SkillBurg Technology
08/03/2023
সময় মাত্র ৩ দিন এখনিই ফ্রি এনরোল করে নিন :)
আর পেজটা ফলো করে রাখুন!
WordPress and Masterstudy LMS এর কম্বিনেশনে এক্টা ফুল সাইট দাড় করিয়ে ফেলা সম্ভব। এই নিয়ে প্রিমিয়াম একটি রিসোর্স আছে ইউডেমিতে। ইংরেজিতে করা। কেউ চাইলে নেক্সট ৩ দিনের মধ্যে নিচের লিংকে গিয়ে ফ্রি তে জয়েন করতে পারবেন।
যারা এডুকেশনাল সাইট বিল্ড করতে চান,ক্লায়েন্টের কাজ করেন কিংবা পার্সোনাল সাইট রেডি করতে চান তাদের জন্য এটা ভালো একটা সুযোগ ।
এখানে Masterstudy নিয়ে একদম সম্পুর্ণ ভিডিওতে দেখানো হয়েছে।
So Don’t miss the chance to know more.
link check করুন কমেন্টে (y)
23/03/2022
র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি(ইংরেজি: Random access memory), সংক্ষেপে র্যাম (RAM) হল এক ধরনের কম্পিউটারের উপাত্ত (ডাটা) সংরক্ষণের মাধ্যম। র্যাম থেকে যে কোন ক্রমে উপাত্ত "অ্যাক্সেস" করা যায়, এ কারণেই একে র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি বলা হয়। র্যান্ডম শব্দটি দিয়ে এখানে বুঝানো হয়েছে - যে কোনো উপাত্ত (তার অবস্থানের উপরে নির্ভর না করে) ঠিক একই নির্দিষ্ট সময়ে উদ্ধার করা যায়। রক্ষনাত্নক দৃষ্টিতে, আধুনিক ডির্যামগুলো র্যান্ডম এ্যাকসেস মেমোরি নয় (যেভাবে এগুলো ডাটা রিড করতে পারে)। একইসাথে, বিভিন্ন ধরনের এসর্যাম, রম, ওটিপি এবং নর ফ্ল্যাশ ইত্যাদি র্যান্ডম এ্যাকসেস মেমোরি। র্যামকে ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয় কারণ এতে সংরক্ষিত তথ্য বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর আর থাকে না। আরও কিছু নন-ভোলাটাইল মেমোরি (যেগুলোতে বিদ্যুত চলে যাওয়ার পরও তথ্য মুছে যায় না) যেগুলো রক্ষনাত্মক দৃষ্টিতে র্যাম সেগুলো হল রম, একধরনের ফ্লাশ মেমোরি যাকে নর-ফ্লাশ বলে। প্রথম র্যাম মডিউল বাজারে আসে যেটা তৈরী হয়েছিল ১৯৫১ সালে এবং ১৯৬০ দশকে এবং ১৯৭০ দশকের প্রথমদিকে বিক্রি হয়েছিল। যাইহোক, অন্যান্য স্মৃতি যন্ত্রাংশ (চৌম্বকীয় টেপ, ডিস্ক) তাদের জমাকৃত স্মৃতিতে নিশ্চিতভাবে প্রবেশ এবং ব্যবহার করতে পারে সবসময়ের জন্য।
তথ্য সূত্রঃ wikipedia
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
West Barandipara
Jessore
7400