Daily kitchen

Daily kitchen

Share

11/05/2025

বস্তুটির নাম— ভ্যানভেরা (vanvera). ১৯-শতকের ইতালিতে তুমুল জনপ্রিয় মেশিন ছিল এটি, বিশেষ করে ভেনিস শহরের সম্ভ্রান্ত পরিবারগুলোয়।

ভ্যানভেরা ব্যবহৃত হতো একটি সভ্য-উদ্দেশ্যে— জৈব-বায়ুত্যাগ, খাঁটি বাংলায় 'পাদ'-এর সুললিত শব্দ ও বিমোহিত ঘ্রাণ থেকে পারিপার্শ্বিক পরিবেশকে মুক্ত রাখতে।

এই বস্তুর উৎপত্তি মূলত প্রাচীন মিশর এবং রোমে, প্রায় একইসাথে, সুপ্রাচীন কালে। তখন এর নাম ছিল— প্রাল্লো (prallo). ফেরাউন ও সম্রাটদের দীর্ঘসময় ধরে চলমান উৎসবগুলোয় প্রাল্লো ব্যবহৃত হতো পাদের ধ্বনি ও গন্ধ লুকিয়ে পরিবেশকে স্বচ্ছন্দ রাখার দায়িত্বে।

প্রাল্লোর গঠন ছিল এরকম— ডিম্বাকৃতির সিরামিক বা কাঠের ফাঁপা গোলক, একপ্রান্তে মাউথপিসের মতো অংশ যেটা নিতম্বগুহার মুখে চাপা থাকতো, অপরপ্রান্ত উন্মুক্ত যেখানটা দিয়ে শব্দ ও ঘ্রাণ বেরিয়ে যেতো 'প্রক্রিয়াজাত' হয়ে। প্রক্রিয়াজাত বলতে— বিকট শব্দটি বেরুতো পথপরিক্রমার ফলস্বরূপ দুর্বল-ধ্বনি হয়ে, এবং দুর্গন্ধ বেরুতো সুঘ্রাণ হয়ে, কারণ গোলকটির ভিতরে রাখা হতো সুঘ্রাণযুক্ত ভেষজ লতাপাতা।

মিশর ও রোমের বাইরে প্রাল্লো জনপ্রিয় হতে পারেনি, ফলে একসময় বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিলো বস্তুটি। কিন্তু ১৬-শতকের দিকে এসে, এটি ভ্যানভেরা নাম নিয়ে ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় হতে শুরু করলো ভেনিসের সম্ভ্রান্তশ্রেণিতে। ২-ধরণের ভ্যানভেরা ছিল ভেনিসেঃ

একটির নাম— ভ্যানভেরা দা পাসেজ্জিয়ো, যেটা তৈরি হতো লেদার দিয়ে। এটি বহনযোগ্য ভ্যানভেরা। এর একপ্রান্ত নিতম্বদেশের সাথে আরামসে আটকে থাকতো, এবং এটায় একটি নাতিদীর্ঘ টিউব লাগানো ছিল যেটির শেষপ্রান্তে একটি ব্লাডার যুক্ত ছিল পাদবায়ু সংরক্ষিত হওয়ার জন্য। ব্লাডারটায় একটি ছোট্ট ছিদ্র থাকতো, ছিদ্রটিকে খোলা-বাঁধার জন্য ছিল একটি সুতা। সুতায় টান দিয়ে ছিদ্রটি উন্মুক্ত করে পাদটুকু দূরে গিয়ে ফেলে আসা হতো সুযোগ এলেই। এই ভ্যানভেরা স্কার্ট বা প্যান্টের ভিতরে পরা হতো, থিয়েটার বা সামাজিক অনুষ্ঠানাদিতে যাওয়ার সময়।

দ্বিতীয় বায়ুত্যাগী-মেশিনটার নাম ছিল— ভ্যানভেরা দা অ্যালকোভা। অ্যালকোভার টিউবটি ছিল লম্বা এবং এর প্রান্তে ব্লাডার থাকতো না। এটি ঘরে ব্যবহার করা হতো, বহনযোগ্য ছিল না। দীর্ঘ টিউবটির শেষপ্রান্ত জানালা দিয়ে বাইরের দিকে বের করে রাখা হতো ঘ্রাণ চলে যাওয়ার জন্য। এই ভার্সনটি প্রধানত পুরুষেরা ব্যবহার করতেন, বিয়ের প্রথম রাতে টেনশনে-অস্থিরতায় পেদেটেদে দেওয়ার পরে অস্বস্তিকর ঘ্রাণ-শব্দ এড়িয়ে চলার জন্য।

২০-শতকের শুরুর দিক থেকে ভ্যানভেরার ব্যবহার কমে গেলো, সম্ভ্রান্ত-শ্রেণির পোশাকের ধরণ পাল্টে যাওয়ার ফলস্বরূপ; এবং পারফিউমের উন্নতির ফলে। কিন্তু, পাদ-শিল্পের মোহময়তাকে আমরা ছেড়ে থাকতে পারলাম কই!

তথ্যসূত্রঃ উইয়ার্ড, স্ট্রেঞ্জ, এণ্ড ইন্টারেস্টিং থিংস।

30/03/2025

বেকিং সোডা হল একজন বাগানীর সেরা বন্ধু: বাগানে সোডার 10টি ব্যবহার রয়েছে,যা খুবই উপকারী।

1. প্রাকৃতিক ছত্রাকনাশক: জল এবং তরল সাবানের সাথে বেকিং সোডা মিশিয়ে গাছে স্প্রে করুন এবং পাউডারি মিলডিউর মতো ছত্রাকজনিত রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করুন।

2. আগাছা নিধনকারী: আশেপাশের গাছপালাকে ক্ষতি না করে তাদের মেরে ফেলার জন্য বাগানের আগাছায় সরাসরি বেকিং সোডা প্রয়োগ করুন।

3. কীট প্রতিরোধক: বেকিং সোডা এবং ময়দার মিশ্রণ গাছে ধুলো দিলে বাঁধাকপির কীট এবং এফিডের মতো কীটপতঙ্গ প্রতিরোধ করতে পারে।

4. মাটি সংশোধন: বেকিং সোডা অত্যধিক অম্লীয় মাটিকে নিরপেক্ষ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে, যা উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য পরিবেশের উন্নতি করে।

5. টমেটো সুইটনার: মাটির অম্লতা কমাতে টমেটো গাছের চারপাশে বেকিং সোডা ছিটিয়ে দিন, ফলে টমেটো মিষ্টি হয়।

6. কম্পোস্ট বর্ধক: বেকিং সোডা দিয়ে পরিবেশকে আরও ক্ষারীয় করে কম্পোস্ট প্রক্রিয়ার গতি বাড়ান।

7. গন্ধ শোষণকারী: বেকিং সোডা ছিটিয়ে কম্পোস্ট বিনের মতো এলাকায় গন্ধ নিরপেক্ষ করুন।

8. টুল ক্লিনার: ময়লা এবং মরিচা অপসারণের জন্য একটি বেকিং সোডা পেস্ট দিয়ে স্ক্রাব করে বাগানের সরঞ্জামগুলি পরিষ্কার করুন।

9. বীজ অঙ্কুরোদগম: রোপণের আগে একটি বেকিং সোডার দ্রবণে বীজ ভিজিয়ে বীজের অঙ্কুরোদগম বাড়ান।

10. পিঁপড়া প্রতিরোধক: গাছপালা বা পিঁপড়ার পথের চারপাশে বেকিং সোডা দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে পিঁপড়াদের প্রতিরোধ করে।

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


1701. . . Boithakali. . Merul Badda, . . Dhaka
Dhaka
1000