Finer Threads
13/12/2020
- ঠক ঠক
- কে?
- স্যার, একটু বাইরে আসুন কথা আছে।
তারপর -
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকঃ
ডঃ গোবিন্দ চন্দ্র দেব (দর্শনশাস্ত্র)।
ডঃ মুনির চৌধুরী (বাংলা সাহিত্য)।
ডঃ মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী (বাংলা সাহিত্য)।
ডঃ আনোয়ার পাশা (বাংলা সাহিত্য)।
ডঃ আবুল খায়ের (ইতিহাস)।
ডঃ জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা (ইংরেজি সাহিত্য)।
ডঃ সিরাজুল হক খান (শিক্ষা)।
ডঃ এ এন এম ফাইজুল মাহী (শিক্ষা)।
হুমায়ূন কবীর (ইংরেজি সাহিত্য)।
রাশিদুল হাসান (ইংরেজি সাহিত্য)।
সাজিদুল হাসান (পদার্থবিদ্যা)।
ফজলুর রহমান খান (মৃত্তিকা বিজ্ঞান)।
এন এম মনিরুজ্জামান (পরিসংখ্যান)।
এ মুকতাদির (ভূ-বিদ্যা)।
শরাফত আলী (গণিত)।
এ আর কে খাদেম (পদার্থবিদ্যা)।
অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য (ফলিত পদার্থবিদ্যা)।
এম এ সাদেক (শিক্ষা)।
এম সাদত আলী (শিক্ষা)।
সন্তোষচন্দ্র ভট্টাচার্য (ইতিহাস)।
গিয়াসউদ্দিন আহমদ (ইতিহাস)।
রাশীদুল হাসান (ইংরেজি)।
এম মর্তুজা (চিকিৎসক)।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকঃ
ডঃ হবিবুর রহমান (গণিত বিভাগ)।
ডঃ শ্রী সুখারঞ্জন সমাদ্দার (সংস্কৃত)।
মীর আবদুল কাইউম (মনোবিজ্ঞান)।
চিকিৎসকঃ
অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি (হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ)।
অধ্যাপক ডাঃ আলিম চৌধুরী (চক্ষু বিশেষজ্ঞ)।
অধ্যাপক ডাঃ শামসুদ্দীন আহমেদ।
অধ্যাপক ডাঃ আব্দুল আলিম চৌধুরী
ডাঃ হুমায়ুন কবীর।
ডাঃ আজহারুল হক।
ডাঃ সোলায়মান খান।
ডাঃ আয়েশা বদেরা চৌধুরী।
ডাঃ কসির উদ্দিন তালুকদার।
ডাঃ মনসুর আলী।
ডাঃ মোহাম্মদ মোর্তজা।
ডাঃ মফিজউদ্দীন খান।
ডাঃ জাহাঙ্গীর।
ডাঃ নুরুল ইমাম।
ডাঃ এস কে লালা।
ডাঃ হেমচন্দ্র বসাক।
ডাঃ ওবায়দুল হক।
ডাঃ আসাদুল হক।
ডাঃ মোসাব্বের আহমেদ।
ডাঃ আজহারুল হক (সহকারী সার্জন)
ডাঃ মোহাম্মদ শফী (দন্ত চিকিৎসক)
অন্যান্যঃ
শহীদুল্লাহ কায়সার (সাংবাদিক)।
নিজামুদ্দীন আহমেদ (সাংবাদিক)।
সেলিনা পারভীন (সাংবাদিক)
সিরাজুদ্দীন হোসেন (সাংবাদিক)।
আ ন ম গোলাম মুস্তফা (সাংবাদিক)।
আলতাফ মাহমুদ (গীতিকার ও সুরকার)।
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত (রাজনীতিবিদ)।
রণদাপ্রসাদ সাহা (সমাজসেবক এবং দানবীর)।
যোগেশ চন্দ্র ঘোষ (শিক্ষাবিদ, আয়ূর্বেদিক চিকিৎসক)।
মেহেরুন্নেসা (কবি)।
ডঃ আবুল কালাম আজাদ (শিক্ষাবিদ, গণিতজ্ঞ)।
নজমুল হক সরকার (আইনজীবী)।
নূতন চন্দ্র সিংহ (সমাজসেবক, আয়ূর্বেদিক চিকিৎসক)।
09/12/2020
জোড়া লাগছে পূর্ব-পশ্চিম.... পদ্মা নদীর পূর্ব-পশ্চিমের সংযোগ সাধনের শেষ কাজটি সেতুর শেষ স্প্যান স্থাপনের মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে।
পদ্মা সেতুতে আর কখনো নতুন স্প্যান বসানোর আপডেট আসবে না। এ কারণে আনন্দ-বেদনার এক মিশ্র অনুভূতি অনেকেরই মাঝে। তবে সবার আগে প্রয়োজন যত দ্রুত সম্ভব এ সেতুর কাজ সম্পন্ন করে কোটি মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা- বলছেন সংশ্লিষ্ট শ্রমিক, প্রকৌশলী ও পদ্মার দুই পাড়ের মানুষ।
সবকিছু ঠিক থাকলে আজ বৃহস্পতিবার সকালেই সেতুর ৪১তম স্প্যানটি স্থাপন করা হবে।
এর আগে বুধবার বিকেলে পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যান ‘২এফ’ ইয়ার্ড থেকে ভাসামান ক্রেনবাহী জাহাজ ‘তিয়ান ই’ তুলে নিয়ে ১২ ও ১৩ নম্বর খুঁটির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে। পরে এটি উভয় খুঁটির কাছে নোঙর করেছে।
বুধবার ঘড়ির কাটায় সন্ধ্যা ৫টা ৫ মিনিট বাজতেই ইয়ার্ড থেকে স্প্যানবাহী ক্রেনটি রওনা হয়। সুবিধাজনক সময়ে মাওয়া প্রান্তে স্প্যানটি ১২ ও ১৩নম্বর খুঁটিতে স্থাপন করা হবে। সর্বশেষ স্প্যানটি স্থাপনের মাধ্যমে পদ্মার দুই পাড় মাওয়া ও জাজিরা যুক্ত হয়ে যাবে। এরপর সড়ক ও রেলের স্ল্যাব বসানো সম্পন্ন হলে যানবাহন ও ট্রেন চলাচল করতে হবে।
শেষ স্প্যানটি বুধবার বেলা আড়াইটায় রওনা হওয়ার কথা থাকলে নানা কারণে বিলম্ব হয়। কুয়াশাচ্ছন্ন নদীতে ধীরে ধীরে খুঁটির দিকে এগুচ্ছে ৩ হাজারেরও বেশী ওজনের ১৫০ মিটার দীর্ঘ এবং ২২ মিটার প্রশস্ত স্প্যানটি নিয়ে জাহাজটি এগুচ্ছে। স্প্যানবাহী জাহাজে যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।
স্প্যানটির নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে। স্প্যানটি স্থাপন পর্যন্ত পদ্মা সেতুর ১২ ও ১৩ নম্বর খুঁটি ও আশপাশ এলাকায় ফেরিসহ সবধরনের নৌযান চলাচল নিষেধ করা হয়েছে। পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka