RadioTune.com

RadioTune.com

Share

11/11/2016

জীবনতো একটাই, এ জীবনে যদি তোমায় না
পাই,তবে জীবন দিয়ে কি হবে?

03/09/2014

তিন-এর নামতা
- কবীর হুমায়ূন
(ছড়া)
তিন একে তিন
লজ্জা হলো ভিক্ষা করা, চুরি এবং ঋণ।
তিন দ্বিগুণে ছয়
মেধাশক্তি অর্জন করে আনবো দেশের জয়।
তিন তিরিক্কা নয়
অলসতা মন্দ অনেক, কর্মে আনে জয়।
তিন চারে বার
বন্ধু হবো সকল জনের, শত্রু নহে কারো।
তিন পাঁচে পনের
কুসংস্কার ছাড়ো এবার ‘আনলাকি’ নয়
তের।
তিন ছয়ে আঠার
শত্রুকে হেলা নয় আর, শক্ত করে পাছাড়ো।
তিন সাতে একুশ
মন্দ কাজে এই
জীবনে হইবো নাতো বেহুঁস।
তিন আটে চব্বিশ
তিক্ত কথা গরল মাখা,
মিষ্টি কথা নির্বিষ।
তিন নয়ে সাতাশ
সবুজ করে দেশখানিরে সতেজ
রাখবো বাতাস।
তিন দশে তিরিশ
ঐ দেখা যায় আকাশ ছোঁয়া বৃক্ষরাজি-
শিরিষ।............................Black

31/08/2014

কুমারী মাতা
# # # # # # # # # # # # #
জীবনে প্রেমের আবেদন চিরন্তন।
পৃথিবীর
আদি থেকেই এই প্রথা চলে এসেছে।
আমাদের এই
পৃথিবী ও সৃষ্টিকর্তার প্রেমের ফসল।নর
নারীর
প্রেম তো খুবই স্বাভাবিক। রহস্যময় এই
প্রেমের
ছোঁয়া সবাই গ্রহণ করতে চায়।এই সুখকর
প্রেমানন্দ মাঝেমাঝে হয়ে যায়
অভিশাপ। যার
ঘানি টেনে বেড়ায় সারাজীবন
কোনো নারী।
এক্ষেত্রে পুরুষ রা নিরপেক্ষ
ভূমিকা পালন করে।
কোনো দায় থাকেনা তাদের প্রেম
কে বিশুদ্ধ
করার।কিন্তু নারী তো মায়ের জাতি।
নিজের
মানসম্মান বিসর্জন দিয়ে বয়ে বেড়ায়
প্রেমের
ফসল অনাকাঙ্ক্ষিত সন্তান।
আবার অনেকেই পুরুষ দ্বারা প্রভাবিত
হয়ে বিনষ্ট করে দেয় সেই অনাকাঙ্ক্ষিত
বীজ।
তবে যারা বয়ে বেড়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত
সেই
সন্তান তেমনি একজন কুমারী মায়ের
আত্মজীবন নিয়ে লেখা এই গল্প
কুমারী মাতা।
আমি মেহেরজান।বাবা মায়ের আর পাচঁ
ভাইয়ের আদরের চোখের মনি ছিলাম।উচ্চ
শিক্ষা গ্রহন করার জন্য একদিন দেশের
সর্বোচ্চ
বিদ্যাপীঠ এ ভর্তি হয়েছিলাম।
প্রথম দিকে আমার খুব খারাপ লাগত কারণ
বাবা মাকে ছেড়ে আমি এখানে একা থাকি।
নিজেকে একা একা লাগত।তারপর একদিন
আমার সেই স্বপ্ন পুরুষের সাথে দেখা হয়।
আজাদ,ওর নাম।আমরা একই ডিপার্টমেন্ট এ
পড়তাম।ও আমার সিনিয়র ছিল।প্রথম
দিকে পড়াশোনা সংক্রান্ত বিষয়
নিয়ে আমাদের
কথা হত।কিন্তু আমাদের সম্পর্ক ক্রমশই ঘনিষ্ঠ
হতে থাকল।আমাদের মন
দেয়ানেয়া হলো একদিন।
ও আমাকে খুব ভালবাসতো।
আর আমিও।জীবন টা অনেক রঙিন
হয়ে গিয়েছিল।
আমরা রোজ বিকেলে দেখা করতাম।
নানা জায়গায় ঘুরতাম।
ওকে আমি নিজের
থেকেও বেশি ভালবাসতাম।
অসম্ভব ভাল কাটতে লাগল আমার দিন।
আজাদ মেসে থাকত আর
আমি হলে থাকতাম।
দেখতে দেখতে কেটে গেল একবছর।
আজাদ
ফাইনাল ইয়ারে পড়ত।আর আমি সেকেন্ড
ইয়ারে।
আমাদের দুজনের স্বপ্ন গুলো একই সুতোয়
বাঁধা পড়ে গেল।আমারা একটা ছোট ঘর
বাঁধার স্বপ্ন দেখতাম।আর এই স্বপ্ন
গুলো আমাকে আজাদ দেখাতো।
ওকে আমি নিজের প্রভু মনে করতাম।বেশ
সুখে কাটছিল দিন।
একদিন
বিকেলে আমরা ঘুরতে বেড়িয়েছি।
হঠাত ঝড়
শুরু হলো। আমরা ওর মেসের
আশেপাশে ছিলাম।
তাই সন্ধ্যে হয়ে যাওয়ায় আমরা ওর
মেসে গেলাম।কিছুতেই ঝড় থামল না।
আমি আজাদ একই ছাদের নিচে ঝড়ের এক
রাত।
ভালবাসার উষ্ণতার বন্ধন
আমি উপেক্ষা করতে পারিনি।
তারপর....... তারপর একরাশ কালো ধোঁয়া।
সকালে আমি চলে আসি,ঝড়
থেমে গেছে।বাহিরের
ঝড় মনের ঝড় সব ঝড় থেমে গেছে। এরপর
মাস
দুয়েক পর আমি নিজের মাঝে কিছু
পরিবর্তন লক্ষ
করলাম।আমি বুঝতে পারলাম
আমি নিজের
মাঝে আরেক জনকে
ধারন করছি।আমার সেই ঝড়ের রাতের
অনাকাঙ্ক্ষিত বীজ।
আমি আজাদ কে বললাম। আজাদ
নির্বিকার। ও
আমায় বিয়ে করতে পারবে না।আর
আমাকে আমার অনাগত সন্তান
কে মেরে ফেলার কথা বলল।
আমি রাজি হলাম
না।
তাই আজাদ আমায় ছেড়ে চলে গেল।
আমি একা হয়ে গেলাম।যখন
আজাদকে আমার
খুব প্রয়োজন ছিল ও তখন আমায়
ছেড়ে দিল।
ধীরে ধীরে আমার শরীরের পরিবর্তন
ঘটতে লাগল। আমার বান্ধবী রা সবাই
আমার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিল।
আমি একসময় বাড়ি ফিরে গেলাম।কিন্তু
আমার
বাবা মাও আমায় ত্যাগ করল।সমাজ আমার
পরিবার কে এক ঘরে করে দিল।তাই
পরিবার
কে মুক্তি দিতে আমি আবার
শহরে ফিরলাম।
একটা বস্তিঘর ভাড়া করলাম
মাথা গোজার
ঠাই হলো। খাদ্যের যোগান
দিতে একটা স্কুলে আয়ার কাজ নিলাম।শুরু
হলো আরেক নতুন অধ্যায়।
আমি আর আমার অনাগত সন্তান যুদ্ধ
করতে লাগলাম।টিকে থাকার যুদ্ধ।
বেঁচে থাকার যুদ্ধ। যখন আমি খুব অসুস্ত
হয়ে পড়তাম নিজেই
নিজেকে সেবা করতাম।
যখন আর বাইরে কাজ
করতে যেতে পারলাম
না তখন আমি নিজের সামান্য
গহনা বিক্রি করে একটা সেলাই মেশিন
কিনে ঘরে বসেই কাপড় সেলাই করতাম
বস্তির
মানুষদের।আর সেই সামান্য টাকায় আমার
সব
প্রয়োজন মিটে যেত।
আর আমার সন্তান আমার মধ্য একটু একটু
করে বড় হতে লাগল।আমি ওর
নড়াচড়া অনুভব
করতাম।পেটে ব্যাথা হত কিন্তু সুখ হত এই
ভেবে যে ও আমার নাড়িছেঁড়া ধন।
আমার
রক্তমাংস ওকে বড় করে তুলছে।
আমার অস্তিত্ব ও।দিনরাত্রি আমি ওর
আগমনের
জন্য প্রতিক্ষা করতাম।
কখন আমার প্রাণ প্রদীপ দেখতে পাব যার
জন্য এতটা প্রহর অপেক্ষা করছি।যার জন্য
সবাই আমাকে ত্যাগ করল।
একদিন সেই ক্ষণ এলো।আমার কোল
আলো করে ও
জন্ম নিল।আমি হয়ে গেলাম
কুমারী মাতা।
আমি ওর চোখে নিজের স্বপ্ন বুনতাম।
আমার
ছেলে মানিক।আমার অন্ধকার জীবনের
আলো।
আমি নিজের রক্ত পানি করে ওকে বড়
করে তুললাম। আমার হাত ধরে ও
হাটতে শিখল।
ও কথা বলা শিখল। ও যখন
মা মা বলে আমায়
জড়িয়ে ধরত আমি সব সুখ নিজের হাতের
মুঠোয়
পেয়ে যেতাম।যখন ওর অসুখ করত আমি রাত
জেগে ওর শিয়রে বসে থাকতাম।
ওকে আমি সেই বিদ্যাপীঠ এ
পড়িয়েছি যেখানে আমি পড়তে চেয়েছিলাম।
মানিক যখন আমায় ওর বাবার কথা বলত
আমি বলতাম ওর বাবা মরে গেছে।
নপুংসক আজাদ কে আমি নিজের জীবন
থেকে তাড়িয়ে দিতে চেয়েছিলাম।
আমার মানিক এখন মস্ত বড় অফিসার। অনেক
বড় চাকরি করে ও।শহরে ওর নিজের
চারটি ফ্লাট।
ওকে ভাল
মেয়ে দেখে বিয়ে দিয়েছিলাম।
মানিক এখন ঘোর সংসারী। মায়ের
প্রতি ক্ষুদ্রতম দায়িত্ব
সে মনে রাখতে পারে না।
তারপর........তারপর অনেক কথা। আর বলব না।
আমার ক্লান্তি লাগছে।আমি এখন
বৃদ্ধাশ্রম
এর একটা ঘরে থাকি।একার মত একা।সেই
প্রথম
যেমন ছিলাম।আমি এখনো অপেক্ষার প্রহর
গুনি।
তবে মানিকের জন্য নয়
মৃত্যুরদূতের জন্য।জীবন আমাকে কিছুই দিল
না।
শুধু অবহেলা আর অবজ্ঞা ছাড়া।
আমার ভুল কি জানেন?
আমি কুমারী মাতা।
এটাই ভুল।তাই অপেক্ষা করছি জীবনের
সীমানার বাইরে যেতে।
কি জানি কবে আসবে সেই অপেক্ষিত
ক্ষণ।..............(MS)..........

30/08/2014

কাক

05/01/2014

দশম সংসদ নির্বাচন :
দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করেছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি সহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দল। ৫ জানুয়ারী সকাল ৮টা থেকে শুরু ভোট গ্রহন। কোন প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় ইতোমধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন ১৫৩ জন প্রার্থী। মোট প্রতিদ্বন্দিতা হবে ১৪৭ আসনে। ১২টি রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করছে নির্বাচনে।

30/12/2013

মেসির প্রথম কোচঃ

''মেসি অনেক বেশি বিস্কুট খেতে পছন্দ করতো। এই কারনে একবার আমি মেসিকে বললাম, প্রতিটি গোলের জন্য তোমায় ১টি করে বিস্কুট দেওয়া হবে! মেসি বিস্কুটের জন্য অনেক বেশি গোলের চেস্টা করতো। মাঝে মাঝে সে গোল করতে না পারলেও আমি তাকে অনেকগুলো বিস্কুট দিতাম"

''মেসি হেড দিয়ে গোল করতে পারতোনা, কারণ হরমজনিত সমস্যায় সে অনেক খাটো ছিলো। একদিন বললাম, হেড দিয়ে একটি গোল করতে পারলে তোমায় দুটি করে বিস্কুট দেওয়া হবে। সে এটার জন্যে অনেক চেষ্টা করতে লাগলো কিন্তু পারছিলো না। সে চেষ্টা চালিয়ে গেলো।"

"অত ছোট বয়সে সে এতটাই চালাক ছিলো যে, এরপর সে সবাইকে কাটিয়ে বল যখন জালের কাছে নিয়ে যেতো, তখন বল উপরে তুলতো এবং হেডে গোল করতো!''

Want your business to be the top-listed Travel Agency in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Malibugh
Dhaka
3500