SAM Gallery
24/02/2023
25/01/2023
সৌদি আরবে গতকাল সকালে মক্কা মুকাররমহ এর উত্তরে হুদা আল-শাম এর পাহাড় থেকে তোলা ছবি।
রজব মাসের সকাল।
ছবি তুলেছেনঃ মোঃ আল-হাজলি
19/01/2023
🌸চুলের যত্ন ও ঘরোয়া টিপস🌸
✔ চুল কি মাঝে মাঝে গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত?
👉 না। চুলে কখনো গরম পানি ব্যবহার করবেন না। এতে চুলের ডগা ফেটে যাবে। নষ্ট হবে চুলের সৌন্দর্য। তবে মাঝে মধ্যে চুলের ডগা ছেঁটে ফেলবেন।
✔ চুলে কি নিয়মিত শ্যাম্পু ব্যবহার করা যায়?
👉 হ্যাঁ। কেউ কেউ ভাবতে পারেন চুলে নিয়মিত শ্যাম্পু ব্যবহার করা যায় কি না। আপনি ইচ্ছে করলে প্রতিদিনই শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। তবে শ্যাম্পু ব্যবহারের আগে জেনে নিন সেটা আপনার জন্য উপযুক্ত কি না।
✔ চুলে সুগন্ধি তেল মাখা কি ঠিক?
👉না। চুলে সুগন্ধি তেল মাখলে তার রাসায়নিক উপাদান চুলকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
✔ ঘন চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানো কি ভালো?
👉 না। চুল আঁচড়ানোর জন্য সরু দাঁতের কিংবা ঘন চিরুনি ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে চুল ছাড়াও মাথার ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
✔ তেল ব্যবহার করলে কি চুল ঘন ও কালো হয়?
👉 না। চুল ঘন কিংবা কালো করার পেছনে তেলের কোনো ভূমিকা নেই। যাদের চুল রুক্ষ তারা চুল নরম করার জন্য মাঝে মধ্যে নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন, তবে সপ্তাহে দু-তিনবারের বেশি নয়। আর চুলে খুশকি থাকলে কোনো অবস্থায়ই সপ্তাহে একবারের বেশি তেল দেয়া উচিত নয়, সম্ভব হলে তেল একেবারেই বন্ধ করে দিতে হবে।
✔হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করলে কি চুলের ক্ষতি হয়?
👉হ্যাঁ। হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করলে চুল রুক্ষ হয় এবং চুলের ডগা ফেটে যেতে পারে। তবে সীমিত পরিমাণ হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু সে ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে অতিরিক্ত গরম যেন না হয়।
✔বারবার চুল আঁচড়ানো কি চুলের জন্য ভালো?
👉 না। বারবার চুল আঁচড়ালে অর্থাৎ চুলে বেশি চিরুনি চালালে তেলগ্রন্থির কার্যশীলতা বেড়ে গিয়ে মাথার ত্বকে তেল ছড়িয়ে পড়বে। ফলে চুল বেশি তৈলাক্ত হয়ে যাবে। তৈলাক্ত চুল কখনোই সুন্দর দেখায় না। তা ছাড়া তৈলাক্ত চুলে খুশকি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তা ছাড়া বারবার চুল আঁচড়ালে ত্বকের উপরস্ত আবরণে ক্ষত সৃষ্টি হয়ে অবাঞ্ছিত সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। তবে চুল একেবারে রুক্ষ হলে কিছুটা তেল তেলে ভাব আনার প্রয়োজন রয়েছে, তখন তেলগ্রন্থির সক্রিয়তা বাড়ানোর জন্য আঙুলের ডগা দিয়ে চুলের ফাঁকে ফাঁকে ম্যাসাজ করতে হবে।
17/01/2023
চুলের ক্ষতি রোধে ডালিমের খোসা ব্যবহার করা হয়, প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের উপস্থিতি রয়েছে।ন্বা যা চুলের শিকড়গুলিকে আরও ভালভাবে পুষ্ট করবে।
প্যাক যেভাবে তৈরী করবেন।
১ চামচ ডালিমের খোসার গুড়ো।
১ চামচ ত্রিফলা গুড়ো।
১ চামচ মেথি গুড়ো ও ১ চামচ ব্রাউন হেনা পাউডার
পাউডারগুলো নিয়ে পানিতে পেস্ট বানিয়ে চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে ১ দিন করে ব্যাবহার করলে
১। চুলের অকালপক্বতা দূর হবে।
২। চুল হবে মজবুত ও দূর হবে চুল পড়ার সমস্যা।
৩। আপনার চুল থাকবে ঝলমলে উজ্জ্বল ও সুন্দর।
16/01/2023
নিমপাতার পরিচিতি
মুখে একটু ব্রণ হলে বা ত্বকের কোন সমস্যা হলেই আমাদের দুশ্চিন্তা শুরু হয়ে যায়। এই দুশ্চিন্তায় দুশ্চিন্তায় একটা ব্রণের জায়গায় আমরা দুই তিনটি ব্রণ বানিয়ে ফেলি। অথচ হাতের কাছেই প্রাকৃতিক উপাদান নিমপাতা আমাদের এক্ষেত্রে খুব সাহায্য করতে পারে। নিমপাতার ব্যবহার অনেক প্রাচীণ বিধায় অনেকেই এর ব্যবহার জানেন কিন্তু এত এত কস্মেটিকের ছলনায় আমরা আসলেই কি এর কথা মনে রেখেছি?
আসুন জেনে নেই তিতা নিমের মধুর গুণের কথা এবং এর ব্যবহারঃ
০১. নিমপাতা ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া বিরোধী। তাই ত্বকের সুরক্ষায় এর জুড়ি নেই। ব্রণের সংক্রমণ হলেই নিমপাতা থেঁতো করে লাগালে ভালো ফল নিশ্চিত।
০২. মাথার ত্বকে অনেকেরই চুল্কানি ভাব হয়, নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এই চুলকানি কমে, চুল শক্ত হয়, চুলের শুষ্কতা কমে যায় এবং চুল গজানো তরাণ্বিত হয়।
০৩. শুধুমাত্র চুলের নয় ত্বকের চুলকানিতেও নিমপাতা বেটে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।
০৪. নিয়মিত নিমপাতার সাথে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিন টোন ঠিক হয়। তবে হলুদ ব্যবহার করলে রোদ এড়িয়ে চলাই ভালো। নিমপাতার চেয়ে হলুদের পরিমাণ কম হবে।
০৫. নিমের তেলে প্রচুর ভিটামিন ই এবং ফ্যাটি এসিড থাকে যা ত্বক এবং চুলের জন্য উপকারী।
০৬. নিমের পাতা খেলে আমাদের শরীরের আজেবাজে জিনিস ভালো হয়ে যায় মানে শরীরের পরিপাক তন্ত্রের গতি বাড়ে সেই সাথে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে দেয় এবং রক্তের শুদ্ধতা বাড়ায়, ফলাফল হিসেবে শরীরের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ে আপনার ত্বক পরিষ্কার থাকবে। এ জন্য নিমের পাতা ৩/৪ টি প্রতিদিন চিবিয়ে খেতে হবে। উফফ!! মুখটি কি এখনি তেতো হয়ে গেলো?? আরে সহজ সমাধান দেই – নিমপাতা বেটে ছোট ছোট বড়ি তৈরি করে রোদে শুকাতে দিন। ভালো ভাবে শুকিয়ে গেলে কাঁচের বয়ামে সংরক্ষণ করুন। প্রতিদিন সকালে ২/৩ টি বড়ি পানি দিয়ে পেটে চালান করে দিন।
০৭. নিমপাতা সেদ্ধ পানি গোসলের পানির সাথে মিশিয়ে নিন। যাদের স্কিন ইরিটেশন এবং চুল্কানি আছে তাদের এতে আরাম হবে আর গায়ে দুর্গন্ধের ব্যাপারটাও কমে যাবে আশা করা যায়।
০৮. নিমপাতা সেদ্ধ পানি বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। কোন ফেসপ্যাক পেস্ট করার সময় পানির বদলে এই নিম পানি ব্যবহার করতে পারেন।
০৯. নিমের ডাল যে দাঁতের জন্য উপকারী সে কথা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। মুখের দুর্গন্ধ ও দাঁতের জীবাণু রোধে এটি বেশ কার্যকরী।
১০. কাটা ছেড়া বা পোড়া স্থানে নিম পাতার রস ভেষজ ওষুধের মতো কাজ করে।
১১. নিম পাতা রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে রেখে দিতে পারেন পরবর্তীতে ফেস মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করার জন্য।
আসলে তিতা নিমের গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না, তাই আজকে আপনাদের একটা নিমের চা এর রেসিপি দিয়ে লেখা শেষ করছি। এমনিতেই ভেষজ চা অনেক উপকারী আর নিজেকে সতেজ ও সুস্থ রাখতে নিম চা এর তুলনা হয় না। যারা ইতিমধ্যে চিরতার রস খেয়ে অভ্যস্থ তাদের কাছে নিম চা দুধভাত মনে হবে। যারা নতুন তারা মধু মিশিয়ে নিতে পারেন।
নিম চাঃ
শুকনো নিম পাতা গুঁড়ো অথবা তাজা নিমের ৬/৭ টি পাতা গরম পানিতে ছেড়ে ২/৩ মিনিট জ্বাল দিয়ে মধু মিশিয়েই বানিয়ে ফেলা যায় সুমিষ্ট নিম চা , তবে নতুনদের জন্য সময়সীমা ১ মিনিট। যত বেশি জ্বাল দিবেন তত তিতা হবে। আপনারা চাইলে একই ভাবে তুলসি পাতা দিয়েও চা বানাতে পারেন। মজার ব্যাপার হলো তুলসি পাতা অল্প সেদ্ধ করলে রঙ থাকবে সবুজ, বেশি সেদ্ধ করলে চায়ের রঙ হয়ে যাবে। যাদের সত্যিকারের সবুজ চা খাওয়ার ইচ্ছে তারা চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1361