CS.bd
19/10/2022
এখানে দেখা যাচ্ছে যে টেনিস বল অর্ধেক কাটা হলে ২ টি অতিরিক্ত টেনিস বল একই জায়গায় ফিট করে।
কর্পোরেট জগতে এটা একটা কমন দৃশ্য। একই বেতনে কোম্পানি দুজন লোক নিয়োগ করতে পারে এমন ধারণার ভিত্তিতে বেশি বেতনের দাবির কারণে কোম্পানিগুলি একজন experienced, highly productive কর্মচারীকে ছেড়ে দেয়।
অনেকে এই বেপার টা বুঝতে পারে না যে এই সিদ্ধান্ত দিনশেষে as a whole কোম্পানির জন্য ভালো না। কারণ দিনশেষে quality surpasses quantity, আবার খুব জুনিয়র পোস্টে vice versa হতেই পারে।
তাই, ৫ টা হাফ-কাট টেনিস বলের চেয়ে ৩ টা সম্পূর্ণ টেনিস বল ভালো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই।
03/09/2021
কীবোর্ড হলো এমন একটি ডিভাইস, যাতে কিছু বাটন বিন্যস্ত থাকে, যেটি মেকানিক্যাল লিভার অথবা ইলেক্ট্রনিক সুইচের মতো কাজ করে। কীবোর্ড হলো কম্পিউটারের প্রধান ইনপুট ডিভাইস। কীবোর্ডের কীসমূহে কী ছাপানো থাকে। কোনো চিহ্ন তৈরি করতে হলে এক বা একাধিক কী চাপতে অথবা চেপে ধরে রাখতে হবে। মাউস, টাচস্ক্রিন, পেন, ভয়েস রিকগনিশন আবিষ্কারের পরও কীবোর্ড সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত এবং বহুমুখী ইনপুট ডিভাইস।
কী-বোর্ডে ৮৪ থেকে ১০১টি বা কোন কোন কী-বোর্ডে ১০২টি কী আছে। ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে কী-বোর্ডকে মোটামুটি ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়।[১]
ফাংশন কী
অ্যারো কী
আলফা বেটিক কী
নিউমেরিক কী বা লজিক্যাল কী
বিশেষ কী
ফাংশন কী :
কী বোর্ডের উপরের দিকে বাম পার্শ্বে F1 থেকে F12 পর্যন্ত যে কীগুলো আছে এদের একত্রে ফাংশন কী বলে। এদের ফাংশন কী(একত্রে) বলার কারণ এদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু কাজ করা যায় ।যেমন- কোন প্রোগ্রামের জন্য help অথবা কোন প্রোগ্রাম রান করানো ইত্যাদি কাজে এই কীগুলোর ব্যবহার করা হয়।[১]
অ্যারো কী :
কী বোর্ডের ডান দিকে নিচে পৃথক ভাবে চারটি কী আছে। কোন কোন কী বোর্ডে উপরের দিকেও থাকে। কীগুলোর উপরে অ্যারো বা তীর চিহ্ন দেওয়া থাকে। যা দিয়ে খুব সহজেই কার্সরকে ডানে, বামে, উপরে এবং নিচে সরানো যায়। এগুলিকে আবার এডিট কীও বলে। কারণ টেক্সট এডিট করার কাজেও এ কীগুলো ব্যবহার করা হয়।
আলফা বেটিক কী :
(আলফা বেটিক কী)
কী বোর্ডের যে অংশে ইংরেজি বর্ণমালা A থেকে Z পর্যন্ত সাজানো থাকে সেই অংশকে আলফাবেটিক সেকশন/অংশ বলে।
নিউমেরিক কী বা লজিক্যাল কী
কীবোর্ডের ডানদিকে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা লেখা যে কীগুলো রয়েছে তাকে নিউমেরিক কী বলে। এখানে +, -, *, / প্রভৃতি অ্যারিথমেটিক অপারেটর থাকে। এছাড়াও , = লজিক্যাল অপারেটরগুলো কী বোর্ডে থাকে।
বিশেষ কী
উল্লেখিত কী গুলো ছাড়া কী-বোর্ডের অন্যান্য কী সমূহ কোন না কোন বিশেষ কার্য সম্পাদন করে বলে এদেরকে বিশেষ কী বলা হয়-
· Esc : এই কী এর সাহায্যে কোন নির্দেশ বাতিল করতে হয়।
· Tab : পর্দায় প্যারাগ্রাফ, কলাম, নম্বর, অনুচ্ছেদ শুরুর স্থান ইত্যাদি প্রয়োজন অনুযায়ী প্রস্তুতের জন্য এই কী ব্যবহার করা হয়।
· Caps Lock : এই কী ব্যবহার করে ইংরেজি ছোট হাতের ও বড় হাতের লেখা টাইপ করা হয়।
· Shift : একই ওয়ার্ডের মধ্যে বা শুরুতে বড় ও ছোট অক্ষর টাইপ করতে এই কী ব্যবহার করা হয়। যেমন : Dhaka, Khulna শব্দ দু’টি লিখতে প্রথম অরে শিফ্ট কী চেপে ধরে এবং পরের অর গুলো শিফ্ট কী ছেড়ে দিয়ে লিখতে হবে। আর বাংলা অর বা বর্ণমালা লেখার েেত্র অর বিন্যাস্ত কী এর উপরের ও নিচের লেখা টাইপের জন্য এই কী ব্যবহার করা হয়। এছাড়া শিফ্ট কী এর সাথে ফাংশন কী চেপে কম্পিউটারকে বিভিন্ন কমান্ড দেওয়া হয়।
· Ctrl : এই কী এর সাথে বিশেষ কী একসাথে চেপে কমান্ড দেওয়া হয়। ব্যবহারকারীর সুবিধার জন্য কীবোর্ডের ডানে ও বামে এই কী ২টি থাকে।
· Alt : বিভিন্ন প্রোগ্রামে বিভিন্ন নির্দেশ দেওয়ার জন্য এই কী ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ব্যবহৃত হয় এবং বিভিন্ন কমান্ড তৈরী করা যায়।
· Enter : কম্পিউটারকে কোন নির্দেশ দিয়ে তা কার্যকর করতে এই কী ব্যবহার হয়। লেখা লেখির জন্য নতুন প্যারা তৈরী করতেও এই কী ব্যবহার করা হয়।
· Pause Break : কম্পিউটারে কোন লেখা যদি দ্রুত গতির জন্য পড়তে অসুবিধা হয় তা হলে এই কী চেপে তা পড়া যায়।
· Print Screen: কম্পিউটারের পর্দার দৃশ্যত যা কছিু থাকে তা সব প্রিন্ট করত চাইলে এই কী ব্যবহার করতে হয়।
· Delete : কোন বাক্য, অর বা কোন লেখাকে মুছে ফেলতে এই কী ব্যবহার করা হয়
· Home : এই কী ব্যবহার করে কার্সরকে পাতার প্রথমে আনা হয়।
· End : এই কী চাপলে কার্সর বা পয়েন্টার যেখানেই থাকুক না কেন টেক্স বা পাতার শেষে চলে আসবে।
· Page Up : এই কী ব্যবহার করে কার্সরকে উপরের দিকে উঠানো হয়।
· Page Down : এই কী ব্যবহার করে কার্সরকে নিচের দিকে নামানো হয়।
· Insert : কোন লেখার মাঝে কোন কিছু লিখলে তা সাধারণত লেখার ডান দিকে লেখা হয়, কিন্তু এই কী চেপে লিখলে তা পূর্ববর্তী বর্ণের উপরে ওভার রাইটিং হয়। কাজ শেষে আবার এই কী চাপলে তা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।
· Back Space : কোন লেখার পিছনের অংশ মুছে ফেলতে এই কী ব্যবহার করা হয়।
· Space Bar : কী বোর্ডের কীগুলোর মধ্যে এই কী টি সবচেয়ে লম্বা কোন বাক্য লেখার সময় শব্দ গুলোর মাঝে ফাঁকা করার জন্য এই কী ব্যবহার করা হয়।
· Num Look : এই কী চাপা থাকলে ডান দিকের কী গুলো চালু হয়।
মাল্টিমিডিয়া কী
এছাড়া মাল্টিমিডিয়া কীবোর্ডে আরও ৪ টি কী থাকেঃ
· Stand by Mood: এই কী চেপে রাখলে কম্পিউটার চালু থাকবে কিন্তু মনিটর বন্ধ হয়ে যাবে।
· Mail key : এই কী চেপে আউটলুক এক্সপ্রেস চালু হয় এবং তা দিয়ে মেইল পাঠানো যায়। তবে ইন্টারনেট চালু থাকতে হবে।
· Web key : এই কী ব্যবহার করে সরাসরি ওয়েব ব্রাউজার ওপেন করা যায়। এবং ইন্টারনেট ব্রাউজ করা যায়।
· Start Menu key: এই কী চেপে ষ্ট্যাট মেনু ওপেন করা যায় এবং প্রয়োজনীয় কমান্ড করা যায়।
07/12/2020
TOR নেটওয়ার্ক
নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন যেখানে
আমরা চাই ইন্টারনেট ব্যাবহার করার সময় আমাদের পরিচয় গোপন থাকুক। কিন্তু, এই উদ্দেশ্য নিয়ে ইন্টারনেট তৈরি করা হয় নি। পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে যোগাযোগ করার প্রাথমিক উদ্দেশ্য নিয়েই ইন্টারনেট তৈরি করা হয়েছিলো। এরপর যখন অসংখ্য মানুষ ইন্টারনেট ব্যাবহার করা শুরু করলো তখন অনেক ওয়েবসাইট তাদের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলো বিক্রি করা শুরু করলো। সেই সাথে অন্যের পরিচয় সংগ্রহ করে তাকে হ্যাক করার মতো অপরাধ ঘটতে থাকলো। এমন সময় আমেরিকান নৌ-বাহিনীর ল্যাবরেটরিতে একটি নতুন নেটওয়ার্ক সিস্টেম তৈরি করা হয়। এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে তারা নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতো। কিন্তু, এই নেটওয়ার্ক শুধুমাত্র নৌ-বাহিনী ব্যাবহার করতো। ফলে, তারা যখন কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতো তখন সেই ওয়েবসাইটের মালিক বুঝতে পারতো যে, ওয়েবসাইটে নৌ-বাহিনী গোয়েন্দাগিরি করতে এসেছে। ফলে, নৌ-বাহিনী এই নেটওয়ার্ক সাধারণ মানুষের জন্যে উন্মুক্ত করে দিতে বাধ্য হয়। তখন সেই নেটওয়ার্কের নাম হয়- TOR নেটওয়ার্ক।
TOR কিভাবে কাজ করে?
TOR কিভাবে কাজ করে সেটা জানতে চাইলে প্রথমে আপনাকে জনতে হবে- আপনি যখন কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন তখন আপনার চোখের আড়ালে কি কি হয়। চলুন জেনে নেই-
প্রত্যেকটি ওয়েবসাইট তাদের নির্দিষ্ট কম্পিউটারে রয়েছে। সেই কম্পিউটার ২৪ ঘণ্টা চালু রাখতে হয়। একটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার আগে সেই ওয়েবসাইট যেই কম্পিউটারে রয়েছে, সেই কম্পিউটারের সাথে আপনার ডিভাইসের একটি কানেকশন তৈরি করতে অনুরোধ পাঠানো হয়। কিন্তু, আপনার ডিভাইস থেকে সরাসরি ওয়েবসাইটে অনুরোধ পাঠানোর ফলে সেই ওয়েবসাইট আপনার তথ্য পেয়ে যায়।
কিন্তু, TOR নেটওয়ার্ক সম্পুর্ন আলাদা। TOR ব্যাবহার করে আপনি যখন কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার অনুরোধ পাঠাবেন, তখন আপনার ডিভাইস থেকে সরাসরি সেই ওয়েবসাইটের কম্পিউটারে অনুরোধ যাবে না। বরং আপনার মোবাইল বা, কম্পিউটার থেকে সেই অনুরোধ প্রথমে যাবে TOR নেটওয়ার্কের একটি কম্পিউটারে। সেই কম্পিউটার থেকে আপনার অনুরোধ যাবে TOR নেটওয়ার্কের আরেক কম্পিউটারে। সেই কম্পিউটার থেকে যাবে TOR নেটওয়ার্কের তৃতীয় কম্পিউটারে। এভাবে কমপক্ষে ৩ টি TOR নেটওয়ার্কের কম্পিউটারে আপনার অনুরোধ যাবে। অবশেষে, সেই কম্পিউটার থেকে আপনার অনুরোধ যাবে ওয়েবসাইটের কম্পিউটারে। ফলে, ওয়েবসাইট জানতে পারবে না- কোন ব্যাক্তি তার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেছে? আবার, TOR নেটওয়ার্কের মধ্যবর্তী কম্পিউটারগুলোও আপনার এবং ওয়েবসাইটের ঠিকানা একসাথে জানতে পারবে না। অর্থাৎ, ইন্টারনেটে কেউ আপনার ওপর গোয়েন্দাগিরি করতে পারবে না।
TOR কিভাবে ব্যাবহার করতে হয়?
প্রথম কথা, TOR হচ্ছে ২ টি জিনিস-
TOR নেটওয়ার্ক,
TOR ওয়েব ব্রাউজার।
TOR নেটওয়ার্ক হচ্ছে- আপনার ডিভাইস এবং ওয়েবসাইটের মাঝখানে যেসব কম্পিউটার কাজ করে সেই কম্পিউটার গুলোর নেটওয়ার্ক। আর, সেই নেটওয়ার্ক ব্যাবহার করতে যেই ওয়েব ব্রাউজার ব্যাবহার করতে হয়, তার নাম TOR ব্রাউজার।
নিচের লিংক থেকে TOR ব্রাউজার ডাউনলোড করতে হয়-
https://www.torproject.org/download/
TOR ব্যাবহারের ক্ষেত্রে জরুরি কিছু সতর্কতাঃ
TOR ব্যাবহারের সময় অন্য কোন app বা, প্রোগ্রাম কোনকিছুই open রাখা যাবে না।
TOR ব্যাবহারের সময় VPN ব্যাবহার করা প্রয়োজন।
TOR এর আইকনে ক্লিক করে open করলে কিছুটা ছোট আকারের window নিয়ে চালু হবে। সেভাবেই ব্যাবহার করতে হবে। কখনোই full screen করা যাবে না।
এছাড়াও TOR ব্রাউজারের settings থেকে বেশ কিছু security অপশন পরিবর্তন করতে হয়।
আর, অবশ্যই মনে রাখবেন-
TOR ব্যাবহার করলেও হ্যাক হওয়া সম্ভব। আপনি TOR ব্যাবহার করে পরিচয় গোপন করতে পারবেন ঠিকই। কিন্তু, আপনি যদি নিজে থেকেই হ্যাকারের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে লিংকে ক্লিক করে ভাইরাস ডাউনলোড করেন তাহলে, সেই দায়ভার TOR নিবে না।
TOR ব্যাবহার করলে ISP বুঝতে পারবে যে, আপনি TOR ব্যাবহার করছেন। যদিও, TOR ব্যাবহার করা অবৈধ না। আর, এটা তো তৈরিই করেছে আমেরিকান নৌ-বাহিনী। কিন্তু তারপরও আপনি যদি ISP থেকে আপনার TOR ব্যাবহারের বিষয় গোপন রাখতে চান তাহলে, TOR ব্যাবহারের সময় VPN ব্যাবহার করুন।
TOR ব্যাবহারের সময় ইন্টারনেট গতি কিছুটা কমে যায় কেনো?
TOR ব্যাবহারের সময় ওয়েবসাইটে প্রবেশের অনুরোধ সরাসরি আপনার ডিভাইস থেকে ওয়েবসাইটের কম্পিউটারে যাবে না। বরং, মাঝ পথে TOR নেটওয়ার্কের কম্পিউটার গুলোতে যাবে। ফলে, ওয়েবসাইটের কম্পিউটারে যেতে কিছুটা সময় লাগে। এজন্যেই TOR ব্যাবহারের সময় ইন্টারনেট গতি কিছুটা কমে যায়।
পরিশেষে বলবো, TOR ব্যাবহার করলে আপনার নিরাপত্তা অনেক বৃদ্ধি পাবে। পেঁয়াজের গায়ে যেমন কয়েক স্তরের আবরণ থাকে, TOR আপনাকে সেভাবেই কয়েক স্তরের আবরণ দিয়ে ইন্টারনেটে লুকিয়ে রাখবে। এই জন্যেই তো এর নাম The Onion Router বা, পেঁয়াজ রাউটার। যাকে সংক্ষেপে বলা হয় TOR।
29/09/2020
নিজেকে নিজেই স্বপ্নপূরণের পথে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।শক্ত হাতে নিজের অবস্থানটা নিজেকে তৈরি করে নিতে হবে।
কেউ কারো জন্য জায়গা তৈরী করে দেয় না নিজের জায়গাটা নিজেকে তৈরি করে নিতে হয়। কারো উপর ভরসা নয় নিজের ডানার নিজেকে ভরসার জায়গা তৈরি করতে হবে।
তাই বিশ্বাস, প্রচেষ্টা,উদ্যোগ,নিয়মবর্তিতা একমাত্র সফলতার চাবিকাঠি।
নিজেকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে সফলতার রুপ দিতে হবে।
15/09/2020
জীবনে বড় হতে চাও? স্বপ্ন পূরণ করতে
চাও?
- তবে আমি বলব আজ ই ফ্যান্টাসীর জীবন
থেকে বেরিয়ে আসো।
- ও বেবী আই মিস ইউ, লাভ ইউ... এই শব্দগুলো
জীবন থেকে বাদ দাও। জীবনকে একটু
অন্যভাবে দেখ।
- তোমার নিম্নমধ্যবিত্ত বাবার চোখের
দিকে তাকাও, দেখবে তোমাকে নিয়ে
সাজানো হাজারো স্বপ্ন...তোমার বাবার পরনের জামা বা জুতোর দিকে একবার ভালো করে তাকাও... দেখতে পাবে শুধু তোমার দিকে তাকিয়েই সে ছিড়ে যাওয়া
জামা বা ক্ষয়ে যাওয়া জুতো জোড়া ফেলতে পারেনি...।
সে ভাবছে এই টাকা গুলো
বাচিয়ে তোমার জন্য নতুন একটা জামা
কিনবে...
__ভয়ানক পেটে ব্যাথা নিয়েও তোমার মা
দাতে দাত চেপে সেটা সহ্য করে যাচ্ছে
কেননা তার অপারেশনের এই টাকা বাচিয়ে
তোমার পরবর্তী সেমিস্টার ফি দেবে।
- তারা সব কস্টগুলো চোখমুখ বন্ধ করে সহ্য
করে নিচ্ছে আর বুকের মাঝে সপ্ন বুনছে।
এইতো আর একটু ....... আমার সন্তানটা
গ্রাজুয়েশন শেষ করলো বলে...এরপর ভালো
চাকরি করবে...আমাদের ঘর থেকে দুঃখ
পালিয়ে সুখে ভরে যাবে।
.. তোমার কাছ থেকে মায়ের চাওয়াটা খুবই
কম - শুধু সে চায় তুমি মানুষ হবে! সে
তোমাকে নিয়ে গর্ভ করতে পারবে...এটুকুই
তার চাওয়া।
- একটু আশেপাশে তাকাও.... দেখো তোমার
বয়েসী এক তরুণ বা তরুণীর জীবনে টিকে
থাকার সংগ্রাম।
- তুমি হয়তো কাঁদো প্রেমিক বা প্রেমিকার জন্য , আইফোনের জন্য,নতুন বাইক এর জন্য
- আর সে কাঁদে তার পরিবার এর জন্য... সে সংগ্রাম করে যাচ্ছে
অবিরত তার পরিবারকে টিকিয়ে রাখার।
- কি নেই তোমার..... একজোড়া হাত, পা,
শক্তি...... সবই তো আছে...তবে নেমে পড়ছো
না কেনো???কেন তুমি জীবনকে দেখছো
ফ্যান্টাসীর দৃষ্টিতে??
তোমার কাছে জীবন
মানেই প্রেম.... জীবন মানেই গার্লফ্রেন্ড
বা বয়ফ্রেন্ডের মন জয়ের লড়াই???
- একবারও কি ভেবে দেখেছো, তোমার
জন্মদাতা পিতাকে একজোড়া জুতো আর
একটা পান্জাবী কিনে দেয়া উচিত ?
- একবারও কি ভেবে দেখেছো, তোমার
মায়ের শাড়িটা পুরোনো হয়ে গেছে?
- একবারও কি বলেছো 'বাবা ! আমি
সামনের মাসে তোমার থেকে আর হাতখরচ
নেবো না টিউশনি করাবো, নিজের
সেমিস্টার ফি নিজেই জোগাড় করবো l তুমি
দুশ্চিন্তা করো না বাবা... একবার ও
বলেছো?
- কেনো বলোনি ? তুমি তো বড় হয়েছো...
জন্মদাতার কষ্টই যদি না বুঝ....... কার
কষ্ট বুঝবে তুমি?
- আবারো বলছি...!
- ফ্যান্টাসীর জগত বাদ দাও, মায়ের মুখে একটু হাসি ফোঁটাও, পড়াশোনা কর।
- বাবা মায়ের স্বপ্ন পুরনে কঠোর সাধনায়
নামো।...
আর সেই স্বপ্ন জয় করে বাবা মায়ের
সামনে এসে দাড়াও...দেখতে পাবে সুখে
তাদের চোখে পানি ঝরছে।
- বিশ্বাস করো সেই চোখের পানিই
তোমাকে পৃথিবীর সব থেকে সুখি মানুষ
বানিয়ে দেবে....সেই সাথে অনেক বড়মানুষ ।
জীবনের উদ্দেশ্য কখনো প্রেম ভালবাসানা, এগুলো প্রাপ্ত বয়স্ক হলে একদিন ঠিকই পাবে। এসব করতে গিয়ে নিজের জিবনটাকে ধ্বংস করো না। মূল্যবান সময়টাকে কাজে লাগাও, সাফল্য একদিন অবশ্যই আসবে ইনশাআল্লাহ।
বিঃদ্রঃ কিছু ভুল হলে ক্ষমার সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
SI Jeebon
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Nort Badda
Dhaka
1212