Health tips

Health tips

Share

27/02/2026

Celebrating my 11th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

02/01/2026

রাতভর বেসিনে বাসন ভিজিয়ে রাখা হতে পারে যে বিপদের কারণ

খাওয়াদাওয়া শেষ হলে সঙ্গে সঙ্গে প্লেট-বাটি ধোয়ার চল নেই অনেক বাড়িতেই। প্লেট-বাটি বেসিনে ভিজিয়ে রেখে বিশ্রাম নেন অনেকেই। সকাল হলেই পরে সেই বাসন মেজে নেন। কিন্তু বেসিনে এসব প্লেট-বাটি ভিজিয়ে রাখার মতো অভ্যাস অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

এতে রান্নাঘরের বেসিন আসলে ব্যাকটেরিয়ার আঁতুড়ঘর হয়ে ওঠে বলে সতর্ক করছেন তারা। রান্নাঘরের বেসিনে বাসন ফেলে রাখলে সেখানে যে ব্যাকটেরিয়া জন্মায়, তা থেকে বিষক্রিয়া হতে পারে। এমনকি গুরুতর রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে বলেও সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মাইক্রোবায়োলজিস্টদের মতে, বেসিনের থালাবাসন ভিজিয়ে রাখলে ভেজা ও উষ্ণ জায়গায় উত্তরোত্তর বংশবৃদ্ধি ঘটে ক্ষতিকর জীবাণুর।

ফলে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ে।

রিডার্স ডাইজেস্ট-এ বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন অণুজীব বিশেষজ্ঞ, ‘দ্য জার্ম কোড’-এর লেখক জেসন টেট্রো। তিনি জানিয়েছেন, রান্নাঘরের বেসিন আসলে জীবাণুদের ‘স্বর্গরাজ্য’।

কার্ডিফ মেট্রোপলিটান ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় ব্রিটেনের কিছু বাড়ির রান্নাঘরের বেসিন থেকে নমুনা সংগ্রহ করে গবেষণা চালানো হয়, যাতে দেখা যায়, রান্নাঘরের মধ্যে বেসিনেই সবচেয়ে বেশি জীবাণু রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচা শাক-সবজি ধোয়া, কাটা থেকে মাছ-মাংস ধোয়া-বাছা সবই হয় রান্নাঘরের বেসিনেই। ফলে রান্নাঘরের বেসিন ব্যাকটেরিয়া, জীবাণুর আঁতুড়ে পরিণত হয়।

রান্নাঘরের বেসিনে যেসব জীবাণুর সন্ধান মিলেছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ই. কোলাই, এন্টারোব্যাক্টর ক্লোয়াকা, ক্লেবসিয়েলা নিউমোনিয়া। এর মধ্যে ই. কোলাই প্রাণঘাতী প্রমাণিত হতে পারে। প্রথমে জ্বর হয় শরীরে, তার পর বমি, সেই থেকে ডায়রিয়া।

এমনকি কোলন ক্যান্সারের সঙ্গেও ই. কোলাই-এর যোগসূত্র মিলেছে। কেটে রাখা সালাদ, ভালো করে সিদ্ধ না হওয়া মাংসেও ই. কোলাই পাওয়া গেছে।
বিশেষজ্ঞদের দাবি, রাতভর বেসিনে বাসন ভিজিয়ে রাখলে তা ব্যাকটেরিয়াদের বেড়ে ওঠার জন্য আদর্শ পরিবেশ। এতে গুরুতর রোগ বাসা বাঁধে শরীরে। এমনকি এঁটো থালা ভিজিয়ে রাখলেও ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি ঘটে।

এক্ষেত্রে ডিশ ওয়াশার ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। খাওয়ার পর তড়িঘড়ি থালাবাসন ধুয়ে নিয়ে, বেসিনও পরিষ্কার করে নিতে হবে। পাশাপাশি, বাসন মাজার স্পঞ্জ পরিষ্কার রাখা দরকার। প্রয়োজনে স্পঞ্জ মাইক্রোওয়েভে রাখুন কিছুক্ষণ। বেশি তাপমাত্রায় জীবাণু মরে যাবে। বেসিনে মাংস ধোয়ার পর চারপাশ ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

সূত্র : এবিপি লাইভ ও দৈনিক কালের কণ্ঠ

26/08/2023

পুরুষের পেরোনিজ ডিজিজ কী, কেন হয় এবং চিকিৎসা

পুরুষাঙ্গে দুটি দণ্ড আকৃতির প্রসারণশীল অংশ থাকে, যার চারপাশ টিউনিকা অ্যালবুজিনিয়া নামক একটা শক্ত টিস্যু দ্বারা আবৃত থাকে। এই শক্ত জিনিসটাই পুরুষাঙ্গের উত্থান অবস্থা ধরে রাখে। নানান কারণে এই টিস্যুর উপরিভাগটায় বিভিন্ন আকৃতির শক্ত গুটির মতো দানা দেখা দেয়। একে পেরোনিজ ডিজিজ বলে।

সাধারণভাবে ৩ থেকে ২০ শতাংশ পুরুষ এই রোগে ভোগেন। বিশেষ করে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের এই রোগ হওয়ার বেশি প্রবণতা বেশি। খুব সূক্ষ্ম আঘাতের কারণে পুরুষাঙ্গে এই রোগের শুরু বলে মনে করা হয়। এই রোগের দুটি স্তর বা পর্যায় আছে। একটা হলো অ্যাকটিভ, আরেকটি ক্রনিক ফেজ।

প্রথম পর্যায়ে ব্যথা থাকে। দ্বিতীয় পর্যায়ে আর ব্যথা থাকে না বরং শক্ত গুটির ব্যাপ্তি বেড়ে যেতে পারে। ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পাথুরি জমতে পারে বা পুরুষাঙ্গের বিকৃতি ঘটতে থাকে, যা কিনা পরবর্তী সময়ে যৌনক্রিয়ায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। শেষ অবধি পুরুষত্বহীনতা পর্যন্ত হতে পারে।

রোগটি ৪০-৫০ বছরের দিকে বেশি হয়, যদিও যেকোনো বয়সেই হতে পারে। আগেই বলেছি, ডায়াবেটিস থাকলে ঝুঁকি বেশি। অনেকের ধারণা যে এটা এমনিতেই সেরে যাবে, কিছু করতে হবে না। ব্যাপারটা কিন্তু আসলে মোটেই তা নয়। রোগের শুরুতে সঠিক চিকিৎসা নিলে জটিলতা অনেকাংশে এড়ানো যেতে পারে। যেহেতু কী কারণে এই অবস্থা ঘটে, তার প্রকৃত কারণ জানা যায় না, তাই এর প্রতিকার বা প্রতিরোধটাও বেশ জটিল।

যাঁদের আগে থেকেই ডায়াবেটিস রোগ ছাড়াও যৌন দুর্বলতা আছে, যাঁরা মানসিকভাবে দুর্বল, যৌনাঙ্গ ছোট বা রক্তে সেক্স হরমোনের পরিমাণ কম, যাঁরা আরও কিছু কোলাজেন ডিজঅর্ডারে ভোগেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই রোগের প্রাদুর্ভাব একটু বেশি। একজন অভিজ্ঞ ইউরোলজিস্ট দেখে ও ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা করে রোগ শনাক্ত করতে পারবেন। তবে আনুষঙ্গিক কিছু পরীক্ষা যেমন এক্স-রে বা কালার ডপলার আলট্রাসনোগ্রাম করা যেতে পারে।

চিকিৎসা
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসা দরকার হয়। যেসব ক্ষেত্রে ওষুধ কার্যকর নয়, অথচ ক্রমেই পুরুষাঙ্গের বিশেষ বিকৃতি ঘটছে, যাতে যৌনক্রিয়ায় সমস্যা হচ্ছে বা সঙ্গম অত্যন্ত বেদনাদায়ক হচ্ছে, সেসব ক্ষেত্রে সার্জারির প্রয়োজন আছে। রোগীকে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ইউরোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে।

অধ্যাপক ডা. নিতাই পদ বিশ্বাস, অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ইউরোলজি বিভাগ, জাতীয় কিডনি ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা

তথ্যসূত্র: প্রথমআলো অনলাইন

24/08/2023

ব্যাক পেইন বা পিঠ ব্যথা কেন হয়?

ব্যাক পেইন শব্দটি আমরা আজকাল বেশ শুনতে পাই। এই ব্যাক পেইন বা পিঠ ব্যথা সাধারণত নিচের পিঠের পেশি, লিগামেন্ট, মেরুদণ্ড, কশেরুকার সমস্যা থেকে তৈরি হয়। পিঠ ব্যথার কারণগুলোর ভেতর সবচেয়ে বেশি থাকে পিঠের পেশিতে চাপ পড়া এবং পিঠের কাঠামোগত সমস্যা। চলুন জেনে নেওয়া যাক পিঠ ব্যথা বা ব্যাকপেইনের কারণগুলো কী কী।

১. পিঠের পেশিতে চাপ বা স্ট্রেইন: পিঠের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ, ভারী বস্তু ভুলভাবে উত্তোলন এবং ভুল ভঙ্গিতে শরীরের আকস্মিক নড়াচড়াতে প্রায়ই পিঠে ব্যথা করে। অতিরিক্ত কাজ করার ফলেও পেশিতে চাপ পড়তে পারে।

২. কাঠামোগত সমস্যা: কশেরুকা হলো মেরুদণ্ডকে ঘিরে থাকা চাকতি আকারের হাড়। এই হাড়গুলো একে অপরের সাথে সংযুক্ত। প্রতিটি কশেরুকার মধ্যবর্তী স্থানগুলোতে ডিস্ক নামক টিস্যু থাকে এবং কশেরুকাগুলোকে চারপাশ থেকে ঘিরে রাখে। এই ডিস্কে আঘাত পিঠে ব্যথার সাধারণ কারণ।

কখনো কখনো এই ডিস্কগুলো ফুলে যেতে পারে, বেরিয়ে পড়তে পারে (হার্নিয়েট হওয়া), অথবা ফেটে যেতে পারে। এসব ক্ষেত্রে মেরুদণ্ডের স্নায়ুতে চাপ পড়ে। এগুলোর মাঝে সবচেয়ে বেশি ব্যথা হয় হার্নিয়েটেড ডিস্ক বা ডিস্কগুলো কশেরুকা থেকে বেরিয়ে গেলে। বেরিয়ে পড়া ডিস্ক স্নায়ুতে চাপ দিলে পিঠ বা কোমর থেকে পা পর্যন্ত ব্যথা, শিরশিরে অনুভুতি এবং অল্প থেকে প্রচণ্ড পরিমাণ ব্যথা হতে পারে।

৩. বাত বা আর্থ্রাইটিস: স্পাইনাল অস্টিওআর্থারাইটিস পিঠে ব্যথার একটি সম্ভাব্য কারণ। এই রোগে আপনার পিঠের নিচের জয়েন্টগুলোর কারটিলেজের অবনতি ঘটে যার কারণে মেরুদণ্ড চেপে আসতে পারে বা সংকীর্ণ হতে পারে, যা ব্যথার কারণ।

৪. অস্টিওপোরোসিস: হাড়ের ঘনত্ব হ্রাস এবং হাড় পাতলা হয়ে যাওয়াকে অস্টিওপোরোসিস বলা হয়। এতে আপনার কশেরুকার ছোটো ছোটো ফাটল হতে পারে যেগুলো গুরুতর ব্যথার কারণ।

৫. পিঠে ব্যথার অন্যান্য কারণ:ওপরে দেওয়া কারণগুলোর বাইরেও আরো কিছু কারণেও আপনার ব্যাকপেইন বা পিঠে ব্যথা হতে পারে।

– ডিজেনারেটিভ স্পন্ডিলোলিস্থেসিস: একটি কশেরুকা তার স্থান থেকে সরে গিয়ে কাছাকাছি একটি কশেরুকার দিকে চলে যাওয়া।

– কাউডা ইকুইনা সিন্ড্রোম: মেরুদণ্ডের নিচের অংশে স্নায়ুর কার্যকারিতা হ্রাস পাওয়া।

– মেরুদণ্ডের ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ।

– মেরুদণ্ডে ক্যান্সার বা টিউমার।

– কিডনি সংক্রমণ বা কিডনি পাথর।

ব্যাকপেইন যন্ত্রণাদায়ক এবং এটি কাজের ক্ষমতা হ্রাস করে দেয়। তাই আপনি যদি অনেকদিন ধরে, ঘনঘন পিঠের ব্যথা অনুভব করেন তবে একজন ডাক্তারের সাথে দেখা করতে ভুলবেন না।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka
1205