Photography Tutorial BD
11/05/2025
যাদের কম্পোসিশন মিসটেক হয় বা বুঝতে অসুবিধা হয় তাদের জন্য খুবই দরকারি বিষয়গুলো ফ্রেম গুলো এখানে দেয়া দেয়া আছে।আশা করি অনেকেই উপকৃত হবেন ❤️
Copyright: Fireandice 🤍
মুভমেন্ট ফটোগ্রাফি
ছবি উঠানোর সময় হাত এবং ক্যামেরা স্থির রাখবেন, সম্ভব হলে ট্রাইপড ব্যবহার করবেন অথবা কোথাও ঠেস দিয়ে দাড়াবেন, বেশি সাটার স্পিড ব্যবহার করবেন, ইমেজ ষ্ট্যাবিলাইজেশন ব্যবহার করবেন এসব কথা শুনেই আপনি অভ্যস্থ। এর বিপরীত দিক কি কখনো ভেবে দেখেছেন। ছবি উঠানোর সময় ইচ্ছে করে ক্যামেরা নাড়ানো। ফটোগ্রাফিতে এর নাম মুভমেন্ট ফটোগ্রাফি।
মুল বিষয় হচ্ছে সাটার স্পিড কম ব্যবহার করবেন যেন বেশি সময় ধরে এক্সপোজার পাওয়া যায়। যতক্ষন সাটার খোলা থাকবে সেই সময়ে ক্যামেরা নাড়াবেন। আলোর যায়গাগুলি একধরনের গতিশীল আলোকপথ তৈরী করবে।
একেবারে অনিয়ন্ত্রিতভাবে কাজটি না করে একেই নিজের পছন্দমত কাজে ব্যবহার করতে পারেন। যেমন জুম ইফেক্ট।
Aperture Priority মোড সিলেক্ট করুন। এপারচার ২২ সেট করুন। যে বিষয়ের ছবি উঠাবেন সেখানে ফোকাস করুন। সাটার রিলিজ চেপে ছবি উঠানোর সময় দ্রুত জুম কম বা বেশি করুন। আলোকরশ্মির ইফেক্ট পাবেন এরফলে।
অথবা ব্যবহার করতে পারেন রোটেশন ইফেক্ট। ছবি উঠানোর সময় ক্যামেরা বৃত্তকারে ঘুরান, অথবা আপনি নিজেই ক্যামেরা সহ ঘুরুন। হয়ত স্পষ্ট বিষয় পাবেন না কিংন্তু রঙের বৈচিত্র থাকলে মজাদার কিছু পাবেন। উদাহরনের ছবিটি মাথার ওপর বড়বড় গাছের।
অথবা বাগানে ফুলের ছবি উঠানোর সময় সাটার স্পিড একেবারে কমিয়ে ইচ্ছেমত ক্যামেরা ঘুরান। একেবারে ভিন্ন ধরনের ছবি পাবেন। ক্যামেরা ওপরে নিচে করে আরেকধরনের ইফেক্ট পেতে পারেন।
জুম ইফেক্ট এর জন্য এসএলআর অথবা জুম-রিং ব্যবহার করা যায় এমন ক্যামেরা প্রয়োজন হবে। অন্য ইফেক্টগুলি ব্যবহার করা যাবে যে কোন ক্যামেরায়।
05/07/2020
মাথায় গামছা পেছালেয় কৃষক হওয়া যায়না..!
তেমনি করে হাতে কেমেরা নিয়ে ঘুরলে ফটোগ্রাফার হওয়া যায়না 👈
📷 ফটোগ্রাফি কেউ পেশা হিসেবে নেয় না ~
বলা যায় এটা সখ থেকে হয়ে যায় আর তার পর তো এমন হয় ক্যামেরাটা নিজের পরিবারের একজন 🤗
📷 ফটোগ্রাফার রা পারলে ক্যামেরা টা হাতে না রেখে বুকের ভিতর রেখে ছবি তুলে। কারণ ক্যামেরা টা তাদের জীবনেরই একটা অংশ হয়ে যায়। ☺
📷 আমার মতে কোনো বেস্ট ফটোগ্রাফার এটা বলে না যে এভাবে তাকান, এটা করেন, ঐটা করেন কারন এসব বললে তো মানুষের ছবি না তুলে একটা মুর্তির ছবি তোলা উচিত। আর ফটোগ্রাফাররা মুর্তির ছবি ক্যাপচার করলেও যেন সেই ছবিতে মুর্তিটা জীবন্ত হয়ে কথা বলে। ফটোগ্রাফিটা একটা শিল্প আর ফটোগ্রাফার রা শিল্পী। আর তাই বলবো শিল্পীদের সম্মাম করুন 🙏
🎥 হাতে ক্যামেরা থাকলেই ফটোগ্রাফার ভেবে লাপানোর কিছু নাই কারন হাতে ক্যামেরা থাকলেই ফটোগ্রাফার হওয়া যায় না। ফটোগ্রাফার রা মানুষের ছবি তোলে না তারা মানুষের ইমোশন গুলো ক্যাপচার করে। ফটোগ্রাফাররা ক্যামেরাম্যান না 👈
~••••••::.(𝐒𝐡𝐮𝐭𝐭𝐞𝐫 𝐒𝐩𝐞𝐞𝐝).::••••••~
আপনাদের বাসায় জানলা আছেনা ?
ওই জানালায় পরদা আছেনা?
অ্যাপারচার যদি হয় এই জানালার
সাইজ তাহলে শাটার হলো সেই
জানালার পরদা । লেন্সের ভিতর
দিয়ে এসে, অ্যাপারচাররে পাস
করার পর, যেই আলো (Light) ক্যামরার
ভিতরে আসলো, সেটা কতক্ষণ
ক্যামরার ভিতরে থাকবে সেটা ঠিক
করে দেয় শাটার স্পিড।
এইডাতো আবুলেও বুঝে যে,
পরদা যদি অল্প সময়
খুইলা রাখি তাইলে ঘরে আলো কম সময়
ধইরা ঢুকবো, আর
পরদা যদি সারা জীবনের
লাইগ্গা খুইল্লা রাখি তাইলে দিনের
বেলায় আলো ঢু্কতেই থাকবো,
মানে বেশি সময় ধইরা ঢুকবো। (আর
রাইতে ঢুকবো মশা )
শাটার স্পিডের একক হইলো সেকেন্ড।
শাটার স্পিড যদি কই 1/4 sec তার
মাইনে হইলো, আলোটা ১ সেকেন্ডের
৪ ভাগের এক ভাগ সময় মাত্র
ক্যামেরার সেনসর অথবা ফ্লিমের উপর
পড়বো। যদি শাটার স্পিড হয় 8 sec
তাইলে সেনসর অথবা ফ্লিমের
সামনের পরদাটা ৮ সেকেন্ড
ধইরা খুলা থাকবো। অনেক সময়
একটা কথা শুইনা থাকবেন
কাউরেকাউরেকইতেযে“ফটুকটাস্লোশাটার
স্পিডে তোলা হইসে”। স্লো শাটার
স্পিড মানে হইলো এট্টু
আইলশা টাইপের শাটার স্পিড
যেইটা বন্ধ হইতেই চায়না।
একটা ক্যামারায় শাটার
স্পিডগুলা সাধারনত এইরকম থাকে :
1/8000 s
1/4000 s
1/2000 s
1/1000 s
1/500 s
1/250 s
1/125 s
1/60 s
1/30 s
1/15 s
1/8 s
1/4 s
1/2 s
1 s
2 s
4 s
8 s
B – এইডা মানে বাল্ব। এইডা সিলেক্ট
কইরা যতক্ষন বাটন টিপ্পা রাখবন ততক্ষন শাটার বন্ধ হইবো না।
এট্টু খিয়াল কইরা দেহেন, উপরে বা নিচে যাইতে শাটার স্পিড হয় ডাবল হইতাসে, না হয় অর্ধেক হইতাসে। যেমন ১/২ সেকেন্ড থেইকা বারলে হয় ১ আর কমলে হয় ১/৪. এই অর্ধেক আর ডাবল হউনের সম্পর্কটা অ্যাপারচারেও আসে।
দেইখেন খেয়াল কইরা। সামনে যখন আই.এস.ও নিয়া কথা কমু তখন দেখবেন
ওইহানেও একই তামশা। শাটার স্পিড কমায় বাড়ায়
ফটুতে অনেক রকম মজা করন যায়। ধরেন একটা ব্যস্ত রাস্তায় আপনে যদি স্লো শাটার স্পিড দিয়া ফটুক তুলেন তাইলে দেখবেন গাড়ি গুলার হেড লাইট আর টেল লাইট একটা লম্বা শাদা আর লম্বা লাল রেখার মতো তৈরি করসে।
আবার শাটার স্পিড বাড়ায়
দিয়া (ধরেন 1/200 sec) যদি কনো ঝরনার ফটুক তুলেন তাইলে পানি গুলা বরফের লাহান ফিরিজ হয়া গেসে। তাইলে এই পর্যন্ত আমরা কি শিখলাম?
অ্যাপারচার দিয়া আলোর পরিমান কন্ট্রোল করন যাইতাসে আর শাটার
স্পিড দিয়ে কন্ট্রোল করা যাচ্ছে এই আলোটা কত সময় ধরে সেনসর/ফ্লিমের
উপর পরবে।
-
Facebook Group Link :
www.facebook.com/groups/camera.tutorial
06/12/2019
সকল ফটোগ্রাফারদের জন্য আমার এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর ঃ -
গত ১২ নভেম্বর সকাল ৫টায় আমি একটা উইন্টার ফটোশুটের জন্য ঘর থেকে বের হই ,যার ফটোশুটের জন্য আমি এত ভোরে বের হই সে আমাকে বলল তার ফ্যামেলিতে জানলে প্রব্লেম হবে তাই সে সকালের মধ্যেই বের হবে এবং সকাল ৮ টার মধ্যেই বাসায় চলে আসবে,সেই অনুযায়ী আমি উইন্টার ফটোশুটের জন্য কিছু কাপড় এবং আমি আমার 5D MARK (III) camera, 70-200 (L) f2.8 Lens , 35MM f1.2 Lens আর কিছু ক্যামেরা গিয়ার নিয়ে যার ফটোশুট করব তার পছন্দ অনুযায়ী কাট্টলী (কর্নেল হাট) এর পশ্চিম দিক দিয়ে রেল লাইন পার হয়ে টোল রোডের নীচে দিয়ে টোল রোডের পরে আরো হাফ কিলোঃ হেটে ব্রিক ফিল্ডের কাছাকাছি জায়গায় সকাল ৭টা পর্যন্ত ফটোশুট করি,জায়গাটি একটু নীরব এবংসামান্য কদমাক্ত হওয়াতে আমি এই ছেলেকে জিজ্ঞেস করি এত ভিতরে আর এই কদমাক্ত জায়গায় কেন এল? সে বলল এইখানে কুয়াসা র জন্য উইন্টার environment ভাল বুঝা যাবে,যাক আমি ও সেটাই ভাব্লাম , অবশেষে ফটোশুট সকাল ৭ টার মধ্যে শেষ করে চলে আসব বলে সব কিছু ঘুছিয়ে নিচ্ছিলাম এমন সময় ওই ছেলে বল্ল সে একটু প্রশ্রাব করবে বলে একটু আড়ালে যায়,আমিও আমার সব কিছু গুছাচ্ছিলাম ,এমন সময় ৩/৪ জন ছেলে আমাদের দিকে আসতে দেক্লাম ,তাদের মধ্যে একজন জুতা খুলে একটু তাড়াতাড়ি আমাদের দিকে অগ্রসর হয়ে আমাদের দিকে আসছিল কাছাকাছি আসলে দেখি তাদের মুখমন্ডল ১০ টাকা দামের মাস্ক লাগানো, আমাদের জিজ্ঞেস করছে আমরা কি করছি? আমি বল্লাম আমি ফটোগ্রাফার উইন্টার ফটোশুটের কাজ করছি , এর মধ্যেই তারা ৩/৪ জন আমার ক্যামেরা নিয়ে টানাটানি করতে থাকে, আমি তখন নীজের ক্যামেরা রক্ষা করার জন্য ওদের বলি আমি সাংবাদিক ,আমার কোন কিছুতে যেন তারা হাত না দেয়,এবং ৯৯৯ এ কল করে পুলিশ কল করব বলে হুমকি দেই , এবং ওই ছেলেকে ও ৯৯৯ এ কল করতে বলি,এই সময় ওরা ২জন আমাকে সামনে পিছন থেকে জোড় করে পা টেনে মাটিতে ফেলে দেয় আমি ক্যামেরা টি রক্ষা করার চেষ্টা করি এই ফাকে ওরা আমার কাছে রাখা HUAWEI P30 যার মডেল নং-L29, IMEI 1: - 000000000000, IMEI 2:000000000000 ,S/N : 0000000000000 (বিশেষ দ্রঃ- পুলিশি তদন্তের জন্য সঠিক নাম্বার দিলাম না ) নিয়ে নেয়,এমন কি আমাকে পেটে ছুরিকাগাত করতে চেষ্টা করে, আমি আমার ডান হাত দিয়ে রক্ষা করতে গিয়ে আমার ডান হাতের ব্রিদ্দা আংগুল এবং তরজনীর মাঝখানে তালু পর্যন্ত কেটে যায়,এর পর ও তারা একজন আমাকে পা চেপে ধরে টেপ দিয়ে আমার দুই পা পেচিয়ে ফেলে,আরেক জন আমার দুই হাত এবং মুখ পেচাতে থাকে ,একি সময়ে একজন আমার পেটে উপর্যপরি লাথি মারতে থাকে , এক পর্যয়ে আমার হাত থেকে রক্ত যাওয়ায় এবং পেটের ব্যাথায় দূরবল হয়ে পড়ে থাকি, কিছুক্ষন পড়ে চোখ এর টেপ এর বাদনের সামান্য ফাক দিয়ে আবছা দেখতে পাই আমি যেই ছেলের ফটোশুটের কাজে গিয়েছিলাম সে আমার হাত,পা , মুখের বাধন খুলে আমাকে অনেক কষ্ট করে তুলে ওর কাধে আমি দুই হাত ভর করে (পেটের ব্যাথায় সোজা হয়ে ঠিকমত দাড়াতেও পারছিলাম না,) আস্তে আস্তে প্রায় ১০ মিনিট খুরিয়ে হেটে একটা তরকারী বিক্রেতার ভ্যান এবং একটি সিএনজি করে ওই ছেলেটি আমাকে আল-আমিন হাসপাতালে আমাকে নিয়ে এসে সে চলে যায়,তখন আমার হাতের কাটা স্থান একটি গেঞ্জি দিয়ে মোড়ানো,কিন্ত পেটে প্রচন্ড বেথায় আমি কাতরাচ্ছিলাম, এমতাবস্থায় আমার কোন মোবাইল না থাকার কারনে আমি কাউকে কল ও দিতে পারছিলামনা, পরে হাসপাতালের দাড়োয়ান এর মোবাইল থেকে আমি আমার স্ত্রী কে কল দেই, আমার স্ত্রী আমাকে এই অবস্থায় দেখে আল-আমিন হাসপাতালে Admit করায় এবং কত্যব্যরত ডিউটি ডাক্তার আমার হাত সেলাই করে ,আমার আল্ট্রাস নো করে আমার চিকিতসা অত্র মেডিকেল করতে পারবেনা বলে অপরাগত প্রকাশ করে,এমতাবস্থায় আমার স্ত্রী কোন উপায় না দেখে আমার কিছু বন্ধুকে কল দেয়,এবং আল-আমিন হাসপাতালের বিল পরিশোধ করে আমাকে আমার বন্ধুর গাড়ির মাধ্যমে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভত্তি করায়,ইমারজেন্সিতে আমার অবস্থা অবনতি দেখে আমাকে আই সি ইউ তে নিয়ে যায়,এবং পুনরায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার গন আমার আল্ট্রাসনো করে নিশ্চিত হয় আমার পেটে উপর্যপরি লাথি মারার কারনে আমার খাদ্যনালি ছিদ্র হয়ে যায়,এবং ঠিক সময়মত অপারেশন না করলে আমার মৃত্যু হয়ে যেতে পারে, আর অপারেশন হলেও ৩০% বাচার সম্ভাবনা ছিল, এমতাবস্থায় আমার স্ত্রী র অনুমতি নিয়ে ১২ তারিখ রাত আনুমানিক ৯ ঘটিকায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার Prof.Dr.JU Ahmed (FCPS Surgery),Dr. Nayan, and Dr,Kawser Alam আমার অপারেশন করেন, অপারেশন এর আগের ৭/৮ ঘন্টা এবং অপারেশনের পরে ও কত ঘন্টা আমার কোন জ্ঞান ছিলনা , জ্ঞান ফিরার পর আমি ৭/৮ দিন অক্সিজেন রত অবস্থায় ছিলাম,কোন কথা বলতে পারছিলাম না,এই ৭/৮ দিন আমাকে এক ফোটা পানিও দেওয়া হয় নাই, আল্লাহর অশেষ রহমতে ,আমার মা বাবার ,স্ত্রী, পরিবারের মুরব্বিদের দোয়ার বরকতে , বন্ধুদের অক্লান্ত সহযোগীতা ,সরবোপরী ডাক্তার ,নার্স দের অফুরন্ত সহযোগীতার কারনে আমি বেচে এসেছি,
যাদের কাছে আমি চিরঋন ই -
আমার বন্ধু ইফতি, রেজা,মিতু ভাবি,তানভির, রানা,রানার বউ, গিয়াস,আরিফ,সাইফুল,ইলিয়াস, আমার ছোট ভাই সাকিল ,আল্ভি
আলি বাবু (ঢাকা)
আরো আমার অনেক স্কুল ফ্রেন্ড রা যারা আমাকে দূর থেকে দোয়া করেছেন,
কিন্ত ডাক্তার আমাকে ৩ মাস কমপ্লিট বেড রেস্টে থাকতে বলেছে,
আমার এই ঘটনা টি আমি লিখলাম এই কারনে আমার মত আর যে সকল ফটোগ্রাফার যেন প্রয়োজনীয় protection এবং অপরিচিত Location, এবং কাউকে সে যতই পরিচিত হোক না কেন তাকে বিশ্বাস না করে আরো ২/৩ জন সংগী নিয়ে কাজে যাওয়া,কোথায় কোন স্থানে যাবে সেই স্থানের details পরিবারের আপন কাউকে জানিয়ে যাওয়া,
এছাড়া বিপদের সময়ে যাতে সকল ফটোগ্রাফার ভাই বোন , ফটোগ্রাফার এর দের কাজের সংগে জড়িত সক ল সাংবাদিক গন , মডেল, শিল্পী, কলাকূশলী,মিডিয়া আর্থিক ভাবে এমন কি যে যার যার স্থান থেকে সহোযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়
Md Hasan Jisan
পুরো ছবি উঠানঃ
আপনি একটি সুন্দর ফুলের ছবি উঠাতে চান। অনেকগুলি ফুলের মধ্যে একটি ফুল আপনার কাছে গুরুত্বপুর্ন। বাগানের ছবি উঠানোর পর সেই ছবি কাউকে দেখানোর পর লক্ষ্য করলেন তারা সেই বিশেষ ফুলটি লক্ষ্য করছে না। কারন একটিই, আপনি সেভাবে ছবি উঠাননি।
যদি ফুলের ছবি উঠাতে হয় যতটা সম্ভব কাছে থেকে ছবি উঠান। এমনভাবে যেখানে সেই ফুলটিই ছবির অধিকাংশ যায়গা জুড়ে থাকে। অন্য ফুলগুলির কাজ এই বিশেষ ফুলের সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলা।
ফুল না হয়ে যদি বিশেষ কোন বস্তু, এমনকি কোন ব্যক্তির বিষয়ও হয় তাহলেও এই নিয়মে ছবি উঠান। নিজেকে বলতে পারেন, ছবি উঠানোর পর ফটোশপে পাশ থেকে বাদ দেয়া যাবে। সেটা না করে ছবি সেভাবে উঠানো অভ্যেস করুন।
ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে একটি বিখ্যাত উক্তি রয়েছে, ছবি ভাল হয়নি কারন আপনি যথেষ্ট কাছে যাননি। কাজেই, ছবি উঠানোর জন্য যতটা সম্ভব কাছে যান, অথবা লেন্স পাল্টান অথবা জুম ব্যবহার করুন।
আইএসও, এপারচার, সাটারস্পিডঃ-
ছবি উঠানোর সময় ক্যামেরার সেন্সরে যে আলো আসে তা থেকে সামনের দৃশ্যঅনুযায়ী ডিজিটাল ইমেজ তৈরী হয়। সেন্সর কি পরিমান আলোতে কতটুকু কাজ করবে সেটা প্রকাশ করা হয় আইএসও বলে একটি সংখ্যা দিয়ে। উদাহরন হিসেবে, ধরে নিন মোটামুটি আলোতে ১০০ আইএসওতে ভাল মানের ছবি পাওয়া যায়। সেখানে আইএসও ৫০ ব্যবহার করলে ছবিতে আলো কম পাওয়া যাবে। আর ২০০ ব্যবহার করলে অতিরিক্ত আলো পাওয়া যাবে। সাধারনভাবে আলো কম থাকলে সেখানে বেশি আইএসও ব্যবহার করা হয়, বেশি আলো থাকলে সেখানে কম। কাজটি ম্যানুয়াল মোডে আপনি ঠিক করে দিতে পারেন, অথবা ক্যামেরাকেই নিজে থেকে ঠিক করে নেয়ার দায়িত্ব দিতে পারেন।
লেন্সের মধ্যে দিয়ে আলো সেন্সরে যাওয়ার পথে এপারচার নামে জানালার মত একটি অংশ পার হতে হয়। এপারচার বড় করলে (জানালা বেশি খুললে) বেশি আলো ভেতরে যায়, আর বেশি আলো থাকলে তাকে নিয়ন্ত্রন করার জন্য সামান্য খোলা হয়। এপারচার সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যেমন ৪, ৫.৬, ১১ ইত্যাদি। ছোট সংখ্যা বড় এপারচার (বেশি আলো) এবং বড় সংখ্যা ছোট এপারচার বুঝায়।
আলো কতক্ষন সময় কাজ করবে সেটা নিয়ন্ত্রন করে সাটার স্পিড। বেশি আলো থাকলে অল্প সময়েই ছবি উঠানোর প্রয়োজনীয় আলো পাওয়া যায়। কাজেই সাটার স্পিড বেশি রাখতে হয়। কম আলো থাকলে সাটারস্পিড কমিয়ে বেশি আলো গ্রহন করতে হয়। এক্সপোজার নামে একটি শব্দ ব্যবহার করা হয় আলোর পরিমান বুঝানোর জন্য। এক্সপোজার বেশি অর্থ সেখানে আরো বেশি, কম অর্থ আলো কম। সেকেন্ড দিয়ে একাট প্রকাশ করা হয়। ১/৪০০ অর্থ এক সেকেন্ডের ৪০০ ভাগের একভাগ সময়।
সাটার স্পিড আপনি নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন অথবা ক্যামেরা পরিস্থিতি অনুযায় ঠিক করে নিতে পারে।
আইএসও, এপারচার এবং সাটারস্পিড এই তিনের সমম্বয়ে ভাল ছবি পাওয়া যায়। একমাত্র ম্যানুয়েল মোডে এই তিনটি পরিবর্তন করা হয়। অত্যন্ত দক্ষ ফটোগ্রাফাররাই সেটা করেন। অন্যরা যে কোন একটি বা দুটি নির্দিষ্ট করে দেন, তারসাথে মানানসই সেটিং করে নেয় ক্যামেরা।
এখানে মুলত আলোর বিষয় উল্লেখ করলেও এপারচার, সাটারস্পিড ইত্যাদির নানাবিধ ব্যবহার রয়েছে। বিভিন্ন পরিস্থিতে ভাল ছবি পাওয়ার জন্য সেদিকে দৃষ্টি দিতে হয়। সেকথা আগামীতে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Telephone
Address
Savar
Dhaka
1340
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 17:00 |
| Tuesday | 10:00 - 17:00 |
| Wednesday | 10:00 - 17:00 |
| Thursday | 10:00 - 17:00 |
| Friday | 10:00 - 17:00 |
| Saturday | 10:00 - 17:00 |
| Sunday | 10:00 - 17:00 |