রান্না করা শখ আমার । ২০১১ সাল থেকে আমি রান্না শুরু করি । আমি রান্না শিখেছি মূলত আমার আম্মুর কাছ থেকে । তারপর বিভিন্ন গ্রুপ , ইউটিউব দেখে রান্না শিখা । আবার যখন হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে খেতে যেতাম রেসিপি সম্পর্কে যেনে নিতাম।যখন ফ্রি থাকি প্রায় সময় আমি রান্না করি। যখন যেটা ভালো লাগে সেটা রান্না করি। রান্না করার ক্ষেত্রে আমার কোন অলসতা নেই। রান্না করতে অনেক ভালোবাসি। অনেকে প্রশ্ন করে রান্না কেন করি
? আমি যখন আমার আম্মুকে রান্না করতে দেখি, তখন খুব খারাপ লাগে যে এত কষ্টে করে রান্না করে আমাদের জন্য । মাঝে মধ্যে আমি রান্না ঘরে যেতাম আর রান্না দেখতাম । যতটা ভেবেছিলাম রান্না করা সহজ আসলে রান্না করাও অনেক কঠিন একটি কাজ যা আমরা ছেলেরা বুঝতে পারি না। একজন মা প্রতিদিন রান্না করে আর আমরা খাই । কিন্তু কখনো কি ভেবেছি এই একই রান্নার কাজটি একজন মা সে প্রতিদিন করে ? অনেক সময় রান্না খারাপ হলে খাবারের টেবিল থেকে চলে আসি । তখন একজন মায়ের অনেক কষ্ট লাগে, যখন খাবার রেখে চলে আসি। তখন একজন মায়ের দুঃখ কষ্টের শেষ থাকে না। এই কাজটি শুধু মাত্র মেয়েদের ?শুধু মায়েরাই রান্না করবে ? আর আমরা বসে বসে খাবো ? তাই এই চিন্তা থেকে যখন যেভাবে পারি আমার মাকে সাহায্য করার চেষ্টা করি। একটু হলেও রান্নার কাজে সাহায্য হয়। কিন্তু সব সময় হয়ে উঠে না । দূরে থাকার কারণে অনেক সময় মায়ের পাশে থাকতে পারি না।তবে রান্না থেকে দূরে থাকি না। বিদেশে যারা থাকে তারা নিজেদের রান্না নিজেরাই করে খেতে হয়। শুধু তাই নয় অন্যান্য দেশে নিজেদের কাজ নিজেরাই করে। কেউ কারও জন্য বসে থাকে না । শুধু আমাদের দেশেই দেখি ঘরের কাজ মেয়েরাই করে । আবার কাজের লোকও রাখা হয়। কিন্তু বিদেশে কাজের মানুষ রাখা হয় না। নিজেদের রান্না নিজেরাই করে । ছেলে-মেয়ে উভয়ই রান্না করে। রান্না করা কোন লজ্জার বিষয় না । যেকোনো মানুষ চাইলেই রান্না করতে পারে। এটাও একটি আর্ট এবং সৃজনশীলতা। রান্না নিয়ে কিছু করার ইচ্ছে আছে তাই এখানে আমার একটু বেশি ভালো লাগা। আমার ইচ্ছে সবাই একদিন রান্না করবে । তাদের মায়ের পাশে দাঁড়াবে , মাকে সাহায্য করবে। তাই আমি উদ্বেগ নিয়েছি আমার রান্নার রেসিপি সবার মাঝে পৌঁছে দিবো। সবাই রান্না শিখবে । এবি রাফি কোকারি নিয়ে আসবে আরও অনেক সুন্দর সুন্দর জানা অজানা রেসিপি । সবাই পাশে থাকবেন , দোয়া করবেন, নিরাপথে থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং ভালো থাকবেন ।