Science in Islam

Science in Islam

Share

10/06/2022

জ্ঞান-বিজ্ঞানে মহানবী (স.) ও মুসলিমদের অবদান সম্বন্ধে বিশ্বের বিভিন্ন মনীষীদের মন্তব্য

ইসলামিক শিক্ষা তথা মুসলিমদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টার ফলে বিশ্বের জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় অভাবনীয় উন্নতি সাধিত হয়। অন্যান্য জাতি মুসলিমদের সঞ্চিত জ্ঞান-বিজ্ঞান আহরণ করে জ্ঞান-বিজ্ঞানের উচ্চশিখরে পৌঁছে। এ বইতে (বিশ্ববাসী মুসলিমদের কাছে ঋনী) এতক্ষণ বর্ণিত তথ্যগুলো রিপ্লের ‘বিলিভ ইট অর নট’ থেকে উদ্ধৃত হয়নি। সেগুলো কোন মনগড়া কল্পকাহিনীও নয়। বরং এ কথাগুলো হচ্ছে ইতিহাস রচিত মুসলিমদের সত্যিকারের অবদানের কথা। যাদের নাম ইতিহাসের পৃষ্ঠাকে অলংকৃত করেছে। আর তা স্বীকার করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন সুচিন্তা ধারার মনীষীগণও। এখন শুনুন তাদের ভাষায় তাদের কথা।

* ফিলিপ কে হিট্টি বলেন : “নাবী -এর মৃত্যুর পর স্থবির আরব যেন এক ম্যাজিক বলে মহাবীরদের এমন এক শিশুশালায় পরিণত হয় সংখ্যায় ও মানে যার তুলনা পাওয়া দুষ্কর”। (সভ্যতার বিকাশে মহানবী- দৈনিক নয়া দিগন্ত, ২৭/০২/২০১০ ইং)

* মহান চিন্তাবিদ টমাস কার্লাইল বলেন : “এই আরব জাতি, এই মহাপুরুষ মুহাম্মাদ আর মাত্র এক শতাব্দীÑ যেন একটি, মাত্র একটি, অগ্নিস্ফুলিঙ্গ অনুধাবনযোগ্য, তমসাচ্ছন্ন বালুকাস্তূপে পতিত হলো। কিন্তু দেখুন! এই বালুকারাশি বিস্ফোরক বারুদে পরিণত হয়ে দিল্লী থেকে গ্রানাডা পর্যন্ত আকাশমণ্ডলী প্রদীপ্ত করলো”। (বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে আল্লাহ ও মুহাম্মাদ - পৃঃ ১৩৬)

* তিনি তাঁর গ্রন্থে আরও উল্লেখ করেন : “এরূপ মহাপুরুষের [মহানাবী -এর] বাণী প্রকৃতির হৃদয় থেকে সরাসরি উৎসারিত। মানব সমাজের এইসব বাণী শোনা এবং অনুসরণ করা ব্যতীত আর কিছুই করার নেই। এগুলোর সাথে তুলনা করলে অন্যগুলো শুধু বায়বীয় পদার্থ হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে”। (অলৌকিক কিতাব আল কুরআন- পৃঃ ৩৪)

* মহাত্মা গান্ধী বলেন : “পাশ্চাত্য জগত যখন অন্ধকারে নিমজ্জিত, আকাশে তখন উঠেছিল একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র [মুহাম্মাদ ] যা আলো বিকিরণ করেছিল এবং গভীর আর্তনাদময় পৃথিবীকে দিয়েছিল স্বস্তি”। (বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে আল্লাহ ও মুহাম্মাদ - পৃঃ ১৩৯)

* লন্ডনের সায়েন্স মিউজিয়ামের পরিচালক অধ্যাপক ক্রিস র‌্যাপলে বলেন : “পশ্চিম যখন অন্ধকারে ছিল, তখন মুসলিম বিশ্বই জ্ঞানের মশাল বহন করেছে”। (লুকানো ইতিহাসের প্রদর্শনী লন্ডনে শুরু- দৈনিক কালের কন্ঠ, ২৩/০১/২০১০ ইং)

* অধ্যাপক সালিম আল হাস্সানি বলেন : “যদি আপনি অন্য সংস্কৃতির অবদানকে অবহেলা করেন, তবে তা সাংস্কৃতিক আধিপত্যের প্রকাশ। আজকে আমাদের যা আছে, তার পেছনে অন্য জাতি ও সংস্কৃতির অবদানকে জানতে হবে এবং শ্রদ্ধা করতে হবে”। (লুকানো ইতিহাসের প্রদর্শনী লন্ডনে শুরু- দৈনিক কালের কন্ঠ, ২৩/০১/২০১০ ইং)

* রবার্ট বিফ্রো বলেন : “আধুনিক বিজ্ঞান শুধু চমকপ্রদ আবিষ্কার বা যুগান্তকারী তত্ত্বকথার জন্যই আরবদের (মুসলিমদের) কাছে ঋণী নয়, আধুনিক বিজ্ঞান তার অস্তিত্বের জন্যই আরবদের কাছে চিরঋণী”। (মহানবী সম্পর্কে কটূক্তি প্রসঙ্গে- দৈনিক নয়া দিগন্ত, ২২/০২/২০১৩ ইং)

* পণ্ডিত জওহর লাল নেহেরু বলেন : “প্রাচীনকালে মিসর, চীন বা ভারতে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার কোন নিদর্শন আমরা পাইনি। প্রাচীন গ্রিসে এর ছিটেফোঁটা দেখতে পাওয়া যায়। রোমেও এটির অনুপস্থিতি ছিল। কিন্তু আরবদের এ বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসা ছিল। সুতরাং তাদেরই আধুনিক বিজ্ঞানের জনকরূপে পরিচিহ্নিত করা যায়”। (সভ্যতার বিকাশে মহানবী - দৈনিক নয়া দিগন্ত, ২৭/০২/২০১০ ইং)

26/03/2022

😆🤣

হিন্দু মা ও ছেলের কিছু কথোপকথন।
🙄ছেলে = মা তাজমহল এতো সুন্দর তাজমহল আমরা বানিয়েছি তাই না ???
😥 মা = জ্বী না , যিনি বানিয়েছিলেন উনার নাম শাজাহান বাদশা , উনি মুসলিম ছিলেন ।
ছেলে = ওহ । আচ্ছা তাহলে কুতুবমিনার নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ???🙄
মা= জ্বী না । উনিও মুসলিম ছিলেন । উনার নাম কুতুবুদ্দিন আইবক ।😥
ছেলে = । তাহলে লালকেল্লা নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ??🙄
মা = না । ওটাও মুসলিম শাসকরা বানিয়েছে ।🤧
ছেলে = তাহলে পুরাতন কেল্লা আমরা বানিয়েছি ??🙄
মা= না। পুরাতন কেল্লা মুসলিমরা বানিয়েছে ।😔
ছেলে =তাহলে চারমিনার নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি😕
মা= না। চারমিনার মুসলিম শাসকরা বানিয়েছে।😟
ছেলে = মা আমি শুনেছি ভারত প্রথম মিসাইল তৈরি করেছিল , মিসাইল হিন্দু শাষকরা বানিয়েছে তাই না😀
মা= না । ভারতে প্রথম মিসাইল আবিষ্কার করেছিলেন টিপু সুলতান । উনিও মুসলিম।😪
ছেলে= মা আমি শুনেছি ভারতের সবচেয়ে বড় ও পুরাতন রোড গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড ।
প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত ।
আচ্ছা মা সেটা তো আমরা বানিয়েছি ??😌
মা=না । গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড আমরা বানায়নি ।
গ্ৰান্ড ট্রাঙ্ক রোড একজন মুসলিম শাসক বানিয়েছি , উনার নাম শের শাহ 🙁
ছেলে = তাহলে মোঙ্গলদের সাথে যুদ্ধ আমরা করেছি , তাই না ?? 🤗
মা = না । আলাউদ্দিন খলজি মোঙ্গলদের সাথে যুদ্ধ করেছেন । সেই যুদ্ধে আলাউদ্দিন খলজি যদি পরাজিত হতো , তাহলে আজ ভারত ধ্বংস হয়ে যেতো ।😟
ছেলে = আচ্ছা তাহলে হাজারদোয়ারি পেশেস নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ??😲
মা = না বেটা । ওটাও মুসলিম শাসকরা বানিয়েছে।😔
ছেলে = আচ্ছা তাহলে মুঘল সাম্রাজ্য আমাদের ছিল, তাই না ???😯
মা = না । মুঘল সাম্রাজ্য মুসলিমদের সাম্রাজ্য ছিল ।😒
ছেলে = আচ্ছা জয় হিন্দ , এই শব্দটি আমরা প্রথম তৈরি করেছিলাম , তাই না ??🤤
মা = না । ওটাও একজন মুসলিম প্রথম বলেছিল ।😢
ছেলে = আচ্ছা মা , সারে জাহাসে আচ্ছা হিন্দুস্তান হামারা , এই শব্দটি আমরা প্রথম বলেছিলাম , তাই না ??? 🙂
মা = না , ওটা একজন মুসলিম কবি লিখেছিলেন । উনার নাম ইকবাল ।😢
ছেলে = আচ্ছা তাহলে ভারতের পতাকা আমরা বানিয়েছি, তাই না ???😯
মা = হ্যাঁ , তবে বলতে গেলে না । ভারতের পতাকা পিঙ্গলি ভেনকায়া তৈরি করলেও , তো
উনার তৈরি করা পতাকাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি ।
ভারতের পতাকার Latest Update করেছিলেন একজন মুসলিম মেয়ে । উনার নাম সুরিয়া তৌওবজি , উনার বাড়ি হায়দ্রাবাদে ।😞
ছেলে = তাহলে প্রথম Satellite launch করেছিলাম আমরাই,তাই না মা ???😀
মা = জ্বী না । ভারত অনেক বার Satellite launch করেছিল , কিন্তু প্রতিবারই Failed হয়েছে ।
তারপর APJ. Abdul Kalam Azad প্রথম Successful ভাবে Satellite launch করেছিল ।😤😖
উনি না থাকলে আজ ভারত Satellite launch করতে পারতো না । 😭
ছেলে = তাহলে Nuclear weapons নিশ্চয়ই আমরা বানিয়েছি ???😡
মা = না । Nuclear weapons একজন মুসলিম আবিষ্কার করেছে ।
উনার নাম APJ Abdul Kalam Azad । 😭
উনি Nuclear weapons তৈরি না করলে আজকে চীন ও পাকিস্তান মিলে আমাদের আদর করতো ।😱
ছেলে = ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ভারত ছোড়ো আন্দোলন প্রথম আমরা করেছিলাম তাই না ??😨
মা = না । ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে প্রথম আন্দোলন শুরু করেছিল টিপু সুলতান ।😭

তাইলে আমরা কি করছি????? 😤
গোমুত্র পান করছি আর কি ?? 😭 এইবার থাম,

💞 অন্ধকারাচ্ছন্ন ইতিহাসের দুনিয়া থেকে বের হয়ে সত্যেকে জানুন 💙

সংগ্রহীত ও পরিমার্জিত

04/03/2022

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম
কুরআন ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে- ‘দৃষ্টি সংযত রাখা’

আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন : “মু‘মিন পুরুষদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত করে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হিফাযত করে....আর মু‘মিনা নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত করে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হিফাযত করে...।” (সূরাহ্ নূর : ৩০-৩১)
উল্লেখিত আয়াতে আল্লাহ্ তা‘আলা মু‘মিন পুরুষ ও নারীদেরকে আগে দৃষ্টি সংযত করতে বলেছেন এরপর যৌনাঙ্গের হিফাযত করতে বলেছেন। কারণ অনৈতিক কিছু করার আগে মানুষের চোখই তথা দৃষ্টিপাতই প্রথম ভূমিকা পালন করে। যা একালের বিজ্ঞানের গবেষণায় বিষয়টি স্পষ্ট।
প্রথম দেখাতেই মানুষের মন বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আবেগতাড়িত হওয়ার বিষয়টি বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করে দিয়েছেন। তারা বলেছেন, এরকম আবেগতাড়িত হতে সেকেন্ডে পাঁচ ভাগের এক ভাগ সময়ই যথেষ্ট। দেখার পর আবেগে পড়ার প্রথম অনুভূতির সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের ১২টি অংশে এর প্রভাব পড়ে। তখন চার ধরনের হরমোন নিঃসরণের কারণে দেহ-মনে ছড়িয়ে পড়ে ভালো লাগা। এবং দুজনই দুজনার প্রতি তীব্র টান অনুভব করেন। (কোকেনসম প্রেম-দৈনিক কালের কন্ঠ-২৭/১০/২০১০ইং।)

উল্লেখিত আয়াতে আরেকটি বিষয় পরিলিক্ষিত হয় যে, মহান আল্লাহ নারীদের চেয়ে আগে পুরুষদের দৃষ্টি সংযত করার কথা বলেছেন। আর বর্তমানে বৃটিশ সাইকোলজিক্যাল সোসাইটির অন্যতম সদস্য ‘আলেকজান্ডার গর্ডন’ জানিয়েছেন, নারী-পুরুষ উভয় পরষ্পরের প্রতি আকর্ষণ হওয়ার ক্ষেত্রে নারীদের চেয়ে পুরুষরা এগিয়ে। অর্থাৎ কোনো মেয়েকে প্রথমবার দেখার পর একজন পুরুষের মনে যতটা সহজে আকর্ষণ অনুভূতি তৈরি হয় মেয়েদের মনে ততটা সহজে হয়না (প্রথম দেখায় প্রেম-দৈনিক ইত্তেফাক ০৭/০৯/১০ইং)। অর্থাৎ কুরআনের ঘোষণা আধুনিক বিজ্ঞানের গবেষণায় প্রমাণিত।

আধুনিক বিজ্ঞান বলছে, নারীর চোখ ও দেহকোষে পুরুষের কামুক লোভাতুর দৃষ্টি পতিত হলে একপ্রকার রাসায়নিক ক্রিয়া সাধিত হয়। ফলে প্রবল ঝড় বইতে থাকে নারীর দেহে ও মনে এবং সৃষ্টি হয় উত্তেজনার। এটি গর্ভবতী নারীদের ওপর এক অধিক ক্রিয়াশীল হয় যে, এর প্রতিফলিত রশ্মি জরায়ুর অভ্যন্তর ভাগ ভেদ করে পতিত হয় গর্ভস্থ সন্তানের ওপরও। ফলে দেখা দেয় নারীদেহে দুর্বলতা, ব্যাপকভাবে কমতে থাকে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা। এ কারণে গর্ভাবস্থায় নারীর মনে যে ছবিটি দাগ কাটে, গর্ভের সন্তান শারীরিক কাঠামো ও বর্ণের দিক দিয়ে সেরূপই হয়ে থাকে। দৃষ্টিপাতকারীর চরিত্র ও অভ্যাস রেখাপাত করে গর্ভের সন্তানের ওপর (বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে পর্দা পৃঃ ১৪)। শত শত বছর আগে পবিত্র কুরআনের দেয়া ঘোষণা আজকে এভাবেই বিজ্ঞানের গবেষণায় প্রমাণিত হচ্ছে।

Want your business to be the top-listed Shop in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka