Gen Alpha
18/05/2026
আজকে আবারও একখান ঐতিহাসিক কমেডি উপহার দিলেন পাটওয়ারী! 🤣
ইসির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সামনেই দাঁড়িয়ে বলে দিলেন—
“জাতীয় নির্বাচনে যা করছেন করছেন, লোকাল ইলেকশনে এইগুলা কইরেন না!”
মানে, জাতীয় নির্বাচন নাকি ট্রেইলার ছিল, আসল সিনেমা এখনও বাকি!
আর সেই সিনেমার “পরিণতি” কেমন হতে পারে, সেটারও ছোটখাটো টিজার দেখাইলেন।
এর আগেও নির্বাচনের দিনের সন্ধ্যার পরের ঘটনা নিয়ে এমন এক স্টেটমেন্ট দিছেন, পাবলিক হাসবো না কাঁদবো বুঝে উঠতে পারে নাই।
তিনি বললেন—
“যখন আফরোজা আব্বাস বিভাগীয় কমিশনারের অফিসের সামনে ৫-৬ হাজার লোক এনেছিল, আমি ডাক দিলে সেখানে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ লোক আসতো।”
এইখানে সাধারণ মানুষের একটা ছোট্ট প্রশ্ন—
তাইলে আনলেন না ক্যান? 😶
এরপরই এন্ট্রি নিল “মানবিক পাটওয়ারী” চরিত্র।
“আনলে সেখানে রক্তাক্ত মারামারি হতো, লাশ পড়ত। হাসপাতালে যে বাবার ছেলে মারা যেত, তাকে আমি জবাব দিতে পারতাম না। তাই সরে এসেছি।”
মানে, দেশের ইতিহাসে প্রথমবার—
১ লাখ লোক রেডি ছিল, কিন্তু মানবতার স্বার্থে বাসায় বসাই রাখা হইছে! 🙂
তবে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তিনি আবারও দিলেন। বললেন—
“ইনশাআল্লাহ, এটার বিচার বাংলাদেশে হবে। এই নির্বাচন কমিশনে যারা নেতৃত্ব দিয়েছে, তাদের বিচার ভবিষ্যতে করবো।”
সবচেয়ে মজার অংশ হইলো, এতসব আগুনঝরা বক্তব্যের পর বিএনপি-জামায়াত নেতাদের নিয়ে সেই ইসির কর্মকর্তাদের সাথেই আবার হাসিমুখে ছবি তুললেন! 📸
আর সেই ছবিতে সিইসির মুখের এক্সপ্রেশন দেখে মনে হচ্ছিল—
“ভাই, তুমি কি আমাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিতেছো, নাকি আমাদের সাথেই আছো—একটু ক্লিয়ার করো!” 😭
মনে মনে হয়তো উনিও বলতেছিলেন—
“তোর জ্বালায় আর বাঁচলাম না রে পাটওয়ারী!” 🤣
18/05/2026
আমি অবাক হয়ে যাই, এনসিপি এখন পর্যন্ত শাহাদাতকে নিয়ে কোনো কর্মসূচি দেয়নি!
হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী তিনি মেয়র হয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো—হাইকোর্ট কি কখনো নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করতে পারে? কোর্ট সর্বোচ্চ আগের ফলাফল বাতিল করে নতুন নির্বাচন দিতে পারে, কিন্তু জনগণের রায় দেওয়ার ক্ষমতা কোর্টের আছে কি?
নির্বাচনের পর হিসাব করলে তার মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। এরপরও তিনি মেয়র পদে আছেন। আবার বলা হচ্ছে, “আমি না থাকলে নগর এতিম হয়ে যাবে, তাই দায়িত্বে আছি।”
এটা সত্যিই হাস্যকর।
এরপর তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি পূর্ণ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকবেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো—নির্বাচিত সরকার বিএনপি তার কাজে কোনোভাবে ইন্টারফেয়ার করছে না, এবং এখনো পর্যন্ত তাকে অপসারণও করা হয়নি।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তিনি কার্যত নির্বাচন ছাড়া মেয়রের পদ ধরে রেখেছেন। অথচ কেউ কেউ বলছে, হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী তিনি বৈধভাবে আছেন।
আবার তিনি প্রশ্ন তুলছেন—হাইকোর্ট কি জনগণের ভোটাধিকার হরণ করতে পারে? বিষয়টি এখানেই বিতর্কিত হয়ে যাচ্ছে।
সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, এনসিপি থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো দৃশ্যমান প্রতিক্রিয়া বা কর্মসূচি দেখা যায়নি। কেন্দ্র থেকেও এ নিয়ে কোনো অবস্থান নেওয়া হয়নি।
অন্যদিকে, চট্টগ্রামে গ্রাফিতি মুছে ফেলা হয়েছে। রাতে এনসিপি কর্মীদের গ্রাফিতি আঁকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। সেখানে “টু-লেট” টাঙানো হয়েছে। আজ সিএমপির মাধ্যমে সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এরপর আজ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা আবার গ্রাফিতি আঁকতে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয় এবং টানাহেঁচড়া করে হেনস্তার ঘটনাও ঘটে।
প্রশ্ন হচ্ছে—পুলিশ দিয়ে গ্রাফিতি আঁকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে কেন? এর উদ্দেশ্য কী? এটি কি শুধুই ক্ষমতার প্রদর্শন ছাড়া আর কিছু?
এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—এই বিষয়ে এনসিপি কেন কোনো কর্মসূচি দিচ্ছে না? গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং নাগরিক অধিকার নিয়ে যদি এমন অবস্থান তৈরি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে—তা ভাবার বিষয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Dhaka
Dhaka