Ayurbedic Tips BD

Ayurbedic Tips BD

Share

26/04/2026

মুখের এলার্জি দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়:

শিশু এবং শিশুদের মধ্যে ত্বকের এলার্জির একটি নিরাপদ ঘরোয়া উপায় হলো নারকেল তেল। এক চা চামচ নারকেল তেল হালকা গরম করুন এবং এটি আক্রান্ত স্থানে লাগান। প্রায় ৩০ মিনিট রাখার পর হালকা গরম জলে ধুয়ে ত্বক শুকিয়ে নিন। নিরাময় না হওয়া পর্যন্ত এটি দিনে ৩ থেকে ৪ বার ব্যবহার করুন।

তুলসী:

তুলসীতে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি রয়েছে যা ত্বকের চুলকানি হ্রাস করে। এক মুঠো তুলসী পাতা ভালো করে ধুয়ে নিন। পরে পাতাগুলি পেস্ট করে নিন। আক্রান্ত স্থানে পেস্টটি লাগিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। স্বস্তির জন্য দিনে কয়েকবার লাগাতে পারেন এই পেস্ট।

নিম পাতা:

নিম পাতা ত্বকের লালচেভাব, ফোলাভাব এবং চুলকানি দূর করতে দারুন কাজ করে।

বেশ কয়েকটি নিম পাতা পেস্ট করে আক্রান্ত স্থানে প্রয়োগ করুন। ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

অ্যালোভেরা:

অ্যালোভেরা জেল প্রাকৃতিক ওষধি এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে অনেক প্রাকৃতিক নিরাময়ের প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়। এটি পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াটিকে গতি দেয় এবং প্রশস্ত স্বস্তি দেয়, এটি দেহের ত্বকের অ্যালার্জির অন্যতম সেরা প্রতিকার।

পাতা থেকে এক চা চামচ জেলটি বের করুন বা কিনে নেওয়া অ্যালোভেরা পণ্য থেকে এক চা চামচ জেলটি বের করুন। পরে আক্রান্ত স্থানে জেলটি সরাসরি ছড়িয়ে দিন।

প্রায় ৩০ মিনিট ধরে রেখে এটি ধুয়ে ফেলুন। কয়েকদিন এক নাগারে দিনে তিনবার প্রয়োগ করুন, ভালো ফল পাবেন।

কোল্ড শাওয়ার:

একটি ঠাণ্ডা স্নান ত্বকের জ্বালা এবং এলার্জি হ্রাস করতে সহায়তা করে। একটি শীতল ঝরনা আপনার রক্তনালীগুলি সঙ্কুচিত করতে সহায়তা করে এবং হিস্টামিন বেরোতে দেয় না। এটি অ্যালার্জির তীব্রতা এবং ত্বকের জ্বালাও হ্রাস করে।

অলিভ অয়েল:

অতিরিক্ত ভার্জিন জলপাই তেল ময়েশ্চারাইজার হিসেবে আশ্চর্য করে। ভিটামিন ই সমৃদ্ধ এ তেল চুলকানি হ্রাস করে।
©

03/11/2022

দইয়ের গুণাগুণ

দই উষ্ণবীর্য, অগ্নি-উদ্দীপক, কষায় অম্লরস, অম্লবিপাক, গুরুপাচ্য ও মলসংগ্রাহক। দুই শোথ, রক্তপিত্ত ও মেদ দমন করে, কিন্তু কফ বৃদ্ধি করে। অরুচি, অতিসার, মূত্রকৃচ্ছ্র, শীতজ্বর এবং বিষমজ্বরে দধির ব্যবহার আয়ুর্বেদ শাস্ত্রসম্মত। দুই একদিকে যেমন শক্তিবর্ধক, অপরদিকে সেরকম বীর্যবর্ধক।

গরুর দই : এটিই দইয়ের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। বলকারক, পবিত্র, মধুর রসসম্পন্ন, স্নিগ্ধ, বায়ুনাশক ও পুষ্টিকারক।

মহিষের দই : এ দুই খুবই স্নিগ্ধ, শ্লেষ্মাকারক, মধুরবিপাক, গুরুপাচ্য, শুক্রকারক এবং বাত-পিত্তনাশক।

ছাগলের দই : এ দুই সংগ্রহী, লঘুপাচ্য, অগ্নি-উদ্দীপ ও বায়ু-পিত্ত-কফনাশক। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে এ দুই শ্বাস, অর্শ, ক্ষয় এবং কাশরোগে ব্যবহার্য।

দই সম্পর্কে জ্ঞাতব্য : চিনি মিশ্রিত দধি সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ। এ দই পিপাসা ও দাহ নাশ করতে সক্ষম। রক্তপিত্ত নাশ কেরতেও এর প্রচুর অভাব আছে।
রাত্রিকালে দই খাওয়া নিষিদ্ধ। তবে দইয়ের সাথে ঘি এবং পানি মিশিয়ে খেলে কোনও অপকার করে না। রক্তপিত্ত রোগে দধি খাওয়া নিষিদ্ধ।

দই সর : দইয়ের সরকে চলতি কথায় মাত বলা হয়। এটি হল দইয়ের ওপরের স্নেহযুক্ত ঘনীভূত পদার্থ। আবার দই মণ্ডকেও মাত বলা হয়।

দইয়ের সর মধুর রক্তসম্পন্ন, শুক্রবর্ধক, অগ্নিনাশক, বায়ুনাশক এবং গুরুপাক। ভাতের সাথে খেলে এটি কফ এবং পিত্তবর্ধক হয়।

দইয়ের মাত ক্লান্তি দূর করে, শক্তিবর্দ্ধক, পিপাসানাশক, লঘুপাচ্য ও তৃপ্তিজনক। এটি তাড়াতাড়ি মল বিরোচনে অসামান্য ফলদান করে।

02/11/2022

বরবটী

বরবটী : আমরা এর তরকারী করে খাই। এটি বর্ষজীবী লতানে উদ্ভিদ। লতানে হলেও এতে কোনও আকর্ষণ থাকে না। আকর্ষণ না থাকলেও এ গাছ বেড়া, মাচা বা কোনও গাছকে আশ্রয় করে বেড়ে ওঠে। এ গাছের পাতাগুলো আলকুশী পাতার মত দেখতে হয়। ফুলগুলো হলদে বা লালচে হয়।

রোগে ব্যবহার :
১। সর্দির ধাত হলে : অনেকের কথায় কথায় সর্দি লেগে যায়, প্রায়ই সর্দিতে কষ্ট পায়। এ অবস্থায় বালি খোলায় ছোলা ভাজার মত বরবটীর বীজ ভাজুন, তারপর বার্লির মত রান্না করে ছেঁকে নিন। এবার সে পানিটা খাবেন, খুবই উপকার পাবেন।

২। পাতলা পায়খানায় : বরবটী বীজ বালিতে ভেজে, তাকে ভেঙ্গে খোসা বাদ দিয়ে মিহি করে গুঁড়া করুন। সে গুঁড়া সকালে ও বিকালে দু’বার খাবেন ১ গ্রাম পরিমাণে পানিসহ। পায়খানা শক্ত হবে।

৩। শুক্র স্বল্পতায় : শুক্র স্বাভাবিকের তুলনায় স্বল্প হলে, বরবটীর বীজ বালিতে ভেজে, খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবার একে চূর্ণ করে, সে চূর্ণ ৮ থেকে ১০ গ্রাম পরিমাণ নিয়ে ১ কাপ দুধ ও ৩ কাপ পানি দিয়ে সিদ্ধ করুন। তারপর সেটা রোজ একবার করে খাবেন। এভাবে ৭ থেকে ১০ দিন খেলে উপকার পাবেন।

Want your practice to be the top-listed Clinic in Jessore?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Jessore