Want To Know
03/06/2023
১৯ শতকের বিখ্যাত কবি,,বাংলার সনেটের জনক,, মহাকবি,,এরকম আরো বিশেষণ তার নামের পাশে বসানো যায়।।ক্যাপটিভ ল্যাডী,,মেঘনাদবধ কাব্য,,নাটক শর্মীষ্ঠা,,বিখ্যাত সনেট কপোতাক্ষ নদ আরো বিখ্যাত সব কীর্তি যে মহৎ ব্যাক্তিটার তিনিই মাইকেল মধুসুদন দত্ত। ১৮২৪ খ্রীষ্টাব্দের ২৫ শে জানুয়ারী যশোরের ছায়াসুনিবিড় সাগরদাড়ি গ্রামে জমিদার রাজনারায়ন দত্তের ঘরে প্রতীভাবান শিশু জন্মগ্রহণ করেন।কে জানতো এই শিশুটিই পরবর্তীতে কতগুলো বিশেষণের অধিকারী হবে।নিচে সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেওয়া হলো:
নাম : মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
জন্ম : ২৫ শে জানুয়ারী
জন্মস্থান : যশােহর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে।
ছদ্দনাম : টিমোথি পেনপোয়েম।
অভিভাবক: পিতা ও মাতা
রাজনারায়ণ দত্ত (বাবা)।
জাহ্নবীদেবী (মা)।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্য –
তিলোত্তমা সম্ভব, ১৮৬৩।
দ্য ক্যাপটিভ লেডি, ১৮৪৯।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য –
মেঘনাদবধ কাব্য, ১৮৬১।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের সনেট –
চতুর্দশপদী কবিতাবলী, ১৮৬৫।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক –
শর্মিষ্ঠা ১৮৫৯ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক।
কৃষ্ণকুমারী ১৮৬১।
পদ্মাবতী ১৮৬০।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রহসন –
বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ ১৮৬০।
একেই কি বলে সভ্যতা ১৮৬০।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের পরলোক গমন:
১৮৭৩ খ্রি : ২৯ শে জুন কবির জীবন – সঙ্গিনী হেনরিয়েটা মারা গেলেন । হেনরিয়েটার মৃত্যুতে কবি ভীষণভাবে ভেঙ্গে পড়েন । তিন দিন পরে তিনিও হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন । সে দিনটি হল ১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ শে জুন রবিবার । বঙ্গ ভারতীর দামাল পুত্র কবি মধুসূদন ভিক্ষুকের মতাে নিঃস্ব অবস্থায় আলিপুর , কলকাতার এক হাসপাতালে পরলােক গমন করেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Jessore