Smile With Noor

Smile With Noor

Share

05/06/2026

নিজের ভুল স্বীকার করার মতো মানসিকতা নেই, উনারা ও আবার প্যারেন্টিং পেজ চালায়।
বাচ্চাকে ঠিক ভুল শেখানোর, সিম্প্যাথী,এমপ্যাথী, বাউন্ডারি,উদার,মহৎ হওয়া শেখায়।

এক হোম স্কুলিং করানো,জেন্টেল প্যারেন্টিং শেখানো আপা তার বাচ্চার বয়সের হিসাব লিখছে ভুল। ভুল মানুষ মাত্রই হতে পারে। সবাই সব জানবে এটা ভাবাই বরং অস্বাভাবিক।

আমি শুধু ভদ্রতার খাতিরে ভুলটা ধরিয়ে দিয়ে একটা সাধারণ কমেন্ট করেছিলাম।

উনি প্রথমে আমার সাথে আর্গু করলেন যে উনিই রাইট। দ্যান আমি উনাকে আরো ভাল ভাবে বুঝালাম এবং জেমিনি থেকেও একটা স্ক্রিন শর্ট দিয়ে বুঝালাম যে উনার বয়সের হিসাব টা ভুল।

তারপর উনি করলেন কি, আমার কমেন্ট টা ডিলিট করে দিয়ে চুপি চুপি পোস্টের ভুল অংশ টুকু সংশোধন করে দিলেন।

আমার কমেন্ট টা ওখানে থাকলে উনার সবজান্তা হওয়ার যে ভাব ধরাটা আছে ওই ইমেজে হয়ত এফেক্ট পড়ত উনার ধারণা।

যিনি নিজে এতটুকু সহনশীল না, এতটুকু ম্যাচিউর না সে কি প্যারেন্টিং শেখায় আল্লাহ জানেন।

এর আগেও একবার নিজের বাচ্চাকে গোলামের পুত বলে পোস্ট করেছিল পরে সমালোচিত হয়ে বলেছিল উনি "আল্লাহর গোলামের পুত " মিন করেছে।

ভুল মানুষ মাত্রই করতে পারে, সেটা পেজের এডমিন হোন আর সাধারণ মানুষ। কিন্তু ভুলটা লুকিয়ে, শুধরে দেওয়া মানুষের কমেন্ট ডিলিট করে দেওয়াটা কিন্তু খুব একটা পজিটিভ আচরণ হলো না!

​মুখে ইতিবাচকতার কথা বলে, নিজের ছোট একটা ভুল মেনে নেওয়ার মতো উদারতা দেখাতে না পারাটা একটু দুঃখজনক।
​যাই হোক, শেষ পর্যন্ত পোস্টটা যে সঠিক হয়েছে, তাতেই শান্তি! পরোক্ষ মেন্টরশিপ আর কাকে বলে!

জেন্টেল প্যারেন্টিং বা ইতিবাচক অভিভাবকত্ব নিয়ে যিনি পেজ চালান, তার নিজের আচরণে আরেকটু ‘জেন্টেল’ বা সহনশীল হওয়া উচিত ছিল।

সঠিক তথ্যটা গ্রহণ করে একটা ধন্যবাদ দেওয়াটাই ছিল সুন্দর আচরণ। সেটা না করে কমেন্ট ডিলিট করে দিয়ে, আবার গোপনে পোস্ট এডিট করে ফেলা—এটা আসলে উনার ইগো বা অহমিকার বহিঃপ্রকাশ।

বাচ্চাকে জেন্টেল হতে শেখানোর আগে,নিজেকে জেন্টেল হিতে হবে। জেন্টেল প্যারেন্টিং এর বুলি আর লেকচার শুধু ফেসবুক ফিড পর্যন্ত আর নিজের ফেসভ্যালু তৈরী করার জন্য হলে আলাদা বিষয়।

বাই দা ওয়ে, শেহজিলের বয়স এখন ২৩মাস +। ২৩ মাস ১৩ দিন।

চলাচলি আর পড়াপড়ির হিসাব করলে ২৩ মাস শেষ হয়ে ২৪ মাস চলে। ২৩ চলে না কিন্তু🤣

24/05/2026

গত বুধবারের ঘটনা। শেহজিল কে নিয়ে স্কুলে গিয়েছি। সে ১২.২০ এর দিকে ঘুমিয়ে গেছে।
তখন আমার অফ পিরিয়ড। তারপর টিফিন পিরিয়ড।ক্লাস টাইম আবার ২ টায়। চাইলে বাড়ি চলে আসতে পারতাম তখন।

কিন্তু শেহজিল মাত্র ঘুমিয়েছে বলে ওকে ঘুম থেকে তুলিনি। খাদেমা আন্টিকে বাড়ি পাঠিয়ে দিলাম। বাসায় কিছু কাজ ছিল এই ফাঁকে করা হয়ে যাবে। এদিকে স্কুলে কারেন্ট চলে গেছে।

বসে বসে ওকে বাতাস করলাম। আমি বোরকা হিজাব পড়া গরমে ঘেমে নেয়ে একাকার।

দুপুর ১ টায় টিফিন দেয়ার পর ওকে ঘুমের মধ্যেই কোলে নিয়ে বাসায় আসলাম। আমার পায়ে এমনিতেই সমস্যা তারপর এই গরমে দুপুর ১ টার রোদে হিজাব নিকাব পড়ে কাঁধে ভারী ব্যাগ এবং ঘুমের বাচ্চা কোলে নিয়ে ৭/৮ মিনিট হেটে বাসায় গিয়ে আমার গরমে শরীরে ফেটে যাচ্ছিল সাথে পিঠ,ঘাড় ব্যাথায় ভেঙে যাচ্ছিল।

ওকে শুইয়ে দেয়ার পর ও কান্না শুরু করল। ব্রেস্ট ফিডিং করে আবার ঘুমিয়ে গেল। তখন অলরেডি ১.৩০ মিনিট বেজে গেছে। আমি বোরকা না খুলেই মুখে একটু পানি দিয়ে হাত পা ধুয়ে লাঞ্চ করলাম। শেহজিলের দুধ নিলাম এবং ওর জন্য দুপুরের খাবার নিলাম বক্সে।

খাদেমা আন্টিকে বললাম আপনি গোসল করে খেয়ে স্কুলে আসেন।

তারপর আমি আবার ঘুমের শেহজিল কে কোলে নিয়েই স্কুলে চলে গেলাম।

আমি চাইলে স্কুলে শেহজিল ঘুমানোর পর শেহজিলের কাছে খাদেমা আন্টিকে রেখে একা বাসায় আসতে পারতাম। নিজে শান্তিতে লাঞ্চ করে ওদের খাবার প্যাক করে নিয়ে যেতে পারতাম।

বা বাসায় যখন শেহজিল ঘুমাচ্ছিল তখন ওকে খাদেমা আন্টির কাছে বাসায় রেখে আমি একা স্কুলে যেতে পারতাম।

কিন্তু করিনি। ঘুমের ছেলেকেই কোলে করে বাসায় নিয়ে আসছি আবার ঘুমের ছেলেকেই কোলে করে স্কুলে নিয়ে গিয়েছি।

কেন?

শুধুমাত্র সিকিউরিটি পার্পাসে। এই ঘন্টা খানেক ছেলেকে ছাড়া থাকলে আমার বা ছেলের এমন কোন সেপারেশন এংজাইটি হত না যে থাকতে পারতাম না।

শুধুমাত্র এবং শুধুমাত্র সিকিউরিটি পার্পাসে আমি আধা ঘন্টাও ওকে একা ছাড়িনি।

কারণ আমার ছেলে আমার চোখের আড়ালে একা অন্য কারোর দায়িত্বে থাকবে সেই ভরসা আমি বাইরের কাউকে করতে পারিনা।

যখন ঘুমের ছেলে কাঁধে করে অফিসে ঢুকি।কেউ কেউ হয়তো ভাবতে পারে যে - বাড়িতে রেখে এলেই তো পারত। অযথা বাচ্চার কষ্ট।এসব কি বাড়াবাড়ি করে!

কিন্তু আমার কাছে এই টুকু কষ্টের চেয়ে বাচ্চার নিরাপত্তা বেশি ইম্পর্টেন্ট।

আমি অনেক কেই দেখি একটা ২ বছরের বাচ্চাকে আরেক ৫ বছরের বাচ্চার দায়িত্বে ছেড়ে দেয়।

এক দেড় বছরের বাচ্চা কে আরেক বাচ্চার কাছে তাও প্রতিবেশীর বাচ্চার দায়িত্বে ছেড়ে গার্ডিয়ান এদিক সেদিক বিভিন্ন কাজ সারতে যান।

পরিবারের বাইরের লোকের কাছেও ইভেন বাচ্চাদের কাছেও নিজের শিশুকে দিয়ে ঘুরতে পাঠিয়ে দেয় বাইরে। এই ফাঁকে মা তার সংসারের কাজ সারেন।

৫ বছরের ও কম বয়সী বাচ্চাকে বাসায় একা রেখে মা-বাবা অফিসে চলে যায়।

এসব শিশুদের নিরাপত্তাহীনতা এবং তাদের বাবা-মায়েদের সচেতনতার কথা ভাবলে আমার খুবই খারাপ লাগে।

আমি কখনোই মেয়েদের কাজের বিপক্ষে না। কিন্তু আপনার ক্যারিয়ার যদি আপনার শিশুর নিরাপত্তাহীনতার কারণ হয় তবে বাবা অথবা মা যে কোন একজন কে ক্যারিয়ার কনসিডার করতেই হবে।

কারণ যে চাকরির জন্য আপনার শিশুকে আপনারা নিরাপত্তা দিয়ে রাখতে পারেন না সে চাকরি করার তো কোন দরকার নেই।

চাকরিজীবী মায়েদের সন্তানদের লাইফ গৃহিনী মায়েদের সন্তানদের থেকে আলাদা হয় এটা স্বাভাবিক। তাদের একটু এডজাস্ট করতে হয় এটা স্বাভাবিক। এই যেমন,ঘুমন্ত অবস্থায় শেহজিল স্কুল টু বাসা যাতায়াত করল। আমি চাকরি না করলে ও হয়তো পুরোটা টাইম বাসায় ই ঘুমাত।

কিন্তু তাই বলে তাদের অযত্ন বা অবহেলা করা যাবে না।

আপনি চাকরি করেন এবং বাসায় কাজ করেন- এদিকে এজন্য বাচ্চাকে সময় দিতে পারেন না পর্যাপ্ত, বাচ্চা সারাদিন কষ্ট করে, তাকে তার প্রয়োজনীয় এটেনশন দিতে পারেন না বলে সে সারাদিন কাঁদে,

চাকরি করে বাসার কাজ করার সময় পান না বলে বাচ্চাকে বাইরের মানুষ এর ওর কাছে ছেড়ে দেন, একা বাসায় ফেলে রাখেন- এসব তো আপনার সন্তান ডিজার্ভ করেনা। এগুলো বাচ্চার হক নষ্ট।

আমি বলছি না আপনার ২৪ ঘন্টাই বাচ্চার সাথে লেপ্টে থাকতে হবে। কিন্তু আপনার বাচ্চা যদি সারাদিন ই কষ্ট পায় আর কাঁদে কারণ আপনি তাকে প্রপারলি হ্যান্ডেল করতে পারছেন না জাস্ট বিকজ অফ ইয়্যুর ওয়ার্ক প্রেশার। তাহলে অবশ্যই আপনাকে এই ওয়ার্ক প্রেশার কমাতে হবে। হয় কাউকে চাকরি ছাড়তে হবে নয়তো বাসায় সাহায্যকারী রাখতে হবে।

আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে আপনার সন্তানের যত্ন তার হক এবং নিরাপত্তা পুরোপুরি এনশিউর হচ্ছে কি না।

আর যদি সেটা না পারেন তবে বাবা-মা যেকোন একজন ঘরে থাকুন। সন্তানকে আপনারা আল্লাহর কাছ থেকে চেয়ে এনেছেন তারা সেধে সেধে আসেনি।

তাই তাদের অবহেলা,অযত্ন করার কোন রাইট আপনার নেই।

বাংলাদেশে শিশুদের নিরাপত্তা একদম ই নেই,একদম ই নেই।
অজস্র ঘটনা প্রতিদিন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি।
তবুও এখন ও যদি আপনারা এডুকেটেড সোসাইটির মানুষেরাও এটুকু সচেতন না হোন, তবে আমাদের সন্তানেরা নিরাপত্তা কিভাবে পাবে?

20/05/2026

৬০০ টাকার খেলনা ৪৫০ টাকায় কিনেছি। জিতসি না?

19/05/2026

আমার বাচ্চা একটা। এখন দুই বাচ্চার কোন মা যখন তার বাচ্চার গায়ে হাত তোলে তাদের যদি আমি নিষেধ করি- বাচ্চার গায়ে হাত তুলতে হয় না।

তখন তারা আমাকে বলে দুই বাচ্চা নাই তো, বুঝবেন না। আগে দুইটা হোক, পরে বুঝবেন।

তখন আমি যদি বলি- দুইটা বাচ্চা নাই, আমি বাইরে কাজ করি। এটাও একটা বাচ্চার ই মত। তাও বাচ্চার গায়ে হাত তুলি না।

তখন আবার তারা ব্যাজার হয় যে আমি নাকি চাকরির খোটা দিসি। কিন্তু তারা যে আমাকে বাচ্চার খোটা দিল সেই বেলা কিছুই না।

সত্যি কথা হচ্ছে- চাকরি, ২ বাচ্চা, চঞ্চল বাচ্চা,সংসারের কাজ কোন পরিস্থিতিই বাচ্চার গায়ে হাত তোলাকে জাস্টিফাই করতে পারেনা। আপনি হাত তুলেছেন মানে আপনার ভুল।

14/05/2026

একজন লাইভ প্রেজেন্টার একটা লাইভে ১০/২০ টা ড্রেস দেখায়। একজন ইনফ্লুয়েন্সার ডেইলি ২/৩ টা ড্রেস প্রমোট করে। আপনি কি সেই ২০ টা ড্রেস ই কিনেন?

একজন প্রোমোটারের ওয়্যারড্রোবে যতগুলো ড্রেস এক্সাসরিজ থাকে সে সব আপনি কেনেন? কেনেন না।

আপনি সেটাই কেনেন যেটা আপনার প্রয়োজন। ২০ টা ড্রেস থেকে প্রয়োজন মত ২/১ টা কিনেন।

ঠিক তেমন একজন প্যারেন্টিং কনেন্ট ক্রিয়েটর বা বেবি বেজ কন্টেন্ট মেক করে সেই পেজ গুলো যত খেলনা, যত খাবার,যত ফুডওয়্যার, যত এক্সেসরিজ দেখায় সব কিনতে ব্যস্ত হয়ে যাবেন না।

যিনি তার বাচ্চাকে সব প্রোডাক্ট দিয়ে ব্যবহার করিয়ে করে দেখাচ্ছেন, তিনি প্রমোশনাল কাজ করেন। প্রমোশন পার্পাসে তার কাছে অনেক অনেক জিনিস যায়,সেই সব ই কিন্তু আপনার বাচ্চার প্রয়োজন নেই।

উনারা এমন ও অনেক জিনিস দেখায়, সেটা যিনি দেখাচ্ছেন তার বাচ্চার ও প্রয়োজন নেই বা সেটা ইউজ করার বয়স হয়নি। জাস্ট বেবিকে দিয়ে একটা ভিডিও মেক করেছে কারণ এটা উনার কাজ।

অনেকে প্রমোশনাল কাজের জন্য শুধু সেই আইটেম ই ফ্রী নেন না, রিমোনারেশন ও নেন।

তাই একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর প্রমোশনাল পার্পাসে প্রতিদিন নিত্য নতুন জিনিস দেখাচ্ছে আর আপনি হতাশায় ডুবে গেলেন যে,উনার বাচ্চাকে উনি কত জিনিস দিচ্ছে, আমি পারছি না কেন? এটা কিন্তু অনুচিৎ।

বিশ্বাস করেন, আপনার বাচ্চার এই সব জিনিসের প্রয়োজন নেই। আপনি উনার দেখানো জিনিস গুলো থেকে সেটাই কিনবেন যেটা আপনার প্রয়োজন। এবং আপনাকে অনলাইন থেকেই কিনতে হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা ও নেই। এই যে শেহজিলের হাতে ম্যাগনেটিক ফিশিং টয় এটা আমি মার্কেট থেকে নিয়েছি এবং অনলাইন থেকে ১৫০/২০০ টাকা কমে কিনেছি।আবার ডেলিভারী চার্জ লাগত ১৫০ টাকা। মানে আমার ৩০০-৩৫০ টাকা সেভ হয়েছে এখানে।

প্রমোটার সব জিনিস উনার বাচ্চাকে দিয়ে দেখাচ্ছেন যাতে আপনারা সমস্ত প্রোডাক্ট গুলো সম্পর্কে জানতে পারেন, এগুলোর ব্যবহার জানতে পারেন।

উনার দেখানো প্রত্যেক টা জিনিস ই প্রত্যেকে কিনবেন সে উদ্দেশ্যে দেখানো হয় না। এখানে সেই কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের বেবি এজ এ মডেল কাজ করে।

কিন্তু আপনি যদি আশা করেন, উনার বাচ্চার কত খেলনা, কত এক্সেসরিজ আমার বাচ্চার ও তাই লাগবে। তাহলে আপনার নিজেকে সংশোধন করা উচিৎ।

কারণ এসব জিনিস সব উনার বাচ্চার ও লাগে না। দেখবেন অনেকেই অনেক প্রোডাক্ট পরে সেল করে দেয়, কারণ এসব উনাদের বাচ্চাদের ২/৩ টা করে জমা হয়ে গেছে বা কাজে লাগে না।

আমি আবার ও বলছি উনারা প্রমোশনাল কাজ করে তাই সব দেখায় যাতে যার যেটা প্রয়োজন সেটা নিতে পারে।

আপনি আপনার বাচ্চার জন্য সেটাই কিনবেন, যেটাতে আপনার বাচ্চা আগ্রহী, যেটা দিয়ে খেলার বয়স আপনার বাচ্চার হয়েছে।

অনেকে দেখবেন- যখন কাজ শুরু করেছিল,খুব মিনিমাল,সিম্পল ছিল সব। কিন্তু ফ্যান ফলোয়ার বেড়ে যাওয়ার পর তার অনেক লাক্সারিয়াস জিনিসপাতি হয়ে গেছে। একটা স্পুন, একটা টাওয়াল, একটা পাপোস পর্যন্ত হাই ফাই।

সেসব অনেক ই তার কাছে প্রমোশনে এসেছে আবার কিছু তিনি কাজের পরিবেশ আপডেট করার জন্য কেনেন।

তাই আপনি সে সমস্ত জিনিস কেনার জন্য স্বামীর অথবা আপনার নিজের মানিব্যাগ ফাঁকা করে দিবেন না। নিজের জীবনে বাঁচুন। ফেসবুকে দেখানো অন্য কারো জীবনে না। ওটা উনার কাজ, মনে রাখবেন।

এই প্রমোশনলনাল কাজে বিজনেস অওনারদের ও লাভ হয়, যে প্রমোশন করে তার ও লাভ হয় আবার ক্রেতাদের ও লাভ হয়। তাই এটাকে বেগেটিভ ভাবে নেয়া ও ঠিক না।

অনেকে তো বলেন " মাগনা পান তাই দেখান"।
উনারা এমনি এমনি ফ্রী পায় না, উনারা মার্কেটিং এর কাজ করে। এখন মার্কেটিং কি উনি নিজের টাকায় প্রোডাক্ট কিনে করবেন? আপনি যদি পারেন এই কাজ আপনাকে ও ফ্রী দিবে। ফ্রী পাওয়ার জন্যও নিজের প্ল্যাটফর্ম তৈরী করতে হয়।

আবার অনেকে শুধু মাত্র প্রমোশন করবে সে কারণে অনেক আজেবাজে ইউজলেস, খারাপ জিনিসের ও প্রমোশন করে দেয়। সেসব ব্যপারে অবশ্যই সতর্ক থাকবেন। মনে রাখবেন উনাদের এটা প্রফেশন/কাজ। আর প্রফেশনে সবাই এথিকস মেইন্টেইন করে না। তাই তাদের থেকে সাবধান।

উনারা জিনিস নিয়ে টাকা পায় আর আপনারা জিনিস নিয়ে টাকা দিবেন।

সূতরাং কষ্টের টাকা কোথায় দিবেন৷ জেনে বুঝে দিবেন। অমুক তার ছেলেকে তমুক খেলনা দিয়েছে তাই আমার ও দিতে হবে এভাবে ভাববেন না।

শেহজিলের প্রত্যেক টা খেলনা দেয়ার আগে আমি বাড়িতে কমদামী ডেমো বানানোর ট্রাই করি নিজে(যেগুলোর সম্ভব হয় আরকি)।
যদি দেখি সে ইন্টারেস্টেড তবেই ইনভেস্ট করি। অন্ধভাবে প্রমোশন দেখে নয়।

আর আপনারা যারা প্রমোশন করেন তারাও প্লিজ প্রমোশনাল জিনিস দেখানোর সময় বলবেন না যে "অর্ডার করেছি"।
"নিয়েছি, পাঠিয়েছে" এসব ও বলা যায়।

তাহলে কাস্টমার ও আর দ্বিধায় পড়বে না যে এটা আপনি একান্ত ই বেবির ব্যবহারের উদ্দেশ্যে নিয়েছেন নাকি প্রমোশনাল পার্পাসে ভিডিও দিয়েছেন।

কারণ আপনার একটা ফেসভ্যালু আছে, যে জিনিস আপনি টাকা দিয়ে বাচ্চার জন্য কিনেছেন আর সেটা দেখাচ্ছেন সেটা একটা অন্যরকম ভ্যালু এড করে এবং বেশি মূল্যায়ন পায়।

আর যেটা প্রমোশন করেন, সেটা জাস্ট ফর মার্কেটিং পার্পাসে।
অনেকে খুব সুন্দর করে ভিডিওতে ই বলে দেয় যে জিনিস টা প্রমোশনাল বা এমনভাবে ভিডিও মেক করে যে বুঝা যায় এটা প্রমোশনাল ভিডিও। কিন্তু অনেকেই প্রমোশনাল কাজে বলেন যে "এটা আমি অর্ডার করেছি"। ব্যক্তিগত ভাবে এটা আমার ভাল লাগে না।

সো হ্যাপী শপিং ফর ইয়্যুর কিড্ডো❤️

শেহজিলের হাতে মাছের রেলগাড়ি।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Dhaka