mastercopy.com
যে ৭টি ক্ষতি হবে এক রাত কম ঘুমালে :-
প্রতি রাতে আপনার দরকার ৭ থেকে ৯
ঘণ্টার ঘুম। শতকরা ৪০ ভাগ লোক এর
চেয়ে কম ঘুমায়। মাত্র এক রাত ঘুম কম
হলেই আপনার শরীরে এর ক্ষতিকর
প্রভাব পড়তে শুরু করে। যথেষ্ট ঘুম না
হলে চোখ লাল হয়, গায়ের চামড়ার রঙ
নষ্ট হয়। অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
যথেষ্ট ঘুম না ঘুমালে কী কী ক্ষতি হয়
একরাত ঘুম কম হওয়া বা কিছু সময় ধরে ঘুম
কম হওয়ার সমস্যাটি শুরুতে অল্প
থাকলেও পরে তা বড় সমস্যায় রূপ নেয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, এ ধরনের ঘুম না
হওয়ার পিছনে অনেক কারণের একটি
হচ্ছে খাবার-দাবার। অতিরিক্ত
ক্যালরি আছে এমন খাবার বা
অতিরিক্ত শর্করার খাবার খেলে বা
অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে এ ধরনের
সমস্যা হতে পারে।
১৫ জন লোকের ওপর গবেষণা চালিয়ে
দেখা গেছে মাত্র এক রাত ঘুম না হলেই
মস্তিষ্কের কোষের ক্ষয় শুরু হয়। ১৭৪১ জন
নারী এবং পুরুষের উপর গবেষণা চালিয়ে
দেখা গেছে যারা ১০ থেকে ১৪ বছর ধরে
ছয় ঘণ্টারও কম ঘুমান তাদের মধ্যে
মারাত্মক ধরনের মৃত্যুহার বেশি থাকে।
তাছাড়া তাদের মধ্যে ডায়াবেটিস,
উচ্চ রক্তচাপ সহ আরো অনেক রোগের
হার বেশি।
এক রাত কম ঘুমালে যে সমস্যা হয়
১) ক্ষুধা বেড়ে যায় এবং আপনি বেশি
খেতে শুরু করেন।
২) যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার ঝুঁকির
মধ্যে থাকেন আপনি।
৩) আপনি দেখতে যেমন আপনাকে তার
চেয়ে খারাপ দেখায়।
৪) ঠাণ্ডা-সর্দি লাগার আশঙ্কা বেড়ে
যায়।
৫) আপনার মস্তিষ্কের টিস্যু নষ্ট হওয়া
শুরু হয়।
৬) আপনি সামান্য কারণে ইমোশোনাল
হয়ে যান।
৭) আপনার স্মৃতিশক্তি হ্রাস পেতে শুরু
করে।
একরাত ঘুম কম হওয়া বা অল্প সময়কাল
ধরে ঘুম কম হওয়ার সমস্যাটি পরে গুরুতর
হয়ে উঠতে পারে। এটি রূপ নিতে পারে
নিয়মিত ঘুম কম হওয়া বা ঘুম না হওয়ার
সমস্যায়।
প্রাথমিক গবেষণায় দেখা গেছে,
নিয়মিত ঘুম না হওয়ার কারণে ব্রেস্ট
ক্যান্সারসহ অন্যান্য ক্যান্সারের ঝুঁকি
বেড়ে যায়। আর নিয়মিত ঘুম কম হলে
আপনার ওজন বেড়ে যেতে থাকে।
নিয়মিত কম ঘুমালে যে সমস্যাগুলি হয়
১) স্ট্রোক করার ঝুঁকি চারগুণ বেড়ে যায়
২) অবেসিটি রিস্ক বেড়ে যায়। ফলে
তাড়াতাড়ি আপনি মোটা হতে থাকেন।
৩) কোনো ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
৪) ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
৫) হৃদরোগের আশঙ্কা বেড়ে যায়।
৬) আপনার শরীরে শুক্রাণু কম উৎপন্ন
হতে থাকে।
৭) মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়।
পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন ।
আপনার যদি
কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..
আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা
ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই । ........ধন্যবাদ
[ লাইক, শেয়ার করে সবাইকে সচেতন করে
তুলতে আমার পেইজে লাইক দিন।
জেনে রাখুন কালো জিরার কত গুণ !
জেনে রাখুন কালো জিরার কত গুণ !কালো জিরাকে বলা হয় ‘মৃত্যু ব্যতিত সর্ব রোগের মহৌষধ’। প্রাচীন কাল থেকেই নানা অসুখ-বিসুখে কালো জিরাকে ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন চিকিৎসক-কবিরাজরা। মাথার চুল থেকে পায়ের নখ- সকল অঙ্গের রোগ নিরাময়ে জুড়ি নেই কালো জিরার। সর্দি-কাশি, আমাশয়, ফুসফুসের প্রদাহ, মাথার যন্ত্রণা থেকে শুরু করে জন্ডিস সব রোগেরই উপযুক্ত দাওয়াই এই কালো জিরা।
নিচে কালো জিরার কিছু গুণ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো:
কালো জিরা ভর্তা আমরা অনেকেই শখ করে খাই। রান্নার মশলার মধ্যে কালো জিরার গুণাগুণের তুলনা নেই। কালো জিরা শুধু ক্ষুধা বাড়ায় তা নয়, পেটের বায়ুনাশক ও ফুসফুসের রোগেও মহাউপকারী।
আমাশা নিরাময়- আমাশার সমস্যায় কালোজিরা মহৌষধ। এ সময় কালোজিরা সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে ৭-৮ চা চামচ দুধে মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে সাত দিন খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
গলা ফোলা- সর্দি-কাসির জন্য গ্লান্ড ফুলেছে, সে ক্ষেত্রে কালোজিরা ও চাল পোড়া সমান পরিমাণে নিয়ে বেটে প্রলেপ দিলে এক দিনের মধ্যে ফোলা ও ব্যাথা উভয়ই উপশম হয়।
বিছের হুল- কালোজিরা বেটে কামড়ের জায়গায় লাগিয়ে দিলে অল্প সময় পরই হুলের জ্বালা কমে যায়।
চুল পড়া- কালোজিরা বেটে মাথায় নিয়মিত মালিশ করলে চুল পড়া কমে ও নতুন চুল গজায়।
দাঁতের ব্যথা- গরম জলে কালোজিরা নিয়ে তা দিয়ে কুলি করলে দাঁতের ব্যথার উপশম হয়।
ত্বকের শুষ্কতা- ঘিয়ের সঙ্গে কালোজিরা মিশিয়ে খেলে মুখ উজ্জ্বল হয় ও রং ফর্সা হয়।
মাথায় যন্ত্রণা – কাঁচা সর্দি থেকে মাথায় যন্ত্রণা হচ্ছে? এ ক্ষেত্রে কালোজিরা কাপড়ে পুঁটলি করে বেঁধে শুকোতে হবে। হাতে রগড়ে নিয়ে সেই গন্ধটা শুকলে উপকার পাওয়া যায়।
অনিয়মিত পিরিয়ড – যে সব মহিলা অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যায় ভোগেন, তাদের পিরিয়ড শুরুর পাঁচ-সাত দিন আগে থেকে অল্প গরম জলে ৫০০ মিলিগ্রাম কালোজিরা মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে খেলে পিরিয়ড নিয়মিত হবে।
চুলকানি- কালোজিরা ভাজা তেল গায়ে মাখলে চুলকানিতে উপকার হয়। এতে ১০০ গ্রাম সরষের তেলে ২৫-৩০ গ্রাম কালোজিরা ভেজে সে তেল ছেঁকে নিয়ে ব্যবহার করতে হয়।
কৃমি- ভিনেগারে ভিজিয়ে কালোজিরা খেলে কৃমি নষ্ট হয়।
স্মৃতিভ্রংশ- স্মৃতিভ্রংশ ও স্মরণশক্তির দুর্বলতায় কালোজিরা খুব কার্যকর। ৩ গ্রাম কালোজিরা ২০ মিলিলিটার মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে এ রোগ সারে। এতে সর্দি-কাশিও থাকবে একশ’ গজ দূরে।
জন্ডিস, প্লীহাবৃদ্ধি- কালোজিরা বেটে খেলে এ সব রোগ ভালো হয়।
প্রস্রাবের বাধকতা- নিয়মিত কালোজিরা খেলে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়ে যায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Jatrabari
1205