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, খুলনা শাখা।
৩৭ কে ডি এ এভিনিউ, খুলনা (রুম নং: ৪০৪)।
সিরিয়াল: ০১৯৭৮ ১১৩৭০৬ / ০১৭৭৯ ৯০৩৫৯৮
#হাড়ের_ব্যথা ্কতা #সুস্থতা #সচেতনতা #খুলনা #হাড়ের_যত্ন #ব্যথামুক্তি
24/04/2026
আমি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ শুধু মাত্র রেফার্ড করা রোগি দেখি। এই জন্য আনকেই আমার কাছে সহজে পৌছাতে পারে না।
শুধু রেফার করা রুগি দেখতেই ৭০ -৮০ জন কে দেখতে হয়। আর রেফার করা হয় সব জটিল রোগিদের। তাদের কে সময় ও দিতে হয় বেশি।
আপনার একটি সুস্থ আঙুলই হতে পারে আপনার ভাঙা আঙুলের শ্রেষ্ঠ ডাক্তার! প্লাস্টার ছাড়াই আঙুল জোড়া লাগানোর কৌশলটি জেনে নিন।
খেলার মাঠে বা ঘরের কোনো কাজে আঙুল মচকে যাওয়া বা সামান্য ফেটে যাওয়া খুব সাধারণ ঘটনা। অধিকাংশ মানুষই ভাবেন আঙুলের এই ফ্র্যাকচারের জন্য ভারি প্লাস্টার করতে হবে। কিন্তু আধুনিক স্পোর্টস মেডিসিন এবং অর্থোপেডিক্সে এখন "Buddy Strapping" বা "Buddy Taping" পদ্ধতিটি বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়।
আমি ডা. রাজীব কুমার পাল। সুইজারল্যান্ডের AO Trauma এবং ভারতের ভেলোরে আমার প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, সঠিক জায়গায় এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে প্লাস্টারের চেয়েও দ্রুত ফলাফল পাওয়া সম্ভব।
বাডি স্ট্র্যাপিং কীভাবে কাজ করে?
এই পদ্ধতিতে আপনার আহত আঙুলটিকে তার পাশের সুস্থ আঙুলটির সাথে মেডিকেল টেপ দিয়ে আটকে দেওয়া হয়। এতে সুস্থ আঙুলটি একটি জীবন্ত বা প্রাকৃতিক সাপোর্ট (Splint) হিসেবে কাজ করে এবং আহত আঙুলটিকে সঠিক অবস্থানে ধরে রাখে।
কেন এই পদ্ধতিটি সেরা?
১. জয়েন্ট সচল থাকে: প্লাস্টারের মতো পুরো আঙুল অকেজো হয় না, ফলে জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে না।
২. পরিচ্ছন্নতা: আপনি সহজেই হাত ধুতে বা পরিষ্কার করতে পারেন, যা প্লাস্টারের ভেতরে সম্ভব নয়।
৩. রক্ত সঞ্চালন: এটি রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে এবং মাংসপেশিকে দুর্বল হতে দেয় না।
সতর্কতা:
কখনোই দুটি আঙুল সরাসরি চামড়ার সাথে চামড়া লাগিয়ে বাঁধবেন না। মাঝখানে অবশ্যই পাতলা তুলা বা গজ কাপড় ব্যবহার করবেন। বাঁধন যেন খুব বেশি টাইট না হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।
আঙুলের আঘাতকে অবহেলা করবেন না। যদি ব্যথা তীব্র হয় বা আঙুল অস্বাভাবিকভাবে বেঁকে যায়, তবে দেরি না করে একজন বিশেষজ্ঞ অর্থোপেডিক সার্জনের পরামর্শ নিন।
সুস্থ থাকুন, আধুনিক চিকিৎসায় বিশ্বাস রাখুন।
ধন্যবাদ।
ডা. রাজীব কুমার পাল
অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ ও ট্রমা সার্জন
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, খুলনা শাখা।
৩৭ কে ডি এ এভিনিউ, খুলনা (রুম নং: ৪০৪)।
সিরিয়াল: ০১৯৭৮ ১১৩৭০৬ / ০১৭৭৯ ৯০৩৫৯৮
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the practice
Telephone
Website
Address
Popular Diagnostic Center, 37 KDA Avenue, Khulna, Room No 404
Khulna
9000