Poem

Poem

Share

কবিতার বিশাল ভান্ডারে আপনাকে স্বাগতম

কবিতা আর কবিতা।
একটা সময় এমন ছিল যখন কবিতা পড়তে হবে শুনলেই মাথা খারাপ হয়ে যেত। স্কুলের বইগুলোতে ‘কবিতা’ কে শুধুই বাংলা পরীক্ষার একটা অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নম্বর পাওয়ার জন্য গোগ্রাসে মুখস্ত করে যেতাম। স্যাররা কি সত্যিই কবিতার আসল রূপ আমাদের সামনে তুলে ধরতে পারতো? জানিনা। তবে কবিতার সাথে সত্যিকারের পরিচয় হতে বেশিদিন সময় লাগেনি। বাংলা কবিতার যে বিশাল ভান্ডার রয়েছে তা আর যেকোন ভাষার সাহিত্যভান্ডারের তুলনায় কম নয়।

15/04/2021

একসময় আমাদের প্রচুর কথা হতো। 'প্রচুর' শব্দটাকে আর কত বাড়িয়ে লিখলে আমাদের কথা হওয়ার দিনসবের সঠিক হিসেব দেয়া যাবে বলো তো ?

আমার সাথে তোমার যত কথা হয়েছে.. তোমার সাথে আমার যত কথা হয়েছে.. সব কথাদের একত্র করলে কি মহাকাশের সমস্ত গ্রহ নক্ষত্ররাজির সমান হবে না? উদাহরণ টা সঠিক হয়নি হয়তো। কত হবে? পৃথিবীর সব গোলাপের রেণুর সমান কি হবে?
হবে হয়তো। তুমি জানো না।

তুমি আসলে কিছুই জানো না। কিছুই যে জানো না কিংবা জানার প্রয়োজনবোধটুকু ও করো না তা কিভাবে বুঝলাম জানো?

যেদিন দেখলাম আমাদের দুজনের কথার আকাশে ঘোরতর মেঘ! সমস্ত আকাশ ভেঙেচুরে একাকার হয়ে তা আমাদের অনুভূতির জগতটা গুড়িয়ে দিয়েছে। দেখলাম আকাশের সব মেঘেরা জড়ো হয়ে এক সমুদ্র জল হয়ে গেছে..

জলেরা পৃথিবীর কোথাও জায়গা করতে পারছে না জানো? আমার চোখেই ঘাঁটি গড়েছে..
তোমার চোখে কী পৌঁছেছে কিছু? না হয়তো!

মনে আছে,
কত কত রাত আমরা অকারন বকবকিয়েই কাটিয়ে দিয়েছি? সারাক্ষন আমি এরওর ব্যাপারে অযথা বকবক করেই যেতাম, আর তুমি সে কি মনযোগ সহকারে আমার বকবক শুনে যেতে ঘন্টার পর ঘন্টা!

তোমার সাথে এত এত কথা আমার হলো। এত এত গল্প,কবিতা আমরা বুনলাম নিজেদের নিয়ে.. এসব যে একদিন আমার পুরনো মোবাইলের মেমোরি কার্ডের মত ফরম্যাট হয়ে যাবে কখনো ভাবিনি জানো?
আমাকে তুমি সহজ করে ভাবতে শেখাতে। আমিও তাই সবকিছু সহজ ধরে নিয়েছিলাম।

ধরেই নিয়েছিলাম পৃথিবীর কোনো এক প্রান্তে খুব জলদি শুরু হবে আমাদের ছোট্ট সংসার। একসাথে পুরো দুনিয়া চষে বেড়াবো আমরা।

আমি সত্যিই ধরে নিয়েছি শেষ বয়সে তুমি আমার প্রেশারের ট্যাবলেট নিয়ে ঘরে ফিরবে।

আমি ধরে নিয়েছিলাম ' আমরা কেউ কাউকে ছেড়ে যাবো না' বাক্যটা ধ্রুব সত্য।

যেদিন প্রথম তোমাকে দেখেছিলাম, আমি সেদিন থেকেই ধরে নিয়েছিলাম আমরা নিজেদের সঠিক মানুষটাই পেয়ে গেছি।

তুমি এতকিছু জানতে! এত কিছু শিখেছো.. কথা রাখা কেন শেখোনি?
এই একটা মাত্র ছোট্ট জীবনে আমাকে কী রকম ভয়ঙ্কর একা করে তুমি চলে গেছো!

খুব ইচ্ছে করে একবুক অভিমান নিয়ে তোমাকে একদিন জিজ্ঞেস করি,
তুমিহীন গোটা একটা মানবজনম আমি কি করে কাটাবো বলোতো? জিজ্ঞেস করা আর হলো কই!

শুনো,
বুকের পাঁজরকে কখনো খুলে ফেলতে হয়না। মরে গেলেও পাঁজর সহ-ই মরতে হয়।
তুমি কেন বুঝলে না? তুমি বুঝলে কি আমাকে এত হাহাকার নিয়ে আর মরতে হতো? বলো? :)

02/04/2021

অবিবাহিতরা ভাবে যে বিবাহিত জীবন খুব সুখের।
সুখের নমুনা:

১) আপনাকে মাত্র ২ মিনিট শুয়ে থাকতে দেখলে আপনার বৌয়ের মনে হবে আপনি নব্যপ্রস্তর যুগ থেকে শুয়ে আছেন। বৌ এসে আপনাকে বলবে- সারাটা দিন শুইয়া শুইয়া কাটাও! একটা মানুষ ক্যামনে এত আইলসা হয়! আল্লাহ মাবুদ! মিতুর জামাইরে দেখোগা; ঘরের সব কাজ করে। খালি অফিসের কাজ করলেই সব দায়িত্ব শ্যাষ হইয়া যায় না।

২) আপনাকে খাটানোর জন্য উদ্ভট সব কাজ করার চাপ দেওয়া হবে। যেমন, বৌ বলবে- শোনো, ম্যাচের কাঠি দিয়া চুলা ধরাইলে সেই আগুনে ভাত-তরকারি ভালো সিদ্ধ হয় না। কাঁচা থাকে। বাইরে যাও; দুইটা পাথর নিয়া আসো। পাথর ঘইষা চুলায় আগুন ধরাইয়া দেও। পাথরের আগুনে ত্যাজ আছে। রান্না ভালো হয়।

৩) সবচেয়ে বেশি ক্ষ্যাপবে বই পড়তে দেখলে। বলবে- আরেব্বাহ! পড়াশোনা গাবাই গেছে! মস্ত বড় বিদ্বান হইছে! ফাঁকিবাজ কোথাকার। কোনো সময়ই তো বই নিয়া বসতে দেখি না; কোনো কাজ করতে দিলেই তার পড়াশোনার সাধ জাগে! বিদ্বান হইয়া যায়।

৪) কোনো জায়গাতেই যুত মতো ২ মিনিট বসতে পারবেন না। বৌ খাটের উপর বসে বসে বেহুদা অর্ডার দেবে। বলবে- তেলের বোতলটা দেও; একটা বাটি নিয়া আসো পাকঘর থেইকা; ঘড়িটা স্লো হইয়া আছে, টাইমটা মিলাও; উঁকি দিয়া দেখো তো ময়লাওয়ালা ময়লা নিয়া ঝুড়িটা কই রাইখা গেলো; ফ্যানটা আরেকটু বাড়াইয়া দেও ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি। মোটকথা, আপনি মোটামুটি আফ্রিকান ক্রীতদাসের জীবনযাপন করবেন।

৫) একটু মোবাইলটা হাতে নিলেই কাম সারছে, মোবাইলের ভিতর ডুকে যাও, সারাদিন বসে বসে মোবাইল টিপো, মোবাইলও তোমার কাছে মাফ চাইতেছে, এবার ছাড়ো ওইটারে।

হে আমার অবিবাহিত ভাইয়েরা, দূরের ঘাস ঘনই মনে হয়। কাছে গেলে শূণ্যস্থানটা চোখে পড়ে। তোমরা ভাবতেছো- আমরা বিবাহিতরা মনে হয় খুব সুখে আছি। না রে ভাই, সুখ তো হিমালয় পর্বতের মতো, দেখা যায় কিন্তুুু ছোয়া যায় না 🥴🥴

(সংগ্রহিত)

10/08/2019

বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে। তো, লজিক অনুযায়ি মেয়েদের গর্ভে যদি সেই পরিমান শুক্রানু স্থান পেতো তাহলে ৪০ কোটি বাচ্চা তৈরি হতো!
এই ৪০ কোটি শুক্রাণু, মায়ের জরায়ুর দিকে পাগলের মত ছুটতে থাকে, জীবিত থাকে মাত্র ৩০০-৫০০ শুক্রাণু।

আর বাকিরা ? এই ছুটে চলার পথে ক্লান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়। এই ৩০০-৫০০ শুক্রাণু, যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে। তাদের মধ্যে মাত্র একটি মহা শক্তিশালী শুক্রাণু ডিম্বানুকে ফার্টিলাইজ করে, অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহন করে। সেই ভাগ্যবান শুক্রাণুটি হচ্ছে আপনি কিংবা আমি, অথবা আমরা সবাই।

কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন?

১। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন" তখন ছিলনা কোন চোঁখ হাত পা মাথা, তবুও আপনি জিতেছিলেন।

২। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন"তখন আপনার ছিলোনা কোন সার্টিফিকেট, ছিলোনা মস্তিষ্ক তবুও আপনি জিতেছিলেন।

৩। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন তখন আপনার ছিলনা কোন শিক্ষা, কেউ সাহায্য করেনি তবুও আপনি জিতেছিলেন।

৪। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন তখন আপনার একটি গন্তব্য ছিলো এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্র চিত্তে দৌড় দিয়েছিলেন এবং শেষ অবধি আপনিই জিতেছিলেন।

- এর পর, বহু বাচ্চা মায়ের পেটেই নষ্ট হয়ে যায় । কিন্তু আপনি মারা যান নি, পুরো ১০ টি মাস পূর্ণ করতে পেরেছেন ।
- বহু বাচ্চা জন্মের সময় মারা যায় কিন্তু আপনি টিকেছিলেন ।
- বহু বাচ্চা জন্মের প্রথম ৫ বছরেই মারা যায়। আপনি এখনো বেঁচে আছেন ।
- অনেক শিশু অপুষ্টিতে মারা যায়। আপনার কিছুই হয় নি ।
- বড় হওয়ার পথে অনেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে, আপনি এখনো আছেন ।

আর আজ......

আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন, কিন্তু কেন? কেনো ভাবছেন আপনি হেরে গিয়েছেন ? কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন ? এখন আপনার বন্ধু বান্ধব, ভাই বোন, সার্টিফিকেট, সবকিছু আছে। হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে, সাহায্য করার মানুষ আছে, তবুও আপনি আশা হারিয়ে ফেলেছেন। যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেননি। ৪০ কোটি শুক্রাণুর সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে, ক্রমাগত দৌড় দিয়ে কারো সাহায্য ছাড়াই প্রতিযোগিতায় একাই বিজয়ী হয়েছেন।

কেনো একজন আপনার লাইফ থেকে চলে গেলে,
সেটা মেনে নিতে পারেন না?
কেনো আপনি একটা কিছু হলেই ভেঙে পড়েন??
কেনো বলেন আমি আর বাচতে চাইনা?
কেনো বলেন আমি হেরে গিয়েছি?
এমন হাজারো কথা তুলে ধরা সম্ভব, কিন্তু আপনি কেনো হতাশ হয়ে পড়েন?
আপনি কেন হারবেন? কেন হার মানবেন? আপনি শুরুতে জিতেছেন, শেষে জিতেছেন, মাঝপথেও আপনি জিতবেন। নিজেকে সময় দিন, মনকে প্রশ্ন করুন কি প্রতিভা আছে আপনার। মনের চাওয়া কে সব সময় মূল্য দিন, সব সময় আল্লাহকে স্বরণ করুন। দেখবেন আপনি জিতে যাবেন,

শুধু নিজের মনের জোর নিয়ে যুদ্ধ করতে থাকুন- আপনি জিতবেনই।

16/06/2019

অাষাঢ়েরও বাদল দিনে
কদম দিবে অামায় এনে
নইলে বাঁধবো না চুল
সবকিছু হবে যে ভুল!
তোমার কদম ফুলে হবো মাতোয়ারা
অার তুমি যে হবে অামার পাগলপারা।
শ্রাবণের ঐই বারিধারা ঝরবে ঝর ঝর ঝর
তোমায় অামায় ভিজিয়ে দিবে একটু পর পর।😍

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Shabagh
Dhaka
1000