Bd Cyber Tech
13/11/2019
ফ্রিল্যান্সিং করার আগে যা ভাববেন
এখন ফ্রিল্যান্সিং দারুণ আকর্ষণীয়। অনেকেই চাকরি না করে ফ্রিল্যান্সিং করার স্বপ্ন দেখেন। ফ্রিল্যান্সিংয়ে একদিকে যেমন স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ থাকে তেমনি আয়ের পরিমাণও বেশি।
কাজের স্বাচ্ছন্দ্যের পাশাপাশি কাজের স্থান ও সময়ের কোনো বাঁধাধরা নিয়ম থাকে না বলে অনেকেই এ পেশায় আসতে চান। কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আসার আগে এ ক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জগুলোও জানা থাকা জরুরি। একাকিত্ব, রাত জেগে কাজ করে অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা, সামাজিক স্বীকৃতির আক্ষেপের মতো অনেক বিষয় এর সঙ্গে যুক্ত।
বেশির ভাগ ফ্রিল্যান্সার মনে করেন, অনেক সময় ক্লায়েন্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে হয় বলে ফ্রিল্যান্সারকে দিন-রাত পরিশ্রম করা লাগে। এ ছাড়া চাকরিতে নির্দিষ্ট বেতন থাকলেও ফ্রিল্যান্সিং কাজ সব সময় হাতে না–ও থাকতে পারে। কাজের জন্য দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হয়। যাঁরা চাকরি ছেড়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চান, তাঁদের জন্য কয়েকটি বিষয় জেনে রাখা জরুরি। জেনে নিন বিষয়গুলো:
একাকিত্বের সঙ্গী প্রয়োজন
মনে রাখবেন, ফ্রিল্যান্সিং আপনাকে একাকী করে দেবে। আপনার জীবনযাপন অন্যদের চেয়ে আলাদা হয়ে যাবে। বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হবে। রাতের বেলা জেগে কাজ করতে হবে। আপনার কাজে সহকর্মী না থাকায় নির্দিষ্ট সময় অফিসে যাওয়া লাগবে না। কাজের সময় তাই অফিসের পরিবেশ পাবেন না। তাত্ত্বিকভাবে এটা ভালো শোনালেও প্রকৃতপক্ষে আপনি একাকী হয়ে যাবেন। এই একাকিত্ব দূর করতে সাপোর্ট নেটওয়ার্ক থাকা জরুরি। এতে দিনের বেলা বা অন্য সময় গল্প-গুজব বা আড্ডা দিতে পারেন। তা না হলে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বেন। বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা জরুরি। কাজের সময় নির্ধারিত না থাকায় সকাল–বিকেল কাজ করা লাগতে পারে, এ কারণে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হয়।
নিজের অর্থের ব্যবস্থাপনা
যখন বড় কোম্পানিতে কাজ করেন, তখন অনেক জটিল অর্থনৈতিক বিষয় কোম্পানি ঠিক করে রাখে। বিশেষ করে বেতন ও ট্যাক্সের মতো বিষয়টি। যখন ফ্রিল্যান্সিংয়ের মতো স্বাধীন কাজের সঙ্গে যুক্ত হবেন, তখন নিজের অর্থ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে। সঠিক সময়ে ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করার পাশাপাশি অর্থ জমানোর মতো বিষয়গুলোতে নজর দেওয়া প্রয়োজন। চাকরি শেষে যেমন পেনশনের সুবিধা থাকে, তেমনি নিজের কাজের শেষ বছরান্তে যাতে অর্থ গচ্ছিত থাকে, সে বিষয়টিতে ফ্রিল্যান্সারকে গুরুত্ব দিতে হবে।
অসুস্থতার জন্য অর্থ সাশ্রয়
অসুস্থ হলে চাকরিতে ছুটি পাওয়া যায়। আপনার কাজের জন্য অসুস্থতাজনিত বিরতি বা বছর শেষে বেড়ানোর মতো সময় রাখবেন। একটা কথা মনে রাখবেন, ফ্রিল্যান্সিংয়ে কাজ করলে তবে অর্থ পাবেন। যদি কাজ না করেন, তবে সে সময়গুলোতে আপনার অর্থ আসবে না। তাই ফ্রিল্যান্সিং বা স্ব–উদ্যোগে কাজ করার আগে থেকে অর্থ জমানোর অভ্যাস করা প্রয়োজন। অনেক সময় কাজ শুরু করার সময় হাতে অর্থ না–ও থাকতে পারে। কোন মাসে কত আয় করবেন, তারও কোনো বাঁধাধরা নিয়ম থাকে না। কোনো মাসে অনেক আয় আসতে পারে, আবার কোনো মাস একেবারে শূন্য যেতে পারে। তাই আয় ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে একটা ভারসাম্য রাখা অবশ্যই উচিত। এ ছাড়া নিজের জন্য ছুটি রাখার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
নিজের দক্ষতা বাড়ান
যাঁরা নতুন কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস বেশ কঠিন। কাজ পাওয়া এখন অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে যাঁরা ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত ও যাঁদের অনেক কাজদাতা আছে, তাঁদের জন্য সুবিধাও বেড়েছে। তাই যাঁদের ক্লায়েন্ট কম ও যাঁরা কাজ খুঁজছেন, তাঁরা অনলাইনে দারুণ পোর্টফোলিও তৈরি করুন। এ ছাড়া শুরুতে কঠোর পরিশ্রম করুন। নিজের সম্মান ও দক্ষতা অর্জন করুন। ক্লায়েন্টকে আপনার কাজ দিয়ে, যোগাযোগ দক্ষতা দিয়ে মুগ্ধ করুন। পেশাদার আচরণ করুন। তবে সবার আগে প্রয়োজন নিজের দক্ষতাকে প্রমাণ করার। আপনি যে কাজে দক্ষ, তা ভালোভাবে চর্চা করুন। আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কাজ খুঁজে নিয়ে তা সম্পন্ন করে ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ইতিবাচক ফিডব্যাক নিন। এটাই আপনার উন্নতির চাবিকাঠি। যখন আপনি সফল হতে শুরু করবেন, তখন কোন সুযোগটি আপনার জন্য অধিক জুতসই, তা নির্বাচন করতে ভুলবেন না।
কাজ করুন দক্ষতা অনুযায়ী
আপনার দক্ষতা কি ফ্রিল্যান্সার হওয়ার উপযোগী? অনেকেই না বুঝে ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আসতে চান। মনে রাখবেন, এটা দক্ষ ব্যক্তিদের প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র। এ ক্ষেত্রে সীমিত দক্ষতা নিয়ে টিকে থাকা কঠিন। আপনি কাজের ক্ষেত্র নষ্ট করলে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে। তাই কাজ না জেনে এ ক্ষেত্রে আসা উচিত হবে না। বাড়িতে বসে কাজ করার বিষয়টি আকর্ষণীয় হতে পারে। তবে এ কাজ শুরুর আগে এ ক্যারিয়ারে আসার বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করা প্রয়োজন। ফাইবার, আপওয়ার্কের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোর কারণে ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা বাড়ছে। এর মধ্যে ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রি, যেমন ডিজাইন, মিউজিক ও অডিওর পাশাপাশি প্রোগ্রামিং ও টেক খাতে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ব্যাপক কাজের সুযোগ রয়েছে। তবে এ খাতে ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবার আগে আপনি কোন খাতে ভালো করবেন, সেটি ভাবুন।
প্রয়োজন নিজস্ব প্রণোদনা
আপনি কি স্ব–উদ্যোগী? আপনার নিজের কাজ ঠিক রাখতে মোটিভেশন বা প্রণোদনার প্রয়োজন হবে। অনেক সময় ফ্রিল্যান্সিং খাতে কাজ করতে এসে ফ্রিল্যান্সাররা হতাশ হন। এমন সময়ে নিজের দায়িত্ব নিজেকে নিতে হবে। ফ্রিল্যান্সার মানে নিজের ব্যবসা, নিজেই ব্যবস্থাপক, নিজেই হিসাবরক্ষক। নিজের সঙ্গে মিটিং করতে হবে। সময়সীমার মধ্যে কাজ করার তাড়া থাকতে হবে। ক্রেতার প্রত্যাশা পূরণের তাড়া থাকতে হবে। অর্থাৎ, সব সময় নিজেকে কাজের চাপ, যোগাযোগের মতো বিষয়ে তটস্থ থাকতে হবে। তবে অনেক সময় হাতে কাজ না থাকতে পারে, তখন হতাশ হলে চলবে না। মনে রাখতে হবে, প্রতিটি কাজে ওঠানামা থাকে। নিজেকে মোটিভেশন দিতে হবে। নিজের কাজের প্রতি সদিচ্ছা ও আত্মনিয়োগ আপনাকে এগিয়ে রাখবে। নিজের কাজে শৃঙ্খলা থাকলে, স্বাধীন ও নমনীয় সময়ে কাজ করার সুবিধাও নিতে পারবেন।
--Prothom alo
13/11/2019
বর্তমানে যারা গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করেন বা করতে চান তাদের একটি কমন প্রশ্ন হচ্ছে –
“গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য ভাল কম্পিউটার কনফিগারেশন কি? ল্যাপটপ না ডেক্সটপ?”
গ্রাফিক ডিজাইন করতে গেলে বেস্ট হচ্ছে Apple MacBook, MacBook Pro, iMac ব্যবহার করা। যেহেতু অনেকেই উচ্চ বাজেটের জন্য Mac কিনতে আগ্রহী হন না তাই আপনি নিচের কনফিগারেশনের Windows কম্পিউটার কিনতে পারেন।
Configuration:
MotherBoard: Gigabyte
Processor: Intel core i5 / Intel core i7
Ram: Minimum 8GB for better performance
SSD Hard Disk at lest 128GB
Monitor: Dell/HP/Asus
Keyboard: A4 Tech
Mouce: a47tech
ডিটেইলস:
মাদারবোর্ড: অনেক কোম্পানির মাদারবোর্ড রয়েছে তবে এর মধ্যে গিগাবাইট এর মাদারবোর্ড অপেক্ষাকৃত ভাল। গিগাবাইটের ২৫০০ টাকা থেকে ৫০০০০ টাকার মাদারবোর্ড রয়েছে মাদারবোর্ডগুলো দেখে নিন এখানে https://www.startech.com.bd/component/motherboard তবে আপনি যেহেতু 2D গ্রাফিক্স এর কাজ করবেন, তাই সাধারণত ৭০০০ থেকে ১৫০০০ এর মাদারবোর্ড নিতে পারেন 3D গ্রাফিক্স এনিমেশনের কাজ করলে আরো দামী মাদারবোর্ড নিতে পারেন।
প্রসেসর: সাধারনত বাংলাদেশে মানুষজন Intel অথবা AMD প্রসেসর ব্যাবহার করে। এর মধ্যে Intel ভাল, আপনি Intel core i5 / Intel core i7 প্রসেসর ব্যাবহার ভাল হবে। প্রসেসর কেনার ক্ষেত্রে Processor Generation & GHz দেখে নিবেন। যখন পিসি কিনবেন তখনকার সময়ের Generation বা তার কাছাকাছি জেনারেশন এর প্রসেসর কিনবেন। যেমন বর্তমানে ৯th Generation এর প্রসেসর পাওয়া যায়।
র্যাম: বাজারে অনেক কোম্পানির র্যাম পাওয়া যায় আপনি Twinmos / Apacer / A Data কোম্পানির DDR4 ভারসনের ৮ জিবি র্যাম নিতে পারেন। রেম ডিটেইলস এই লিংকে দেখুন https://www.startech.com.bd/component/ram
হার্ডডিস্ক: 1TB Harddisk নিতে পারেন। আপনি হার্ডডিস্ক যতই নেন না কেন C ড্রাইভের জন্য মিনিমাম ১২০/১২৮ GB SSD হার্ডডিস্ক নিবেন, কম্পিউটার কয়েক গুন বেশী ফাস্টার/দ্রতগতী হবে। https://www.startech.com.bd/component/hard-disk-drive
মনিটর: মনিটর 22″ হলে ভাল হবে। Asus/Dell/HP/ ব্রান্ড মনিটর নিলে ভাল হবে। বর্তমানের বেশিরভাগ গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা Asus VZ229HE 21.5 Inch IPS Borderless Slim Monitor https://ryanscomputers.com/asus-vz229he-21-5-inch-ips-borde… ব্যবহার করে। এটি ১১,৩০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। অথবা আপনি Dell E2316H 23 https://ryanscomputers.com/…/dell-e2316h-23-inch-full-hd-tn… HP 22fw https://ryanscomputers.com/hp-22fw-ips-anti-glare-full-hd-2… মনিটর ব্যবহার করতে পারেন।
কিবোর্ড/মাউস: লংটাইম ব্যাবহারের জন্য A4 Tech কিবোর্ড মাউস ভাল হবে।
প্রাইস কোটেশন:
এখন আমরা দেখি উপরের যে কনফিগারেশন দিলাম এটির এভারেজ দাম কেমন –
1. Gigabyte H310M S2 DDR4 8th Gen Intel LGA1151 Socket Mainboard – 6,300 BDT
2. Intel Kaby Lake Core i5 7400 3.00-3.50GHz 6MB Cache LGA1151 7th Gen.Processor – 16,000 BDT
3. A-DATA 8GB DDR4 2400 BUS Desktop RAM – 4100 BDT
4. Hard Disk –
4.1 Toshiba DT01ACA100 1TB SATA 7200RPM 3.5 Inch HDD – 3,600 BDT
4.2 Transcend 120GB 2.5 Inch SATAIII SSD – 2300 BDT
5. Monitor – Asus VZ229HE 21.5 Inch IPS Borderless Slim – 11,300 BDT
7. Keyboard: A4 Tech – 480 BDT
8. Mouce: a47tech – 250 BDT
9. Casing – 2000
Total Price – 6300 + 16000 + 4100 + 3600+ 2300 + 11300 + 480 + 250 + 2000 = 46,330
এটি হবে খুবই স্পিডি ডেক্সটপ।
ল্যাপটপ না ডেক্সটপ: অনেকেই বলেন গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য ডেক্সটপ ভাল, আসলে এমন কোন কথা নেই যে ডেক্সটপ গ্রাফিক্স ডিজাইনের ভাল লেপটপ ভাল না। আমার আসলে কম বাজেটের মধ্যে অনেক ভাল ডেক্সটপ কনফিগারেশন পেয়ে যাই তাই বলে থাকি ডেক্সটপ ভাল। যেমন একটি ভাল মানের ডেক্সটপ ৪০-৫০ হাজার দিয়ে নেয়া সম্ভব কিন্তু আমি যদি সেমই কনফিগারেশন ল্যাপটপ কিনতে চাই তাহলে ১ লাখের কাছাকাছি খরচ হবে, তাই আমরা এই মানের ল্যাপটপ না কিনে ডেস্কটপ কিনি এর বলি গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য ডেক্সটপই ভাল।
আসলে দুটোরই অনেক পজিটিভ নেগেটিভ বিষয় আছে। তবে আমার মতে গ্রাফিক্স ডিজাইনে স্পিডে কাজ করতে চাইলে ৬০ হাজার ৮০ হাজার বা এক লাখের মধ্যে লেপটপ কেনেন বাজেট ৫০ হাজারের নিচে হলে ডেক্সটপ কেনেন। আপনি এই ডেস্কটপ দিয়ে ১ লাখ টাকার ল্যাপটপ এর স্পিড পাবেন। অনেক ফ্রিল্যান্স গ্রফিক্স ডিজাইনাররা MacBook Pro ব্যাবহার করেন, এটিও কিন্তু একটি ল্যাপটপ যা জেনারেল ডেস্কটপ থেকে বেশি ভাল পারফরম্যান্স দেয়। তার মানে আসল বিষয় হচ্ছে কনফিগারেশন।
মিনিমাম কি কনফিগারেশন হলে গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখা শুরু করা যায়: Core i 3 Processor + 4GB Ram + 500GB Hard Disk + 14 inch monior পিসি দিয়েই আপনি শুরু করতে পারবেন কিন্তু বেশি স্পিড চাইলে আপনি উপরের কনফিগারেশন পিসি ব্যাবহার করতে পারেন। মূলত যারা প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক্স ডিজাইনে কাজ করেন, ওয়েব টেমপ্লেট, মোবাইল UI নিয়ে কািজ করেন তাদের দ্রুতগতিতে কাজ করারা প্রয়োজন হয় এবং তারা উপরের ভাল কনফিগারেশন পিসি ব্যাবহার করেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Dhaka
1100