STCHost
12/12/2019
ডোমেন এর ইতিহাস।
ডোমেইন নাম বলতে সাধারনভাবে কোন একটা ওয়েবসাইটের নামকে বোঝায়। ডোমেইন নাম ক্লাইন কম্পিউটারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে। একটি ডোমেইন নাম সংক্রান্ত সব কিছু নিয়ন্ত্রন করে ডোমেইন নেম সিস্টেম।
ডোমেইন নেম সিস্টেম (ডিএনএস) ডোমেইন নেমের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য রাখার একটি ব্যবস্থা। এটি মূলত ফোন বুকের মত কাজ করে। এটি সাধারণ মানুষের বোধগম্য কম্পিউটারের হোস্টনেম যেমন example.com কে কম্পিউটারের উপযোগী আইপি এড্রেসে যেমনঃ
208.77.188.166 রুপান্তর করে দেয়, যার মাধ্যমে নেটওয়ার্কিং যন্ত্রাংশগুলি তথ্য বিনিময় করে থাকে। এছাড়া ডিএনএস অন্যান্য তথ্যও রাখে, যেমন মেইল সার্ভারের তালিকা ইত্যাদি। ডিএনএস কিওয়ার্ড ভিত্তিক পুননির্দেশনা ব্যবস্থা পালন করে। বর্তমান ইন্টারনেট ব্যবস্থায় ডিএনএস একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ডিএনএস ফলেই কোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানকে নেটওয়ার্কের রাউটিং কি রকম হবে সেটি সম্পর্কে চিন্তা না করেও ডোমেইন নাম দেয়া যায়। নেটওয়ার্কের রাউটিং নির্ভর করে সংখ্যাভিত্তিক আইপি এড্রেসের উপরে। একারণে আইপি এড্রেস কোন কারণে পরিবর্তিত হলেও একই হাইপারলিংক বা ইন্টারনেট এড্রেস দিয়ে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যায় বা মেইল পাঠানো যায়।
সুতরাং নেটওয়ার্কের বাহ্যিক আকারের বা গঠনের ওপরে ওয়েবসাইটকে নির্ভর করতে হয় না। এছাড়া আইপি এড্রেসের তুলনায় ডোমেইন নেম অনেক সহজ হয়ে থাকে। যেমন "example.com" মনে রাখা যতটা সোজা এর আইপি এড্রেস 208.77.188.166 মনে রাখাটা ততটা সোজা হবে না। সাধারণ মানুষ ইউআরএল ও ইমেইল এড্রেস মনে রাখে, কম্পিউটার কিভাবে তা খুজে বের করবে তা চিন্তা করে না।
ডোমেইন নেম সিস্টেমে বিভিন্ন ডোমেইন নেম দেয়া ও সেগুলোকে আইপি এড্রেসের সাথে একীভূত করার কাজটি কয়েকটি অথরিটিভ নেম সার্ভারকে ভাগ করে দেয়া হয়। এসব সার্ভার আলাদাভাবে ডোমেইন নেম নিবন্ধন, পরিবর্তন করার কাজটি করে থাকে ফলে একটি কেন্দ্রীভূত সার্ভারের প্রয়োজন পড়ে না।
এছাড়া অন্যান্য সেবা সমূহ যেমন আরএফআইডি ট্যাগ, ইউপিসি কোড ইন্টারনেট হোস্টনেমের স্থলে আন্তর্জাতিক অক্ষর ব্যবহার ইত্যাদি কাজেও ডিএনএস ব্যবহার করা হয়।
কম্পিউটার মেশিনের সাংখ্যিক ঠিকানার বদলে মানুষের উপযোগী নাম ব্যবহার করা শুরু হয়েছিল টিসিপি/আইপি'রও আগে। আরপানেট যুগেও মানুষের উপযোগী নাম ব্যবহার হত। তখন অবশ্য অন্য পদ্ধতি ব্যবহৃত হত। ডিএনএস আবিষ্কার হয় ১৯৮৩ সালে, টিসিপি/আইপি চালুর কিছু পরেই। পুরনো ব্যবস্থায় নেটওয়ার্কের প্রতিটি কম্পিউটার এসআরআই বর্তমানে এসআরআই ইন্টারন্যাশনাল) থেকে HOSTS.TXT নামে একটি ফাইল নিয়ে আসত। এই HOSTS.TXT ফাইল থেকেই সাংখ্যিক ঠিকানা থেকে নামের ম্যাপিং দেয়া থাকত। বর্তমানেও অধিকাংশ আধুনিকতম অপারেটিং সিস্টেমেও একটি হোস্ট ফাইল থাকে যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীগণ ডিএনএসের সাহায্য ছাড়াই বিভিন্ন নামকে (যেমন www.example.net) আইপি এড্রেসের (যেমন 208.77.188.166) সাথে সংযোগ করতে পারেন। এই হোস্ট ফাইলের ওপর নির্ভরশীল ব্যবস্থার জন্মগত সমস্যা হচ্ছে যখনই কোন এড্রেসের আইপি এড্রেস পরিবর্তিত হবে, তখন এই এড্রেসের সাথে যোগাযোগে ইচ্ছুক সকল কম্পিউটারকে এই ফাইলটি হালনাগাদ করতে হবে।
নেটওয়ার্কিংএর প্রসারের সাথে সাথে এমন ব্যবস্থার প্রয়োজন পড়ল যাতে কোন হোস্টের এড্রেস পরিবর্তিত হলেও যাতে তা কেবল একটি স্থানে রেকর্ড করে রাখলেও চলে। অন্যান্য হোস্ট ডাইনামিক্যালি এই পরিবর্তন জানতে পারবে নোটিফিকেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে। এভাবে সার্বজনীন একটি ব্যবস্থার তৈরি হবে যাতে সকল হোস্টনেমকে তাদের সংযুক্ত আইপি এড্রেস দিয়ে চেনা যায়।
জন পোস্টেলের অনুরোধে ১৯৮৩ সালে পল মকাপেট্রিস ডোমেইন নেম সিস্টেম উদ্ভাবন করেন এবং এর প্রথম বাস্তবায়ন ঘটান। এর মূল স্পেসিফিকেশন পাওয়া যাবে আরএফসি ৮৮২ ও আরএফসি ৮৮৩ তে। ১৯৮৭ সালের নভেম্বর মাসে আরএফসি ১০৩৪ ও ১০৩৫ প্রকাশিত হয় যাতে ডিএনএস এর স্পেসিফিকেশন হালনাগাদ করা হয়। ফলে আরএফসি ৮৮২ ও ৮৮৩ বাতিল হয়ে যায়। একাধিক সাম্প্রতিক আরএফসিতে বর্তমান ডিএনএস কোরের বিভিন্ন এক্সটেনশন প্রস্তাব করা হয়েছে।
১৯৮৪ সালে বার্কলের চারজন ছাত্র - ডগলাস টেরি, মার্ক পেইন্টার, ডেভিড রিগ্ল ও সংনিয়ান ঝুও প্রথম ইউনিক্স সংস্করণ লেখেন যেটি পরবর্তীকালে র্যালফ ক্যাম্পবেল দেখাশোনা করতেন। ১৯৮৫ সালে ডিইসি'র কেভিন ডানলপ ডিএনএস বাস্তবায়নের পুনসংস্কার করেন এবং নাম রাখেন বাইন্ড (বার্কলে ইন্টারনেট নেম ডোমেইন, যেটি পূর্বে বার্কলে ইন্টারনেট নেম ডেমন) নামে পরিচিত ছিল। এরপর থেকে বাইন্ডের দেখাশোনা করতেন মাইক ক্যারেলস, ফিল আলকুইস্ট ও পল ভিক্সি। ১৯৯০ সালের শুরুর দিকে উইন্ডোজ এনটি সংস্করণে বাইন্ড দেয়া হয়।
বাইন্ডের বিভিন্ন নিরাপত্তাজনিত কারণে বিকল্প অনেক নেমসার্ভার ও রিসলভার প্রোগ্রাম প্রকাশিত হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থলে ব্যবহৃত হচ্ছে।
প্রথম বাণিজ্যিক ডোমেন নাম TLD .com, ১৫ মার্চ ১৯৮৫ সালে প্রথম বাণিজ্যিক ভাবে ডট কম ডোমেন নাম ক্যাম্ব্রিজের কম্পিউটার ফার্ম সিম্বোলিক্স তাদের ওয়েব সাইট Symbolics.com এ ব্যবহার করে। ডিসেম্বর ২০০৯ সালে তারা ১৯০ মিলিয়ন ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করে।
প্রত্যেক ওয়েবসাইটের একটি নির্দিষ্ট আইপি অ্যাড্রেস থাকে। কিন্তু আইপি দিয়ে ওয়েবসাইট মনে রাখা কষ্টসাধ্য। তাই মনে রাখার সুবিধার জন্য আইপি অ্যাড্রেসের পরিবর্তে ডোমেইন নাম ব্যবহার করা হয়। এছাড়া এক বা একাধিক কমপিউটার কে ইন্টারনেট এ চেনার জন্যও ডোমেইন নাম ব্যবহার করা হয়।
ইউ আর এল এবং ডোমেইন
নিচের উদাহরণ দ্বারা ইউআরএল এবং ডোমেইন এর পার্থক্য প্রকাশ করা যেতে পারে।
ইউআরএল : http://www.example.com/index.html
নাম (TLD) : com
টপ লেভেল ডোমেইন নাম : example.com
হোস্ট নাম : www.example.com
ডকোমেন্ট : index.html
10/12/2019
Domain (ডোমেইন) কেনার আগে যে বিষয় গুলো জানা জরুরী...!!!!
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালো আছেন?
আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো আপনি যদি কোথাও থেকে ডোমেইন কিনতে চান তাহলে Domain কেনার আগে যে সব বিষয় ভেবে দেখবেন :
প্রতিষ্ঠান,ব্যক্তিগত বা বিজনেসের জন্য ডোমেইন ক্রয় করা হয়। না বুঝে Domain ক্রয় করার ফলে আপনি পরর্বতি সময়ে আপনার প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করতে পারেন না ফলে অর্থও সময় দুই নষ্ট হয়।তাই Domain ক্রয় করার আগে ভালোভাবে জেনে নিবেন ।
১. ডোমেইন হচ্ছে আপনার সাইটের পরিচয় অতএব সবদিক ভেবে চিন্তে সুন্দর একটি নাম সিলেক্ট করুন। এসইও নির্ভর কিছু করতে চাইলে কিওয়ার্ডকে গুরুত্ব দিয়ে নাম বাছাই করুন।
২. আপনি যে প্রতিষ্ঠান থেকে ডোমেইনটি কিনবেন তাদের সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিন। কেননা ডোমেইন কিনে প্রতারিত হয়েছেন এমন ঘটনা এখন আর বিরল নয়।
৩. ডোমেইন এর দাম একটা চিন্তার বিষয়। খুব কম হলেও যেমন সন্দেহপূর্ন তেমনি অনেক চড়া দামে সাধারন ডোমেইন কেনাটাও এক ধরনের বোকামি। বর্তমানে ডোমেইনের চলমান মূল্য হচ্ছে ১০-১২ ডলার বা বাংলাদেশী ৮০০-১০০০ টাকা।
৪. ভেরিফিকেশন সিষ্টেম থাকলে অবশ্যই ডোমেইন কেনার ১৫ দিনের মধ্যে মেইলের মাধ্যমে ভেরিফাই করে নিন। এরপর যদি সম্ভব হয় ডোমেইন এর প্রাইভেসি প্রোটেকশন এনাবল করে রাখুন।
৫. ডোমেইন সহজে মনে রাখা যায়, এমন হতে হবে
৬. ডোমেইনকে .com প্রাধান্য দেয়া ভালো।
৭.ডোমেইন যথা সাধ্য ছোট রাখার চেষ্টা করতে হবে।
৮. কোনো ট্রেডমার্ক ওয়েবসাইটের নামের সাথে মিলে না যায় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেমন ঃ facebookbd, googleinfo, applebd ইত্যাদি ।
৯. সহজে মনে রাখা যায়, সহজে বানান করা যায়, শ্রুতিমধুর হয়, উদ্ভদ কোনো ডোমেইন পছন্দ করে পাঠকে ভড়কে দেবার প্রয়োজন নেই। ডোমেইন যথা সাধ্য ছোট রাখার চেষ্টা করা।
১০. ডোমেইন রেজিস্ট্রার পছন্দ করবেন যেভাবে: যেহেতু বাংলাদেশে পেপাল ও ক্রেডিট কার্ড এর সুবিধা নাই, সেহেতু বাংলাদেশি ডোমেইন রেজিস্ট্রার থেকেই কিনাটাই ভালো হবে, আবার সাপোর্টও ভালো পাওয়া যাবে।
25/09/2019
স্টার্টআপ এর জন্য প্রয়োজনীয় কিছু তথ্যঃ
১। আইডিয়াঃ আপনার আইডিয়াই হচ্ছে আপনার ব্যবসার মূলপ্রাণ।
২। বিজনেস এন্ড প্রজেক্টর নামঃ একটা ব্যবসার ক্ষেত্রে তার নামই কিন্তু মূল ব্র্যান্ডিং। একটা সুন্দর নাম যদি তার কাজ ও মূল লক্ষ্যের সাথে না মেলে, তাহলে এর মূলেই সেটা ধ্বংস হওয়া শুরু করে। সেজন্যে ব্যবসার নামের দিকে খেয়াল রাখাটাও জরুরী।
৩। লিগ্যাল ডকুমেন্টসঃ ব্যাবসা করতে হলে ট্রেড লাইসেন্স, টিন, বিন, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ইত্যাদি লিগ্যাল ডকুমেন্টস অত্যাব্যশ্যক।
৪। লোগো ক্রিয়েশন এন্ড ব্র্যান্ডিংঃ একটি পারফেক্ট লোগো যেকোন বিজনেসকে ব্রান্ডিং এর ক্ষেত্রে অন্যমাত্রা যুক্ত করতে পারে।
৫। ওয়েবসাইটঃ একটি ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠানের ভার্চুয়াল অফিস হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে ফলে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকা একান্ত প্রয়োজন।
৬। সোশ্যাল মিডিয়া এন্ড কমিউনিটি ম্যানেজমেন্টঃ সামাজিক মাধ্যমগুলো বর্তমানে আমাদের যোগাযোগের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে ঠিকই কিন্তু এরই সাহায্যে আমরা চাইলে হাজার হাজার ক্রেতা তৈরি করতে পারি। আর তাই ব্যবসার কাজে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব অনেক।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Concept Tower, 4th Floor, 68-69, Green Road
Dhaka
1205
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 19:00 |
| Tuesday | 09:00 - 19:00 |
| Wednesday | 09:00 - 19:00 |
| Thursday | 09:00 - 19:00 |
| Saturday | 09:00 - 19:00 |
| Sunday | 09:00 - 19:00 |