Travel With Rimon
রিমনের পায়ে হেঁটে দেশ ভ্রমণ || ১ম দিনঃ (৯ অক্টোবর ২০২০)
23/12/2021
্ব / #৪র্থ_দিনঃ
১৫-১১-২০২০
ভোরে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে আংকেলের সাথে নাস্তা করতে করতে কিছু সময় গল্প করলাম। তিনি আমাকে উপহার স্বরূপ কিছু টাকা দিলেন। তারপর তাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বের হয়ে #গাংনী বাস স্টান্ড থেকে হাটা শুরু করি।আমার দেখা যতগুলো উপজেলা আছে তার মধ্যে #গাংনী_পরিষ্কার_পরিচ্ছন্ন_উপজেলা। হাঁটতে হাঁটতে #কুষ্টিয়া_মেহেরপুর হাইওয়ে ধরে #জোড়পুকুরিয়া_বাজারে পৌছালাম। সেখানে একটা হোটেলে লুচি দেখে ঢুকে পড়লাম। লুচি আর মিষ্টি খেয়ে আবার হাটা শুরু করলাম। রাস্তার অবস্থা খুব একটা সুবিধার না। অনেক ভাঙাচোরা ও সরু। অনেক বড় বড় গাড়ি চলে রাস্তায়। পথচারীদের হাঁটার মতো জায়গা নেই রাস্তার পাশে। বড়ো গাড়ি সাইট দিয়ে দিয়ে হাঁটতে কষ্ট হয়ে গেল। হাঁটতে হাঁটতে #তেরাইল_জোড়পুকুরিয়া_ডিগ্রী_কলেজের সামনে এসে একটা গাছের নিচে বসে কিছু সময় বিশ্রাম নিলাম। সেখানে একজন মধ্যবয়সী কৃষক আসলো এবং সে তার সহজ সরল মনে আমাকে জিজ্ঞেস করলো তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে তুমি খুব ক্লান্ত তুমিতো এই গ্রামের লোক না। কার বাসায় বেড়াতে এসেছো? আমি তাকে সব কিছু বললাম।কিন্তু সে বিশ্বাস করলো না। সে আমার পাসে এসে বসে একটা বিড়ি ধরালো আর বললো আমি লেখা পড়া জানিনা তোমার গেঞ্জিতে যা লেখা আছে পড়ে শুনায়। আমি পড়ে শুনালাম। তার পরে সে আমাকে বললো আমি বুঝতে পারছি তুমি #গোয়েন্দার লোক। তদন্ত করতে এসেছো। আমার অনেক কাজ আছে আমি গেলাম। তুমি সাবধানে থেকো। জমানা ভালো না। সে আর আমাকে কোনো কথা বলার সুযোগে না দিয়ে দ্রুত উঠে চলে গেলো। আমি কিছু সময় বসে আবারও হাটা শুরু করলাম। #তেরাইল_বাজার পার হয়ে হাটতে হাটতে এক অজানা নদীর সেতু পার হয়ে কিছুটা সামনে গিয়ে একটা বড় #দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে গেলাম। একটা ট্রাক পেছন থেকে এসে প্রায় আমার গা ঘেসে চলে গেলো। আমার সাইটে সামান্য একটু যায়গা ছিল। একেবারে অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলাম আল্লাহর ইচ্ছায়।তারপর হাঁটতে হাঁটতে #বামুন্দি_বাজারে গিয়ে একটা ছোট হোটেলে মুরগির মাংস দিয়ে দুপুরের খাবার সেরে আবার হাটা শুরু করে #মেহেরপুর_কুষ্টিয়া হাইওয়ে পথ ধরে #মিরপুর বাস স্টান্ড হয়ে #নোয়াপাড়া_বাজার পৌঁছায়ে হাটা বাদ দিলাম। কিছুই করার ছিল না। এতো অন্ধকার আবার রাস্তার সাইডে যায়গা নেই হাটার জন্য। দূরত্ব ছিল ৪৪ কিঃ মিঃ। ্বে এতো পথ কয়েক বার হেটেছি। কিন্তু আজকের মতো কষ্ট আগে কখনো হয়নি। কারণ হাইওয়ে রাস্তা অনেক গাড়ি চলে সেই তুলনায় রাস্তা সরু। তারপরে আবার সাইডে যায়গা নেই। কয়েক বার #দুর্ঘটনার হাত থেকে বাচিছি। রাতে সি এন জি করে #কুষ্টিয়া_সদরে এসে একটা হোটেলে উঠলাম। ফ্রেশ হয়ে বাইরে কিছু সময় হাঁটাচলা করে খাবার খেয়ে রুমে চলে আসলাম।
#বিশেষ_দ্রষ্টব্যঃ যারা বাস বা ট্রাক চালোক তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই দয়া করে বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালাবেন না। সবার জীবণের মূল্য আছে। আপনার মা,বাবা,ভাই, বোন,সহধর্মিণী ও সন্তানরাও রাস্তায় চলাচল করে। এটা মনে করে গাড়ি চালাবেন।
21/12/2021
্ড / িনঃ
১৩-১১-২০২০
খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে Ttcm Saddam মামার কাছথেকে বিদায় নিয়ে হাটা শুরু করলাম মেইন রাস্তা ধরে হাটলাম। রোদের তীব্রতা অনেক বেশি ছিল। পথে তেমন বড় গাছপালা না থাকায় অতিরিক্ত গরম লাগছিল। প্রায় ১০ কিঃ মিঃ পথ পাড়ি দেওয়ার পরে কুকুর বাহিনীর খপ্পরে পড়ে ছিলাম। এক পথচারী ভাই এর সাহায্যে বাঁচলাম। রাস্তার ধারে একটা কাঠের গুড়ি দেখে সেখানে বসে কিছু সময় জিড়িয়ে নিলাম। তারপর আবার হাটা শুরু করে #নারায়ণপুর বাজারে গিয়ে জুম্মার নামাজ পড়লাম। এইদিকে পেট আর ক্ষুধা সহ্য করতে পারছিল না। কাছাকাছি একটা হোটেলে ঢুকলাম। শুক্রবার বলে কথা মাংস না হলে জমে না। কিন্তু হোটেলে মাংস দেখে ক্ষেতে মন চাইলো না। তাই বাদ্ধ হয়ে ডিম ঝোল দিয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে আবার হাটা শুরু করলাম। #নারায়ণপুর বাজার ও #বদরগঞ্জ বাজার এর মাঝখানে একটা ছোট বাজার আছে। সেখানে কিছু ডিবি পুলিশ মটর বাইক থামিয়ে চেক করছে। আমি হেটে যাওয়ার সময় তারা সন্দেহ বসত আমাকে থামালো। তারা আমার ঠিকানা আমার হাটার উদ্দেশ্য সব শুনলো। কিন্তু তারা আমার কথা বিশ্বাস না করে আমাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার চিন্তা-ভাবনা নিল। তখন আমি তাদেরকে বললাম আমার জেলার প্রেসক্লাবের চিঠি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের কার্ড আছে তারা গুরুত্ব দিলোনা। আমার পকেটে চেক করলো এবং আমার ব্যাগ এলোমেলো করল। আমি মেনে নিলাম। তারপর আমাকে ছেড়ে দিলো। তারপর #বদরগঞ্জ বাজারে পৌছালে আক মুরুব্বি আমাকে থামিয়ে আমার গেঞ্জির লেখা পড়ে আমার উদ্দেশ্য যানতে চাইলো। সব শুনে তিনি দোয়া করলেন আর আমাকে যোর করে এক কাপ চা আর বিস্কিট খাওয়ালেন। তিনি জানালেন তিনিও যোয়ান বয়সে #পায়ে_হেঁটে_ভ্রমণ করতেন। কিন্তু খুব বেশি পথ না। তার সাথে কিছু সময় গল্প করলাম। তারপর তার কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় সে আমাকে বললো দ্রুত তোমার এই #ভ্রমণ শেষ করে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে যাও। আমি তাকে ধন্যবাদ দিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে পরলাম আমার গন্তব্যের উদ্দেশে। পায়ে সমস্যা হচ্ছিল তার পরেও থেমে যায়নি ঐ অবস্থায় অনেক দূর হেটে আমার গন্তব্য #চুয়াডাঙ্গায় পৌছালাম। তারপর #পৌরসভার পাশে একটা আবাসিক হোটেলের রুম নিলাম। তারপর ফ্রেশ হয়ে বাইরে বের হলাম খাবারের সন্ধানে। খাইতে মন চাচ্ছিল না কিন্তু পেটে ক্ষুধা ছিল তাই একটা মংলায় আর এক কাপ চা খেয়ে রুমে ফিরে আসলাম। তারপর কিছু সময় #ফেসবুক চালায় ঘুমায়ে পড়লাম।
আফসোস থেকে গেলো মামার বাসা থেকে দ্রুত বের হওয়ার কারণে মামার সাথে আমার ছবি তোলা হলো না।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Jessore
7400