TimeTalks24.Com
26/03/2017
আপনার যদি ফেসবুক চালানোর মত জ্ঞান থাকে তাহলে আপনি ও পারবেন এই কাজটি করে কিছু টাকা ইনকাম করতে।
মাত্র একটি ইনভাইট করে uc browser এর ৫০০০ টাকার অফার টা লুফে নিন একটি ট্রিক্স খাটিয়ে।বিশ্বাস না করলেই মিস।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে UC Browser দিচ্ছে ৫০০০ টাকা করে বোনাস। তবে এটা পাওয়ার কিছু নিয়ম আছে।। নিয়ম গুলো আমি বলে দিচ্ছি আপনারা সেইভাবে করেন। সাথে একটা ইনভাইট এর ট্রিক্স তো থাকছেই।
১) প্রথমে play store এ গিয়ে আপনার uc browser টা আপডেট দেন।
২) যাদের uc browser নাই তারা play store এ গিয়ে বা
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.UCMobile.intl
এই লিংক থেকে ডাউনলোড করে নেন।।
*( যাদের uc আপডেট করা আছে তাদের আপডেট করা লাগবে না)
৩) তার পর uc browser দিয়ে
http://rc.ucweb.com/bdpullnewer2017/index?uc_param_str=dsdnfrpfbivesscpgimibtbmnijblauputogpintnw&entry=btopbanner_browser #!/index
এই লিংকে যান।
৪) বাম পাশে দেখবেন লেখা আছে 'inter code ' ওইটা তে ক্লিক করেন।
৫) দেখবেন একটা পেজ আসছে যেটাতে কোড ও নাম লেখার দুইটা ঘর আছে।।। কোড এর ঘরে এই 1006242 কোডটা বসান। আর নাম এর ঘরে আপনার নাম লিখে সাবমিট করেন।।
৬) তার পর ওই পেজেই ডান পাশে invitation code এই রকম একটা অপশন আছে ওইটা তে ক্লিক করেন।
আপনার ইনভিটিশন কোড টা ওপেন হবে।
ওপেন থাকা অবস্থায় আপনি আপনার অন্য একটি মোবাইল দিয়ে বা আপনার ফ্রেন্ড এর মোবাইল দিয়ে আপনার কোড টা ইউজ করে আরেকটি একাউন্ট এক্টিভ করেন।।। আর নিজের একাউন্টে জাদু দেখেন।।। ৫০০০ টাকা হয়ে যাবে।।
আর এর সাথে সাথেই বিকাশে কেস-আউট করার অপশন ও পেয়ে যাবে।
দেরি করলেই পসতাইবেন।।
ধন্যবাদ
29/01/2016
জিকা ভাইরাস সম্পর্কে আপনার যা জেনে রাখা উচিৎ!
বর্তমান বিশ্বে আলোচিত নাম এখন মশাবাহিত জিকা ভাইরাস। যে ভাইরাস এখন বিশ্ব নেতাদের ঘুম হারামের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইতিমধ্যে এই ভাইরাস ভারত, পাকিস্তানে ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেলেও বাংলাদেশ এখনও এ থেকে মুক্ত রয়েছে। তবে সতর্ক থাকতে হবে বাংলাদেশে বসবাসরত মানুষদেরও।
এ জন্য জিকা ভাইরাস সম্পর্কে আপনাকে যা জেনে রাখা উচিত। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক-
লক্ষণঃ জ্বর, ব়্যাশ (চামড়ায় লাল ফুসকুড়ি), গোঁড়ালিতে ব্যথা, চোখ লাল হয়ে যাওয়া – জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সাধারণত এ সব লক্ষণ দেখা দেয়। এছাড়া পেশীতে ও মাথায়ও ব্যথা হতে পারে। জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজনের অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
নামকরণের ইতিহাসঃ ‘জিকা’ নামটি নেয়া হয়েছে উগান্ডার জিকা বন থেকে৷ ১৯৪৭ সালে হলুদ জ্বর নিয়ে গবেষণার সময় বিজ্ঞানীরা জিকা বনে একটি খাঁচায় একটি বানর রাখে। পরে বানরটি জ্বরে পড়লে তার দেহে একটি সংক্রামক এজেন্টের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। ১৯৫২ সালে এর নাম দেয়া হয় জিকা ভাইরাস। এরপর ১৯৫৪ সালে নাইজেরিয়ায় এক মানুষের দেহে এই ভাইরাস পাওয়া যায়।
যেসব দেশে ছড়িয়েছেঃ ২০১৫ সাল নাগাদ আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ ও মধ্য অ্যামেরিকার কয়েকটি দেশে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের দু’জন নাগরিকের শরীরেও এই ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে।
যেভাবে ছড়ায়ঃ এডিস ইজিপ্টি নামের মশার কামড়ের মাধ্যমে এই ভাইরাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করে৷ ফলে মশার কামড় থেকে বাঁচার যে উপায়গুলো আছে সেগুলো মেনে চললেই এই ভাইরাসের আক্রমণ থেকে বাঁচা যাবে।
গর্ভবতী নারীরা বেশি সাবধানঃ সম্প্রতি একটি বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারছেন না গবেষকরা৷ তাদের কারও মত হচ্ছে, কয়েকটি দেশে শিশুদের ‘মাইক্রোসেফালি’ রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত গর্ভবতী মা। এই রোগ হলে শিশুদের মস্তিষ্কের গঠন ঠিকমতো হয় না, ফলে শিশুর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হওয়া, শারীরিক বৃদ্ধি অস্বাভাবিক বা বিলম্বিত হওয়া থেকে শুরু করে অকালে মারা যাওয়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায়। বৈজ্ঞানিকভাবে অবশ্য এটি এখনও প্রমাণ করা যায়নি।
ভ্যাকসিন নেইঃ এই রোগের চিকিৎসায় এখনও কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। ফলে সতর্ক থাকাটাই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। অবশ্য এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার ঘটনা বিরল।
29/01/2016
‘চার সপ্তাহের মধ্যে ধ্বংস হবে পৃথিবী’
ষড়যন্ত্র তত্ত্বের বিশ্বাসীদের দাবি, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে দানবীয় গ্রহাণুর আঘাতে পৃথিবী ধ্বংস হবে। ছবিতে শিল্পীর দৃষ্টিতে পৃথিবীতে দানবীয় গ্রহাণুর আঘাত কেমন হতে পারে। ছবি : নাসার ফাইল ছবি।
পৃথিবীর আয়ু আছে আর চার সপ্তাহেরও কম! কারণ, পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে দানবীয় এক গ্রহাণু। ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্বে’র বরাত দিয়ে যুক্তরাজ্যের ট্যাবলয়েড ‘ডেইলি স্টার’ ও ‘মিরর’ এই তথ্য জানিয়েছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচিত হচ্ছে। তবে পৃথিবী ধংসের বিষয়টি ‘ভুয়া’ বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।
ষড়যন্ত্র তত্ত্বের বিশ্বাসীদের মতে, পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা দানবীয় গ্রহাণুটি আগামী ২১ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বরে আঘাত হানবে। পুয়ের্তো রিকোর এফরেইন রডরিগেজ নামের এক স্বঘোষিত ‘সৃষ্টিকর্তার বার্তাবাহক’ এমন তত্ত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, গ্রহাণুর আঘাতের ফলে পৃথিবীর মানবজাতি ধ্বংস হয়ে যাবে।
এফরেইন রডরিগেজের দাবি, পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা গ্রহাণুর বিষয়ে সৃষ্টিকর্তা তাঁকে জানিয়েছেন। শিগগিরই এটি নাসার কাছে ধরা পড়বে। তখন বিশ্বের গবেষকদের কাছে বিষয়টি দৃশ্যমান হবে। এরই মধ্যে রডরিগেজ নিজ উদ্যোগে নাসাকে বিষয়টি জানিয়েছে।
রডরিগেজের দাবিকে ভ্রান্ত বলে উড়িয়ে দিয়েছে নাসা। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কোনো গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসার কোনো আশঙ্কা নেই বলেই দাবি করে প্রতিষ্ঠানটি।
নাসার পৃথিবীর নিকটবর্তী বস্তু নিয়ে গবেষণাবিষয়ক কর্মকর্তা পল চডাস বলেন, পৃথিবীর দিকে কোনো গ্রহাণু ধেসে আসছে এমন কোনো প্রমাণ তাঁরা পাননি। এমন কোনো গ্রহাণু নেই যা আগামী ১০০ বছরের মধ্যে পৃথিবীতে আঘাত হানতে পারে।
পল চডাস ডেইলি স্টারকে বলেন, রডরিগাসের তত্ত্বের কোনো ভিত্তি নেই। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে পৃথিবীতে গ্রহাণুর আঘাতের কোনো আশঙ্কা নেই। আর আগামী কয়েকশ বছরের মধ্যে বড় কোনো গ্রহাণু পৃথিবীতে আঘাত হানছে না। তিনি আরো জানান, নাসার কর্মকাণ্ডের অন্যতম একটি হলো গ্রহাণু শনাক্ত করা এবং পৃথিবীতে আঘাত হানতে পারে এমন কোনো গ্রহাণুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Mirpur
Dhaka
1207
29/01/2016