Shukriya
সদরপুর বাসী কোথায়!!! সুখবর !!! সুখবর!!
আমাদের নতুন যাত্রা আশা করি আপনেদের সাপোর্ট পাবো ।ফাস্টফুড এখন পাবেন ঘরে বসেই ।দোকানে বাসি খাবার খেয়ে পেট খারাপ না করে টাটকা পেলে কে ছাড়ে আবার তা ঘরে বসেই! আমরা এই সেবা দিচ্ছি শুধু সদরপুর থানার মধ্য আপাতত 😘
#শুকরিয়া
04/11/2020
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন
“আজওয়া খেজুর এসেছে স্বয়ং জান্নাত থেকে”।
(তিরমিজী ২০৬৮)।
এই খেজুর রাসূলুল্লাহ (সা:) এর সবচেয়ে পছন্দের ছিল। রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা ও অসাধারণ স্বাদের কারণে একে ‘কিং অফ ডেটস’ আখ্যা দেয়া হয়। এই খেজুর তুলনামূলকভাবে নরম ও শুষ্ক হয়।
>>> খেজুর কেন খাবেন?
> খেজুরে আছে অনেক গুণ। প্রাকৃতিক আঁশের আধিক্য থাকায় এর উপকারিতা ও গুরুত্ব অনেক। গবেষকদের মতে শুকনা খাবারের মধ্যে খেজুরেই সবচেয়ে বেশি পলিফেনল থাকে। বিপজ্জনক অনেক রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে পলিফেনল। খেজুরের চেয়ে ভালো পটাশিয়াম উৎস আর হয় না। এটা সোডিয়ামেরও ভালো উৎস। কিডনি ও স্ট্রোক জটিলতা এড়াতে এর ব্যাপক প্রয়োজন রয়েছে। এ কারণে চিকিৎসকরা প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। খেজুরের মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিমাণে তেল, ক্যালসিয়াম, সালফার, আইরন, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেসিয়াম বিদ্যমান যা সুস্বাস্থের জন্য অতি দরকারি।
>> আজওয়া খেজুরের আরো অনেক উপকারিতা আছে। যেমন –
> স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে
> হৃদরোগীদের জন্য বেশ উপকারী
> রক্ত উৎপাদনকারী
> হজমশক্তি বর্ধক, যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক
> রুচি বাড়ায়
> ত্বক ভালো রাখে
> দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে
> রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
> পক্ষাঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য উপকারী
> ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে
> কোলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়
> নারীদের শ্বেতপ্রদর ও শিশুর রিকেট নিরাময়ে খেজুরের কার্যকারিতা অনেক
> পাতলা পায়খানা বন্ধ করে
> পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ দূর করে, শুষ্ক কাশি এবং এজমার জন্য উপকারী
> উচ্চমাত্রার শর্করা, ক্যালরি ও ফ্যাটসম্পন্ন খেজুর জ্বর, মূত্রথলির ইনফেকশন, যৌনরোগ, গনোরিয়া, কণ্ঠনালির ব্যথা বা ঠান্ডাজনিত সমস্যা, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী
> মস্তিষ্ককে প্রাণবন্ত রাখে
> যাদের হার্টের সমস্যা আছে তাদের জন্য খেজুর খুবই উপকারী
> খেজুর লৌহসমৃদ্ধ ফল তাই রক্তশূন্যতা দূরীকরণে ভূমিকা রাখে।
চাইলে আপনিও সংগ্রহ করতে পারেন।
ওগো
ওগো, তুমি কি বৃষ্টি? নাকি বৃষ্টির মতো?
রোদ্দুর, নাকি রোদ্দুরের ছায়া?
তোমার চলার পথ কি মসৃন নাকি এবড়ো থেবড়ো?
খুব জানতে ইচ্ছে করে।
তুমি কি বাতাস নাকি বহমান নদী?
তোমারও কি তৃষ্ণা লাগে?
ছুটে যেতে ইচ্ছে করে অথই সমুদ্দুর?
আকাশ পানে তুমিও তাকাও?
বিহগের সুরে তুমিও বুঝি সুর মিলাও?
ওগো, তুমি কি স্রোতস্বিনী নাকি নির্লিপ্ত?
তুমিও কি কাজল আঁকো চোখে?
তোমারও কি ইচ্ছে করে প্রেমে পড়তে?
প্রেমিকের চোখে তাকিয়ে-
তোমারও কি স্বপ্ন জাগে?
প্রতীক্ষা করতে তোমারও বুঝি খুব ভালো লাগে?
কপালে নীল টিপ আর নীল শাড়ি পড়ে-
তুমিও বুঝি দরজায় দাড়াও?
কখন কড়া নড়ে!
যখন সামনে এসে দাড়ায় প্রিয়,
লজ্জায় তোমার চোখও কি অবনত হয়?
তোমার ঠোঁটেও কি লাজুক হাসি খেলে?
তোমার হৃদয়ও কি ধুপ ধুপ করে?
খুব জানতে ইচ্ছে করে।
বইয়ের ভাজে গোলাপের পাপড়ি
তুমিও কি রাখো?
তোমার কি ইচ্ছে করে কেউ একজন
বাদামের খোসা ছাড়িয়ে দিক।
ক্লান্ত হয়ে ফিরে আসার সময়
কেউ একটা কৃষ্ণচূড়া বা কদম নিয়ে আসুক!
জানি তোমারও ইচ্ছে করে-
কেউ হৃদয় দিয়ে তোমায় ভালোবাসুক।
হলেই না হয় কৃষ্ণ কালো।
তোমারও যে ইচ্ছে জাগে।
এসএসসি পরীক্ষা কে সামনে রেখে সুশীল, সুহৃদ ও বুদ্ধিজীবীদের কাছে ফেসবুকে কণিকা কাবেরীর খোলা চিঠি।
শ্রদ্ধেয়,
সুশীল, সুহৃদ, বুদ্ধিজীবী।
আসসালামু আলাইকুম। আশা করি ভালো আছেন। আর ভালো থাকাটাই কাম্য। অনেকদিন ধরে লিখবো লিখবো ভাবছি কিন্তু সাহস যোগাতে পারছি না। তাছাড়া লেখার ভাষাও ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। বর্তমান বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আমাকে খুব ভাবায়। চোখ বন্ধ করলে আমি এক অন্ধকারে নিমজ্জিত বাংলাদেশ দেখতে পাই। এই ভাবনা আমাকে ঘুমাতে দেয়না। আর এই ভাবনাই আমাকে সাহস যুগিয়েছে আর এই লেখাটা প্রকাশ করতে আমাকে উদ্ভুদ্ধ করেছে। আমি কবি, সাংবাদিক বা সাহিত্যিক নই তাই কতটা গুছিয়ে লেখাটা লিখতে পারবো বা আদো পারবো কি না জানিনা। আমার মনের অভিব্যক্তি আপনাদের বুঝাতে পারবো কি না বা আমার লেখাটা সুশীল সমাজের কাছে পৌঁছাবে কিনা তাও এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা, লিখে যাচ্ছি।
আমার লেখাটা বর্তমান শিক্ষা পদ্ধতি আর পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে।
আমরা বাবার কাছে শুয়ে শুয়ে যে বয়সে সততার গল্প শুনতাম যে, এক গরীব চাষী, রিকশা চালক, পুলিশ বা একজন শিক্ষক কিভাবে সততার পুরষ্কার পেত। সেই গল্প শুনে শুনে গর্বে বুকটা কেমন ভরে উঠত। এ গল্প খুব বেশি দিনের নয়। এক থেকে দেড় দশক আগের। অথচ এরই মাঝে কি পরিবর্তন! সেই একই বয়সে আমরা আমাদের বাচ্চাদের কাঁধে ঝুলিয়ে দিয়েছি ১০ কেজি বা তারও বেশি ওজন। শুধু ওজন ঝুঁলিয়ে ই আমরা ক্ষ্যান্ত নই এই বয়সেই একজন কোমলমতি শিক্ষার্থী শিখে কিভাবে পরীক্ষার আগের রাতে ফাঁস হয়ে যাওয়া প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করে ভুরিভুরি A+ নিয়ে আসা যায়। তাই আমাদের দেশে ভুরিভুরি A+ পাওয়া শিক্ষার্থী আছে কিন্তু তারা কি আদো A+ পাওয়ার যোগ্যতা রাখে কিনা সে খেয়াল আমরা কেউ রাখিনা। যে বয়সে আমরা শিখতাম কিভাবে নিজের মেধা বা বুদ্ধি খাটিয়ে একটা রচনা লেখা যায় বা একটা প্রশ্নের উত্তর তৈরি করা যায়, সে বয়সে আজকালকার ছেলেরা গাদা গাদা গাইড বই মুখস্থ করতে শিখে। আজকাল বাবা মায়েরা ভুলেই গেছে যে মুখস্থ করার অভ্যাস প্রতিভাকে ধ্বংস করে। বরং তারা মুখস্থ করতে নিষেধ না করে আরো বেশি মুখস্থ করতে উ উৎসাহিত করে। কারণ A+ তো আনতেই হবে। A+ না পেলে যে জীবন অন্ধকার। নেপোলিয়ন বলেছিলেন, আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও আমি একটা শিক্ষিত জাতি উপহার দিবো। কিন্তু বর্তমানে সেই শিক্ষিত আর আধুনিক মায়েরাই কবে কোথায় কিভাবে প্রশ্ন ফাঁস হবে, কোন শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়লে হুবহু প্রশ্নটাকেই সাজেশন আকারে পাওয়া যাবে সেইসব খুঁজে বেড়ায়। আমার নিজের চোখে দেখা ছোটো(প্রাইমারীর) বাচ্চাটা তার মাকে প্রশ্ন করে মা গতকাল রাতে স্যার যা বলে দিয়েছে হুবহু তাই প্রশ্নে এসেছে। মা, স্যারেরা কি সব জানে?? আমার বাবা একজন শিক্ষক তাই কোন শিক্ষককে আঘাত করলে সেই আঘাত আমারই বুকে এসে লাগে। তাই সকল শিক্ষকের কাছে অনুরোধ এমনও হীন কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। আর কোন মাকে তো আঘাত করার প্রশ্নই আসেনা। মা নামের বেতনহীন, বোনাসহীন, পেনশনহীন, ছুটিবিহীন মহান পেশায় যিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। যে পেশা সর্বোচ্চ পেশার মর্যাদা রাখার অধিকার করে কিন্তু কোন আন্দোলন করে না।
শতভাগ পাশ নিশ্চিত করতে গিয়ে আমরা কি শিক্ষিত মূর্খের জন্ম দিচ্ছি!? এই প্রশ্ন আমাকে প্রতিনিয়ত ভাবায়। জাফর ইকবাল স্যার কিছুদিন আগে আপনি অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে একটা লেখা পোষ্ট করেছিলেন সেই লেখাটা পড়ার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। খুব ভালো লেগেছিলো। আপনার এই ধরনের লেখা অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করবে বলে আশা করি।
যখন দশম শ্রেনিতে পড়া কোন শিক্ষার্থী কে জিজ্ঞেস করি হুমায়ুন আহমেদ স্যার বা জাফর ইকবাল স্যারের কি কি বই পড়েছো? আর উত্তর পাই একটাও না, তখন বিষন্নতায় বুকটা ভারী হয়ে যায়। আমি তো অতি ক্ষুদ্র আর সামান্য একজন মানুষ। আমিতো কিছু করতে পারবো না। তাই আপনাদের কাছে আমার আকুল আবেদন এই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু একটা করুন।
আর সরকারের কাছেও আমার আকুল মিনতি আপনি শিক্ষা আর শিক্ষা পদ্ধতির গুণগত মান নিশ্চিত করুন। জাতিকে আলোর পথে নিয়ে যান।নেপোলিয়নের চাওয়ামতে আমরা তো আপনার ( মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) মতো শিক্ষিত আর মমতাময়ী মা পেয়েছি। তাহলে আমারা কেনো পারবো না মুজিবের সোনার বাংলা গড়তে? আমরা আপনার হাত ধরে নতুন এক বাংলাদেশে প্রবেশ করতে চাই। একটাও শিক্ষিত বেকার যেনো ঘুরে না বেড়ায় আর একটা প্রতিষ্ঠানও যেনো যোগ্য প্রার্থীর অভাববোধ না করে। আমাদের দেশে এতো শিক্ষিত লোক থাকতেও প্রতিষ্ঠানগুলো যোগ্য প্রার্থীর অভাবে পদশুন্য কেন থাকে?? এ কেমন শিক্ষায় শিক্ষিত আমরা??
সবশেষে আমার ত্রুটিপূর্ণ লেখার জন্য সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে শেষ করছি। ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। সকলের জন্য শুভ কামনা।
কণিকা কাবেরী
নভেম্বর, ২০১৭।
17/11/2018
ফরিদপুরের জানা অজানা অনেক কিছু।
★ ফরিদপুর জেলা প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৮১৫ সালে।
★ ফরিদপুর জেলার পুরাতন নাম ছিল ফতেহাবাদ।
★ ফরিদপুর জেলার নামকরণ করা হয় বিখ্যাত সূফী সাধক শেখ ফরিদের নামানুসারে।
★ ফরিদপুর জেলার মোট আয়তন ২০৫২.৮৬ বর্গকিলোমিটার।
★ ফরিদপুর জেলায় মোট জনসংখ্যা ১৯,৮৮,৬৯৭ জন(আদমশুমারি২০১১)
★ ফরিদপুর জেলায় প্রতি বর্গকিলোমিটারে লোক বাস করে ৯৩২ জন।
★ ফরিদপুর জেলায় উপজেলা ৯ টি যথা- সদর, সদরপুর,মধুখালি, বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা, সালথা, নগরকান্দা, ভাঙ্গা, চরভদ্রাসন।
★ ফরিদপুর জেলায় পৌরসভা ৬ টি,ইউনিয়ন ৮১ টি ও গ্রাম ১৮৯৯ টি।
★ ফরিদপুর জেলার স্বাক্ষরতার হার ৪৯.০ % ও স্বাক্ষরতা আন্দোলনের নাম "আলোর পথে"
★ ফরিদপুর জেলার উল্লেখযোগ্যা নদনদী- পদ্না, মধুমতি, আড়িয়াল খা, কুমার।
★ ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন বীর শ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ।
★ ফরিদপুর জেলার প্রথম স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ্ মোঃ আবু জাফর।
★ ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করে বিশিষ্ট চলচিত্র পরিচালক তারেক মাসুদ।
★ ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালী চলচ্চিত্রকার মৃণাল সেন।
★ আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলে নির্মিত ঐতিহাসিক সাতৈর মসজিদ ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
★ ফরিদপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ ও ৮ নং সেক্টরের অধীনে ছিল।
★ ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন পল্লী কবি জসীমউদ্দীন।
★ ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন বাংলার মুসলিম জাগরণের অগ্রদূত নওয়াব আবদুল লতিফ।
★ বাংলাদেশের একমাত্র নদী গবেষণা ইন্সটিটিউট ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
#শতবর্ষী সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ ফরিদপুর এর ঐতিহ্যের প্রতীক।এক নজরে ফরিদপুরঃ
★ ফরিদপুর জেলা প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৮১৫ সালে।
★ ফরিদপুর জেলার পুরাতন নাম ছিল ফতেহাবাদ।
★ ফরিদপুর জেলার নামকরণ করা হয় বিখ্যাত সূফী সাধক শেখ ফরিদের নামানুসারে।
★ ফরিদপুর জেলার মোট আয়তন ২০৫২.৮৬ বর্গকিলোমিটার।
★ ফরিদপুর জেলায় মোট জনসংখ্যা ১৯,৮৮,৬৯৭ জন(আদমশুমারি২০১১)
★ ফরিদপুর জেলায় প্রতি বর্গকিলোমিটারে লোক বাস করে ৯৩২ জন।
★ ফরিদপুর জেলায় উপজেলা ৯ টি যথা- সদর, সদরপুর,মধুখালি, বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা, সালথা, নগরকান্দা, ভাঙ্গা, চরভদ্রাসন।
★ ফরিদপুর জেলায় পৌরসভা ৬ টি,ইউনিয়ন ৮১ টি ও গ্রাম ১৮৯৯ টি।
★ ফরিদপুর জেলার স্বাক্ষরতার হার ৪৯.০ % ও স্বাক্ষরতা আন্দোলনের নাম "আলোর পথে"
★ ফরিদপুর জেলার উল্লেখযোগ্যা নদনদী- পদ্না, মধুমতি, আড়িয়াল খা, কুমার।
★ ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন বীর শ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ।
★ ফরিদপুর জেলার প্রথম স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ্ মোঃ আবু জাফর।
★ ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করে বিশিষ্ট চলচিত্র পরিচালক তারেক মাসুদ।
★ ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালী চলচ্চিত্রকার মৃণাল সেন।
★ আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলে নির্মিত ঐতিহাসিক সাতৈর মসজিদ ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
★ ফরিদপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ ও ৮ নং সেক্টরের অধীনে ছিল।
★ ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন পল্লী কবি জসীমউদ্দীন।
★ ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন বাংলার মুসলিম জাগরণের অগ্রদূত নওয়াব আবদুল লতিফ।
★ বাংলাদেশের একমাত্র নদী গবেষণা ইন্সটিটিউট ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
#শতবর্ষী সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ ফরিদপুর এর ঐতিহ্যের প্রতীক।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
7108