Health Is Wealth

Health Is Wealth

Share

Photos 10/03/2014
Photos 13/01/2013

ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে জলপান ও কুশল

প্রতি সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে জলপান। খুব উপকারী। আজকাল জাপানে খুব জনপ্রিয় এ চর্চা। ভারতবর্ষে প্রাণায়ম ও যোগব্যায়ামে এটি অনুষঙ্গ হিসেবে আছে বহু বছর ধরে।

বিজ্ঞানীরাও গবেষণা করে এর হিতকরী দিক খুঁজে পেয়েছেন।
মাথা ধরা, শরীর ব্যথা, হূদ্যন্ত্রের সমস্যা, আর্থ্রাইটিস, দ্রুত হূৎস্পন্দন, মৃগীরোগ, স্থূলতা, ব্রংকাইটিস, হাঁপানি, কিডনি ও প্রস্রাবের রোগ, বমি, গ্যাস্ট্রাইটিস, ডায়রিয়া, পাইলস, ডায়াবেটিস, কোষ্ঠবদ্ধতা, চোখের রোগ, নাক ও গলার রোগ ঋতুস্রাব সমস্যা— সবগুলোতে এই জলপান চর্চা বড় উপকারী।
জাপানে চিকিৎসা অঙ্গনে এ চিকিৎসা বহুল প্রচলিত।

কীভাবে করবেন......?
~সকালে ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করার আগে ১৬০ মিলিলিটার চার গ্লাস পানি পান করুন। (৪:১৬০ মিলিমিটার পরিমাণ জল)
~এরপর দাঁত ব্রাশ করুন ও মুখ পরিচ্ছন্ন করুন। তবে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কিছু খাবেন না। ৪৫ মিনিট পর স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া করুন।
~প্রাতঃরাশ, মধ্যাহ্নভোজন ও রাতের খাবারের ১৫ মিনিট পর দুই ঘণ্টা পর্যন্ত কোনো কিছু খাবেন না বা পান করবেন না।
~যাঁরা বৃদ্ধ ও দুর্বল এবং সকালে চার গ্লাস পানি পান করতে সমর্থ নন, তাঁরা প্রথমে কম জলপান করে ক্রমেই বাড়াতে বাড়াতে চার গ্লাস পর্যন্ত পানি পান করবেন। সুস্থ জীবনযাপনের বড় সহায় এই চর্চা।
যেসব রোগে এই জলপান চর্চা কয়েক দিন উপকারী তা-ও বলেছেন বিজ্ঞজনেরা।
ক. উচ্চরক্তচাপ (৩০ দিন), খ. গ্যাস্ট্রিক (১০ দিন) গ. ডায়াবেটিস (৩০ দিন), ঘ. কোষ্ঠ (১০ দিন) আর্থ্রাইটিস প্রথম সপ্তাহ তিন দিন, এরপর দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন। এই চিকিৎসার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। প্রথম দিকে একটু বেশি প্রস্রাব হতে পারে মাত্র। এই পানি পানকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে নিলে সর্বাঙ্গীণ কুশল হবে। পানি পান করুন এবং থাকুন সক্রিয়, সজীব, সবল ও সুস্থ।

চীনা ও জাপানিরা খাবারের সঙ্গে পান করে গরম চা, ঠান্ডা পানি নয়।
হয়তো খাবার গ্রহণের সময় এই পানীয় গ্রহণের অভ্যাস আমাদের নিলে ভালো হয়।
খাওয়ার পর ঠান্ডা জলপান করলে খাওয়া তৈলাক্ত খাদ্যকে কঠিন করে ঠান্ডা জল। ধীরগতি করে পরিপাক ক্রিয়া। এই আঠালো খাদ্যমণ্ড যখন অম্লরসের সঙ্গে বিক্রিয়া করে, এটি ভেঙে যাবে এবং কঠিন খাদ্যের চেয়ে দ্রুত শোষিত হয় অন্ত্রে।
তবে এটি আস্তরণ ফেলে অন্ত্রে, চর্বিস্তর, ফল ভালো হয় না। বরং খাওয়ার পর হট স্যুপ বা কুসুম গরম জল পান ভালো।
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরীর কলম থেকে
পরিচালক, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস, বারডেম হাসপাতাল, সাম্মানিক অধ্যাপক ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।

Photos 13/01/2013

কান চুলকানোর আড়ালে…

কিছুদিন ধরে কটনবাড খুব প্রিয় হয়ে উঠেছে আপনার। কোন ড্রয়ারে, কোথায় রাখা আছে, ভালোই জানা হয়ে গেছে। কারণ, কান চুলকায়। এমনটি হয় অনেকেরই। অসুখটির নাম অটোমাইকোসিস।

কেন হয়….
-রোগটা সেসব দেশেই বেশি হয়, যেখানকার আবহাওয়া উষ্ণ ও আর্দ্র। যেমন—বাংলাদেশ।
-রোগটা তাঁদেরই ভেতর বেশি হয়, যাঁরা কোনো কারণবশত দীর্ঘ সময় ধরে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করছেন।
-যাঁরা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অথবা যাঁদের রয়েছে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার অভাব।

চিকিৎসা….
-কানের ময়লা পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।
-ছত্রাকবিনাশী ওষুধ ব্যবহার করতে হবে। যেমন—
নাইস্টাটিন ক্রিম, ক্লোট্রিমাজল, ইকোনাজল ও জেনশিয়ান ভায়োলেট।
ওষুধগুলোর সঙ্গে সম্ভাব্য ক্ষেত্রে হাইড্রোকর্টিসন যুক্ত থাকলে তা ড্রাগের প্রতি টিস্যুর অতিসংবেদনশীলতা রোধ করে এবং কানে জ্বালা করার ভয় কমায়। ক্রিম বা ফোঁটা আকারে এগুলো ব্যবহার করা যায়। দুই সপ্তাহ ধরে ব্যবহার করলে রোগটি ফিরে আসার আশঙ্কা কমে যায়।
-অ্যান্টিহিস্টামিন-জাতীয় ওষুধ।
এ ছাড়া কানে যদি ব্যথা শুরু হয়, তা হলে ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসাও করণীয় হয়ে পড়ে।
খুব সতর্কতার সঙ্গে মোকাবিলা না করলে কানের পর্দায় অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। অটোমাইকোসিস রোগটি বহিঃকর্ণের। কিন্তু কানপাকা রোগীদের অর্থাৎ, মধ্যকর্ণের প্রদাহের কারণে যাদের কানের পর্দায় ছিদ্র থাকে, তাদের কানেও মিশ্র সংক্রমণ হতে পারে।

প্রতিরোধ….
চাই সাধারণ স্বাস্থ্যকুশলতা উন্নয়নের প্রয়াস এবং ভিটামিন ও পুষ্টির মান বাড়ানো;
মাঝেমধ্যে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দেখে নেওয়া;
ডায়াবেটিস থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখা;
নিরুৎসাহিত করা চাই কান চুলকানোয় দেশলাইয়ের কাঠি, মোড়ানো রুমাল, মুরগির পালক, চাবি ও কটনবাডের ব্যবহার।

Want your practice to be the top-listed Clinic in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka