Md Rayhan Sheikh
টাইফয়েড জরের জটিলতা
পরিপাকতন্ত্র থেকে রক্তক্ষরণ, অগ্ন্যাশয়ে প্রদাহ, মেরুদণ্ডে সংক্রমণ, মস্তিষ্কে প্রদাহ, পিত্তথলিতে সংক্রমণ, নিউমোনিয়া, শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোড়া, স্নায়বিক সমস্যা এমনকি কিডনিতেও বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
টাইফয়েড সাধারণত যেকোন বয়সেই হতে পারে, তবে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। শরীরে জীবাণু প্রবেশ করলেই টাইফয়েড হয়ে যাবে এমন কোন কথা নেই কারণ দেহে যদি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকে তাহলে অনেক সময়ই জীবাণু দেহে সংক্রমণ করতে পারেনা। তবে কম রোগপ্রতিরোধক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তি যেমন এইচআইভি পজিটিভ ও এইডস আক্রান্ত রোগীরা সহজেই টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হতে পারে।
টাইফয়েড জরের চিকিৎসা
রেজিস্ট্যান্স বা প্রতিরোধক না হলে, ফ্লুরোকুইনোলন যেমন সিপ্রোফ্লক্সাসিন সবচেয়ে কার্যকরি। অন্যথায়, তৃতীয় প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন যেমন সেফট্রায়াক্সন বা সেফোট্যাক্সিম কার্যকরি। মুখে খাওয়ার ঔষধের মধ্যে সেফিক্সিম ব্যবহার করা হয়।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে টাইফয়েড প্রাণঘাতী নয়।অ্যান্টিবায়োটিক যেমন অ্যাম্পিসিলিন, ক্লোরাম্ফেনিকল, অ্যামক্সিসিলিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন ইত্যাদি টাইফয়েড চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। চিকিৎসায় এ রোগে মৃত্যুর হার ১% এ নেমে আসে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি ও স্যালাইন গ্রহণ করতে হবে।
প্রতিরোধ
সব সময় পরিষ্কার পোশাক পরে, নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পান করে টাইফয়েড প্রতিরোধ করা যায়। এছাড়া, অবশ্যই হাত ভালোভাবে ধুতে হবে। ঘরের জিনিসপত্র নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে এবং আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিস আলাদা করে রাখতে হবে। পানি ফুটিয়ে পান করতে হবে। খাবার গরম করে খেতে হবে। বাইরের খাবার খেলে সব সময় সচেতন থাকতে হবে। অপরিষ্কার শাকসবজি ও কাঁচা-ফলমূল খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহার করতে হবে। লক্ষ রাখতে হবে কোনোভাবেই যেন টয়লেটে ময়লা বা পানি জমে না থাকে। আক্রান্ত ব্যক্তির টয়লেট নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে খোলামেলা ও পরিষ্কার বাসায় রাখতে হবে।
04/05/2023
থ্যালাসেমিয়ার লক্ষণ:
: অতিরিক্ত আয়রন
: সংক্রমণ,
: অস্বাভাবিক অস্থি বৃদ্ধি,
: প্লীহা বড় হয়ে যাওয়া (স্প্লিনোমেগালি),
: অবসাদ অনুভব,
: বৃদ্ধি ব্যাহত হয়,
: দুর্বলতা,
: শ্বাসকষ্ট,
: মুখ-মন্ডল ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া,
: অস্বস্তি,
: ত্বক হলদে হয়ে যাওয়া (জন্ডিস),
: হাড়ের বিকৃতি(প্রধানত করোটি এবং মুখমণ্ডল),
: ধীরগতিতে শারীরিক বৃদ্ধি,
: পেট বাইরের দিকে প্রসারিত হওয়া বা বৃদ্ধি পাওয়া,
: গাঢ় রঙের প্রস্রাব,
: হৃৎপিণ্ডে সমস্যা
থ্যালাসেমিয়ার কারণ:
থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রোগ।
ত্রুটিপূর্ণ হিমোগ্লোবিন জিনের কারণে থ্যালাসেমিয়া হয়। বাবা অথবা মা, কিংবা বাবা-মা উভয়েরই থ্যালাসেমিয়া জিন থাকলে বংশানুক্রমে এটি সন্তানের মধ্যে ছড়ায়। এক সমীক্ষায় দেখা যায়, বাবা এবং মা উভয়ের থ্যালাসেমিয়া জিন থাকলে ভূমিষ্ট শিশুর শতকরা ২৫ ভাগ থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হয়।
থ্যালাসেমিয়া দুইটি প্রধান ধরন হলো: আলফা থ্যালাসেমিয়া ও বিটা থ্যালাসেমিয়া।
আলফা থ্যালাসেমিয়া:এই রোগের জন্য ১৬নং ক্রোমোজোমে উপস্থিত আলফা-শৃঙ্খল উৎপাদনকারী জিনের মিউটেশন (mutation) বা ডিলেশন (deletion) দায়ী। চারটি জিন দিয়ে আলফা থ্যালাসেমিয়া শৃঙ্খল তৈরি হয়। বাবা-মা থেকে প্রাপ্ত চারটি জিনের মধ্যে এক বা তার অধিক ত্রুটিপূর্ণ জিন হলে আলফা থ্যালাসেমিয়া হয়। যত বেশি জিন ত্রুটিপূর্ণ হবে তত বেশি মারাত্মক সমস্যা দেখা দিবে। যেমন:
একটি জিন ত্রুটিপূর্ণ হলে থ্যালাসেমিয়ার কোনো লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা যাবে না। তবে আক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে তার সন্তানের মধ্যে এই রোগ ছড়াবে।
দুইটি জিন ত্রুটিপূর্ণ হলে হালকা উপসর্গ দেখা যাবে। এই অবস্থাকে বলে আলফা থ্যালাসেমিয়া মাইনর (Alpha-thalassemia minor) অথবা আলফা থ্যালাসেমিয়া ট্রেইট ( Alpha-thalassemia trait)।
তিনটি জিন ত্রুটিপূর্ণ হলে এর উপসর্গগুলো মাঝারি থেকে মারাত্মক আকার ধারণ করে। এই অবস্থাকে বলে হিমোগ্লোবিন এইচ ডিজিজ (Hemoglobin H Disease)।
চারটি জিন ত্রুটিপূর্ণ হলে একে বলে আলফা থ্যালাসেমিয়া মেজর (Alpha thalassemia major) অথবা হাইড্রপস ফিটালিস (Hydrops fetalis)। এর ফলে প্রসবের (delivery) পূর্বে অথবা জন্মের পরপর ভ্রূণ নষ্ট হয়ে যায়।
বিটা থ্যালাসেমিয়া: বিটা থ্যালাসেমিয়া শৃঙ্খল গঠিত হয় দুইটি জিন দিয়ে। বাবা-মা থেকে প্রাপ্ত চারটি জিনের মধ্যে এক বা তার অধিক ত্রুটিপূর্ণ হলে বিটা থ্যালাসেমিয়া হয়। এক্ষেত্রে:
একটি জিন ত্রুটিপূর্ণ হলে হালকা উপসর্গ দেখা যায়। এই অবস্থাকে বলে বিটা থ্যালাসেমিয়া মাইনর (Beta-thalassemia minor) অথবা বিটা থ্যালাসেমিয়া ট্রেইট (Beta-thalassemia trait)।
দুটি জিন ত্রুটিপূর্ণ হলে মাঝারি থেকে মারাত্মক উপসর্গ দেখা যায়। এ অবস্থাকে বলে বিটা থ্যালাসেমিয়া মেজর ( Beta-thalassemia major) অথবা কুলিস কুলিস অ্যানিমিয়া (Cooley’s anemia)। নবজাতক যেসব শিশুর এই সমস্যা থাকে তারা জন্মের সময় বেশ স্বাস্থ্যবান থাকে। তবে জন্মের প্রথম দুই বছরের মধ্যেই এর উপসর্গ দেখা যায়।
বিশ্বের আনুমানিক ৬০-৮০ মিলিয়ন মানুষ বিটা থ্যালাসেমিয়ার জিন বহন করছে। থ্যালাসেমিয়া স্বল্প উন্নত দেশ যেমন নেপাল, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে বেশি দেখা যায়। আশঙ্কা করা হচ্ছে, আগামী ৫০ বছরে থ্যালাসেমিয়া রোগ অনেক বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে।
24/04/2023
জলবসন্ত কেন হয়, লক্ষণ ও প্রতিরোধ:
জলবসন্ত জীবনহানিকর মারাত্মক কোনো রোগ নয়। শিশু-বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব বয়সীদের এই রোগ হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
শীতের শেষে বসন্তের আগমনে বাংলাদেশে জল ও গুটি—এই ২ ধরনের বসন্ত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যেত একসময়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, জীবনহানিকর মারাত্মক গুটি বসন্ত ৪ দশক আগে পৃথিবী থেকে নির্মূল হয়ে গিয়েছে। তবে জলবসন্ত বা চিকেনপক্সের প্রাদুর্ভাব এখনো রয়েছে। বসন্ত ঋতু ছাড়া অন্য সময়েও এই রোগটি দেখা গেলেও তুলনামূলক আক্রান্তের সংখ্যা হিসেবে নগণ্য।
জলবসন্ত জীবনহানিকর মারাত্মক কোনো রোগ নয়। শিশু-বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব বয়সীদের এই রোগ হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। সাধারণত একবার আক্রান্ত হলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি হয়। পুনরায় সংক্রমণের কারণে অনেক সময় হারপিজ জোস্টার নামে আরেকটি রোগ হয়ে থাকে।
কী কারণে হয়:
জলবসন্ত বা চিকেনপক্স একটি সংক্রামক রোগ, যা ভেরিসেলা জোস্টার নামক একটি ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে হয়ে থাকে।
কীভাবে ছড়ায়:
আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি, ত্বকের সংস্পর্শ, ব্যবহৃত পোশাকের মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়িয়ে থাকে। আক্রান্ত ব্যক্তির ত্বকে ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার ২ দিন আগে থেকে শুকিয়ে যাওয়া ফুসকুড়ির খোসা থেকেও অন্যরা সংক্রমিত হতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি ও ফুসকুড়ির খোসা বাতাসে বাহিত হয়েও এই রোগ ছড়াতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির রোগের লক্ষণ প্রকাশের আগেই এটি ছড়াতে শুরু করে।
লক্ষণ:
ভাইরাসটি শরীরে প্রবেশের ১০-১২ দিনের মধ্যেই লক্ষণ প্রকাশ হয়ে থাকে। ত্বকে প্রথমে ঘামাচির মতো গুটি উঠতে থাকে, যা ফুসকুড়িতে পরিণত হয়। ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার ২-৩ দিন আগে থেকেই শরীর ব্যথা অনুভূত হয়, জ্বর দেখা দেয়, পেটব্যথা হতে পারে। লালচে ফুসকুড়িতে চুলকানি ও জ্বালাপোড়া অনুভূতি হয়। ফুসকুড়িতে পানি জমে, যা পরবর্তীতে শুকিয়ে কালো বর্ণের খোসায় পরিণত হয়। কাশি ও পাতলা পায়খানাও হতে পারে। সাধারণত ২ সপ্তাহ থেকে ১ মাস পর্যন্ত এই রোগের স্থায়িত্ব হয়ে থাকে।
জটিলতা:
আক্রান্ত শিশুর ক্ষেত্রে শ্বাসনালী ও পরিপাকতন্ত্রের সংক্রমণে জীবনহানির কারণ হতে পারে। ত্বকে জীবাণু সংক্রমণ হয়ে গর্তের সৃষ্টি করতে পারে।
প্রতিরোধ:
আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা করে রাখতে হবে। যেকোনো বয়সীরা জলবসন্তের টিকা নিতে পারেন। একবার আক্রান্ত হলে সাধারণত পুনরায় সংক্রমণ হয় না।
চিকিৎসা:
ভাইরাসজনিত রোগ বিধায় এই রোগের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। সাবধানতা অবলম্বন ও পরামর্শ মেনে চললে এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। তবে অনেক সময় লক্ষণ অনুযায়ী ওষুধ দেওয়া হয়। যেমন: জ্বর বা চুলকানি নিয়ন্ত্রণের জন্য। আবার রোগের তীব্রতার ওপর ভিত্তি করে কখনো কখনো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া নাশক ওষুধও দেওয়া হয়ে থাকে।
মনে রাখবেন জলবসন্ত বা চিকেনপক্স একটি খুবই সাধারণ তবে ছোঁয়াচে রোগ। সাবধানতা অবলম্বন ও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে কোনো রকম জটিলতা ছাড়াই এ রোগ থেকে সুস্থতা লাভ করা যায়।
মানসিক চাপে থাকার লক্ষণ আর প্রতিকারের উপায়:
কাজের চাপ বা ব্যক্তিগত সমস্যা অনেক সময় মানসিক চাপের সৃষ্টি করতে পারে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা আবার ঠিকও হয়ে যায়। তবে দীর্ঘমেয়াদে চাপে ভুগলে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব রাখলে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের ‘মায়ো ক্লিনিক’য়ের মতে, মানসিকচাপ হালকাভাবে নেওয়ার মতো কিছু নয়। এটি হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা-সহ দীর্ঘস্থায়ী কোনো রোগের একটি প্রধান কারণ হতে পারে।
মানসিক চাপের অশনি সংকেত:
সামান্যতম চাপ বৃদ্ধি কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়ায় তবে অতিরিক্ত মানসিক চাপ ক্ষতিকর বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
মানসিক চাপের কারণে দেহে নানা রকমের লক্ষণ দেখা যায়। যেমন- ঘন ঘন ক্লান্তিবোধ, পেট ব্যথা, বুক ব্যথা ইত্যাদি অনুভব করা।
এছাড়াও কিছু লক্ষণের মধ্যে রয়েছে বারবার নেতিবাচক চিন্তা করা, মেজাজ খারাপ থাকা ইত্যাদি।
পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও আপনজন থেকে দূরে যাওয়া, ঘুমে সমস্যা বা অতিরিক্ত ঘুম, স্মৃতিশক্তি হ্রাস, মনোযোগে সমস্যা ইত্যাদি সবই মানসিক চাপের লক্ষণ বলে মনে করেন, উইলসন।
অনেকেই মানসিক চাপ কমাতে ড্রাগ, অ্যালকোহল বা অন্যান্য ওষুধ গ্রহণ করেন। যা নানান রকম স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ায়। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে চাপও বৃদ্ধি করে।
উপরের সবকটি ধাপ যদি নিজের জন্য অকার্যকর মনে হয়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
“যদি এই চাপের অনুভূতি মানসিক এবং শারীরিক সুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলতে থাকে তাহলে পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া উচিত।”
“এমন অনুভূতিতে, গভীর শ্বাস প্রশ্বাসের অনুশীলন করার চেষ্টা করা যেতে পারে বা কাজ থেকে বিরতি নেওয়া অথবা কাছের বন্ধু বা আপনজনের সঙ্গে কথা বলা উপকার দিতে পারে।”
মানসিক চাপ কমাতে ইতিবাচক অভ্যাস:
দৈনন্দিন এমন অনেক কাজ আছে যা মানুষের মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে।
এর মধ্যে শরীরচর্চা অন্যতম। সাধারণ কাজ যেমন- হাঁটা, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত ভালো ঘুম নিশ্চিত হওয়া, বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা, শখের বিষয় নিয়ে সময় কাটানো যা আনন্দ দেয় এমন কাজগুলো ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
জীবনে চাপ কমানোর জন্য ছোট ছোট পদক্ষেপ নেওয়া সামগ্রিক সুস্থতা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর একটি বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
তাই অতিরিক্ত চাপে ভুগছেন এমন লক্ষণগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং দৈনন্দিন রুটিনে কিছু ইতিবাচক অভ্যাসকে অন্তর্ভুক্ত করা শরীর ও মন দুয়ের জন্যই জরুরি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the practice
Telephone
Website
Address
Rajbari
Faridpur