Sumon AI Studio

Sumon AI Studio

Share

10/04/2026

শিরোনাম: “শেষ নোট”
রাত ১১টা।
একজন কলেজ শিক্ষক—ইমতিয়াজ—নিজের ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেল।
ঘর ভেতর থেকে বন্ধ।
চেয়ার উল্টে পড়ে আছে।
টেবিলের ওপর একটা চিরকুট—
“আমি আর পারছি না… আমি নিজেই শেষ করে দিচ্ছি।”
সবাই বলল—
আত্মহত্যা।
পুলিশ এলো।
প্রথম দেখায় সব মিলছে।
স্ত্রী কান্না করছে।
সে বলল—
“ও কিছুদিন ধরে চিন্তায় ছিল… কিন্তু এমন করবে ভাবিনি…”
মামলা প্রায় বন্ধ।
কিন্তু একজন অফিসার থামল।
সে বলল—
“সবকিছু খুব ঠিকঠাক লাগছে… একটু বেশি ঠিকঠাক।”
তদন্ত শুরু হলো।
প্রথমে চিরকুট পরীক্ষা করা হলো।
লেখা ইমতিয়াজের হাতের মতোই।
তারপর ঘর দেখা হলো।
দরজা ভেতর থেকে লক।
জানালা বন্ধ।
কেউ ঢোকার উপায় নেই।
সব কিছু আত্মহত্যাই বলছে।
কিন্তু অফিসার খেয়াল করল—
চেয়ারের অবস্থান অদ্ভুত।
যেখানে ঝুলেছে,
সেখানে দাঁড়িয়ে চেয়ারে ওঠা কঠিন।
সে আবার মাপ নিল।
দেখা গেল—
চেয়ার থেকে দড়ি পর্যন্ত দূরত্ব বেশি।
মানে—সে নিজে উঠে এটা করতে পারত না।
ঘর নিস্তব্ধ।
এবার ফোন পরীক্ষা করা হলো।
শেষ মেসেজ—তার এক ছাত্র, নাবিল।
নাবিলকে ডাকা হলো।
সে বলল—
“স্যার আমাকে রাতে ডেকেছিল… আমি নোটস নিতে গেছিলাম…”
অফিসার বলল—
“কখন?”
“রাত ৯টার দিকে।”
“তারপর?”
“আমি চলে আসি…”
সব ঠিক।
কিন্তু অফিসার আবার ঘর পরীক্ষা করল।
টেবিলের নিচে একটা ছোট দাগ।
যেন ভারী কিছু টেনে নেওয়া হয়েছে।
অফিসার বলল—
“এখানে আগে কিছু ছিল… এখন নেই।”
পুলিশ নাবিলের বাসা তল্লাশি করল।
সেখানে পাওয়া গেল—
একটা ছোট কাঠের স্টুল।
স্টুলের ওপর দড়ির দাগ।
ঘর নিস্তব্ধ।
নাবিল কাঁপতে লাগল।
অফিসার ধীরে বলল—
“তুমি তাকে ঝুলিয়েছ…
তারপর স্টুল নিয়ে চলে গেছ…”
“আর দরজা ভেতর থেকে লক?”
অফিসার বলল—
“তুমি বাইরে থেকে সুতা দিয়ে লক টেনে দিয়েছ।”
সব পরিষ্কার।
নাবিল ভেঙে পড়ল—
“স্যার… আমি শুধু ভয় দেখাতে চেয়েছিলাম…
ও আমাকে পরীক্ষায় ফেল করেছিল…”
শেষ রিপোর্টে লেখা হলো—
“ঘটনাটি আত্মহত্যা মনে হলেও,
আসলে এটি পরিকল্পিত খুন।
খুনি প্রমাণ লুকাতে গিয়ে ছোট ভুল করে ধরা পড়ে।”
শেষ লাইন (Impact):
সবচেয়ে নিখুঁত সাজানো দৃশ্যও—
একটা ছোট ভুলে ভেঙে যায়।

10/04/2026

শিরোনাম: “শেষ ট্রেনের যাত্রী”
রাত ১১টা ৫৫।
ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন প্রায় ফাঁকা। শেষ ট্রেনটা ছাড়বে ঠিক ১২টায়। রাশেদ দৌড়ে এসে কোনোমতে ট্রেনে উঠে পড়ল।
আজ অফিস থেকে দেরি হয়ে গেছে। বাড়ি যেতে হলে এই ট্রেনটাই শেষ ভরসা।
ট্রেনে উঠে সে খেয়াল করল—পুরো বগিতে সে ছাড়া আর মাত্র একজন যাত্রী আছে।
একজন বৃদ্ধ।
সাদা পাঞ্জাবি, ধূসর দাড়ি, মাথা নিচু করে বসে আছে জানালার পাশে।
রাশেদ একটু স্বস্তি পেল। অন্তত একা না।
ট্রেন ছাড়ল।
ধীরে ধীরে স্টেশন পেরিয়ে অন্ধকারের মধ্যে ঢুকে গেল।
কিছুক্ষণ পর রাশেদ লক্ষ্য করল—
বৃদ্ধ লোকটা একদৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে আছে।
চোখ দুটো অস্বাভাবিক ফ্যাকাশে।
রাশেদ অস্বস্তি বোধ করল।
সে মোবাইল বের করে সময় দেখল—১২:১২।
হঠাৎ—
ট্রেনটা একটা অজানা স্টেশনে থামল।
রাশেদ জানালা দিয়ে তাকালো।
স্টেশনের নাম লেখা বোর্ডটা ভাঙা, আলো নেই, চারপাশে ঘন কুয়াশা।
সে ভাবল—এই স্টেশন তো আগে কখনো দেখেনি!
ঠিক তখনই—
বৃদ্ধ লোকটা ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল।
আরেকটা সিটে গিয়ে বসল… রাশেদের একেবারে সামনে।
কিন্তু হাঁটার সময় তার পা মাটিতে ছুঁইছেই না।
ভাসছে।
রাশেদের গলা শুকিয়ে গেল।
সে চোখ সরিয়ে নিল।
নিজেকে বোঝাতে লাগল—
“আমি ভুল দেখছি… এটা সম্ভব না…”
হঠাৎ—
বৃদ্ধ লোকটা ফিসফিস করে বলল,
“তুমি… নতুন?”
রাশেদ কাঁপা গলায় বলল,
“জি… মানে… কি বলছেন?”
বৃদ্ধ একটু হেসে বলল—
“এই ট্রেনে যারা ওঠে… তারা কেউ নতুন থাকে না।”
রাশেদ কিছু বলার আগেই ট্রেন আবার চলতে শুরু করল।
কিন্তু এবার শব্দটা অদ্ভুত।
চাকা যেন লোহার লাইনে না, বরং কিছুর ওপর ঘষা খাচ্ছে।
কিচ… কিচ… কিচ…
রাশেদ সাহস করে জানালার বাইরে তাকালো।
আর সাথে সাথেই তার বুক ঠাণ্ডা হয়ে গেল।
বাইরে কোনো রেললাইন নেই।
ট্রেনটা চলছে—
শূন্যের ওপর।
নিচে শুধু অন্ধকার… যেন অতল গহ্বর।
সে চোখ বন্ধ করে ফেলল।
“এটা স্বপ্ন… এটা স্বপ্ন…”
হঠাৎ—
তার কাঁধে ঠাণ্ডা একটা হাত।
সে চোখ খুলে দেখল—
বৃদ্ধ লোকটা তার একেবারে কাছে।
মুখটা এখন স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।
চোখ নেই।
ফাঁকা গর্ত।
বৃদ্ধ ধীরে ধীরে বলল—
“আগের যাত্রী… ঠিক তোমার মতোই ছিল।”
“সে-ও বলেছিল—শেষ ট্রেন… তারপর বাড়ি যাবে…”
রাশেদ কাঁপতে কাঁপতে বলল,
“আমি নামতে চাই… এখনই নামবো!”
বৃদ্ধ মাথা নেড়ে বলল—
“এই ট্রেন থেকে… কেউ নামে না…”
হঠাৎ ট্রেনটা জোরে ঝাঁকুনি খেল।
লাইট নিভে গেল।
পুরো বগি অন্ধকার।
শুধু একটা শব্দ—
টক… টক… টক…
কেউ যেন বগির দরজায় কড়া নাড়ছে।
রাশেদ ভয় পেয়ে দরজার দিকে তাকালো।
দরজাটা ধীরে ধীরে খুলে গেল।
বাইরে—
কেউ দাঁড়িয়ে আছে।
অন্ধকারে মুখ দেখা যাচ্ছে না।
কিন্তু কণ্ঠটা পরিষ্কার—
“এই সিটটা… আমার ছিল…”
লাইট হঠাৎ জ্বলে উঠল।
বৃদ্ধ নেই।
পুরো বগি ফাঁকা।
রাশেদ একা।
সে ধীরে ধীরে দরজার দিকে এগিয়ে গেল।
দেখল—
দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে আছে—
ঠিক তার মতোই আরেকজন রাশেদ।
ফ্যাকাশে মুখে হাসি।
সে বলল—
“তুমি দেরি করে ফেলেছো…”
“এখন… তোমার পালা।” 😨

29/03/2026

Hoopoe Bird🐦🪶 | Unique Crest Bird

26/03/2026

Scarlet Macaw 🦜 | Colorful Parrot

Want your business to be the top-listed Media Company in Fulbaria?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Fulbaria