BUETix

BUETix

Share

22/08/2025

উত্তাল বুয়েট
২২ আগস্ট ২০২৫

Photos from BUETix's post 19/03/2025

আমার আপনার ফিলিস্তিনের পক্ষে যুদ্ধ করার সামর্থ্য নেই কিন্তু সন্ত্রাসী ইসরায়েলকে অস্ত্রদাতাকারী আমেরিকার অর্থনৈতিক খুঁটি নড়বড়ে করে দেওয়ার ক্ষমতা আছে। ভেবে দেখেছেন কি! একটা প্রোডাক্টের ০.০০০০০১% পয়সাও যদি ইসরায়েলকে অনুদান দেয় তাহলে কি বিপুল পরিমান টাকা আমার আপনার মতোই ২০ কোটি বাংলাদেশী থেকে অনুদান যাচ্ছে। আর সেই টাকার তৈরি বোমা দিয়ে আমার ভাইয়ের হাড্ডি মাংস আলাদা করা হচ্ছে, রক্তের সাগরে ভাসানো হচ্ছে আমার নিষ্পাপ বোনদের। কাল কেয়ামতের মাঠে যদি তাঁরা ( নির্যাতিত ফিলিস্তিনি) অভিযোগ দেয় আমার আপনার নামে যে," আমাদের মুসলমান ভাই - বোনই আমাদের মারার জন্য যে অস্ত্র বানানো হয়েছে তার ইন্ধনদাতা, অর্থ সরবরাহকারী " তখন তার প্রতিউত্তরের জবাব আপনার কাছে আছে ?????

চলেন ভাই জুলাই অভ্যুত্থানে যেমন বিকল্প খুঁজে নিয়েছি তেমনি আরেকবার বিকল্প প্রোডাক্ট ব্যবহার করে ফিলিস্তিনি ভাই-বোনের পাশে দাঁড়াই।

18/03/2025

Term Final fact !!!

18/03/2025

How ??????

মেয়ে কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞেস করছিল - মা রাত করে কোথায় যাচ্ছি আমরা?
মা হেসেখেলে বলছিল- এইতো পাশের গ্রামেই। আর বেশিদূর না।

মেয়েও আর কোন প্রশ্ন করেনি। কিছুদূর যাওয়ার পরই মেয়ে দেখতে পায় তারা একটা ভাড়া বাড়ির সামনে এসেছে।

মেয়ে আবারও সন্দিহান হয়ে জিজ্ঞেস করে - 'মা আমরা এই বাড়িতে এসেছি কেন?'

'কিচ্ছু হবে না' বলে মা তার মেয়েকে ভরসা দেয়। বাচ্চা মেয়ে, বয়স মাত্র ১২। মায়ের কথায় ভরসা পায়। ভরসা পাবেই বা না কেন? মা তো আছে সাথে।

এর কিছুক্ষণ পরই একটা ছেলে আসে। এসে মেয়েটাকে হাতে ধরে রুমে নিয়ে যেতে চায়। মেয়েটা হাত ঝাড়া দিয়ে ছুটানোর চেষ্টা করে। ছেলেটা আবারও জোরে জাপটে ধরে বাচ্চা মেয়েটাকে।

মেয়েটা এবার মায়ের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করতে করতে বলে- "মা আমাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে কেন? তুমি কিছু বলছো না কেন, মা?"

মা কোন জবাব দেয় না, চুপ করে থাকে। ছেলেটা আবারও গলা এবং হাত চেপে ধরে টেনে রুমের মধ্যে নিয়ে যায় মেয়েটাকে।

মেয়েটা করুণ কন্ঠে আর্তনাদ করে আর মায়ের দিকে অসহায়ের মতো তাকিয়ে থাকে শুধু। এরপর রুমে নিয়ে দরজা দিয়ে দেয় ছেলেটা।

মেয়েটা আরও কতক্ষণ মা মা বলে চিৎকার করে কিন্তু চেপে ধরায় আওয়াজ ক্ষীণ হয়ে আসে।

এরপর অনেকক্ষণ যাবত চলে অমানবিক নির্যাতন এবং ধ*র্ষণ। মেয়েটার ক্ষীণ গোঙানির শব্দ হচ্ছিল শুধু।

ওটা ছিল ভাড়া বাসা। মা তখন বাইরে থেকে পাহারা দিচ্ছিল। সন্দেহজনক কেউ আসলে দরজায় টোকা দিয়ে বুঝাত।

এভাবেই ৭ ই মার্চ দীর্ঘক্ষণ যাবত বাচ্চা মেয়েটাকে ধ*র্ষণ করে ঝিনাইদহের ভগবাননগর গ্রামের শরিফুল ইসলাম। মা টাকার জন্যে তার বাচ্চা মেয়েটাকে নিয়ে যায় সেখানে।

মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে দিলে বিপুল অঙ্কের টাকা দিবে এমন প্রলোভন দেখিয়েছিল শরীফ। শরীফ আগে আওয়ামী লীগের পদে ছিল। এখন বিএনপির জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল করে।

তারপর টাকা পেয়ে মা তার মেয়েকে নিয়ে চলে আসে। বাচ্চা মেয়েটা আসার সময় খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাঁটছিল।

মেয়েটা ভেবেছিল বাড়িতে এসেই বাবাকে সব জানিয়ে দিবে। বাবা টা ভাঙাড়ির ব্যবসা করত তাই তেমন একটা বাড়িতে থাকত না। আসলেও দেরি হতো অনেক।

ভাঙাড়ির বোতল, প্লাস্টিক কুড়িয়ে যে সামান্য কিছু টাকা পেত সেটা দিয়েই কোনরকম সংসারটা চলত।

মেয়ে তার বাবাকে জানিয়ে দিবে বুঝতে পেরে মা তার মেয়েকে অনেকভাবে বুঝায়। সাথে কিছু টাকা দেয় এবং নতুন জামা কিনে দিবে এমন প্রলোভন দেখায়।

সেদিন বাবা আসার আগেই ঘুমিয়ে পড়ে মেয়েটা তাই আর জানানো হয়না।

এর ঠিক পরদিন রাত ৯ টার দিকে মা তার মেয়েকে আবার পাশের আরেক গ্রামে নিয়ে যায়। মেয়েটা কোনভাবেই যেতে রাজি হচ্ছিল না।

মা প্রথমে মেয়েটাকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে। তবুও রাজি না হওয়ায় মা এবারে অন্য একটা কাজের উসিলা বের করে। তারপর বাচ্চা মেয়েটাকে একরকম জোর করেই নিয়ে যায়।

মা আবারও তার মেয়েকে নিয়ে আসে পাশের গ্রামের একটা বাড়িতে। এখানে আরেকটা ছেলে জোর করে ধ*র্ষণ করে মেয়েটাকে। মা বাইরে থেকে পাহারা দেয়।

তারপর টাকা পেয়ে মেয়েটাকে নিয়ে চলে আসে। এবারে ধ*র্ষণ করে ঝিনাইদহের কুমার কুলচারা গ্রামের সন্ন্যাসী কুমার।

বাচ্চা মেয়েটা এবারে আর সহ্য করতে পারে না। তার মা আবারও তাকে দিয়ে এমন কাজ করাতে পারে এই ভাবনা থেকে পুরো ঘটনাটা জানিয়ে দেয় তার বাবাকে।

এ বীভৎস ঘটনা জানার পর বাবার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে। প্রচন্ড রাগে ক্ষোভে বাবা-মায়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়, ঝগড়াঝাটি হয়।

বাবা পুলিশে জানাবে এমনটা আঁচ পেয়ে মেয়েটার মা অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে যায়। বতর্মানেও পলাতক আছে।

এরপর মেয়েটার বাবা থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করে। বর্তমানে ওখানকার ওসি তদন্ত চালাচ্ছে।

বাচ্চা মেয়েটাকে যখন ঘটনার বর্ণনার জন্যে জিজ্ঞেস করা হচ্ছিল তখন মেয়েটা ট্রমাটাইজ হয়ে পড়ছিল, বলতে গিয়ে বারবার কাঁপছিল।

এইটুকুন বাচ্চা মায়ের মাধ্যমে এমন নির্যাতনের শিকার হয়েছে এটা যেন মানতেই কষ্ট হচ্ছে তার।

মেয়েটা কোনরকম বুঝাচ্ছিল- ধ*র্ষণের সময় সে হাত-পা ছোড়াছুড়ি করছিল, মা মা বলে চিৎকার করছিল কিন্তু তার নিজের মা ই আসেনি তাকে বাঁচাত

তথ্য সংগ্রহ এবং লেখা - Ibrahim Khalil Shawon

18/03/2025

Real psychopath

আছিয়ার মৃ"ত্যু"র সত্য ঘটনা উদঘাটনঃ

আমি সবটা জানি। সেদিন রাত্রে কি ঘটেছিল। শুধু সে রাত্রে নয়। প্রতি রাত্রে কি ঘটেছে তোমার শশুর বাড়িতে। সেসব কথা আমি বলবো নাকি তুমি নিজেই বলবে?

এবার আফিয়া বসে পরে। অপরাজিতার পায়ে ধরে। আপা কিছু বলেন না। আমার ছোট বোনের জীবনতো শেষ হয়েছে। আমার জীবন নষ্ট হতে দিয়েন না।
উৎসুক জনতা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। হঠাৎ কি কথোপকথন হয়েছে যে, আফিয়া পল্টি খাইয়া গেল?

তাঁরদিকটা একবার দেখে নিল অপরাজিতা। তাঁরপর আফিয়ার দুই কাঁধে হাত রেখে উঠিয়ে নেয়।
তাঁরপর বলে, দুর পাগলী। তোমার কিছুই হবে না।
ধর্ষকরা তো ধরা পরেছে।
তাছাড়া যারা অপরাধ করেছে তাদের দোষ, তুমি অকারণে ভয় পাচ্ছো কেন? আমি, আমরা সবাই, পুরো দেশবাসি তোমার পাশে আছি, তোমার সাথে থাকবো। ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছড়বো না।
এবার ওড়না দিয়ে মুখ লুকিয়ে রাখে আফিয়া।
অপরাজিতা আফিয়ার মুখ থেকে ওড়না সরিয়ে দিয়ে বলে, তুমি চাও না আছিয়া সঠিক বিচার পাক? অপরাধীরা শাস্তি পাক?
জী আপা চাই।
তাহলে মুখ খোল। সত্যি কথা বলে দাও। সবাই জানুক সত্য ঘটনা।
আফিয়া এবার ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকে। সাংবাদিকরা তারঁ দিকে তাকিয়ে আছে?।
আফিয়া আবার দুহাত দিয়ে মুখ ঢাকে। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে।
অপরাজিতা বলে, কাঁদো। কেঁদে কেঁদে হাল্কা হও।নিজের মাধ্যে সাহস ফিরে আনো। শক্ত হয়ে দাঁড়াও। মুষ্টিবদ্ধ হাত উপরে উঠাও। চিৎকার করে বলো, আমি মানুষ। আমারও আছে ভালোভাবে বাঁচার অধিকার।
আফিয়া ওড়নার আঁচলে মুখ মুছে নেয়।তাঁরপর ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে শক্ত হয়ে দাঁড়ায়।
সাংবাদিক ভাইদের বলে, শোনেন আমার ও আমার ছোট বোনের সাথে কি ঘটেছিল সেই রাত্রে।

আফিয়া নির্ভয়ে বলে, আমি আফিয়া। বাবা মায়ের প্রথম কন্যা সন্তান। অভাবের সংসার আমাদের। তাই পড়া শোনা করা হয়নি।একটি ভালো সমন্ধ আসায় অল্প বয়সে মা বাবা আমাকে বিয়ে দেয়। আমি প্রথমে বিয়ে করতে রাজি হইনি। সবাই আমাকে বোঝায়, অভাবের সংসারে একজন খাওয়ার মানুষ কমলে ছোট ভাই বোনেরা ভালো খেতে পারবে। তাই আমি রাজি হয়েছি।
বিয়ের প্রথম দিন থেকেই আমার শশুরের কুনজর বুঝতে পারছি। রাত্রে বিছানায় স্বামী ব্যাবহারের পর আমাকে পোশাক পরতে না দিয়ে রুমের বাহিরে যায়। তারপর অন্ধকারে আমার শরীরের উপর কারো উপস্থিতি বুঝতে পারছি। এটাও খেয়াল করি এখন যে আছে সে আমার স্বামী না। অন্য পুরুষ। কিন্তু কে তা বুঝতে পারছি না। আমার ছোট শরীর। স্বামীকে সহ্য করাই অসম্ভব। তাঁরপর আরেক জন। আমি ব্যাথায় কুকরে উঠি। চিৎকার করার চেষ্টা করি। কিন্তু আমার মুখ চেপে ধরে। ফিসফিস করে আমাকে চুপ করতে বলে। মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমি এবার কন্ঠ চিনতে পারি। এ কন্ঠ আমার শশুরের কন্ঠ।
তাঁরপর সে ছেড়ে চলে গেলে আবার আরেক জন আসে। একেও চিনতে পারি। সে হচ্ছে আমার দেবর। এরপর আমার স্বামী ভিতরে আসে। তাঁকে বিষয়টি জানালে, সে রেগে যায়। বলে সে ছাড়া ঘরে আর কেউ আসেনি।
পরের দিন শাশুড়ীকে জানালে বলে, আমি স্বপ্ন দেখেছি।
এভাবে প্রতি রাত্রেই আমার স্বামী, শশুর ও দেবর আমাকে ধর্ষণ করে।
আমি স্বামীকে বললে মারধর করে। আর শাশুড়ীকে বললে বলে ভুতের আছর আছে। ভুত প্রতি রাত্রে আসে আমার কাছে।
তাঁরপর বাড়িতে আসলে মাকে জানাই বিষয়টি। মা বিষয়টি বিশ্বাস করেনি। ভেবেছে মেয়ের বয়স কম তাই স্বামীর কাছে যেতে ভয় পায়। তাই স্বান্তনা দেয়। সময় হলে সব ঠিক হবে।
আছিয়ার বড় বোন শশুর বাড়িতে যেতে চাচ্ছে না দেখে ছোট বোন আছিয়াকে সাথে পাঠায়।
সে আবার বলে, আছিয়াকে আমার শাশুড়ী সাথে রাখতে চায়। কিন্তু আমি দেইনি।
আছিয়া পাশে থাকা অবস্থায় ওই ঘটনার আগেন রাত্রে একইভাবে আমার স্বামী দরজা খুলে বাথরুমে যায়। তাঁরপর আমার শশুর ঘরে আসে। স্বামীকে দেখাতে হবে এটা ভুত না, তাঁর বাপ। এটা ভেবেই আমি আছিয়াকে পা দিয়ে ধাক্কা দেই। কয়েকবার ধাক্কা দেওয়ার পর আছিয়া জেগে যায়। প্রথমে বুঝতে না পারলেও পরে বুঝতে পারে। সে বিছানা থেকে নেমে গিয়ে রুমের লাইট জালিয়ে দেয়। তখুনি আমার শশুরকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখতে পায়। আছিয়া সাথে সাথে বলে, তালোই আপনি এঘরে কেন? আর এ অবস্থায় কেন?
তখন শশুর ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। আমার স্বামী ঘরে আসে। তখন আমাদের মাঝে ঝগড়া হয়। আমার স্বামী আমাকে মারধর করে।
আমাকে মারে আর নিষেধ করে, একথা যেন কাউকে না বলি। কিন্তু আছিয়া বলে সে আব্বা মার কাছে সব বলে দিবে। এদিকে মারামারির শব্দ শুনতে পেয়ে লোকজন চলে আসে। তখন আছিয়াকে এক ঘরে আটকে রাখে হাত পা ও মুখ বেঁধে রেখে। কাউকে বুঝতে দেয়না আছিয়াার কথা।
আর আমার কথা বলে ভুতে ধরেছে তাই স্বামীকে সন্দেহ করে। লোকজনও তাই বিশ্বাস করে। ততক্ষণে সকাল হয়েছে।

এদিকে আফিয়ার শশুর বুঝতে পারে, যে আছিয়া বাড়িতে ফিরে সব বলে দিবে। আছিয়াকে বলতে দেওয়া যাবে। তাই তাকে আটকে রাখে। রাত্রের অপেক্ষা করে।

সন্ধ্যার পর লোকজন ঘুমিয়ে পরলে, গভীর রাত্রে আছিয়াকে ধ"র্ষ"ণ করতে যায়।
আছিয়াকে কতটা নির্মমভাবে ধ*র্ষ"ণ করা হযেছিল আজকে সেটার বর্ণনা দিয়েছে ডাক্তাররা। চিকিৎসারত ডাক্তার বলেছে - আছিয়া যেহেতু বাচ্চা মেয়ে তাই তার পো"প"না"ঙ্গের ডেপথ খুবই ছোট।

সেজন্যে ধ*র্ষ"ককরা কিছুটা ধারালো ব্লেড/ কাঠি দিয়ে গো'প"না"ঙ্গে ছিদ্র করার চেষ্টা করেছিল। সে ছিদ্রটা ছিল আনুমানিক ৫ সে.মি. গভীর।

তারপর গো"প"না"ঙ্গের একদম ভিতরের দিকে অনেকগুলো স্ক্রেচ করা হয় এবং সেটা করা হয় একদম সূক্ষ্মভাবে, অনেকটা সময় নিয়ে।

একাজ করার সময় তার নাক-মুখ চেপে ধরা হয়েছিল যাতে কোনরকম চিৎকার করতে না পারে। তারপর মানুষ চলে আসার আওয়াজ পেয়ে আরেকজন গলা চেপে ধরেছিল মেরে ফেলার জন্যে।

আর এজন্যেই অক্সিজেনের অভাবে অজ্ঞান হয়ে পড়ে মেয়েটা। মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল তখন।

এ নির্মম বর্ণনা দিতে গিয়ে বারবার কণ্ঠস্বর কাঁপছিল ডাক্তারের। তিনি বলছিলেন - 'এরকম কন্ডিশনে ভিক্টিম স্পটেই মারা যায়। এ মেয়েটা যে এখনও বেঁচে তাতেই অবাক হচ্ছি আমি।'

তাহলে এবার বুঝুন কতটা অমানবিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল বাচ্চা মেয়েটাকে। একে একে শশুর, স্বামী ও দেবর তিনজনেই পালাক্রমে ধ"র্ষ"ণ করে আছিয়াকে। আর পর জিজ্ঞেস করে কাউকে বলবি? আছিয়া ক্ষীণ কন্ঠে বলে, আপনারা খারাপ। আমি বলবোই।
এবার সিদ্ধান্ত নেয় আছিয়াকে মে"রে ফেলার। আছিয়া প্রাণপনে চিৎকার করে আর বলে আপনারা খারাপ।
আছিয়ার চিৎকার বন্ধ করার জন্য গলা চেপে ধরে । আছিয়া অতিরিক্ত র"ক্ত"ক্ষ"রণের কারনে আর ব্যাথায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। ওরা ভেবেছে আছিয়া মরে গেছে।
এবার তারা আফিয়ার নিকট আসে। প্রতি রাত্রের মতো তিনজনই আফিয়া ধ"র্ষ"ণ করে। এবার তারা বলে তুই একথা কাউকে বললে তোরও অবস্থা তোর বোনের মতো হবে। আফিয়া সাক্ষাৎ মৃ"ত্যু দেখে ভয়ে কাঁপছে। আর লজ্জায় তাঁর ধ"র্ষ'ণের ঘটনা প্রকাশ হওয়ার ভয়ে সে উল্টো পাল্টা কথা বলেছে। এব্যাপারে তাঁকে ইন্ধন দিচ্ছে তাঁর ও আছিয়ার দাদী।

সত্য ঘটনা হচ্ছে এই, শুধু আছিয়া ধ"র্ষ"নের স্বীকার হয়নি তাঁর চাইতেও ভয়ংকর রকমের নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে আছিয়ার বড় বোন। আছিয়া ম"রে হয়তো বেঁচে গেছে কিন্তু আছিয়ার বড় বোন বেঁচেও ম"রার মতো বেঁচে আছে।

লেখক : শাহানা মিতা কবিতা

18/03/2025

আমার বন্ধু সিরাজী ১৮ই জুলাই বহদ্দারহাটে গুলিবিদ্ধ হয়। উরুতে গুলি লাগে। এরপর ছয় মাস সে চিকিৎসাধীন ছিলো। সেই সময়ে তার প্রচুর টাকা খরচ হইছে। ছাত্র শিবির সম্ভবত তার মেডিকেল এক্সপেন্স দিসিলো তখন। সব মিলিয়ে সিরাজী উঠে বসছে কিছুদিন আগে। এখন আবার তার ক্ষততে ইনফেকশন দেখা দিছে।

ঘটনা হইলো, জুলাই ফাউন্ডেশন সিরাজীর আবেদন নিচ্ছে না। রেজিষ্ট্রেশন এর সময় নাকি শেষ!

আরে বাইঞ্চোদের বাচ্চা, আহত লইয়া মশকারি সোদাও তোমরা? যে ছেলের সুস্থ হইতেই ছ'মাসের বেশি সময় লাগছে সে তোমার ডেডলাইন এর আগে রেজিষ্ট্রেশন করবে?

জুলাই ফাউন্ডেশন এর তো গাজীদের ঘরে ঘরে গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করানো উচিৎ। গাজীরা তোমাদের কাছে যাবে ক্যানো? তবুও, গাজীরা যখন যাচ্ছে তোমাদের কাছে তোমরা আবার ডেডলাইন মারাচ্ছো ক্যানো, হে শুয়োরছানারা?

18/03/2025

২০১৮ সালের ঘটনা; তখন আমি বুয়েটের বস্তু ও ধাতব কৌশল বিভাগের প্রধান। আল আরাফাত হোসেন নামে আমার এক ছাত্র একদিন আমাকে ফোন দিল। সে বলল, ছাত্রলীগ তাকে খুঁজছে। আমি যেন তাকে উদ্ধারের ব্যবস্থা করি। বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব ছাড়াও আমি ছিলাম আরাফাতের ছাত্র উপদেষ্টা। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম ‘তুমি কোথায়’। সে আমাকে জানাল ইসিই ভবনের ১৪ তলার একটি কক্ষে লুকিয়ে আছে। আমি ফোন দেই ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. সত্য প্রসাদ মজুমদারকে। সত্য প্রসাদ সেখানে গেলেন এবং আমাকে জানালেন ছাত্রলীগের ছেলেদের তিনি বুঝিয়ে সরিয়ে দিয়েছেন। কোনো সমস্যা নেই। আমি যেন আরাফাতকে নিয়ে যাই।
আমি আরাফাতকে আনার জন্য আমার বিভাগের শিক্ষক হুমায়ুন আহমেদকে পাঠাই। কিন্তু তিনি সেখানে গিয়ে আমাকে ফোনে জানালেন ছাত্রলীগের লোকজন তার কাছ থেকে আরাফাতকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। আমি বললাম, তুমি মার খেলেও আরাফাতকে তাদের হাতে দেবে না। অনেক ঘটনার পর একটি রিকশায় করে তিনি আরাফাতকে আনলেন। রিকশায় তাদের পেছনে পেছনে মোটরসাইকেলে করে আসল ছাত্রলীগের ১২-১৩ জন। ততক্ষণে আমার বিভাগের আরো কয়েকজন শিক্ষক সেখানে হাজির হলেন। ছাত্রলীগের ছেলেরা আরাফাতকে শিবির আখ্যা দিয়ে তাদের কাছে তুলে দেওয়ার দাবি জানাল। আমি তাদের দাবি মানতে অস্বীকার করলে তারা আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে বলল, ‘আপনারা রাজাকার ছেলেদের পড়ান। আপনারা স্বাধীনতাবিরোধী।’
এরপর তারা এক পর্যায়ে আরাফাতকে আমাদের কাছ থেকে জোর করে চুল ধরে মারতে মারতে নিয়ে গেল। আরাফাত তখন হাউমাউ করে কাঁদছিল। ছাত্রলীগের ছেলেরা আরাফাতকে জিমনেসিয়ামের পেছনে নিয়ে নির্মমভাবে পেটাল। তাকে পেটানোর দৃশ্য দেখতে ছিল এরকম এক ছাত্র আমাকে সেখান থেকে ফোন করে জানাল নির্যাতনের কথা। আমি তখন আমার বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আমিনুল ইসলামকে নিয়ে ছুটে গেলাম উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলামের কাছে। আমি তাকে সব ঘটনা বলার পর তিনি বললেন, ‘এ ব্যাপারে আমার কিছু করার নেই।’
আমি তার এ কথা শুনে বিস্ময়ে হতবাক হলাম, প্রতিবাদও করলাম। এক পর্যায়ে আমি বললাম, আপনি কিছু না করেন অন্তত রেজিস্ট্রারকে বলেন। তখন তিনি বাধ্য হয়ে তার পিএস কামরুলকে বললেন রেজিস্ট্রারের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতে এবং পদক্ষেপ নিতে। এ সময় আমার কাছে খবর আসতে থাকে ছাত্রলীগের ছেলেরা আরাফাতকে নির্মমভাবে অত্যাচার করে চলছে। আমি তখন অওয়ামী লীগ হিসেবে পরিচিত কয়েকজন শিক্ষক, ছাত্রলীগের যারা মারছে তাদের কয়েকজনের সরাসরি শিক্ষকদেরও ফোন দিলাম। কিন্তু কেউ কোনো সাড়া দিল না। ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদারকে জানালাম আরাফাতকে ছাত্রলীগের ছেলেরা ক্যাম্পাসে পেটাচ্ছে, তাকে উদ্ধারের ব্যবস্থা করুন। তিনি তখন আমাকে বললেন, ‘আমি মিটিংয়ে আছি।’ তার এ কথা শুনে আমি আবারো হতবাক হলাম। আমি তাকে বললাম আপনি না বলেছিলেন, ছাত্রলীগের ছেলেরা চলে গেছে। আরাফাত নিরাপদ। কিন্তু তিনি আমার কথার কোনো জবাব দিলেন না এবং আরাফাতকে উদ্ধারেরও কোনো ব্যবস্থা নিলেন না।
পরে আমি রেজিস্ট্রারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে লাগলাম। তার উদ্যোগে এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলে আসলেন লালবাগ থানার ওসি, উপ-ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক মোস্তফা এবং চিফ সিকিউরিটি অফিসার। তারা গুরুতর আহত অবস্থায় আরাফাতকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সেদিন যদি আরাফাতকে উদ্ধার করা না যেত তাহলে হয়তো ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হতো। আরাফাত সেদিন মারা গেলে সেটা হতো একটি টার্নিং পয়েন্ট এবং আবরার হয়তো মারা যেত না। আবরার মারা যাওয়ায় সেটা টার্নিং পয়েন্টে রূপ নেয় এবং জাতি জানতে পারে বুয়েটের অন্ধকার অধ্যায়ের কথা।
-অধ্যাপক মোঃ মনিরুজ্জামান
সাবেক বিভাগীয় প্রধান
বস্তু ও ধাতব কৌশল, বুয়েট
অধ্যাপক মনিরুজ্জামানের সাক্ষাৎকার ১৬ মার্চ, ২০২৫ এ আমার দেশ পত্রিকার প্রতিবেদন থেকে নেওয়া

18/03/2025
20/12/2024

বুয়েট ছাত্রের বদলে গার্মেন্টস কর্মী মরলে নিউজ তো দূরের কথা বডি পাওয়া যাইতো কিনা সন্দেহ। আবার আর্মি অফিসারের পোলার বদলে যদি লেগুনা চালক কালু মিয়া চাপা দিতো তাইলে বাপের নাম, স্থায়ী ঠিকানা সহই নিউজ হতো এবং শাস্তি লিখতে লিখতেই কার্যকর হয়ে যেত । এইবার কম্বিনেশনটা এলিট বনাম এলিট লাইগা গেছে। কেন মিডিয়ায় দুর্ঘটনা লিখলো এইসব নিয়ে সারপ্রাইজড হওয়ার কিছু নাই ;'আনফেয়ার' হচ্ছে এমনও প্রিটেন্ড করার কিছু নাই। বরং দেখেন এই "হায়ার সোশ্যাল ক্লাস" এর ভিক্টিম এর উসিলায় পরবর্তীতে দুর্বলরা যাতে একটু সাহায্য পায় এবং বেসরকারি ভাইদের আকস্মিক মৃত্যুগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত হয়।🙂

22/08/2024

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Titumir Hall
Dhaka
4203