FlickerHubs.com
অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা, পরিকল্পনা তোহ অনেক হলো ! পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সীমিত পরিসরে হলেও একশনে নামার বিকল্প কোনো উপায় কি আসলে আছে ??
দেশে সর্বত্র হযবরল অবস্থা কিন্ত তারপরও জীবন চলছে দেশ চলছে ! অনলাইন অফলাইন চারিদিকে চোর বাটপারে ভরে গেছে কিন্ত তারপরও থেমে যাওয়া কোনো সমাধান নয়। ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া ছিল আছে থাকবে এদেরকে সঙ্গী করেই আমাদের বাঁচতে হবে ! অভিযোগ অনুযোগ আর নিয়তিকে দোষ দিয়ে ভেঙে পরে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা কোনো সমাধান নয়। লড়তে হবে। নিজের শারীরিক শক্তি, মানসিক শক্তি, সাহস, সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একজন যোদ্ধা হিসাবে সকল প্রতিকূল অবস্থা সামনে থেকে ফেস করাই হবে বেঁচে থাকার একমাত্র সমাধান।
2012 থেকে 2020 এই দীর্ঘ সময়ে কখনো কর্মী হিসাবে, কখনো প্রতিষ্ঠানের মালিক হিসাবে, কখনো ফ্রীল্যান্সার হিসাবে, কখনো উদ্দ্যোক্তা হিসাবে কখনো ব্যাবসায়ী পার্টনার হিসাবে অনেক কার্যক্রমের সাথে কানেক্টেড ছিলাম এবং আছি, কিন্তু কোথাও কোনোভাবে সততা,আস্থা কিংবা বিশ্বস্ততার বিষয়ে আমার বা আমার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কেউ আঙ্গুল তুলতে পারে এরকম কোনো প্রশ্ন রাখিনি। অনেক সময় লস করেছি কিন্ত পরবর্তী সময়ে রিকভারি করে ক্লায়েন্টদের হিসাব ঠিকই বুঝে দিয়েছি। এই লাইফস্টাইল ফলো করি বিধায় হয়তো গাড়ি বাড়ি হয়ে উঠেনাই !! কিন্ত আল্লাহতালাহ এখন পর্যুন্ত যেভাবে রেখেছেন শুকরিয়া আদায় না করে উপায় নেই।
সিম্পল লজিক :
করোনা কতৃক সৃষ্ট জটিলতায় সবার লণ্ডভণ্ড অবস্থা ! অনেকেই বুঝে উঠতে পারছিনা কি করলে ভালো হবে ! আসলে প্রতিটি সেক্টরে পরবর্তী সময়গুলো হবে ভিন্ন অভিজ্ঞতার তাই যারা সামাল দিয়ে উঠতে পারবেননা বলে মনে হচ্ছে তাদেরকে স্ট্রাটেজি পরিবর্তন করতেই হবে এখনই। বিগত আড়াই তিন মাস অনেক স্টাডির পর আমরা সকল কার্যক্রমে কিছু ফরমেট আপডেটের পরিকল্পনা নিয়েছি। বরাবরের মতো আমরা নিজেরা তো বিজনেস করবোই কিন্ত এবার পরিচিত যারা আমাদের প্যাটার্নে কিছু করতে চায় তাদেরকে সরাসরি হেল্পও করবো। প্রফিট বিষয়ে ৯৯.৯৯% নিশ্চিত থাকেন।
বিদ্যা বুদ্ধি অভিজ্ঞতা অর্থ সবকিছুর সমন্বয়ে করে একসাথে এগিয়ে যাওয়ার প্ল্যান। পরিচিত সবাইকে নতুন লাইফস্টাইলে স্বাগতম ! বিজনেস টপিক তাই প্রাইভেসি এলার্ট আছে..বাদ বাকি কথা পার্সোনালি ইনবক্সে বা মোবাইলে ।
সবার জন্য শুভকামনা
Belal khan
করোনায়_আক্রান্ত_এক_যুবকের_শেষ
কথাগুলো_ছিল_এমন —☹️😢
হাসপাতালের_বিছানা থেকে বলছি,
দয়া_করে শুনবেন কি মানুষ !!
আমি এক তাগড়া যুবক, বয়স-২৭, নিরোগ, তরতাজা।।
ভেবেছিলাম, এই করোনাভাইরাস ঘটিত মহামারি আমার রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা ভাঙতে পারবে না।
ষোলো দিন আগে, জ্বর হলো আমার; সাধারণ ফ্লু ভেবে চুপচাপ কাটিয়ে দিলাম দিনটা।
পনেরো দিন আগে, শরীর ব্যথা; জ্বর কমে, বাড়ে; পেইনকিলার খেলাম দু'টো।
চৌদ্দ দিন আগে, জ্বর আসে, যায়; শরীর ব্যথা বাড়ে তো বাড়েই; সিজন চেঞ্জ হচ্ছে, আমি ফ্লুতেই থাকলাম, আমি পেইনকিলারেই থাকলাম।
তেরো দিন আগে, সারাদেহে ব্যথা কমলো, এলো গলা ব্যথা।
বারো দিন আগে, খুশখুশে কাশি, গলা ব্যথা বাড়ে, কমে; জ্বর ছিলো; আশঙ্কিত আমি ডায়াগনোসিসে গেলাম।
এগারো দিন আগের ভোরে, জানলাম, আমি কোভিড-১৯ পজিটিভ; স্বাদ ও ঘ্রাণ এই দুই ইন্দ্রিয় ক্ষমতা হারাতে আরম্ভ করলো।
দশ দিন আগে, দু'কানের ভিতরে তীক্ষ্ণ ব্যথা; স্বাদ নেই, গন্ধ নেই; ব্যথা গলায়, কাশি, জ্বর দেহে।
নবম দিন থেকে, বাকি সব উপসর্গের সাথে আরম্ভ হলো শ্বাসকষ্ট।
অষ্টম, সপ্তম, ষষ্ঠ দিন গেলো; সে কী প্রাণপণ চেষ্টা আমার, একটু বাতাস নিতে বুকের ভিতরে! হায়, এ-জগতে একমুঠো হাওয়া কি নাই!
আজ থেকে ছয় দিন আগে ঘর থেকে বের করা হয়েছিলো আমাকে-
পুলিশ ছিলো দু'জন, দু'জন স্বাস্থ্যকর্মী ছিলো, ছিলো একটি অ্যাম্ব্যুলেন্স।
আমার মাকে উঠতে দেওয়া হয়নি অ্যাম্বুলেন্সে, আমার বাবাকে আসতে দেওয়া হয়নি আমার সাথে, আমার ভাইকে আটকে দেওয়া হয়েছে ঘরের দুয়ারেই, আমার বোন তখন অজ্ঞান আমার শোকে।
অ্যাম্বুলেন্স চলে আসছিলো তার প্রিয় সাইরেন বাজিয়ে;
ভেতরে চিৎ শোওয়া আমি, একটু শ্বাসের খোঁজে আথালি পাথালি আমি, মাথাটা একটু তুলে আমার দু'পায়ের ফাঁক গলে, অ্যাম্বুলেন্সের দরজার ছোট্ট জানলা দিয়ে দেখেছিলাম-
আমার_বিদায়পথের_দিকে_অপলক তাকিয়ে ধুলায় শুয়ে আছেন আমার মা,
দু'হাতে মাথাটা চেপে দু'হাঁটু ধুলায় গেঁথে অবিশ্বাসে তাকিয়ে আছেন আমার বাবা।
আমার বোন তখন ঘরের মেঝেয় অচেতন।
আমি শেষ দেখা দেখেছিলাম আজন্ম প্রিয়তম মানুষগুলোকে আমার।
আজ ছয়দিন, হাসপাতালের আইসিইউ-কক্ষের ভিতরে, শুভ্র বিছানায় শুয়ে আছি আমি;
ওষুধ_নেই_এই_জগতে_এ- ব্যাধির;
এই যে ছয়-ছয়টা দিন বেঁচে ছিলাম, রোগপ্রতিরোধী পথ্য খেয়ে, যদি মিরাকল হয়, যদি সেরে ওঠে পরাজিত দেহটা আমার!
হাজারে-হাজারে তো এভাবেই ফিরে যেতে পেরেছে মায়ের কোলে, বাবার বুকে!
আমি_ছিলাম_না_ফেরার_দলে;
আজ, ডাক্তারের চোখের দিকে তাকিয়ে, বুঝতে অসুবিধে হয়নি, আমি মারা যাচ্ছি;
নার্সের চোখে আমি জল দেখেছি গতকাল, জেনেছি এই জন্মভূমি, এই পৃথিবী, আমার মায়ের বুক, আর আমার নয়।
এখন_আমি_মারা_যাচ্ছি।
জানি, আমার লাশটাকে ছুঁতে দেওয়া হবে না আমার পরিজনদের কাউকেই,
জানি, আমাকে দাহ করা হবে পাঁচজন পুলিশের সামনে,
জানি, আমাকে নিয়ে যাওয়া হবে চারজন অনাত্মীয়ের কাঁধে চড়ে;
মা নিষিদ্ধ, বাবা নিষিদ্ধ, নিষিদ্ধ আমার ভাই ও বোন, আমার কাছে, আমার লাশেরও কাছে।
আমি সুস্থ, সবল যুবক ছিলাম এক, বয়স-২৭, করোনাভাইরাসের কাছে হেরে যাওয়া, কাবু।
পৃথিবীতে আজ বেঁচে থাকা প্রিয় মানুষেরা, হাসপাতালের বিছানা থেকে বলছি, দয়া করে শুনবেন প্লিজ?-
আজ থেকে সতেরো দিন আগে মায়ের নিষেধ সত্ত্বেও ঘর ছেড়ে বেরিয়েছিলাম আমি।
জানি না, আমার দেহতে বয়ে নেওয়া এ-মারণব্যাধি আমার মা, বাবা, ভাই কিংবা বোনের দেহে সংক্রমণ করে দিয়ে মরে যাচ্ছি কিনা।
মানুষ, ঘরে_থাকবেন_প্লিজ?
এ মৃত্যু, জগতের নির্মমতম মৃত্যু।।
ঘরে_থাকি_সুস্থ_থাকি_পরিবারকে_সুস্থ_রাখি🙏
(copied)
25/11/2019
রেডি হচ্ছে বাংলাদেশ রেডি হন আপনিও ,দীর্ঘ প্রচেষ্টায় ৭ লক্ষ ফ্রীলান্সার , আপনি প্রস্তুত তো ?
#ফ্রীল্যান্সার
আইটি ইনস্টিটিউট
#আমাজন এফিলিয়েট
#ডিজিটাল মার্কেটিং
15/05/2019
যুক্তি আছে
চাকরির প্রস্তুতি ও দুশ্চিন্তাঃ
🎓🎓🎓🎓🎓🎓🎓🎓
চাকরি পাচ্ছেন না এই দুশ্চিন্তায় আপনার পড়ালেখাও হচ্ছেনা। হয়তো অনেকগুলো এক্সাম দিয়েছেন কিন্তু কোনটাতেই চূড়ান্ত তালিকায় নেই। কোনটায় প্রিলি ফেল নয়তো লিখিত ফেল নয়তো ভাইভায়। এভাবে কেটেছে অনেক মাস বা কয়েক বছর। এভাবে বারবার এক্সাম দিয়েও জব না পেয়ে আপনি হতাশ, এই জন্য জবের জন্য প্রয়োজনীয় পড়াটাও হচ্ছেনা, তাইনা???
ওকে, বুঝলাম। আপনি অনেক ভাল পরীক্ষা দিয়েও জব পাচ্ছেন না। তাহলে চুপচাপ ভাবুনতো কেন জব পাচ্ছেন না। কেউনা কেউ ঠিকই চাকরি পাচ্ছেন।আপনার কোথাও না কোথাও লেকিংস আছে। সেটা খুঁজে বের করুন। এরপর সেইটার উপর জোর দিন। পরীক্ষার হলে আপনার ম্যাচুরিটি শো করুন। টু দা পয়েন্টে উত্তর লিখুন।উত্তর গুছিয়ে লিখুন। সময়ের দিকে খেয়াল রাখুন। সঠিক ভাবে উত্তর লিখুন। নিজের প্রতি আত্ববিশ্বাস রাখুন। মনে করুন আপনার লিখাটাই বেষ্ট।
আচ্ছা, আপনি কি সারাজীবন বেকার থাকবেন? জ্বি না। আপনার কোথাও না কোথাও জব হবে। জব হবেই তবে হয়তো মনের মত হবেনা কিন্তু জব যে একটা হবে এটা নিশ্চিত। তাই চিন্তা বাদ দিন। মনে মনে ভাবুন একদিন ঠিক ই জব হবে। তাই টেনশন নিয়েন না। বর্তমান সময়টাকে কাজে লাগান। নিখুঁত ভাবে পড়ুন। চাকরি হচ্ছেনা এই চিন্তা করে পড়ার সময় নষ্ট করার কোন মানে হয়না। এগিয়ে যান। উপরওয়ালা আপনার জন্য কিছু না কিছু অবশ্যই রেখেছেন। হয়তো একটু সময় লাগবে এই আর কি। তাই বর্তমান সময়টাকে কাজে লাগান। ভাল প্রস্তুতি নিন।
তাই আপনারও একদিন জব হবে তবে সেটা নির্ভর করছে আপনি বর্তমান সময়টা কিভাবে ব্যয় করছেন তার উপর। আপনি চিরকাল বেকার থাকবেন না। একটা না একটা জব হবেই। তাই হতাশ না হয়ে প্রস্তুতি চালিয়ে যান। তবে অবশ্যই সঠিক পথেই প্রস্তুতি নিবেন।
আর একটা কথা- জবের প্রস্তুতির পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে কিছু করার চেষ্টা করুন। বিধাতা কোন দিক দিয়ে আপনাকে সফলতা দিবে সেটা আপনিও জানেননা। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর অপশন বাড়ান। নিজেকে নিয়ে ভাবুন। কোন কোন পথে আগাবেন সেটা চিন্তা করুন। এখন থেকে আবার নব উদ্যমে শুরু করুন। ইনশাআল্লাহ একদিন সফলতা আসবেই। শুভ কামনা আপনার জন্য।
মোঃ হামিদ পারভেজ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Website
Address
Dhaka
1209