Self Development Training Center - SDTC
" ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শিখুন
ক্যারিয়ার নিয়ে দুশ্চিন্তা ভুলে থাকুন "
বিদ্রঃ থাকা খাওয়ার সুব্যবস্থা রয়েছে
ধর্ষণরত অবস্থা থেকে ঋতুকে উদ্ধার করল রবিন ও রফিক। ঋতু ভাবল সে মুক্তি পেল। খুশিতে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখল। রফিক একটু সৎ লোক। সে ঋতুকে উদ্ধার করার পর নিজের ঠিকানায় চলে গেল। কিন্তু রবিন বলল,"আমি উদ্ধার না করলে সারাজীবন ঐ লোকের কাছে তোমাকে ধর্ষিত হতে হত। তুমি আমার প্রতি কৃতজ্ঞ থাক। এছাড়াও কৃতজ্ঞতা স্বরুপ তোমাকে ধর্ষণ করার অধিকার আমি আইন করে নিলাম। যদি এই নতুন ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর, তাহলে তুমি অকৃতজ্ঞ, বেইমান স্বাব্যস্ত হবে।" এই বলে এবার রবিন নিজেই ঋতুকে ধর্ষণ শুরু করে মানব প্রেমের গর্ব অনুভব করতে লাগল। আইন হল। রবিনের উত্তরাধিকারীরাও রবিনের মতই ধর্ষণের সুযোগ পেয়ে গর্ব করবে।
ঋতু কৃতজ্ঞ হবে নাকি প্রতিবাদ করে তথাকথিত অকৃতজ্ঞ হবে কিছুই বুঝতে না পেরে ফ্যালফ্যাল করে আকাশের দিকে চেয়ে রইল। অসহায় ঋতু কিন্তু এখনো ধর্ষণ থেকে মুক্তি পায়নি।
অন্যদিকে,
রফিক বয়সের ভারে দুর্বল। রবিনের হাত থেকে ঋতুকে উদ্ধার করার মত শক্তি এখন তার নেই। রফিকের মন্তব্য হল নিজে ধর্ষণ করার জন্য সে অন্য ধর্ষকের কবল থেকে ঋতুকে উদ্ধার করেনি। বরং তার উদ্দেশ্য ছিল ঋতু যাতে নির্যাতন থেকে মুক্তি পেয়ে শান্তিতে বাঁচতে পারে।
মিলিয়ে নিন। ঋতু হল আমজনতা, প্রথম ধর্ষক হল তৎকালীন পাকিস্তান সরকার, রফিক হল প্রকৃত দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা।
আর রবিন হল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যবসায়ী সুবিধাবাদি কোটাবাজ (বর্তমান ধর্ষক)।
মন্তব্যঃ ভূখণ্ড বহিঃশক্তির হাত থেকে স্বাধীন হলেও
এই ভূখণ্ডের
সাধারণ মানুষ বৈষম্য থেকে মুক্তি পায়নি। সাধারণ মানুষ অভ্যন্তরীণ কিছু স্বার্থান্বেষী কুলাঙ্গারের হাতে জিম্মি। এই কুলাঙ্গারেরা আর তৎকালীন পাকিস্তানি প্রেতাত্মা একই মুদ্রার দুই পিঠ।
by Motiur Rahman
জীবনে বড় হতে হলে স্বপ্নবাজ হওয়া খুবই জরুরী। অনেকে আমার মতের সাথে ভিন্নমত পোষন করতেই পারেন। তারপরও বলি বাবার টাকায় বড় হওয়া আর শুন্য হাতে স্বপ্ন লালন করে বড় হওয়া ভিন্ন ব্যাপার। সমাজের শ্রেনী বিভক্তির জায়গা থেকে একটি নিন্মবিত্ত বা মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তানকে কতটা বেশী ভাল থাকার অভিনয় করতে হয় তা একমাত্র সেই জানে। আবার সবচেয়ে হতাশার মধ্যে তারাই ডুবে থাকে।
সোনার চামচ মুখে নিয়ে যাদের জন্ম নয় তারা যে জীবনে বড় কিছু করবে না তাও কিন্তু নয়। যারা জীবনে বড় হয়েছে তারা তাদের স্বপ্নকে লক্ষ ধরে নিয়েই কাজ করেছে। সেই সাথে পরিশ্রম আর লেগে থাকার বিনিময়ে সফলতাও পেয়েছে। জীবনে বড় হতে হতে হলে অনেক শিক্ষিত হতে হবে এমন কথাও নেই। অনেক সল্প শিক্ষিত ঝরে পড়া ষ্টুডেন্টও জীবনে বড় কিছু করেছে। কারন তাদের স্বপ্ন আর আত্মবিশ্বাস ছিল আকাশের ওপারে। copy
দেশে চাকরী নাই; কেউ চাকরী পায় না। কিন্তু বিডিজবসের মত সাইটে হাজারে ৫/৬টার বেশী কম্প্লিট প্রোফাইল পাইবেন না। ফেসবুকে আইসা বেকার বেকার কইরা কাইন্দালায়, কিন্তু লিঙ্কডইনে কারও প্রোফাইল রেডি না! কই খাইতে গেলাম, কই ঘুরতে গেলাম, কই আড্ডা দিলাম, কার বিয়ার বৌভাতে গেলাম সবই আপডেট আছে, নিজের সিভিটা আপডেট হয় না। ৫টা মেয়েকে পটানোর ট্রাই করতে ৫০ রকম ফন্দি আটে, কিন্তু ৫টা আলাদা প্রতিষ্ঠানে আলাদা ৫টা আলাদা জবের জন্য সেই একটাই ক্যারিয়ার অবজেক্টিভ।
ছেলে পেলে বিবিএ পড়ে, নেয় মার্কেটিং আর হিউম্যান রিসোর্স। কেন? ফাইন্যান্স নিবে না; কারণ ম্যাথে দূর্বল! কে যানি তাকে বুঝাইছে যে ফাইন্যান্স পড়তে সাইন্সের হায়ার ম্যাথের মাষ্টার্স শেষ করে আসা লাগে। একাউন্টিং পড়বে না কারণ তার ব্যাকগ্রাউন্ড হয় আর্টস না হয় সাইন্স ছিলো! কে জানি তারে বুঝাইছে এসএসসি বা এইচএসসিতে কমার্সের স্টুডেন্ট না হইলে একাউন্টিং এ পড়া যায় না! আবার কারা জানি ছড়াইছে দেশে নাকি একাউন্টেন্টের কোন দরকারই নাই; সব নাকি কম্পিউটারে করা যায়।
এদিকে মার্কেটিং এ পড়ে মার্কেটিং এর কাজ করবে না; হতে চায় মার্কেটিং ম্যানেজার, এসির বাতাসে বসে বসে কাজ করবে। কিন্তু তারে ধরেন মার্কেটিং এর সংগা কি, সে সুন্দর করে উত্তর দিবে, মার্কেটিং করতে গেলে কি কাষ্টমার সংগা জিগাইবো?
এইচআর এ পড়ে কিন্তু বলতে পারে না এইচআর এর কাজ কি; খালি মানুষের চাকরী দেওয়া আর চাকরী খাওয়ার জন্য দুইটা কাগজে সাইন করতে হয় এইটুকুই জানে।
যে কাউরে জিগান কি চাকরী করতে চায়, হয় বলবে ব্যাংকে কাজ করবো, না হয় বলবে মাল্টিন্যাশনালে কাজ করবো। কিন্তু ব্যাংকে কি কাজ আছে বা মাল্টিন্যাশনালে কি কাজ আছে জিগান, কোন ধারণাই নাই। ব্যাংকে বসে মানুষের টাকা গোনা আর সিল মারা আর মাল্টিন্যাশনাল মানে ম্যালা টাকা এইটুকুর বাইরে কোন ধারণাই নাই কি কি থাকতে পারে।
চাকরী দিতে যাইবেন, কোন যোগ্যতার বলে চাকরী পেতে চাও বললেই উত্তর আসবে গোল্ডেন গোল্ডেন ৩.৭৫ ৩.৫! আপনি গো বেচারা কিচ্ছু বুঝবেন না; কিছু সময় পর বুঝবেন এসএসসি এইচএসসিতে সে গোল্ডেন কইরা পাইছে, আর বিশ্ববিদ্যালয়ে পাইছে ৩.৭৫ এবং ৩.৫। কিন্তু এই রেজাল্ট কি করে আপনার প্রতিষ্ঠানের কাজে আসবে সে কথা জিগাইলেই ধরা! ইন্টাভিউ বোর্ড থেকে বের হয়ে এসে বলবে মামা-চাচা ছাড়া কিছু হয় না!
অনর্স পাশ করে বসে আছে, চাকরী পাচ্ছে না; কোথায় স্কিল বাড়াবে, তা নয় একটা মাস্টার্স করে। তারপরও চাকরী পাচ্ছে না, বেকার বসে আছে, আরও একটা করে; এবারও চাকরী নাই; তারপর আর একটা মাস্টার্স! ৩টা মাস্টার্স ওয়ালা লোক সমাজে যে কত পরিমান, তা একটা ব্যাংকের সিভি সর্টিং এর কাজ করলেই বুঝবেন।
এদিকে দেশে যোগ্য লোক পাওয়া কঠিন। আমাদেরই এক শ্রদ্ধেয় স্যার একজনকে বলেছিলেন ইন্ডিয়ানদের চাকরী না দিয়ে আমাদের দেশের ছেলেকে দাও, উত্তর পেয়েছিলেন একটা এমন স্কিল ওয়ালা দেশী ছেলেকে দেখায় দেও না, আমি তাকে চাকরী দিচ্ছি। স্যারকে হতাশ হতে হয়েছে।
শিক্ষার কাজ চোখের পর্দা উঠায় দেওয়া, মানুষকে অহংকার মুক্ত করা, কোনটা সঠিক কোনটা সঠিক নয় বুঝতে শেখানো; কিন্তু হয় উল্টা। এমবিএ করছে, এখন আর সে রিক্সার গ্যারেজের মালিক হতে পারবে না। অনার্স শেষ করে ফেলছে, বাপের যে ছোট্ট খামার দিয়ে ৩/৪ ভাইবোনকে লেখাপড়া শিখেয়ে বের করেছে সেই খামারকে নিজের বুদ্ধিতে বাড়াতে চেষ্টা করবে না।
দেশে একজন এমবিএ পাশ লোক চাকরীতে জয়েন করে ১০-১২হাজার টাকা বেতনে, আর একজন ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি মাসে ৩০-৪০ হাজার টাকা ইনকাম করে শহরে একটা গ্রামে একটা, মোট দুইটা সংসার চালায়। কিন্তু আমি যেহেতু এমবিএ করে ফেলছি, আমি কি আর ঐ ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি হতে পারবো? কিন্তু কোন লোক বুঝে না যে ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি না হই, ৫জন মিস্ত্রির সরদার হলেও কিন্তু ইনকাম খারাপ হয় না!
এখন চলতেছে CEO এর যুগ, আমিও ছিলাম এই ট্রেন্ডে। ১,০০০ টাকায় একটা ডোমেইন, ৫০০ টাকায় হোস্টিং, ৩০০ টাকায় ৪রং এর ভিজিটিং কার্ড, আর ঠেকায় কে, আমি এখন CEO। কম্পানিতে লোক জয়জন? মাত্র একজন; তাইলে বাবা তুমি CEO হইলা ক্যামনে? উত্তর নাই।
কাজের স্কিল নাই; কমিটমেন্ট ঠিক নাই; বিজনেসের প্লান নাই; টাকার কথাতো বাদই দিলাম। দুইদিন পর শ্যাষ! ওমনি শুরু হয়ে যাবে আম্রিকায় সিলিকন ভ্যালি আছে, কিকস্টার্টার আছে আমাদের কিচ্ছু নাই। আরে বাবা আকিজ সাহেব কোন ভ্যালিতে ছিলেন? স্কয়ার গ্রুপের লোকজন ক্যামনে আগাইছে?
খালি নাই নাই নাই নাই আর নাই! সত্য কথা বলতে, সমাজে এমন সব মানুষেরও খুব একটা দরকার নাই!
( নেট থেকে সংগ্রহ করা )
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1216