Engineering topic,,,sd
14/05/2023
STEEL REBAR GAUGE..
25/10/2022
স্লাম্প টেস্ট কি?
এবং কেন করা হয়?
স্লাম্প টেস্টে স্লাম্প এর মান কখন কত হওয়া উচিত?
।
বিস্তারিত আলোচনা---
সদ্য মিশ্রিত কংক্রিট এমন হওয়া উচিৎ যাতে করে সহজে নাড়াচাড়া এবং ফর্মার মধ্যে ঢালাই করা যায়। কংক্রিট মিশ্রণের এই গুনটিকে কার্যোপযোগীতা বলে। মিশ্রণে পানির পরিমাণ বেশি হলে, মিশ্রণ নরম হয়। ফলে নাড়াচাড়া ও ঢালাই সহজ হয়। আবার পানির পরিমাণ কম হলে নাড়াচাড়া ও ঢালাই করা কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। মিশ্রণে পানির পরিমাণ কম বা বেশি করে কার্যোপযোগীতা পরিবর্তন করা যায়। তবে ঢালাইয়ের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কার্যোপযোগীতা একই থাকা উচিৎ। এই কার্যোপযোগীতা পরীক্ষা করার জন্য খুবই জনপ্রিয় পদ্ধতি হলো স্ল্যাম টেস্ট। সুতরাং ঢালাই কাজে ব্যবহত কংক্রিট মিশ্রণের কার্যোপযোগীতা যাচাইয়ের করার জন্য যে পরীক্ষা করা হয়, তাকে কংক্রিটের স্ল্যাম টেস্ট বা নতি পরীক্ষা বলা হয়।
কংক্রিটের স্ল্যাম টেস্টের জন্য দু'দিকে হাতল যুক্ত লোহার চোঙ বা সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। এর উচ্চতা ৩০ সেমি এবং নিচের প্রান্তের ব্যাস ২০ সেমি এবং ক্রমশঃ সরু হয়ে উপরের প্রান্তের ব্যাস হবে ১০ সেমি।
কাঠামোর গুণগত মান সঠিক রাখার জন্য কংক্রিট মিশ্রণের উপযোগিতা বজায় রাখা হয়। এ জন্য যে কোন স্পেসিফিকেশনে স্ল্যাম্পের মান দেওয়া থাকে। কংক্রিট মিশ্রণে স্ল্যাম্পের মান গুলো মেনে চললে কংক্রিটের মান উন্নত ও পীড়ন বৃদ্ধি পায়। নিম্নে বিভিন্ন কাজে ব্যবহত কংক্রিটের স্ল্যাম্পের পরিমাণ উল্লেখ করা হলো।
১) রাস্তা তৈরিতে কংক্রিট = ২০-৩০ মিমি।
২) আরসিসি স্ল্যাব, বীম ও দেওয়াল = ৫০-১০০ মিমি।
৩) কলাম, রিটেইনিং ওয়াল এবং পাতলা খাড়া মেম্বার = ৭৫-১৫০ মিমি।
৪) পানি রোধী নির্মাণ কাজ = ৭৫-১২০ মিমি।
৫) ভাইব্রেটেড কংক্রিট = ১২-২৫ মিমি।
৬) পুরু কংক্রিট = ২৫-৫০ মিমি।
৭) সাধারণ কংক্রিট ফুটিং, কেইশন এবং উপরি কাঠামো = ২৫-৭৫ মিমি।
৮) আরসিসি ভিত্তি দেওয়াল এবং ফুটিং = ৫০-১০০ মিমি।
৯) ব্রিজ ডেক = ২৫-৭৫ মিমি।
21/10/2022
রেট্রোফিটিং কি ??
পূর্বে নির্মিত বিল্ডিং বা স্ট্রাকচার এ নুতন কিছু সংযোগ করে , বিল্ডিং এর স্ট্রেনথ বাড়ানোর বা শক্তিশালী করার প্রক্রিয়াকে রেট্রোফিটিং বলা হয়ে থাকে।
বিল্ডিং এ রেট্রোফিটিং কেন করা হয় ?
বিভিন্ন কারণে রেট্রোফিটিং করা হয়ে থাকে , তার মধ্যে প্রধান প্রধান কিছু কারণ নিন্মে তুলে ধরা হয়ঃ
১. বিল্ডিং কোড সঠিকভাবে না মেনে বিল্ডিং নির্মাণ করা হলে ।
২. অনেক সময় ডিজাইন এ ত্রুটির কারণেও রেট্রোফিটিং এর দরকার হয় ।
৩. দীর্ঘদিন ব্যবহারে ও অপ্রত্যাশিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ এ ক্ষতিগ্রস্থ হলে বিল্ডিং এর স্ট্রেনথ বাড়াতে হয় ।
৪. ব্যবহৃত বিল্ডিং এর মূল ডিজাইনের বাহিরে গিয়ে অনেক ধরণের পরিবর্তন করা হলে ।(উদাহরণস্বরুপ – কোন ধরনের প্রভিশন না থাকা সত্বেও বিল্ডিংটিকে উপরের দিকে বা যেকোন পাশে বর্ধিতকরণ ইত্যাদি )
৫. বিল্ডিং এ ব্যবহারের ধরন পরিবর্তন করা । ( যেমনঃ রেসিডেনসিয়াল বিল্ডিং করে ইন্ডাস্ট্রিয়াল অথবা কমার্শিয়াল হিসাবে ব্যবহার করা হলে , বিল্ডিং লোড বিয়ারিং সক্ষমতায় তারতম্য হয় । যার ফলে বিল্ডিংকে পুনরায় শক্তিশালী করার প্রয়োজন পড়ে )
উপরোল্লিখিত কারণে মূলত বিল্ডিং এ রেট্রোফিটিং , স্ট্রেনথিনিং বা শক্তিশালী করার দরকার হয় ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka