Leonardo Raz
22/10/2023
বাংলা সালতানাতের উপর লেখা ঐতিহাসিক ফিকশন “শেষ উত্থান” উপন্যাসের অংশ বিশেষ।
ঘোড়সওয়ার এগিয়ে এসে অভিবাদন করে দাউদ শাহের হাতে সিল করা খাপটা তুলে দিলো৷ সিল ও খাপ ছিঁড়ে সুলতান ভিতরের চিঠিটা বার করে পড়তেই আতঙ্কে তার মুখ রক্তশূণ্য হয়ে গেলো৷
- আহমেদ আমার ঘোড়া নিয়ে এসো৷ বেশি লোকের দরকার নেই শুধু তুমি আর দুজন সুবেদার আমার সাথে যাবে৷ জলদি করো আমরা এখনি বের হবো৷
- বাকিদের কি জানাবো?
- এখন দরকার নেই৷ আর মেহমেদেরও এখন যাওয়ার দরকার নেই৷ মেহমেদ তুমি যতদিন ইচ্ছা থাকতে পারো৷ চাইলে ফিরোজাবাদে চলে যেতে পারো তবে এখন না৷ রাতে তোমার বের হওয়া ঠিক হবেনা আর সবসময় অস্ত্র সাথে রাখবে এই জঙ্গলে মারাত্মক সব জানোয়ারের অভাব নেই৷
- ঠিক আছে জাঁহাপনা।
সেদিন সারারাত ঘোড়া ছুটিয়ে সুলতান যখন ফিরোজাবাদ প্রাসাদে ঢুকলেন তখন পুবের আকাশে সোনার রং ধরতে শুরু করেছে। প্রাসাদের অর্ধেক মানুষ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। খাসমহলের ফটকে প্রধদান দ্বাররক্ষীর সঙ্গে দেখা হলো বাদশাহর।
- জাঁহাপনা আপনি হঠাৎ এখানে!
- হাসানের জ্বরের খবর শুনে ওখানে কি আর বসে থাকা যায়।
- শাহজাদার জ্বর! কই তিনি তো একটু আগেই বের হলেন ফজরের নামাজের জন্য।
- আমার কাছে তো প্রাসাদ থেকেই খবর এলো যে হাসানের প্রচণ্ড জ্বর হয়েছে আর হাঁপানি আরও বেড়ে গেছে৷
- জাঁহাপনা সম্পূর্ণ ভুল খবর৷ ওইতো শাহজাদা আসছেন৷ দেখুন।
জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেন দাউদ শাহ। হাসান প্রাসাদে ঢুকেছে। খাসমহলের নিচের পাথরবাধানো পথ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে বাগানের দিকে৷ বাগানে এসেছে তার পরিবারের সবাই৷ নিজের ছেলেমেয়েদের সুস্থ দেখে হাফ ছাড়লেন তিনি৷ হঠাৎ তাঁর খেয়াল হলো কি ভয়ানক এক ভুল তিনি করে ফেলেছেন।
- গাজী মিয়া তাহলে আমাকে কেন কেউ ভুল খবর দিবে। আমায় ভুল খবর দিয়ে কার কি লাভ।
হঠাৎ দরজা খুলে গেল। গাজী মিয়া পিছু হটে ঘর থেকে বেড়িয়ে গেলেন৷ আর সাথে সাথে উল্টোদিকের দরজা দিয়ে ঢুকলো হাসান ও এসমাহান। দুজনকেই কাছে টেনে নিয়ে বসলেন তিনি। সমস্ত চিন্তাকে ঝেড়ে ফেলে ছেলেমেয়েকে আদর করতে করতে দরজায় দাঁড়ানো দাসীদের আদেশ দিলেন সকালের খাবার আনার৷ তার যে হিসেবের একটা বড়সড় গরমিল হয়েছে সেই চিন্তাটা হাসান আর এসমাহানের হাসির নিচে চাপা পড়ে গেলো৷
★
- সেলিম বুঝার চেষ্টা করো এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর আসবেনা৷ মাত্র পাচঁ জন সিপাহিকে মেরে ফেললে মেহমেদ আমাদের হাতের মুঠোয়৷
- ওই পাঁচজনের একজনও যদি বেঁচে যায় তাহলে গর্দান যাবে আমাদের।
- নিজেকে সিংহাসনে বসাতে চাইছো আর পাঁচজন সাধারণ সিপাহিকে মারতে ভয় পাঁচ্ছো। মেহমেদ হলে এতক্ষণে পাঁচ জনের কাটা মাথা মাটিতে পড়ে যেতো।
- খবরদার আমার সাথে ওর তুলনা দিবেন না৷
- তুলনা দেওয়ার সুযোগ তুমিই করে দিচ্ছো ওকে বাচিয়ে রেখে।
- তাহলে আর সুযোগ দিবোনা৷ যা করার আজই করে ফেলুন৷
- সেজন্যই তো দাউদকে এখান থেকে সরিয়ে দিয়েছি। তুমি নিশ্চিন্তে থাকতে পারো মেহমেদ কাল সকালের সূর্য দেখতে পাবেনা৷
- তারপর?
- তারপর দাউদ, জুনাইদ আর হাসানের পালা।
সবার অলক্ষ্যে তাঁবুর বাইরে একজোড়া পা টলতে টলতে টেনে নিয়ে চলেছিলো ১০ বছরের এক শিশুর শরীরকে ৷ মেহমেদের চারপাশের পৃথিবীটা ভেঙে পড়ছিলো চুরমার হয়ে। এতদিন ধরে কতলু খাঁর স্বভাব যে অস্বস্তিটা সে লক্ষ্য করেছে তার কারণ এটা৷ সেলিম আর কতলু খাঁ এতো বড় বিশ্বাসঘাতক। তারা এই বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারলো তাও খোদ নিজের ভাইয়ের সাথে, বাবার সাথে এমনকি স্বয়ং বাদশাহর সাথে৷
দুপুর গড়িয়ে গেলো। মেহমেদ এখনও টলছে, বারবার সে নিজেকে বোঝাতে চাইছে সে যা শুনেছে তা ভুল৷ কিন্তু সূর্য যত পশ্চিমে ঢলতে লাগলো মেহমেদের মনে আতঙ্ক ততই বাড়তে লাগলো। সন্ধ্যার কিছু পরে মেহমেদ নিজের তাঁবুতে বসে ছিলো। তলোয়ারটা বারবার বের করে দেখছে সে৷ কোমরের পিস্তলটায় গুলি সত্যিই আছে কিনা দেখসে সে৷ হঠাৎ দুটো তীর ছুটে এলো তাকেই লক্ষ্য করে৷ কোনো রকমে নিজেকে বাচিঁয়ে ঘুরে দাড়াতেই কতলু খাঁ ও সেলিম তার সামনে এসে দাঁড়াল। দুজনের হাতের তলোয়ার রক্তে ভেসে যাচ্ছে। হাতের বন্দুক তুলতে গিয়ে ঘোড়ার উপর চাপ পড়তেই কানফাটানো শব্দে গুলি বেড়িয়ে এলো৷ আর সেটা লাগলো সেলিমের বুকে কতলু খাঁ তার দিকে ছুটে যেতেই মেহমেদ তলোয়ারের কোপ বসালো তার কাধে৷ তারপর তীরবেগে ছুটে গেলো বাইরে৷ কোনোরকমে ঘোড়ার পিঠে উঠে পড়লো সে কিন্তু ঘোড়া। ছোটানোমাত্র পিছন থেকে ধেয়ে এলো কয়েকটি তীর আর গুলি৷ একটা গুলি তার কাঁধের চামড়া ছিঁড়ে বেরিয়ে যেতেই সে টাল সামলাতে না পেরে পড়ে গেলো নদীর পানিতে৷ স্রোতের দিকে আহত অবস্থাতেই প্রাণপণে সাতার কাটতে লাগলো সে৷ কোনোক্রমে পাড়ে উঠে আবারও প্রাণপনে ছুটতে শুরু করলো মেহমেদ৷ কিন্তু গুলিতে আহত এক দশ বছরের বালকের শরীর কতক্ষণই বা লড়াই করতে পারে৷ কিছুক্ষন পরই টলতে টলতে নদীর পানিতে পড়ে গেলো সে। অতল স্রোতে ডুবে যাওয়ার ঠিক আগে একটা ভাসমান কাঠের টুকরো আঁকড়ে ধরলো সে৷ স্রোতের তীব্র টানে সে ভেসে চললো। এভাবে কতক্ষন কেটেছে সে জানেনা৷ বারবার জ্ঞান হারিয়েছে সে৷ আবার জ্ঞান ফিরে এলেই স্রোতের দিকে সাতার কেটেছে। আকাশের অন্ধকার আস্তে আস্তে কেটে যাচ্ছে। হঠাৎ হাত ফসকে কাঠের টুকরোটা ভেসে যেতেই নদীই তার কবর। এসব ভাবতে ভাবতেই আবার সে ঘুমিয়ে পড়েছে৷...
বইটই অ্যাপে উপন্যাসের বাকি অংশ পড়ুন ই-বই "শেষ উত্থান"
https://link.boitoi.com.bd/Yx6T
18/08/2023
মাসুদ রানা ফ্রাঞ্চাইজির প্রথম মুভি “MR9: Do or Die” এর বাজেট ছিল ৮৩ কোটি যার ৬০% চলে গেছে হলিউড cast এর জন্য। প্রোডাকশনে খুব বেশি খরচ করতে না পারলেও মুভিটা বাংলাদেশের যেকোনো মুভির চেয়ে সেরা৷ কারণ মুভিটার ৯০% প্রোডাকশন হলিউডের এবং ১০% বাংলাদেশের।
মাসুদ রানার ২য় সেকুয়্যাল “MR9: Sky Dance” এর বাজেট ধরা হয়েছে ৫০০ কোটি। পুরোটাই গ্লোবাল অডিয়েন্স এর কথা মাথায় রেখে নির্মাণ করা হবে এর চেয়েও আরো উন্নত কোয়ালিটিতে। মাসুদ রানা হচ্ছে বাংলার জেমস বন্ড, গ্লোবাল অডিয়েন্সে মাসুদ রানা বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করবে যা সত্যিই গর্বের বিষয়।
29/07/2023
ভয়েজার-১ নামক স্পেসক্রাফটটি পৃথিবী ত্যাগ করে ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বরে।
৪০ বছর কেটে গেছে। ৮২৫ কিলোগ্রাম ওজনের ভয়েজার-১ আর পৃথিবীর মধ্যকার দুরত্ব এখন প্রায় ১৪ বিলিওন মাইল!
'লং ডিসটেন্স রিলেশনশিপ'এর সবচেয়ে বড় উদাহারণ হয়ে ভয়েজার-১ এখনো পৃথিবীর মানুষের সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছে!
ভয়েজার বৃহষ্পতি গ্রহকে অতিক্রম করেছে ১৯৭৯ সালে। যাত্রাপথে সে আমাদেরকে পাঠিয়েছে বৃহষ্পতির ছবি। আমরা দেখেছি দানবগ্রহ বৃহষ্পতির বুকে ১৮৮ বছর ধরে বয়ে চলেছে এক দানবঝড় - দ্যা গ্রেট রেড স্পট। এই ঝড়ের আয়তন তিনটা পৃথিবীর সমান!
ভয়েজার-১ শনি গ্রহ অতিক্রম করে ১৯৮০ সালে। ভয়েজার আমাদেরকে জানিয়েছে শনিকে প্রদক্ষিণ করছে আরো অনেকগুলো বরফের তৈরী চাঁদ!
ভয়েজার তাঁর সর্বশেষ ছবিটি তুলেছিলো ১৯৯০ সালের ভালোবাসার দিবসে। অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারিতে। সর্বশেষ এই ছবিটি ভয়েজার তুলেছিলো কার্ল স্যাগান নামক একজন খেয়ালী বিজ্ঞানীর অনুরোধে।
'কার্ল স্যাগান' নামটি ভয়েজার-১এর সাথে মিশে আছে একটু ভিন্নভাবে। সংক্ষেপে বলা যাক।
ভয়েজার ১ তৈরির কাজ তখন প্রায় শেষ। নাসা দ্রুত ভয়েজারকে অনন্ত মহাশূণ্যের উদ্দেশ্যে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
৪০ বছর বয়েসী কার্ল স্যাগান তখন ভাবলেন একটা ভিন্ন ব্যাপার। তিনি ভাবলেন, এই স্পেসক্রাফটটি তো চলতেই থাকবে। এর গতি কমবে না, বরং বাড়বে। এক সময় এটা আমাদের সৌর জগতকে ছেড়ে চলে যাবে। হয়তো ছেড়ে যাবে আমাদের মিল্কিওয়ে ছায়াপথকেও। এমনও সময় আসবে যখন ভয়েজার থেকে আমাদের দূরত্ব হবে কয়েক হাজার আলোকবর্ষ। এই দূরতম বন্ধুর সাথে আমাদের আর কোনো যোগাযোগই তখন থাকবেনা। কে বলতে পারে এই ভয়েজার কোনোদিন কোনো বুদ্ধিমান প্রাণীর দেখা পাবে না!
কী হবে যদি কয়েক কোটি আলোকবর্ষ দূরের কোনো স্বজনের সাথে দেখা হয় ভয়েজারের!
কার্ল স্যাগান দূরতম সেই স্বজনদের জন্য বার্তা এবং উপহার পাঠাতে চাইলেন।
নাসায় কমিটি তৈরী করা হলো। স্যাগান হলেন কমিটির প্রধান। এক বছর ধরে চললো ভীনগ্রহের স্বজনদের জন্য বার্তা সংগ্রহের কাজ।
৫৫ টি ভাষায় 'হাই' জানানো হলো দূরতম স্বজনদের।
প্রথম জানালেন, তৎকালিন জাতিসংঘের মহাসচিব কার্ট ওয়াল্ডহেইম। তিনি বললেন, "I send greetings on behalf of the people of our planet. We step out of our solar system into the universe seeking only peace and friendship, to teach if we are called upon, to be taught if we are fortunate."
আছে বাংলা ভাষাও। কন্ঠ দিয়েছেন সুব্রত মূখার্জি। তিনি বলেছেন 'নমস্কার, বিশ্বের শান্তি হোক।'
পাঠানো হলো বৃষ্টির শব্দ, বাতাসের শব্দ, হাসির শব্দ। হেসেছিলেন কার্ল স্যাগান নিজেই।
পাঠানো হলো পাখির ডাক, ঝিঝি পোকার ডাক।
ভয়েজারের সাথে পাঠানো হলো ৯০ মিনিট দীর্ঘ গান এবং সুর। এর মধ্যে ছিলো সাড়ে তিন মিনিটের একটি ভারতীয় সুরও।
অচেনা স্বজনদের জন্য ছবি পাঠানো হলো ১১৬টি। এর মধ্যে আছে আমাদের ডিএনএর ছবি, হাঁড়ের ছবি,পাখির ছবি, সূর্যদয়ের ছবি, সূর্যাস্তের ছবি, নারী পুরুষের জননাঙ্গের ছবি, মিলনের ছবি! খাওয়ার ছবি, পান করার ছবি, শিশুকে স্তন পান করানোর ছবি!
যুদ্ধ আর অস্ত্রের ছবি পাঠানোর কথা থাকলেও পরে আর পাঠানো হয়নি।
কার্ল স্যাগান তখন ভয়েজার-১ এর জন্য 'গোল্ডেন রেকর্ড' তৈরীর কাজে দিনরাত ব্যাস্ত এবং ভীষণ উত্তেজিত।
একদিন ভোরবেলা তিনি তার সুন্দরী সহকর্মী অ্যান ড্রুয়ানকে ফোন করলেন। কিছুক্ষণ কথা বলার পর ফোন রেখে দিলেন।
ফোন রাখার পর স্যাগান আবিষ্কার করলেন তিনি ড্রুয়ানের প্রেমে পড়েছেন! স্যাগান মনের কথা জানালেন ড্রুয়ানকে। ড্রুয়ান জানালেন, তিনিও...।
এরপর কার্ল স্যাগান করলেন আরেক ছেলেমানুষী কাজ। তিনি তাঁর প্রেমিকাকে এক ঘন্টা চুপচাপ শুয়ে থেকে পৃথিবীর কথা, মানব সভ্যতার কথা এবং স্যাগানের প্রতি তাঁর ভালোবাসার কথা ভাবতে বললেন।
বেচারী ড্রুয়ান এক ঘন্টা চোখ বন্ধ করে এসব ভাবলেন। এই সময় তাঁর ব্রেইনওয়েভ রেকর্ড করা হলো।
এই ব্রেইনওয়েভও জুড়ে দেয়া হলো ভয়েজার ওয়ানের সাথে!
ভয়েজার ওয়ান ৪০ বছর থেকে ছুটছে।
যাত্রার ১৩ বছর পর ভয়েজার-১ তখন পৃথিবী থেকে ৬ বিলিওন কিলোমিটার দূরে। আমাদের সৌরজগতকে শুভ বিদায় জানাচ্ছে এই স্পেসক্রাফট।
কার্ল স্যাগান তখন তাঁর শেষ পাগলামীটা করলেন। নাসার বিজ্ঞানীদের তিনি অনুরোধ করলেন এত দূরত্ব থেকে ভয়েজার-১ পৃথিবী নামক গ্রহের একটা ছবি তুলে পাঠাক।
অনেক বিজ্ঞানীদের আপত্তি ছিলো। তারা বলেছিলেন ভয়েজারের ক্যামেরা পৃথিবীর দিকে ঘুরালে সূর্যের আলোতে সেটার ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু স্যাগানের অনুরোধে শেষবারের মতো পৃথিবীর ছবি তুলেছিলো ভয়েজার-১। একটা বিন্দুর চেয়েও ছোট দেখাচ্ছিলো আমাদের প্রিয় পৃথিবীকে!
কার্ল স্যাগান মারা গেছেন ১৯৯৬ সালে।
ভয়েজার -১ আমাদের সৌরজগতকে চির বিদায় বলেছে ১৯৯০ সালেই। হেলিওশিথকে বিদায় বলেছে ২০১২ সালে। ভয়েজার -১ এখন আছে ইন্টারস্টেলার স্পেসে। নিঃসীম শীতল অন্ধকারে ঘন্টায় ৬২ হাজার কিলোমিটার বেগে ছুটে চলেছে ভয়েজার-১।
আর কয়েকটা বছর মাত্র। তারপর আমরা যোগাযোগ হারিয়ে ফেলবো আমাদের দূরতম এই বন্ধুটির সাথে। ... এবং তারপর কোথায় যাবে ভয়েজার-১, কোথায় থাকবে আমাদের প্রিয় গ্রহের কয়েক কিলোবাইট স্মৃতি আমরা জানতে পারবো না কোনোদিনও!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Jessore
7407