FreedomCall

FreedomCall

Share

29/05/2026

স্টেট ল্যাংগুয়েজ উর্দু হবে কেন? উর্দু তো মাত্র 4% লোকের মাতৃভাষা। সংখ্যাগরিষ্ঠ 56% জনগণ বাংলায় কথা বলে। মেজোরিটির ভাষাকে বাদ দিয়ে মাইনোরিটির ভাষাকে স্টেট ল্যাংগুয়েজ করার কারণ কি?

উত্তর:-
পাকিস্তান ছিল ফেডারেল স্টেট। এই ফেডারেশনের স্টেটগুলো নিজ নিজ সংসদে ভোটাভুটির মাধ্যমে পাকিস্তানে যুক্ত হয়। এখন এক প্রদেশের ভাষা আরেক প্রদেশ মেনে নিবে কেন? সুতরাং, স্টেট ল্যাঙ্গুয়েজ এমন হওয়া উচিত, যা কোন স্টেটের ভাষা নয়। উর্দু এবং ইংরেজি ঐ শর্ত পূরণ করে।

বর্তমান পাকিস্তানের মেজোরিটি মানুষের মাতৃভাষা পাঞ্জাবি। পাঞ্জাবিকে বাদ দিয়ে উর্দু ভাষা কেন স্টেট ল্যাংগুয়েজ হল? কারণ রাষ্ট্রভাষা নির্ধারণ কেবলমাত্র শুধু সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে হয় না। এটি নির্ধারণে আরো কিছু প্যারামিটার বিবেচিত হয়। যেমন জাতিসমূহের মাঝে সহজে যোগাযোগ করার ক্ষমতা, ঐতিহাসিক ভিত্তি ইত্যাদি। ঠিক এই কারণে পৃথিবীর লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা বা সংযোগকারী ভাষা হচ্ছে ইংলিশ, যদিও পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মানুষ চাইনিজ মান্দারিন ভাষায় কথা বলে।

পাকিস্তানে সেসময় ৫ টি প্রদেশ ছিল। সিন্ধু, পাঞ্জাব, খাইবার পাখতুনখাওয়া, বেলুচিস্তান আর বাংলা। সিন্ধিরা বেলুচ ভাষা বোঝে না। বেলুচিরা বাংলা বোঝে না। বাংগালীরা পাঞ্জাবী বোঝে না। পাঞ্জাবিরা সিন্ধি বোঝে না। এক জাতির ভাষা অন্য জাতির কাছে দুর্বোধ্য। বাংলাকে স্টেট ল্যাংগুয়েজ বানালে পাকিস্তানের বাকি অর্ধেক জনগোষ্ঠী কাজকর্ম করতে পারতো না। পুরো পাকিস্তানকে একটা কমন ভাষার আন্ডারে ইউনাইটেড রাখার প্রয়োজন ছিল। জিন্নাহর চোখে সেই কানেক্টিং ল্যাংগুয়েজ ছিল উর্দু।

ভারতেও একই অবস্থা। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালী তামিলনাড়ুতে গিয়ে বাংলায় কথা বললে কেউ বুঝবে না। আবার, তামিলনাড়ুর লোক বাংলায় এসে তামিল ভাষায় কথা বললে কেউ কিছু বুঝবে না। কিন্তু তারা উভয়েই হিন্দি বোঝে অল্প অল্প। এই কারণে ভারতে হিন্দিকে দাপ্তরিক ভাষা বানানো হয়েছে। এটা আফগানিস্তান থেকে আরাকান পর্যন্ত বসবাসকারী ভারতবর্ষের সকল মানুষকে কানেক্ট করতে পারে।

কাজী নজরুল ইসলাম, শেরে বাংলা, সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান সবাই উর্দুতে ভিন্ন ভাষাভাষী জাতির লোকদের সাথে যোগাযোগ করতেন। বর্তমানেও মিডল ইস্ট আরবে অবস্থানরত লক্ষ লক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশী শ্রমিক হিন্দি/উর্দুতে কথা বলে তাদের সহকর্মী ভারতীয়/ পাকিস্তানী সহকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেন। এমন কৃত্রিম ভাষার উদাহরণ পৃথিবীতে বিরল। এজন্য ১৮৩৭ সালে বৃটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি উর্দুকে "এডমিনিস্ট্রেটিভ লিঙ্গুয়া ফ্রাংকা" হিসেবে ঘোষণা করে। জিন্নাহ এসে তো নতুন কোন ভাষা চাপিয়ে দেন নি।

জিন্নাহ কোন প্রাদেশিক নেতা নন। তৎকালীন পাকিস্তানে বসবাসকারী সব জাতির সুবিধা অসুবিধা মাথায় রেখে তিনি উর্দুর পক্ষে রায় দিয়েছিলেন। কারণ এটা বৃটিশ আমলে ভারতীয় মুসলমানদের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষা ছিল। হাদিস, ফিকহ, ইসলামী সাহিত্য এবং কবিতার একটি বড় অংশ উর্দুতে রচিত হয়েছে। জিন্নাহ তাই উর্দুকে শুধু ভাষা নয়, মুসলিম পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে দেখেছিলেন। তার ভাবনা ছিল এই ভাষার আরবি বর্ণমালা মুসলিম উম্মাহকে ইউনাইটেড করবে। স্পষ্টতই, তার এই সিদ্ধান্তের পিছনে কোন ব্যক্তি স্বার্থ ছিল না। কোন একটা বিশেষ সম্প্রদায়কে বিশেষ সুবিধা দেয়ার কু-মতলব ছিল না। কিন্তু বাঙালী জাতীয়তাবাদীরা তাঁর কাটপিস বক্তব্যকে বিকৃত করে প্রোপাগান্ডা চালায়।

23/05/2026

পর্ণো গ্রাফিতে সেক্স বনাম বাস্তব সেক্স নিয়ে AST–Arts of sexual transparency এর আলোচনা।

যারা পর্ণোগ্রাফিতে অভিনয় করে তাদেরকে বাছাই করা হয় তাদের শারীরিক গঠন, ফিগার, বিশেষ অঙ্গের আকার দেখে। কিন্তু বাস্তবে সাধারণ মানুষের শরীর বা অঙ্গ তেমন নয়। পর্ণ ইন্ডাস্ট্রিতে কেবল সেইসব অভিনেতাই সুযোগ পায় যাদের অঙ্গ বড় বা শরীর আকর্ষণীয়। ফলে পর্ণোগ্রাফিতে দেখা পুরুষাঙ্গ সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক বড় দেখায়। যৌন বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত পুরুষের লিঙ্গ ৩ ইঞ্চি হলেই একজন নারীকে সন্তুষ্ট করতে যথেষ্ট, আর বাংলাদেশের গড় সাইজ প্রায় ৪.৪ ইঞ্চি। অথচ পর্ণোগ্রাফিতে ৬-৯ ইঞ্চি দেখানো হয়। এটা সত্য যে কারও হতে পারে, তবে এটি সাধারণ নয়।(AST)

পর্নোগ্রাফিতে নারীর শরীরকে সবসময় এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যেন সেটা নিখুঁত, আকর্ষণীয় আর সবসময় প্রস্তুত। কিন্তু বাস্তবে নারী শরীরের গঠন অনেক বৈচিত্র্যময়। পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে সাধারণত এমন নারী বাছাই করা হয় যাদের শরীর ক্যামেরায় আকর্ষণীয় লাগে যেমন বড় স্তন, টাইট ফিগার, চিকন কোমর, নিতম্ব উঁচু। অনেক সময় এর জন্য কসমেটিক সার্জারি, ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্ট, লিপ ফিলার, এমনকি বডি শেপিং অপারেশন পর্যন্ত করা হয়। এরপর মেকআপ, লাইটিং আর ক্যামেরার এঙ্গেল দিয়ে তাদের শরীরকে আরও নিখুঁত ও চকচকে দেখানো হয়। শুধু তাই নয়, নারীর শরীরকে আকর্ষণীয় দেখাতে বিশেষ ভঙ্গিমা শিখিয়ে দেওয়া হয় কোন অ্যাঙ্গেলে দাঁড়াতে হবে, কোন ভঙ্গিতে শুতে হবে, কিভাবে শব্দ করতে হবে। অনেক সময় শরীরে তেল বা লোশন মাখানো হয় যাতে আলোতে গ্লো করে। তারপর শুটিং শেষে ভিডিও এডিট করে ত্বককে মসৃণ, উজ্জ্বল ও দাগহীন দেখানো হয়।(AST)

অন্যদিকে বাস্তব জীবনে একজন নারীর শরীর স্বাভাবিকভাবে বৈচিত্র্যময়। কারও স্তন ছোট, কারও বড়। কারও কোমর চিকন, কারও একটু ভারী। কারও ত্বকে স্ট্রেচ মার্কস, ব্রণ বা দাগ থাকতে পারে। এগুলো স্বাভাবিক, প্রকৃতির অংশ। কিন্তু পর্নের কারণে অনেকেই মনে করে বাস্তব নারীও সবসময় নিখুঁত হবে এটাই বড় ভুল ধারণা।(AST)

আসলে, একজন নারীর শরীরকে আকর্ষণীয় করে তোলে শুধু আকার বা ফিগার নয়, বরং তার স্বাভাবিকতা, আত্মবিশ্বাস, এবং একজন সঙ্গীর কাছে তার উপস্থিতি। পর্নে যেটা দেখানো হয় সেটা কৃত্রিম, অভিনয় আর প্রযুক্তির মিশ্রণ; কিন্তু বাস্তব নারী শরীরের সৌন্দর্য হলো তার স্বাভাবিকতা।(AST)

★টেকনিক্যাল দিক

পর্ণ সিনেমায় দামী ক্যামেরা, লাইটিং ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। ক্যামেরার এঙ্গেল, জুম, মেকআপ সবকিছু এমনভাবে দেখানো হয় যাতে জিনিসগুলো বাস্তবের চেয়ে অনেক বড় বা স্পষ্ট মনে হয়। আসলে আপনার চোখ দিয়ে বাস্তবে এভাবে দেখা সম্ভব নয়, একটি ২০–৩০ মিনিটের ভিডিও একবারে শুট হয় না, বরং বিভিন্ন শট আলাদা করে নিয়ে পরে এডিট করে জোড়া লাগানো হয়। অনেক সময় একটি ভালো দৃশ্যের জন্য ১০–১৫ বার শুট করা হয়।(AST)

★ঔষধ ও প্রস্তুতি

অনেক পর্ন অভিনেতা শুটিংয়ের আগে ইরেকশন ধরে রাখার জন্য ওষুধ বা ইনজেকশন ব্যবহার করে। এতে সাময়িক সুবিধা মিললেও দীর্ঘমেয়াদে ভয়ানক সাইড এফেক্ট হয়। তবে সবাই এসব ওষুধ খায় না কেউ খায়, কেউ স্বাভাবিকভাবেই পারফর্ম করে।(AST)

অভিনেত্রীদের ক্ষেত্রে লুব্রিক্যান্ট, মেকআপ, অভিনয় (fake or**sm) ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।(AST)

★বাস্তব সেক্স বনাম পর্ন সেক্স

বাস্তবে একজন পুরুষের গড় মিলনকাল ৫–৭ মিনিট। ১–২ ঘণ্টা অবিরাম সেক্স করা বাস্তবে খুব বিরল।নারীরা সাধারণত ভ্যাজাইনাল পেনিট্রেশনের মাধ্যমে অর্গাজম পায় না; তাদের জন্য ক্লিটোরাল উত্তেজনা জরুরি। অথচ পর্নে এসব প্রায় দেখানো হয় না।(AST)

বাস্তবে সেক্সের মূল আনন্দ আসে ভালোবাসা, আবেগ, বিশ্বাস, ফোরপ্লে ও পারস্পরিক সম্মতি থেকে যা পর্ন সিনেমায় অনুপস্থিত।(AST)

মিলনের সময় নারীর যোনিপথে (va**na) পুরুষাঙ্গ ঢোকা বের হওয়ার কারণে বা ভিন্ন ভিন্ন ভঙ্গিমায় অবস্থান বদলালে ভেতরে বাতাস ঢুকে যায়। যখন সেই বাতাস বের হয়, তখন পাদ দেওয়ার মতো শব্দ হয়। একে বলে va**nal fart বা queef।(AST)

বাস্তব সেক্সে এই শব্দ স্বাভাবিক ব্যাপার, কিন্তু পর্নে এগুলো এডিট করে বাদ দেওয়া হয়। এজন্য অনেকেই ভাবে বাস্তবে হয় না। আসলে বাস্তব সেক্স আরও স্বাভাবিক, আর এই ধরনের ঘটনা তার অংশ।(AST)

★মানসিক ও সামাজিক প্রভাব

পর্নে কোনো লজ্জা, সংকোচ, ভদ্রতা থাকে না। কিন্তু বাস্তবে মানুষের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে এগুলো কাজ করে। পর্ন দেখে অনেকেই মনে করে বাস্তবেও এমন হবে, কিন্তু বাস্তব নারী কখনোই পর্ন অভিনেত্রীর মতো আচরণ করে না।(AST)

অতিরিক্ত পর্ন আসক্তি হলে মানুষের মধ্যে অস্বাভাবিক প্রত্যাশা (unrealistic expectation) তৈরি হয়, ফলে বাস্তব জীবনের সম্পর্কে হতাশা, অসন্তুষ্টি, এমনকি সম্পর্ক ভাঙনও ঘটতে পারে।(AST)

★ঝুঁকি ও বিভ্রান্তি

ঝুঁকিপূর্ণ সেক্স বেশি দেখানো হয়, সাথে সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য সম্পর্ক ও আছে উত্তজনা বদ্ধি করে। যা বাস্তবে করলে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে ও সামাজিক অবক্ষয়ের সৃষ্টি করে। (AST)

অতিরিক্ত পর্ন আসক্তি হলে ইরেকটাইল ডিসফাংশন, যৌন আগ্রহ কমে যাওয়া, ডিপ্রেশন ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে।(AST)

পর্নে প্রায় ৮০% দৃশ্যই অতিরঞ্জিত। যত অস্বাভাবিকতা দেখানো হয়, দর্শকের কাছে তা নতুনত্ব মনে হয়। এজন্য সাধারণ সেক্স সেখানে কম দেখানো হয়।(AST)

পর্ন সিনেমা বাস্তব নয়, এটা অভিনয়। সেখানে শরীর, ওষুধ, ক্যামেরা, এডিট, সবকিছু সাজানো। বাস্তবে সেক্স অনেক ভিন্ন এটা হলো দুজন মানুষের আবেগ, ভালোবাসা ও বিশ্বাসের মিলন। তাই বাস্তবতার সাথে মিলিয়ে জীবনযাপন করা উচিত, পর্নের সাথে নয়। সমস্যা নিয়ে AST এর সাথে আলোচনা করেন, আমরা আছি সমস্যা সমাধানে আপনার পাশে।

22/05/2026

'সম্রাট জাহাঙ্গীর ও ধর্ষকের শাস্তি'

সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্ব কালে
এক অমুসলিম বৃদ্ধা এসে সম্রাট জাহাঙ্গীরকে নালিশ করলেন—
'জাহাপনা, আমার সন্তান আপনার সেনাবাহিনীতে চাকরি করে।
প্রতিদিন রাতে কোনো এক দুর্বৃত্ত এসে আমার বাড়িতে হামলা করে আর আমার পুত্রবধুর সতিত্ব নষ্ট করতে চেষ্টা করে।
আমি আপনার কাছে আমার পুত্রবধুর সতিত্ব রক্ষার্থে বিচার চাই'

সম্রাট জাহাঙ্গীর কিছু বললেন না।
বুড়ি রেগে গিয়ে বললেন— 'জাহাঙ্গীর, আমি তোমাকে দেখেছি। তুমি যদি আমার পুত্রবধুর সতিত্বের দায়িত্ব না নাও আমি কিয়ামতের দিন তোমার স্রষ্টার আদালতের কাঠগড়ায় তোমাকে দাঁড় করাবো৷ সেই সাথে আমাকে দুই দিন সময় দাও, আমি তোমার রাজ্য ছেড়ে চলে যাবো'

জাহাঙ্গীর কিছুই বললেন না;
তারপর বুড়ি বাড়িতে চলে গেলেন। সম্রাট জাহাঙ্গীর তরবারি হাতে নিয়ে ঘোড়ায় করে চলে গেলেন বুড়ির বাড়িতে।

অন্ধকার রাত,
বুড়ির বাড়ির সামনে টিম টিম করে আলো জ্বলছে। দরজায় একজন প্রহরী।
জাহাঙ্গীর দূর থেকে শুনলেন মেয়েলি কণ্ঠের আওয়াজ— 'বাচাও, বাচাও'

সম্রাট জাহাঙ্গীর প্রহরীকে হত্যা করে বুড়ির ঘরে প্রবেশ করলেন।
তারপর দুর্বৃত্তকে ধরে বুড়িকে বললেন—
বুড়ি আলো নিভাও।

বুড়ি আলো নিভিয়ে দিলেন আর সম্রাট জাহাঙ্গীর ওই দুর্বৃত্তের মাথা কেটে মাঠিতে ফেলে দিলেন ৷

তারপর বললেন— 'বুড়ি আলো জ্বালাও এবার' আলো জ্বালানোর পর সম্রাট জাহাঙ্গীর দুর্বৃত্তের মুখ দেখে বললেন— আলহামদুলিল্লাহ।

এরপর জাহাঙ্গীর ঢক ঢক করে পানি পান করে
বুড়িকে বললেন— 'কাল তুমি তোমার পুত্রবধুকে নিয়ে আমার দরবারে হাজির হবে'

পরের দিন বুড়ি হাজির হলেন সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজ দরবারে। জমজমাট রাজদরবার৷

বুড়িকে জিজ্ঞেস করলেন—
'আমি কেন আলো নিভাতে বলেছিলাম তুমি জানো?
বুড়ি বললেন— 'নাহ, জানি না'

সম্রাট জাহাঙ্গীর উত্তর দিলেন— আমার ধারণা ছিল আমার বাড়ির এত কাছে আমার পুত্র ছাড়া কেউ
এ কাজ করার সাহস পাবে না।
যদি সত্যি সে আমার ছেলে হয় তাহলে আমি আমার ছেলেকে হত্যা করতে পারব না,
মনে দুর্বলতা আসতে পারে, বিচার বেইনসাফ ও জুলুম হয়ে যেতে পারে। তাই আলো নিভাতে বলেছিলাম।
কিন্তু, মুখ দেখার পর দেখি সে আমার ছেলে না,
তাই আলহামদুলিল্লাহ পড়েছিলাম।

তিনি বুড়িকে আবার জিজ্ঞেস করলেন—
'তুমি জানো কেন আমি তোমার ঘরে গিয়ে
পান করেছিলাম?

বুড়ি উত্তর দিলেন— জানি না।

জাহাঙ্গীর বললেন—
'তুমি যখন আমার দরবারে নালিশ করে বলেছিলে কিয়ামতের দিন আমাকে
আল্লাহর আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে
তখন থেকে দুশ্চিন্তায় কিচ্ছু খাই নাই,
শুধু তোমার ঘরে গিয়ে এক গ্লাস পানি পান করেছি। আমার ভয় হয়েছিল আমি ন্যায় বিচার করতে পারব কি না'

তারপর সম্রাট জাহাঙ্গীর নিজের মাথা থেকে মুকুট খুলে বুড়ির পায়ের নিচে রেখে বললেন—
বুড়ি, মনে রেখো—
একজন মুসলমানের কাছে একজন হিন্দু পুত্রবধুর সতিত্ব সম্রাটের মাথার মুকুটের চেয়েও বেশি দামী'

এই ছিল মুসলিম শাসকদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস।যেখানে কারও প্রতি সামান্য জুলুম করার সুযোগ নেই।

13/05/2026

যদি বলি, বিজেপি মুসলিম জাতির বেশি উপকার করছে অনেকেই হয়তো ভাববেন, লোকটা পাগল নাকি?

কিন্তু বাস্তবতা হলো, বিজেপি ঠিক সেই কাজটাই করছে, যেটা এতদিন ‘সেকুলারিজম’-এর নামে মুসলিমদের নেশাগ্রস্ত করে রাখা হচ্ছিল। সেই নেশা ভাঙতে সাহায্য করছে। আর এভাবেই তারা একটা আয়াতের সত্যতাকে প্রমাণ করে দিচ্ছে। আর সেটা হলো—

"আপনি অবশ্যই ঈমানদারদের জন্য মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবেন ইহুদি ও মুশরিকদেরকে।"

— সূরা আল-মায়িদাহ, আয়াত ৮২

এতদিন শয়তান আসছিল সেকুলারিজমের মুখোশ পরে। আর এখন যখন মুসলিমরা কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে, তখনই তারা তাদের আসল চেহারা দেখাচ্ছে।

যারা বুঝার, তারা ঠিকই বুঝতেছে দুনিয়া কখনো এতটা নিরপেক্ষ ছিল না, যতটা আমাদের বুঝানো হইছিলো।

12/05/2026

পাকিস্তানের হোম মিনিস্টার সৈয়দ মুহসিন যখন শহীদ জিয়ার কবর জিয়ারত করতে যাচ্ছিলেন। তখন তার পথের পাশে উৎসুক বাংলাদেশী জনতা তাকে সালাম দিচ্ছিলো। ভিডিও ধারণ করছিলো। তারা তাদের আচরণে বুঝাচ্ছিলো তারা পাকিস্তান কে কতটা ভালোবাসে। পাকিস্তানের সাথে ভাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ ভাবে নিজেদের।

এটা দেখে আসলে অবাক হওয়ার কিছু নাই। এটা তো ডিজার্ভিং দৃশ্যই ছিল। ৪৭ এ পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে আমাদের এই ভাতৃত্বের টান ছিল বলেই আমরা এক রাষ্ট্রের ছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলাম।

যে দেশের ভৌগোলিক অবস্থান এমন এক হিন্দুত্ববাদী উগ্র দেশের পেটের মধ্যে। সেই দেশের মানুষ সেই উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের জাত শত্রু পাকিস্তান কে ভালোবাসবেনা কেন? তারপরে যদি থাকে রিলিজিয়াস সিমিলারিটি।

আপনি যতই সুশীল সাজেন, বাংলাদেশ পন্থার বয়ান ছাড়েন, একা টিকে থাকার শক্তি আপনার নাই। এই দেশে তিনটা রাজনৈতিক দল, বিএনপি, জামায়াত আর লীগের রাজনীতি তিনদিকে।

বিএনপি তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে সবসময়। ক্ষমতার বাহিরে থাকলে এরা পাকিস্তান পন্থী হয়ে যায়। ক্ষমতায় গেলে মুক্তিযুদ্ধ ব্যবসা করতে ভারত পন্থী হয়। বাংলাদেশ পন্থার যে বয়ান শোনানো হয় এটা স্ক্যাম।সামরিক শক্তিহীন ছোট একটা দেশ হয়ে বাংলাদেশ পন্থা বলে কিছু টিকবেও না।

অপরদিকে লীগ পুরোপুরি ভারতপন্থী। তারা চেইঞ্জ করেনা অবস্থান। কিন্তু ভারতকে ব্যবহার করে তারা দেশের উন্নতি করতে ব্যর্থ হয়েছে। উল্টা ভারতের জন্য সামরিক ও অর্থনৈতিক খাতে দেশকে ধ্বংস করে ফেলেছে।

আর জামায়াত পাকিস্তান পন্থী। তারা যতই গান গাক তাদের রাজনীতি পাকিস্তান পন্থীই। এটাকে অস্বীকার করে রাজনীতি করতে চাওয়া বোকামি৷ জামায়াতের জনগণ কে সাইলেন্ট মেসেজ দেওয়া উচিত৷ তারা ক্ষমতায় গেলে পাকিস্তানের সাথে কলাবরেশন করে দেশকে বৃহৎ সামরিক সক্ষমতার দেশ বানাবে তারা। ট্যাগিং কানে নেওয়া যাবে না।

এই ইশতেহার সামনে নিয়ে রাজনীতি করলে দেশের আপামর মুসলমানের সমর্থন পাবে জামায়াত। হীনমন্যতা ছেড়ে জামায়াত কে বলতে হবে ব্রিটেনের সাথে আমেরিকার যুদ্ধ হওয়ার পরে তারা বন্ধু হতে পারলে আমরা কেন পারব না? আমরা ক্ষমতায় এলে সামরিক খাতে একসাথে কাজ করব।

দ্যাখেন এছাড়া আর উপায় থাকবে না। ভারত মাত্র বঙ্গোপসাগরে মিসাইল টেস্ট শুরু করেছে। আর কত পেছাবেন। এইতো দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেল বলে!

12/05/2026

মৃণাল কান্তি এবং শেখ হাসিনা!

শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ১৭ই মে বাংলাদেশে ফিরে আসার পর থেকে তার স্বামী ওয়াজেদ মিয়ার সাথে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে কখনোই একটি দিন বা একটি রাত কাটাননি শেখ হাসিনা। তার স্বামী ওয়াজেদ মিয়া প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত তার মহাখালির আনবিক কমিশনের কোয়ার্টারেই রয়েছেন। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আসার পর মহাখালীর ওয়াজেদ মিয়ার কোয়ার্টারে থাকলেও ওয়াজেদ মিয়া থাকতেন ঐ কোয়ার্টারের ভিতরের রেস্ট হাউজে। দুজন দুজনের সাথে দিনে- রাতে দেখা সাক্ষাৎ তো দূরের কথা - মুখোমুখিও হতেন না।স্বামী কোয়ার্টারে থাকার সময় এবং পরবর্তীতে ধানমন্ডি বত্রিশের পিত্রালয় থাকতে শেখ হাসিনা নিয়মিত রুটিন মাফিকভাবে প্রতিদিন সন্ধ্যার ঠিক একঘন্টা আগে গোসল করে পাউডার, পারফিউম মেখে লম্বা চুলের বেণী করে, চকচকে নতুন শাড়ি- ব্লাউজ পড়ে খুবই পরিপাটি হয়ে কাউকে সঙ্গে না নিয়ে শুধুমাত্র জীপ গাড়ি এবং ড্রাইভার জালালকে সাথে নিয়ে বেরিয়ে যেতেন এবং ঘন্টা দুয়েক পরে ফিরে আসতেন। শুধু ঐ সময়ে ওই অজ্ঞাত স্থানে যাওয়া ছাড়া শেখ হাসিনা আর কখনোই জীপ গাড়ি নিয়ে একা বের হতেননা। ১৯৮৭ সালে মুন্সিগঞ্জ হরগঙ্গা কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি তরুণ যুবক মৃণাল কান্তি দাসের সাথে শেখ হাসিনার পরিচয় হয়। এবং পরিচয়ের পর থেকে মৃণাল কান্তি দাস বত্রিশ নাম্বারে বঙ্গবন্ধু ভবনে থাকতে শুরু করেন। শেখ হাসিনা তখন ঐ বাড়িতেই থাকতেন।।গভীর রাত পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু ভবনের লাইব্রেরি কক্ষে ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে মৃণাল কান্তি দাস আর শেখ হাসিনার কুটকুট করে কথা বলতেন এবং খিলখিল করে হাসতেন। শেখ হাসিনার কাছে মৃনালের গ্রহণযোগ্যতা এতটাই বেড়ে গেল যে তা সকলের ঈর্ষার কারণ হয়ে দাড়ালো।মৃণাল হয়ে উঠলো শেখ হাসিনার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি! তার ক্ষমতা এতটাই বেড়ে গেল যে, ১৯৯০ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির জেনারেল সেক্রেটারী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে অপমান- অপদস্ত করে বঙ্গবন্ধু ভবন থেকে বের করে দিলেন।একদিন বঙ্গবন্ধু ভবনে মৃণাল সহ চারজন তাস খেলছে । বেলা তখন তিনটা-সাড়ে তিনটা। এমন সময় শেখ হাসিনার একমাত্র আপন মামা আকরাম মামু এসে কুভঙ্গিতে কুইঙ্গিত করে বললেন, “এই মৃণাল যাওনা, তোমার জন্য না খেয়ে বসে আছে!” মৃণাল তার বন্ধুদের সামনে তার ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য জবাব দিল “ আরে থাক, থাকতে দেন কিছুক্ষণ না খেয়ে!” একদিন মৃণাল শেখ হাসিনার উপর রাগ করে চলে গেল।। শেখ হাসিনা নিজে গিয়ে রাগ ভাঙ্গিয়ে মৃনাল কান্তি দাসকে বংগবন্ধু ভবনে নিয়ে এলেন। ১৯৯১ সালে শেখ হাসিনা নির্বাচনে হারার পর মৃণাল বিভিন্ন অসন্তুস্টির কারণে শেখ হাসিনাকে ছেড়ে চলে যায়।শেখ হাসিনা নিজে তিনবার মৃণালকে ফিরিয়ে আনতে যান কিন্তু সে ফিরে আসেনা। বরং শেখ হাসিনার সাথে তার দৈহিক সম্পর্কের কথা প্রচার করতে থাকে। কথায় কথায় মৃণাল হাসতে হাসতে বলতে থাকে, শেখ হাসিনা সাথে তার সম্পর্ক অনেক গভীর!

নোটঃ হাসিনার পুত্র সজীব এর চেহেরা আর মৃণাল দাসের চেহেরার মিল এবং হাসিনার হিন্দুপ্রেম / ভারত প্রেম এর রহস্য বুঝতে পারছেন?

সুত্রঃ মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান রেন্টু রচিত পুস্তক "আমার ফাঁ"সি চাই" ゚viralシ

08/05/2026

অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে-যে শুভেন্দু বাংলাদেশের মুসলমানদের গাযার মতো গণহ৩্যা করতে চায়, সেই শুভেন্দুকেই সমর্থন দিচ্ছে বাংলাদেশের হিন্দুরা!! যার মধ্যে আপনার প্রতিবেশী কিংবা সহপাঠী হিন্দুও রয়েছে!!

আপনারা আমরাই কিছুদিন আগে তাদের মন্দির পাহাড়া দিয়েছিলাম; তারাই আমাদের গ*ণহ*ত্যার সমর্থক 😀।

ধরেন আজ যদি সত্যই তারা বাংলাদেশ আক্রমণ কর; আপনার পাশে থাকা হেন্দু দাদা আপনার ঠিকানা তাদের কে দিয়ে সাহায্য করবে। আর যারা প্রশাসনে হেদু আছে তাদের কাজ কি হবে?
বিষয় টা ভেবেছেন কখনও?

06/05/2026

পৃথিবীতে একটা ধর্ম আছে। যার অনুসারীদের সমস্যার শেষ নেই।

এদের মন্দিরের পাশে বিরিয়ানির দোকান থাকাটা সমস্যা। দোকান বন্ধ করে দিতে হবে।
ভার্সিটির হলে ৩-৫% হিন্দু থাকলে বাকী ৯৫% মুসলিম শিক্ষার্থীর জন্য গরুর মাংস রান্না করা সমস্যা।
বাজারে গরুর মাংস বিক্রি করা সমস্যা। মুসলমানরা নিজেদের জায়গায় কুরবানী দিতে পারবে না।
এদের আশপাশে মুসলমানদের ঘর থাকা সমস্যা।
রাস্তার নাম ইসলামি হওয়া সমস্যা।
জয় শ্রী রাম না বলা সমস্যা।
আজান সমস্যা
নারায়ে তাকবির শ্লোগান সমস্যা।
কুরবানী সমস্যা।
রোজা সমস্যা।
নামাজ সমস্যা।
দাড়ি সমস্যা
মহিলাদের বোরকা,হিজাব,নিকাব,পর্দা সমস্যা।
মুসলিম পরিচয়ে সবজি বিক্রি করা সমস্যা।
এরা ভারী ভারী অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিবে, মানুষ মারবে। তাদের জঙ্গি বলা সমস্যা।
ইন্ডিয়ায় গিয়ে বাঙালী পরিচয় দেওয়া সমস্যা।
উগ্র হিন্দুত্ববাদকে সমর্থন করে এমন দলকে ভোট না দেওয়া সমস্যা।
মসজিদে এসে ঢোল পিটাবে, জয় শ্রী রামের শ্লোগান দিবে,ওদের কিছু বলতে যাওয়া সমস্যা।
পূজার সময় নামাজ চলাকালীন মসজিদের সামনে দাড়িয়ে গান বাজনা, রঙ ছিটাবে তখন মুখ খোলা সমস্যা।
হোলির রঙ মারবে তাদের কিছু বলতে যাওয়া সমস্যা।
পানি মেরে গা ভিজিয়ে দিবে তখন মুখ খোলা সমস্যা।
যোগ্যতা দিয়ে ভার্সিটিতে বেশি সংখ্যক মুসলিম চান্স পাওয়া সমস্যা। ভর্তি বাতিল করতে হবে।

এদের সমস্যা আর সমস্যা। সমস্যার শেষ নেই। তাও তারা উগ্র না। উগ্রতা শুধু তখন হয় যখন মুসলিমরা প্রতিবাদ করতে যায়।

#বিজ্ঞানমনস্ক

05/05/2026

🙂

04/05/2026
Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka