ProfessionBD.com
07/05/2015
ওয়ালটন ওয়ালপ্যাড প্রো বাজারে
বাংলাদেশি ব্র্যান্ড ওয়ালটন বাজারে আনছে উইন্ডোজনির্ভর মাল্টি ফাংশনাল এক্সপার্ট ট্যাব’ ওয়ালপ্যাড প্রো’। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ৮.১ চালিত এই প্যাডটিতে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম আপডেট সুবিধা পাওয়া যাবে।
ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার থেকে এই ৮. ৯ ইঞ্চি মাপের ওয়ালপ্যাড প্রো বাজারে পাওয়া যাবে। এতে রয়েছে ইনটেল কোয়াডকোর প্রসেসর, দুই জিবি র্যাম ও ইনটেলের গ্রাফিকস সুবিধা।
ওয়ালটনের গবেষণা ও উন্নয়ন (সফটওয়্যার) বিভাগের প্রকৌশলী আরিফুল হক রায়হান বলেন, ‘মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারকারীদের এই ট্যাবটি দারুণ সুবিধা দেবে। ওয়ালটনের এই ওয়ালপ্যাডে ইন্টেল এসডি অডিও সিস্টেম থাকার ফলে নিখুঁত সাউন্ড ইফেক্ট পাওয়া যাবে। এতে আছে মাইক্রোচিপ প্রযুক্তি সংবলিত ৬৪ জিবির বিশাল ডাটা স্টোরেজ স্পেস। যা গতানুগতিক ম্যাগনেটিক হার্ডডিস্কের থেকে অর্ধেক সময়ে অ্যাপলিকেশন রান করতে সক্ষম।’ আরিফুল হক আরও জানান, ওয়ালপ্যাড প্রো ব্যবহারকারীরা এক বছরের জন্য বিনা মূল্যে অফিস ৩৬৫ স্যুইট ব্যবহার করতে পারবেন। এতে সহজেই মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল ও পাওয়ার পয়েন্টসহ বিভিন্ন অফিস সফটওয়্যার এবং ক্লাউড শেয়ারিং সুবিধা মিলবে। এ ছাড়া মাইক্রোসফট ওয়ান ড্রাইভে পাওয়া যাবে ১ টেরাবাইট স্টোরেজ। যেখানে ক্লাউড কম্পিউটিং এর পূর্ণ সুবিধা রয়েছে।
ওয়ালপ্যাড প্রো ট্যাবটি ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথের পাশাপাশি থ্রি সিমকার্ড সমর্থন করবে। এতে আছে ইউএসবি ২.০ এবং মাইক্রো এইচডিএমআই পোর্ট। ওটিজি সুবিধা থাকায় যেকোনো ইউএসবি পেরিফেরাল এবং ডিভাইস খুব সহজেই এর সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব। সেন্সর হিসেবে রয়েছে এক্সেলেরোমিটার ৩ থ্রিডি এবং সমন্বিত (ইন্টিগ্রেটেড) জিপিএস সিস্টেম। এক্সটারনাল পাওয়ার দিয়ে পোর্টেবল এইচডিডি ড্রাইভ ব্যবহার এবং অপটিক্যাল ড্রাইভ ও ইউএসবি ইথারনেট ব্যবহার সম্ভব। যুক্ত করা যাবে যেকোনো ইউএসবি মডেম। এর বিশেষ টাইপ কভার দেবে কি বোর্ড সুবিধা। সেইসঙ্গে তা বাইরের চাপ, দাগ এবং ময়লা থেকে ট্যাবটিকে রক্ষা করবে।
এটি মাইক্রোসফট অ্যাপস স্টোরের সঙ্গে যুক্ত থাকায় উইন্ডোজ ঘরানার সব অ্যাপসই সহজে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। এসব সুবিধা দীর্ঘ সময় উপভোগের জন্য ওয়ালপ্যাড প্রোতে যুক্ত হয়েছে ৬০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি। প্যাডটির ওজন মাত্র ৪৬০ গ্রাম। এর দৈর্ঘ্য ২৩২.৮ মিলিমিটার, চওড়া ১৪৯.৫ মিলিমিটার এবং পুরু ৮ দশমিক ৫ মিলিমিটার।
ওয়ালপ্যাড প্রোর দাম ১৯ হাজার ৯৯০ টাকা।
24/11/2014
সিগারেটের ভাইরাস কম্পিউটারে!
কম্পিউটারে ক্ষতিকর ভাইরাসের জন্য ইলেকট্রনিক সিগারেট বা ই-সিগারেটকেও দায়ী করতে পারেন। সম্প্রতি গবেষকেরা ই-সিগারেটের মাধ্যমে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের প্রমাণ পেয়েছেন।
ই-সিগারেট মূলত ধূমপায়ীদের ধূমপানের নেশা কমানোর ব্যবস্থা। এটা ব্যাটারিচালিত এমন একটা ডিভাইস, যা দেখতে সিগারেটের মতোই। এতে একাধিক চেম্বার থাকে। একটা চেম্বারে থাকে নিকোটিনের দ্রবণ, যাকে গরম করে তোলে অন্য চেম্বারে থাকা একটি ব্যাটারি। এই ব্যাটারি ইউএসবির মাধ্যমে চার্জ দেওয়া যায়।
দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূলত অপরিচিত চীনা ই-সিগারেটগুলোর চার্জার ব্যবস্থায় ক্ষতিকর কোড বসানো থাকে। যখন ইএসবি পোর্টের মাধ্যমে চার্জ দেওয়া হয়, তখনই তা কম্পিউটারে আক্রমণ করে।
গবেষকেরা ই-সিগারেটের ক্ষেত্রে পরিচিত ব্র্যান্ডের বাইরে না যাওয়ার জন্যই পরামর্শ দিয়েছেন।
‘ই-সিগ’ বা ইলেকট্রনিক সিগারেট ২০০৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে চালু হয়। বলা হয়, যাঁরা তামাকের সিগারেটে আসক্ত, তাঁদের জন্য ই-সিগ একটি কার্যকর বিকল্প। কিন্তু এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ই-সিগ দেখতে অবিকল সিগারেটের মতোই। কিন্তু এর ভেতরে তামাকের পরিবর্তে থাকে তরল নিকোটিন। বিশেষ ব্যবস্থায় একে উত্তপ্ত করা হয়। তখন এই সিগারেট থেকে ধোঁয়া বেরোয়। ধূমপায়ীরা এতে এমনভাবে সুখটান দেন, যেন আসল সিগারেট খাচ্ছেন। এতে সরাসরি তামাক ব্যবহার করা হয় না, তাই স্বাস্থ্যের জন্য তেমন ক্ষতিকর নয় বলে একটি কথা চালু রয়েছে। এ বিষয়ে সুনিশ্চিতভাবে কিছু বলার আগে যথেষ্ট পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন বলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
ধূমপানে নিরুৎসাহিত করা এবং ধূমপানের ক্ষতি কমিয়ে আনার জন্য ই-সিগারেটের ব্যবহার নিয়েও একমত নন গবেষকেরা। কেউ বলছেন, ই-সিগারেটের সমালোচনা উদ্বেগজনক এবং এর ব্যবহার অনেক মৃত্যু কমিয়ে আনতে পারে। কেউ বলছেন, ই-সিগারেট অধূমপায়ীদের ধূমপানে আগ্রহী করে তুলতে পারে।
ই-সিগারেট ম্যালওয়্যার ছড়ানোর যন্ত্র হিসেবেও এখন থেকে গবেষকদের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Uttara
Dhaka
1230