The Pages

The Pages

Share

19/09/2023

" বাংলাদেশের ২৭ জন সিনিয়র রাজনীতিবিদকে গ্রাজুয়েশন সার্টিফিকেট প্রদান করলো ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল। "

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩
ইউএসএআইডি -এর স্ট্রেনদেনিং পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ প্রকল্পের আওতায় নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত ফেলোশিপ প্রোগ্রাম সফলভাবে সমাপ্ত করার জন্য কেন্দ্রীয় ও তৃণমূলের ২৭ জন সিনিয়র রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে। ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল এর সিনিয়র লিডারস ফেলোশিপ প্রোগ্রামে বাংলাদেশের তিনটি প্রধান রাজনৈতিক দল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং জাতীয় পার্টির সিনিয়র নেতারা এই ফেলোশীপে অংশগ্রহণ করেন।
কেন্দ্রীয় ও তৃণমূলের সিনিয়র পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতাদের নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক দক্ষতা বিকাশের লক্ষ্যে এই উচ্চমানের এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে, এতে নেতাদের নিজ এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও তরুণ রাজনীতিকদের সাথে সম্পর্কন্নোয়নে এই ফেলোশীপ সহায়তা করে থাকে ।
এই গ্রাজুয়েশন কর্মসূচির ৮ম ক্লাসের গ্রাজুয়েশনকৃত ফেলোরা ২০২৩ সালের জুলাই থেকে গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলসমুহের ভূমিকা, দলীয় অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র, ক্যাম্পেইন ম্যানেজমেন্ট, ভোটদান প্রক্রিয়া এবং রাজনীতিতে নারীদের অন্তর্ভুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিবিড় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং মাঠ পর্যায়ে কাজ করেছেন।
গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে সমাপনীতে অতিথি হিসেবে ছিলেন, বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খান এবং ইউএসএআইডি’র রাজনৈতিক প্রক্রিয়া বিষয়ক উপদেষ্টা লুবাইন চৌধুরী মাসুম। এসময় ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের চিফ অফ পার্টি ডানা এল. ওল্ডস সিনিয়র ফেলোদের মাঝে সার্টিফিকেট প্রদান করেন।
গ্র্যাজুয়েটদের অভিনন্দন জানিয়ে অনুষ্ঠানে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের আশা করি। এসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতি কতই না ভালো হতে পারতো, যদি পরস্পরের মতকে আমরা শ্রদ্ধা করতাম ও পরস্পরকে শত্রু হিসেবে না দেখে যদি শুধু প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখতাম । তিনি আরও বলে, আমরা ভিন্নমত ধারণ করলেও, ভিন্নদল করলেও, আমাদের উদ্দেশ্য একই। জনগণ চূড়ান্ত নির্ধারক যে কোনটা মত সঠিক। এক্ষেত্রে দলগুলোর মধ্যে কমন বিষয়গুলো নিয়ে একসাথে কাজ করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খান বলেন, আমাদের মধ্যে ভিন্নতা থাকলেও দেশকে এগিয়ে নেয়ার স্বার্থে যেই বিষয়গুলি আমাদের জন্য ক্ষতিকর তা একযোগে পরিহার করতে হবে। রাজনীতির সাথে অন্য পেশার তুলনা হয়না উল্লেখ করে তিনি ফেলোদের প্রতি নারী সহকর্মীদের প্রতি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান। তিনি দাবি করেন, অন্যান্য দলের চেয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে অধিক সংখ্যক নারী প্রতিনিধিত্ব রয়েছে।

মার্কিন জনগনের অর্থে ইউএসএআইডি পরিচালিত হয় জানিয়ে ইউএসএআইডি’র রাজনৈতিক প্রক্রিয়া বিষয়ক উপদেষ্টা লুবাইন চৌধুরী মাসুম বলেন, তরুণ নেতাদের ফেলোশীপ প্রোগ্রামের সাফল্যের পর ২০১৯ সাল থেকে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল সিনিয়র নেতৃবৃন্দদের জন্য ফেলোশীপ অনুষ্ঠান চালু করে। এ পর্যন্ত প্রায় দুই শতাধিক সিনিয়র নেতারা এই গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন।
সিনিয়র ফেলোদের অভিনন্দন জানিয়ে অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্যে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের এসপিএল প্রকল্পের চিফ অব পার্টি ডানা এল. ওল্ডস বলেন, অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতাদের পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ তাকে অনুপ্রানিত করেছে। এখান থেকে নেয়া শিক্ষা ফেলোদের নিজ নিজ এলাকায় তরুন নেতাদের কাছে পৌছে দেয়ার দায়িত্ব রয়েছে। এর মাধ্যমে যদি নেতৃত্বে সামান্যতমও গুণগত পরিবর্তণ আসে, সেটাই আমাদের বড় অর্জন হবে।
গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করা সমাপনী অনুষ্ঠানে তিন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, জয়পুরহাট জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম আজিজ ও জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল আহসান।
ইউএসএআইডি সম্পর্কে: বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইউএসএআইডি’র মাধ্যমে বাংলাদেশকে আট’শ কোটি ডলারেরও বেশী উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করেছে। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিভিন্ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাংলাদেশের কোভিড-১৯ মোকাবেলায় ৭ কোটি ডলারের বেশি প্রদান করেছে। ২০২০ সালে ইউএসএআইডি বাংলাদেশের জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ২০ কোটিরও বেশী ডলার প্রদান করেছে। ইউএসএআইডি বাংলাদেশে যে সকল কর্মসূচিতে সহায়তা প্রদান করে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও অনুশীলনের প্রসার, খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুবিধাদির সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবার উন্নয়ন ও অভিযোজন এবং পরিবেশ সুরক্ষার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানো।

Photos from The Pages's post 13/09/2023

বাংলাদেশে কমনওয়েলথভুক্ত
দেশগুলোর বিনিয়োগ চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
-----------
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে অন্যান্য দেশের সঙ্গে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের এই অঞ্চলের ৩ বিলিয়ন মানুষের বাজার পেতে বিনিয়োগ চেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী আজ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) দু’দিনব্যাপী কমনওয়েলথ ট্রেড এন্ড ইনভেষ্টমেন্ট ফোরাম-২০২৩’ এর জমকালো উদ্ভোধনকালে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণকালে এই আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান প্রায় ৩০০ কোটি মানুষের বাজারের কেন্দ্রস্থলে। এছাড়া, আমাদের রয়েছে ১৭ কোটি মানুষ। যার বৃহৎ অংশ যুবসমাজ।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের স্বচ্ছল জনগোষ্ঠির সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় সাড়ে তিন কোটি। ফলে জার্মানি ও যুক্তরাজ্যকে পেছনে ফেলে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বাজারে পরিণত হবে বাংলাদেশ।

সরকার প্রধান বলেন, ‘এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ অন্যান্য কমনওয়েলথভুক্ত দেশের উন্নয়ন যাত্রায় অংশ নিতে আগ্রহী দেশ, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আমরা দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই। আমি আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি, আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকবেন।’
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের প্রায় ৭০ শতাংশই আসে পুনঃবিনিয়োগ থেকে। এ থেকে প্রমাণ হয় বাংলাদেশে বিনিয়োগের চমৎকার পরিবেশ বিদ্যমান।
তিনি বলেন, আমি মনে করি যে, দ’ুদিনব্যাপী এই ফোরামে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক অর্জন ও গতিশীল শিল্প খাতের সম্ভাবনাসমূহ তুলে ধরা এবং প্রতিশ্রুতিশীল দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদি সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে বিনিয়োগ বিকাশের লক্ষ্য আরও প্রসারিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি করার চেষ্টা করছি, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগ করার পরিবেশকে আরও সহজ করে তুলবে।’
‘অন্তর্ভূক্তিমূলক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের ওপর তিনি সর্বদা গুরুত্বারোপ করে থাকেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কমনওয়েলথের বিজনেস-টু-বিজনেস (বিটুবি) কানেকটিভিটি ক্লাস্টার এর লিড কান্ট্রি হিসেবে নেতৃত্ব প্রদান করছে এবং আন্তঃকমনওয়েলথ বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্জনে কমনওয়েলথ ও সদস্য রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে একযোগে কাজ করছে।

এছাড়াও, বাণিজ্য সহজীকরণের লক্ষে কমনওয়েলথ সদস্য রাষ্ট্রসমূহকে কাগজবিহীন (পেপারলেস) বাণিজ্য সুবিধা সংক্রান্ত আইনি কাঠামো প্রণয়ণে সহায়তা প্রদানের জন্য ‘লিগ্যাল রিফর্ম এন্ড ডিজিটাইজেশন ওয়ার্কিং গ্রুপ’ গঠন করা যেতে পারে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।
আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য উন্নয়ন সহযোগীদের অকুণ্ঠ সমর্থন প্রয়োজন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রয়োজন অধিকতর টেকসই বিনিয়োগ। বিনিয়োগ বিকাশের পূর্বশর্ত হিসেবে আমার সরকার যে কার্যক্রমগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করেছে, তা হলো সাংগঠনিক সংস্কার, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ গঠন, বিনিয়োগকারীদের জন্য আকষর্ণীয় সুযোগ সুবিধা প্রদান এবং বিনিয়োগ পরবর্তী সেবা নিশ্চিতকরণ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য প্রায় সকল খাতই উন্মুক্ত। তবে এর মধ্যে কৃষিপণ্য ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য প্রস্তুত, চিকিৎসা উপকরণ, গাড়ি ও জাহাজ নির্মাণ, তথ্য প্রযুক্তিসহ অনেক খাতে অধিক বিনিয়োগ করা যেতে পারে।
তিনি বলেন ‘এ সকল খাতে আকর্ষণীয় বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানের পাশাপাশি ব্যবসা হতে উদ্ভুত লাভ/ডিভিডেন্ড নিজ দেশে ফেরত নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া সহজতর করা হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগকারীদের কাছে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে বিডা অনলাইনভিত্তিক ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করেছে। এর মাধ্যমে ২৬টি সংস্থার ৭৮টি সেবা একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে দেওয়া হচ্ছে।
‘বিনিয়োগের পূর্ব শর্ত হচ্ছে অবকাঠামো উন্নয়ন,’ উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, এজন্য আমরা সমগ্র দেশে ১’শটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও ১০৯টি হাইটেক পার্ক এবং সফটওয়ার প্রযুক্তি পার্ক এবং আইটি প্রশিক্ষণ এবং ইনকিউবিউশন সেন্টার স্থাপন করছি। যেখানে বৈদেশিক বিনিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে।
এ সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, আমাদের সড়ক, রেল এবং আকাশপথে যোগাযোগ উন্নত হচ্ছে। দেশের প্রায় সকল মহাসড়ক চার বা তদুর্ধ্ব লেনে উন্নীত করা হয়েছে বা হচ্ছে। পদ্মা সেতু নির্মাণের ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলা সরাসরি রাজধানী ঢাকা এবং দেশের অন্য অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে। পদ্মা সেতু দিয়ে শিগগিরই ঢাকার সঙ্গে খুলনার রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে যা মোংলা বন্দর পর্যন্ত সম্প্রসারিত হবে। পাশাপাশি চট্টগ্রামে কর্ণফুলি নদীর তলদেশ দিয়ে শুধু বাংলাদেশেই নয়, দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম টানেল চালু হবে শিগরিরই। চট্টগ্রাম থেকে পর্যটন শহর কক্সবাজারে রেললাইন নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, ঢাকায় গত বছর মেট্রোরেলের একাংশ এবং কয়েকদিন আগে দেশের প্রথম এলিভেটেট এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ উদ্বোধন করা হয়েছে। আগামি কয়েক মাসের মধ্যে এসব অবকাঠামোর পুরো অংশ চালু হলে ঢাকায় গণপরিবহন ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। ট্রাফিক জ্যামে আর কাউকে বসে থাকতে হবে না।

কমনওয়েলথ এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কাউন্সিল (সিডব্লিউইআইসি), বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা), পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জেডআই ফাউন্ডেশনের সঙ্গে অংশীদারিত্বে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিডব্লিউইআইসি চেয়ারম্যান লর্ড মারল্যান্ড ।
প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া এবং স্ট্র্যাটেজিক এডভাইজার অব কমনওয়েলথ কান্ট্রিস অ্যান্ড বিয়ন্ড জিল্লুর হোসেন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
অনুষ্ঠানে, টেকসই, পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগ প্রচারের লক্ষে ২০২২ সালে প্রবর্তিত দ্বিতীয় ‘কমনওয়েলথ-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গ্রিন ইনভেস্টমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়।
উগান্ডার ‘ইকো ব্রিকস’ এই পুরস্কারটি জিতে নেয়। ইকো ব্রিকসের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।
‘অব্যাহত এবং টেকসই জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিতকরণের জন্য বাণিজ্য ও জলবায়ুর প্রভাবের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ সরকার ও কমনওয়েলথের যৌথ উদ্যোগে ২০২২ সাল থেকে প্রদান করা হচ্ছে ‘কমনওয়েলথ-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গ্রীন ইনভেস্টমেন্ট অ্যাওয়ার্ড।’
কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোতে পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে এই পুরস্কার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং মানুষকে উৎসাহিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা।
শুরুতেই বাংলাদেশে কমনওয়েলথ ব্যবসা এবং সুযোগ নিয়ে একটি অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়।
দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা ১২টিরও বেশি সেশনে অংশ নিচ্ছেন।
কমনওয়েলথ হল ৫৬টি দেশের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা যা সাধারণ মূল্যবোধ দ্বারা একত্রিত এবং বিশ্বের জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশের আবাসস্থল। বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের ৩৪তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে আরও বলেন, গত প্রায় ১৫ বছরে দারিদ্র্যের হার ৪১.৫ থেকে ১৮.৬ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৫৯ বছরে থেকে ৭৩ বছরে উন্নীত হয়েছে। খাদ্য ও পুষ্টির জোগান আমরা দিতে সক্ষম হয়েছি। এমনকি চিকিৎসা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় আমরা পৌঁছে দিচ্ছি। এই সময়ে আমাদের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ২,৭৬৫ মার্কিন ডলার। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে যদিও কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। কারণ, আমরা এই মাথাপিছু আয় ২,৮২৫ মার্কিন ডলারে তুলতে পেরেছিলাম। তবে, আমরা আরো উন্নতি করতে পারবো, সে বিশ^াস আমার আছে।
‘বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে সামিল হওয়ার যোগ্যতাও ২০২১ সালে অর্জন করেছে, যার বাস্তবায়ন ২০২৬ সাল থেকে শুরু হবে,’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০০৬ সালে জিডিপি’র পরিমাণ ছিল মাত্র ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বর্তমানে (২০২২ পর্যন্ত) তা পৌণে আট গুণ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এমনকি করোনা মহামারির সময় যখন বহু দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল ঋণাত্মক, তখনও আমাদের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৫১ শতাংশ। যা আমাদের অর্থনীতির স্থিতিস্থাপকতারই প্রমাণ বহন করে। ’
সরকার প্রধান বলেন, পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়া সত্ত্বেও আমরা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। চাল, সবজি, ফল, মাছ, মাংস এবং ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশেগুলোর একটি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর আমাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সে লক্ষ্য অর্জনের পর আমরা কাজ করছি ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের। স্মার্ট সরকার, স্মার্ট নাগরিক, স্মার্ট অর্থনীতি ও স্মার্ট সমাজ গড়ে তোলার মাধ্যমে এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা হবে।
দেশের শতভাগ মানুষকে বিদ্যুতের সেবা প্রদান, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দেশের জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন খন্ডচিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি জ্ঞানভিত্তিক উন্নত স্মার্ট দেশে এবং ২১০০ সালের মধ্যে টেকসই বদ্বীপে পরিণত হওয়ার। সে লক্ষে আমরা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

13/09/2023

কী অদ্ভুত জীবন মৃত্যুর খেলা!
স্ত্রী বিয়োগের চব্বিশ ঘণ্টা না পেরোতেই পরপারে চলে গেলেন, সবার প্রিয় পরিচালক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সাবেক সভাপতি, সোহানুর রহমান সোহান স্যার। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন। মহান মালিক তার আত্মা কে শান্তি প্রদান করুন। আমিন। ❤️🙏🏼❤️

10/09/2023

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো রোববার (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩) রাতে হযরত শাহজালাল (রাঃ) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


House: 62, Road: 3, Block: B, Niketon, Gulshan/1
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00