NR World

NR World

Share

24/06/2026

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

23/06/2026

#যে_কারণে_কাঁঠালের_বিচি_ফেলে_দেওয়া_উচিত_নয়

মৌসুমি ফলের মধ্যে কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল। সুস্বাদু ও পুষ্টিকর এই ফলের পাশাপাশি এর বিচিও পুষ্টিগুণে ভরপুর। অথচ অনেকেই কাঁঠাল খাওয়ার পর বিচিগুলো ফেলে দেন। পুষ্টিবিদদের মতে, সঠিকভাবে রান্না করে খেলে কাঁঠালের বিচি হতে পারে স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

কাঁঠালের বিচিতে রয়েছে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, খাদ্যআঁশ এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান। এছাড়া এতে রিবোফ্ল্যাভিন (ভিটামিন বি২), থায়ামিন (ভিটামিন বি১), পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, জিংক, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন ও কপারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়।

এসব উপাদান শরীরের শক্তি উৎপাদন, রক্তস্বাস্থ্য, হাড়ের গঠন, ত্বক ও চুলের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি চোখের স্বাভাবিক কার্যকারিতা রক্ষায়ও ভূমিকা রাখে।

তবে কাঁঠালের বিচি কখনো কাঁচা খাওয়া উচিত নয়। কাঁচা বিচিতে থাকা কিছু প্রাকৃতিক উপাদান হজমে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে এবং পুষ্টি শোষণে বাধা দিতে পারে। তাই বিচি সেদ্ধ, ভাজা বা রান্না করে খাওয়াই নিরাপদ।

যেভাবে খেতে পারেন কাঁঠালের বিচি

• সেদ্ধ করে ভর্তা বানিয়ে

• ভেজে বা আগুনে পুড়িয়ে

• বিভিন্ন সবজি ও নিরামিষ তরকারিতে যোগ করে

• মসলা দিয়ে ভুনা করে

• গুঁড়া করে স্মুদি বা শেকের সঙ্গে মিশিয়ে

• হালুয়া তৈরি করে

• শুকিয়ে গুঁড়া করে রুটি, বিস্কুট ও পিঠা তৈরিতে ব্যবহার করে

স্বাদ ও পুষ্টির সমন্বয়ে কাঁঠালের বিচি হতে পারে দৈনন্দিন খাবারের একটি উপকারী সংযোজন। তবে যাদের হজমজনিত সমস্যা বা বিশেষ স্বাস্থ্যগত অবস্থা রয়েছে, তাদের পরিমিত পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

#লাইফস্টাইল

22/06/2026

অজানা কিছু টিপস জেনে রাখুন।

21/06/2026

#বিছানার_পাশে_পানির_গ্লাস_এক_মনস্তাত্ত্বিক_সুরক্ষাকবচ

বিছানার পাশের টেবিলে রাতে পানি ভর্তি গ্লাস রেখে দেওয়া এবং সকালে এক ফোঁটাও পানি না খেয়ে তা ফেলে দেওয়া—বাইরে থেকে দেখলে একে একটি সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং অপচয়কারী অভ্যাস মনে হতে পারে। ব্যবহারিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই আচরণ চরম অযৌক্তিক। তবে মনোবিজ্ঞানীদের মতে, বিছানার পাশে রাখা পানির এই গ্লাসের গুরুত্ব তৃষ্ণা মেটানোর চেয়েও অনেক বেশি গভীর।

গবেষকদের মতে, অনিশ্চয়তা কমাতে এবং নিজের মধ্যে একটি প্রস্তুতির ভাব তৈরি করতে মানুষ প্রায়শই পরিবেশের ছোট ছোট অনুষঙ্গের ওপর নির্ভর করে। এই ছোটখাটো অভ্যাসগুলো হয়তো সরাসরি কোনো সমস্যার সমাধান করে না, কিন্তু এগুলো মস্তিষ্ককে এই বার্তা দেয় যে—আগাম সব ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া আছে।

১. ‘নিরাপত্তা সংকেত’ হিসেবে পানির গ্লাস

মনোবিজ্ঞানে ‘সেফটি কিউ’ বা নিরাপত্তা সংকেত বলতে এমন কিছু লক্ষণকে বোঝায় যা চারপাশের বাহ্যিক পরিস্থিতির পরিবর্তন না করেই মনের ভেতরের ভয় বা অনিশ্চয়তা কমিয়ে দেয়। আচার-আচরণ সংক্রান্ত সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো দেখাচ্ছে যে, এ ধরনের চেনা ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ মানুষকে মানসিক চাপ সামলাতে সাহায্য করে।

বিছানার পাশে রাখা পানির গ্লাসটি অবচেতনভাবেই মস্তিষ্ককে শান্ত রাখে। এটি প্রতিনিয়ত একটি নীরব বার্তা পাঠায়- ‘যদি মাঝরাতে হঠাৎ তৃষ্ণা পায় বা অস্বস্তি হয়, তবে তার সমাধান হাতের নাগালসহ এক হাত দূরত্বেই রয়েছে।’

দিনের আলোতে বিষয়টি তুচ্ছ মনে হলেও রাতের অন্ধকার মানুষের চিন্তাভাবনাকে বদলে দেয়। সব কোলাহল ও ব্যস্ততা যখন থেমে যায়, তখন মানুষের মস্তিষ্ক দিন শেষের অসমাপ্ত কাজ বা অবদমিত দুশ্চিন্তাগুলোর প্রতি বেশি সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। আর তখনই এই প্রস্তুত পরিবেশ মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে।

২. রাতে বাড়ে মানসিক অনিশ্চয়তা

নিদ্রা গবেষকদের মতে, ঘুমানোর সময় মানুষের মধ্যে এক ধরনের প্রচ্ছন্ন সতর্কতা বা ‘হাইপারভিজিলেন্স’ কাজ করে।

অনিদ্রা এবং ঘুম নিয়ে ভীতি বিষয়ক বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ নিজের শোবার ঘরকে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে নানারকম নৈশকালীন নিরাপত্তামূলক আচরণ করে থাকে। যেমন—বারবার দরজার তালা পরীক্ষা করা, ঘরের আলো সামঞ্জস্য করা বা পরিচিত জিনিসপত্র নির্দিষ্ট স্থানে গুছিয়ে রাখা।

বিছানার পাশের পানির গ্লাসটিও ঠিক একইভাবে কাজ করে। এটি হয়তো রাতের সব অনিশ্চয়তা দূর করতে পারে না, তবে সম্ভাব্য শারীরিক অস্বস্তির একটি বড় দুশ্চিন্তা মন থেকে ধুয়ে দেয়।

৩. ব্যবহারিক উপযোগিতার চেয়ে মানসিক প্রশান্তিই মুখ্য

অনেকেই প্রশ্ন করেন, পানি যদি না-ই পান করা হয়, তবে কেন প্রতিদিন এই নিয়ম মেনে চলা? যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল হার্ট, লাং অ্যান্ড ব্লাড ইনস্টিটিউট’-এর গবেষণা বলছে, স্বাস্থ্যকর ঘুমের জন্য শোবার ঘরের পরিবেশের ধারাবাহিকতা এবং ঘুমানোর আগের সুনির্দিষ্ট নিয়ম অত্যন্ত জরুরি। মানুষ যখন অনুভব করে যে নিজের চারপাশের পরিবেশ তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তখন ঘুম অনেক গভীর ও ভালো হয়।

পানির গ্লাসটি হয়তো সারা রাতে একবারও স্পর্শ করা হয় না, কিন্তু এটি যে সেখানে ‘আছে’—এই অনুভূতিটুকুই মনের ভেতরের অতিরিক্ত চিন্তার চাপ বা ‘কগনিটিভ লোড’ কমিয়ে দেয়।

৪. শোবার ঘর কেবল একটি চারকোনা স্থান নয়

আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে শোবার ঘরকে কেবল একটি সাধারণ ভৌগোলিক বা ভৌত স্থান হিসেবে দেখা হয় না; এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক পরিবেশ। মস্তিষ্ক প্রতিনিয়ত চারপাশের পরিবেশ মূল্যায়ন করে নিশ্চিত হতে চায় যে, স্থানটি পুরোপুরি নিরাপদ কিনা। যখন পরিবেশ নিরাপদ মনে হয়, কেবল তখনই মস্তিষ্ক তার প্রাত্যহিক সতর্ক পাহারা বন্ধ করে শরীরকে বিশ্রামের বা ঘুমের অনুমতি দেয়।

এই প্রেক্ষাপটে ঘরের একটি ছোট বাতি, বন্ধ দরজা, প্রিয় কম্বল কিংবা চার্জে থাকা মোবাইল ফোনের মতোই পানির গ্লাসটিও একটি প্রতীকী রূপ ধারণ করে। বস্তুটির চেয়ে বড় হয়ে ওঠে এর পেছনের লুকানো বার্তাটি—‘তুমি সুরক্ষিত।’

৫. অপচয় নয়, এটি মস্তিষ্কের প্রস্তুতি

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, এই অভ্যাসটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর ব্যবহার না হওয়া। কোনো নিরাপত্তামূলক আচরণের কার্যকারিতা এর ‘ব্যবহার’-এর চেয়ে এর ‘উপস্থিতি’-র ওপর বেশি নির্ভর করে। বিকল্প একটা ব্যবস্থা চোখের সামনে মজুত আছে—এই আশ্বাসটুকুই মনকে শান্ত করার জন্য যথেষ্ট।

পরিশেষে বলা যায়, বিছানার পাশে রাখা পানি না পান করে ফেলে দেওয়া কোনো অর্থহীন অভ্যাস বা নিছক অপচয় নয়। বরং এটি মানুষের মনের এক অদ্ভুত সুন্দর আত্মরক্ষার কৌশল। এটি প্রমাণ করে যে, মানব মস্তিষ্ক ব্যবহারিক উপযোগিতার চেয়ে ‘প্রস্তুতি’ ও ‘সুরক্ষা’কে বেশি প্রাধান্য দেয়। রাতের অন্ধকারে যখন চারপাশ থমথমে হয়ে আসে, তখন এই ছোট্ট পানির গ্লাসটিই যেন এক নীরব প্রতিজ্ঞা হয়ে পাশে থাকে—যদি কোনো প্রয়োজন হয়, উত্তর তৈরি আছে। আর এই আশ্বাসে ভর করেই মন সব দুশ্চিন্তা ভুলে অবশেষে ঘুমের দেশে হারিয়ে যায়।

সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস

#লাইফস্টাইল

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Feni?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Feni
140