Boikitab.com
03/06/2026
আমর ইবনে মাইমুন রাহিমাহুল্লাহ বলেন, উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর শাহাদাতের চারদিন আগে আমি তাঁকে মদিনায় দেখেছি। তিনি হজরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান ও হজরত সাহল ইবনে হুনাইফ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা-এর মাঝে বসা ছিলেন। তিনি দজলা নদীর দ্বারা সিঞ্চিত জমির দায়িত্ব হুজাইফা ইবনুল ইয়ামানকে দিয়েছিলেন। আর সাহলকে দিয়েছিলেন ফুরাত নদীর দ্বারা সিঞ্চিত জমির দায়িত্ব । উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ‘তোমরা কী কাজ করেছ? কেমন কাজ করেছ? আমি আশঙ্কা করছি যে, তোমরা এমন কোনো জমি অধিগ্রহণ করেছ যা গ্রহণ করা উচিত নয়।’ তারা বললেন, ‘আমরা এমন জমি অধিগ্রহণ করেছি, যা যথেষ্ট এবং তাতে বেশি ফসল ফলে না।’
উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ‘তোমরা ভেবে দেখো, তোমরা এমন কোনো জমি অধিগ্রহণ করেছ কি না, যা গ্রহণ করা উচিত নয়।’ তাঁরা উভয়ে বললেন, ‘না।’ তখন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ‘যদি আল্লাহ তাআলা আমাকে সুস্থ রাখেন, তাহলে আমি অবশ্যই ইরাকবাসীর মাঝে এমন বিধবাদেরকে ডাকব, তারা আমার পর আর কোনও মানুষের কাছে মুখাপেক্ষী হবে না।’
আমর ইবনে মাইমুন রাহিমাহুল্লাহ বলেন, যেদিন ভোরে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আহত হন, আমি তাঁর কাছে দাঁড়িয়েছিলাম এবং তাঁর ও আমার মাঝে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু ছাড়া অন্য কেউ ছিল না। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু দু’কাতারের মধ্য দিয়ে চলার সময় বলতেন, ‘কাতার সোজা করে নাও।’ যখন দেখতেন, কাতারে কোনো ক্রটি নেই তখন তাকবির বলতেন। তিনি অধিকাংশ সময় সুরা ইউসুফ, সুরা নাহল অথবা এ ধরনের সুরা প্রথম রাকাতে তিলাওয়াত করতেন; যেন অধিক পরিমাণে লোক প্রথম রাকাতে শরিক হতে পারে। তাকবির বলার পরেই আমি তাঁকে বলতে শুনলাম, ‘আমাকে কুকুর আঘাত করেছে’ অথবা বললেন, ‘আমাকে কুকুর আক্রমণ করেছে।’ ঘাতক মজুসি দ্রুত পলায়নের সময় দু’ধারী খঞ্জর দিয়ে ডানে বামে আঘাত করে চলল। এভাবে ১৩ জনকে আহত করল। এদের মধ্যে সাত জন শহিদ হয়ে গেলেন।
এ অবস্থা দেখে এক মুসলিম তার লম্বা চাদরটি ঘাতকের ওপর ফেলে দিলেন। ঘাতক যখন বুঝতে পারল, সে ধরা পড়ে যাবে; তখন সে আত্মহত্যা করল। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আবদুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাত ধরে তাকে সামনে এগিয়ে দিলেন। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকটে যারা ছিল, শুধুমাত্র তারাই ব্যাপারটি দেখতে পেল। আর মসজিদের শেষে যারা ছিল তারা ব্যাপারটি এর অধিক বুঝতে পারল না যে, উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে না। তাই তারা ‘সুবহানাল্লাহ সুবহানাল্লাহ’ বলতে লাগলেন। আবদুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁদেরকে নিয়ে সংক্ষেপে নামাজ আদায় করলেন। নামাজ শেষ হলে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ‘ইবনে আব্বাস! দেখো তো কে আমাকে আঘাত করল?’ তিনি কিছুক্ষণ অনুসন্ধান করে এসে বললেন, ‘মুগিরা ইবনে শুবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর গোলাম (আবু লুলু)।’ উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু জিজ্ঞেস করলেন, ওই কারিগর গোলামটি? তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ।’ উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ‘আল্লাহ তার সর্বনাশ করুন। আমি তার সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্ত দিয়েছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমার মৃত্যু ইসলামের দাবিদার কোনও ব্যক্তির হাতে ঘটাননি। হে ইবনে আব্বাস, তুমি এবং তোমার পিতা তো মদিনায় কাফির গোলামের সংখ্যা বৃদ্ধি পছন্দ করতে।’ আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট অনেক অমুসলিম গোলাম ছিল। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ‘যদি আপনি চান তবে আমি কাজ করে ফেলি; অর্থাৎ, আমি তাদেরকে হত্যা করে ফেলি।’ উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ‘তুমি ভুল বলেছো। কেননা, তারা তোমাদের ভাষায় কথা বলে, তোমাদের কিবলামুখী হয়ে নামাজ আদায় করে, তোমাদের মতো হজ করে।’
অতঃপর তাঁকে তাঁর ঘরে নেওয়া হল। আমরা তাঁর সঙ্গে চললাম। মানুষের অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছিল, ইতঃপূর্বে তাদের ওপর এত বড় মুসিবত আর আসেনি। কেউ কেউ বলছিলেন, ভয়ের কিছু নেই। আবার কেউ বলছিলেন, আমি তাঁর সম্পর্কে আশঙ্কাবোধ করছি।
অতঃপর খেজুরের শরবত আনা হল, তিনি তা পান করলেন। কিন্তু তা তার পেট হতে বেরিয়ে পড়ল। অতঃপর দুধ আনা হল, তিনি তা পান করলেন; তাও তার পেট হতে বেরিয়ে পড়ল। তখন সকলেই বুঝতে পারলেন-মৃত্যু তাঁর অবশ্যম্ভাবী। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম। অন্যান্য লোকজনও আসতে শুরু করল। সকলেই তার প্রশংসা করতে লাগল। তখন যুবক বয়সী এক লোক এসে বলল, ‘হে আমিরুল মুমিনিন। আপনার জন্য আল্লাহর সু-সংবাদ রয়েছে; আপনি তা গ্রহণ করুন। আপনি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাহচর্য গ্রহণ করেছেন, ইসলামের প্রাথমিক যুগেই আপনি তা গ্রহণ করেছেন, যে সম্পর্কে আপনি নিজেই অবগত আছেন। অতঃপর আপনি খলিফা হয়ে ন্যায় বিচার করেছেন। অবশেষে আপনি শাহাদাত লাভ করেছেন।’
উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ‘আমি পছন্দ করি যে, তা আমার জন্য ক্ষতিকর বা লাভজনক না হয়ে সমান সমান হয়ে যাক।’ যখন যুবকটি চলে যেতে উদ্যত হলো, তখন তার লুঙ্গিটি মাটি ছুঁয়ে যাচ্ছিল। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ‘যুবকটিকে আমার কাছে ডেকে নিয়ে আসো।’ যুবক তার সামনে উপস্থিত হলে তিনি বললেন, ‘ভাতিজা! তোমার কাপড়টি উঠিয়ে নাও। এটা তোমার কাপড়ের পরিচ্ছন্নতায় সহায়ক এবং তোমার রবের নিকটও পছন্দনীয়।
হে আবদুল্লাহ ইবনে উমর, তুমি হিসাব করে দেখো আমার ঋণের পরিমাণ কত। তাঁরা হিসাব করে দেখতে পেলেন ৮৬ হাজার (দিরহাম) বা এর কাছাকাছি। তিনি বললেন, ‘যদি উমরের পরিবার-পরিজনের মাল দ্বারা তা পরিশোধ হয়ে যায়, তবে তা দিয়ে পরিশোধ করে দাও। অন্যথায় আদি ইবনে কাআব-এর বংশধরদের নিকট হতে সাহায্য গ্রহণ করো। তাদের মাল দিয়েও যদি ঋণ পরিশোধ না হয়, তবে কুরাইশ কবিলা হতে সাহায্য গ্রহণ করবে। এর বাহিরে কারও সাহায্য গ্রহণ করবে না। আমার পক্ষ হতে তাড়াতাড়ি ঋণ আদায় করে দাও।
(হে আবদুল্লাহ!) তুমি উম্মুল মুমিনিন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা-এর খিদমতে যাও এবং বলো, উমর আপনাকে সালাম জানিয়েছেন। “আমিরুল মুমিনিন” শব্দটি বলবে না। কেননা, এখন আমি মুমিনগণের আমির নই। তাঁকে বলবে, উমর ইবনুল খাত্তাব তাঁর সাথিদ্বয়ের পাশে দাফন হবার অনুমতি চাচ্ছেন।’
ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা-এর খেদমতে গিয়ে সালাম জানিয়ে প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। তিনি বললেন, ‘এসো,’ ভেতরে গিয়ে দেখলেন, আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বসে বসে কাঁদছেন। তিনি বললেন, ‘উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু আপনাকে সালাম জানিয়েছেন এবং তাঁর সঙ্গীদ্বয়ের পার্শ্বে দাফন হবার জন্য আপনার অনুমতি চেয়েছেন। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, ‘তা আমার আকাঙ্ক্ষা ছিল; কিন্তু আজ আমি এ ব্যাপারে আমার উপরে তাঁকে অগ্রগণ্য করছি।’
আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন ফিরে আসছেন তখন বলা হল, এই যে আবদুল্লাহ ফিরে আসছে। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ‘আমাকে উঠিয়ে বসাও।’ তখন এক ব্যক্তি তাকে ঠেস দিয়ে বসিয়ে ধরে রাখলেন। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী সংবাদ?’ তিনি বললেন, ‘আমিরুল মুমিনিন! আপনি যা কামনা করেছেন, তাই হয়েছে, তিনি অনুমতি দিয়েছেন।’ উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। এর চেয়ে বড় কোনো বিষয় আমার নিকট ছিল না। যখন আমার মৃত্যু হয়ে যাবে তখন আমাকে উঠিয়ে নিয়ে, তাঁকে আমার সালাম জানিয়ে বলবে, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আপনার অনুমতি চাচ্ছেন। যদি তিনি অনুমতি দেন, তবে আমাকে প্রবেশ করাবে আর যদি তিনি অনুমতি না দেন তবে আমাকে সাধারণ মুসলিমদের গোরস্থানে নিয়ে যাবে।’
অতঃপর সেখানে উম্মুল মুমিনিন হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহা উপস্থিত হলেন এবং তার সাথে কয়েকজন মহিলাও এলেন। তিনি উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট উপস্থিত হয়ে কিছুক্ষণ কান্নাকাটি করলেন। একটু পর আবার কিছু লোক এসে অনুমতি নিয়ে ভেতরের কক্ষে প্রবেশ করলেন। এসময় আমরা ভেতরের কক্ষ থেকে কান্নার শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। উপস্থিত লোকেরা বলল, আমিরুল মুমিমিন! আপনি আমাদের কিছু উপদেশ দিন এবং পরবর্তী খলিফা নিযুক্ত করে যান।
তিনি বললেন, এ দলটি, যাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তেকাল করেছেন তাদের চেয়ে খলিফা নিযুক্তির ব্যাপারে আমি অন্য কাউকে বেশি উপযুক্ত মনে করছি না। তখন তিনি ছয় ব্যক্তির নাম উল্লেখ করলেন, তারা হলেন, হজরত উসমান, আলি, যুবাইর, তালহা, সা’দ এবং আবদুর রহমান রাদিয়াল্লাহু আনহুম। আর নিজের ছেলের ব্যাপারে বললেন, ‘আবদুল্লাহ তোমাদের সাথে থাকবে, তবে তার কোন কর্তৃত্ব থাকবে না।’ যেন তিনি আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে সান্ত্বনা দিতে চাচ্ছিলেন। তিনি আরও বললেন, দায়িত্ব যদি সা’দের নিকট আসে তাহলে তো আসলোই, আর যদি না আসে তাহলে তোমাদের মধ্যে যাকে দায়িত্ব দেয়া হবে সে যেন তার সাথে পরামর্শ করে। কারণ ইতঃপূর্বে আমি তাকে অক্ষমতা বা খেয়ানতের কারণে অপসারণ করিনি।
তিনি আরও বললেন, আমি আমার পরবর্তী খলিফাকে প্রাথমিক পর্যায়ের মুহাজিরদের ব্যাপারে অসিয়ত করে যাচ্ছি, তিনি যেন তাদের প্রাপ্য আদায়ে সচেষ্ট থাকেন এবং তাদের সম্মান রক্ষা করেন। এর পাশাপাশি আমি তাকে ওই সকল আনসারদের সাথে সদাচরণের আদেশ দিচ্ছি, যারা তাদের পূর্বে ইমান এনেছিলো এবং হিজরতের জন্য তাদের দেশকে প্রস্তুত করে রেখেছিল। অর্থাৎ, তাদের ভালো বিষয়গুলোকে কবুল করা হবে এবং ভুলক্রটিতে ক্ষমা করা হবে। অনুরূপভাবে আমি তাকে শহরবাসীদের ব্যাপারেও কল্যাণের নির্দেশ দিচ্ছি। কারণ তারা হচ্ছেন ইসলামের সাহায্যকারী, কর পরিশোধকারী এবং শত্রুদের অন্তর্জ্বালার কারণ। তাই তাদের অতিরিক্ত মাল যেন তাদের সন্তুষ্টি ব্যতীত গ্রহণ করা না হয়। তদ্রূপ আবর বেদুঈনদের ব্যাপারেও আমি তাকে কল্যাণের আদেশ দিচ্ছি। কারণ তারা হলেন মূল আরব ও ইসলামের খুঁটি। আর তাদের সাধারণ জাকাতের মাল গ্রহন করে নিজেদের দরিদ্রদের মাঝে বণ্টন করে দেওয়া হবে। আর আমি আমার পরবর্তী খলিফাকে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের পক্ষ থেকে অর্পিত দায়িত্ব পালনের অসিয়ত করছি, যেন তিনি সাধারণ মুসলমানদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেন। আর উল্লিখিত ব্যক্তিরা ছাড়া যারা রয়েছে, প্রয়োজনে তাদের ব্যাপারে যুদ্ধ করা হবে। তবে তাদেরকে যেন তাদের সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দেওয়া না হয়।
আমর ইবনে মাইমুন রাহিমাহুল্লাহ বলেন, এরপর উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর ইন্তেকাল হয়ে গেলে আমরা তাঁর লাশ নিয়ে পায়ে হেঁটে চললাম। আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে সালাম দিয়ে বললেন, ‘উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু অনুমতি চাচ্ছেন।’ আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, ‘তাকে প্রবেশ করাও।’ অতঃপর তাঁকে প্রবেশ করানো হলো এবং তাঁর সঙ্গীদ্বয়ের পার্শ্বে দাফন করা হলো।
সোনালি যুগের গল্পগুলো ০৭
উমর ইবনে খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি নবি (সা.)-কে বলতে শুনেছেন : হে লোকসকল! সকল আমল বা কর্মের ফল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। আর প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পাবে, যা সে নিয়ত করেছে। সুতরাং, যার হিজরত (আল্লাহর পথে দেশত্যাগ) আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের উদ্দেশ্যে হবে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে। আর যে ব্যক্তি এমন কোনো পার্থিব উদ্দেশ্যে হিজরত করবে, যা সে অর্জন করতে চায়, অথবা কোনো নারীকে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে হিজরত করবে, তার হিজরত কেবল তারই জন্য গণ্য হবে, যার জন্য সে হিজরত করেছে।
সূত্র : মাআলিমুস সুন্নাহ আন-নববিয়্যাহ - হাদিস : ০৪
20/03/2026
ঈদ মোবারক
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
পাঠক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের জানাই ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Holding :221/1(Khan Monjil), Bagicha Road (Near Baitul Mustaq Jame Masjid), Konapara, Jattrabari
Dhaka
1362