DHAKA Home Tutor
উত্তরা রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে ভর্তির জন্য লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা ।
ভর্তির জন্য ২৩/১২ /২০২৪ তারিখের মধ্যে নিম্নলিখিত ডকুমেন্টস সহ স্কুলের ভর্তি বুথে রিপোর্ট করুন।
১। শিক্ষার্থীর জন্ম সনদের ফটোকপি।
২। পিতা মাতার আইডি কার্ড এর ফটোকপি
৩। পিতা মাতা ও শিক্ষার্থীর এক কপি করে পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
৪। শিক্ষার্থীর বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলের মার্কশিট এর ফটোকপি।
৫। ভর্তির আবেদনের কপি।
বি:দ্র: নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত না হলে শূন্যস্থান পূরণের জন্য ওয়েটিং লিস্ট থেকে অন্য শিক্ষার্থীকে ডাকা হবে ।
আপনারও আপনার সন্তানের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনায়
উত্তরা রেসিডেন্সিয়াল কলেজ
ঈশা খাঁ এভিনিউ, সেক্টর ৬, উত্তরা, ঢাকা ১২৩০
যোগাযোগ:
01798049129
01785076021
01876529095
13/10/2023
জীবনে আমাদের অসংখ্য জায়গায় কষ্টের সাথে সংগ্রাম করে টিকে থাকতে হয়!
আমরা দেখিঃ
১. জন্মের সময় অনেকের মা মারা যায়।
২. অনেকের বাবা-মা আলাদা থাকেন।
৩. অনেকে ছোটবেলায় অনেক বুলিং হয়। টিচাররাও অনেক বুলিং করে। দেখা গেছে, কাছের মানুষ এবিউজ করে।
৪. অনেকে বড় হয়; এফেয়ার হয়। GF,BF চিট করে। অনেকের বিয়ে হয় না। (২,৪ বছরে যত গুরুত্বপূর্ণই হোক রিলেশনে জড়িয়ে আছে ১০০% আবেগ। বিয়েতে সোসাইটি, ফ্যামিলির স্বীকৃতি থাকে। দায়িত্ববোধের ব্যাপার থাকে। রিলেশনে যেটা থাকে না। লুকিয়ে আবেগ মেটাতে হয়! এখনকার রিলেশন অধিকাংশই ফেইক ; অনেকটা ড্রেস পাল্টানোর মত করে GF,BF পাল্টায়! )
৫. বিয়ে হয়;বাচ্চা হয় না। বাচ্চা হয়; বাচ্চাটা অটিস্টিক হয় ; বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হয়।
৬. অনেকের হঠাৎ করে পা ভেঙে যায়।
৭. অনেকের চাকরি হয় না। চাকরি হলেও প্রমোশন হয় না। অনেকের বসটা খারাপ আসে।
জীবনে কখনো না কখনো এসব ঘটনার মধ্যে দিয়ে হারতে হয়। দেখা গেছে, শেষ বয়সে কিডনী রোগ হয়, ক্যান্সার, ডায়বেটিস হয়৷
সুইসাইডাল থটকে যেভাবে চিহ্নিত করা যায়ঃ
১. হোপলেস কথাবার্তা বলা।
২. কন্সট্যান্টলি Anxious থাকা।
৩. ঘুম কমে যায় বা বেড়ে যায়।
৪. ক্ষুধা কমে যায়।
৫. ওয়েট লস হওয়া।
আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো অহংকারী করে তোলে ; ইগো ইস্টিক করে তোলে। কেউই রিজেকশন আশা করে না। এক ডিপার্টমেন্ট অন্য ডিপার্টমেন্টকে ছোট ভাবে। অনেকে হীনমন্যতায় ভোগে।
মা-বাবা তাদের অতৃপ্ত আশা চাপিয়ে দেয় ছেলেমেয়ের উপর৷ অমুক জব, এত বেতন এই সেই হতে হবে না হলে জীবন শেষ!
আমরা অনেক কিছুই চাই;কিন্তু আমরা তা পাবো না; এটাই লাইফের ভিত্তি।
সমস্যা, যন্ত্রনা একাকীত্ব কমবেশি সবারই তো আছে। মৃত্যু কি কখনো সলুশন হতে পারে?
আমাদের জীবনটা এক অর্থে তুচ্ছ। কারণ,মৃত্যুর পর পোকামাকড় খাবে।
২য় অর্থে, জীবনটা মূল্যবান।কারণ, আল্লাহ আমাদের তৈরি করেছেন। তার মানে এই না যে, আপনি যা চান আল্লাহ তাই আপনাকে দিবে। হতে পারে, আল্লাহ আপনাকে ফ্যামিলির জন্য, এলাকার জন্য তৈরি করেছেন।
লাইফ নিয়ে আরেকটু ভেবে দেখা যেতে পারে।
জীবনের সবকিছু ছেড়েছুড়ে দিয়ে,, একটু এলেমেলো ঘুরে আশেপাশে দেখা যেতে পারে। কত মানুষ জীবনে শুধু টিকে থাকার জন্য নিরবে সব সহ্য করে যাচ্ছে।
১. মানসিক সেন্টারে যাওয়া যায়।সেখানে গিয়ে হতে পারে আপনার চেয়ে অনেক বেশি সমস্যা/অসহ্য যন্ত্রনার মানুষের কথা শুনে আপনার নিজের সমস্যাকে হয়ত তেমন সমস্যাই মনে হচ্ছে না৷
২. হাসপাতাল যাওয়া যায়। একটুকু অক্সিজেন দিয়ে আর কয়েক সেকেন্ড পর যিনি মারা যাবে তাকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে।
৩. ধর্মীয় উপাসনালয়ে যাওয়া যায়।
৪. কবরস্থানে যাওয়া।
আর যা যা করা যায় মানসিকভাবে ভালো থাকার জন্যঃ
১. স্বেচ্ছাসেবী কাজ করা যায়।
২. পথশিশুদের নিয়ে """।
৩. উইমেন রাইটস """'।
৪. বাচ্চাদের শিক্ষা """"।
৫. যা ভালো পারি তাই নিয়ে সেবামূলক কাজ করা যায়।
৬. সোশ্যাল মিডিয়া, ইউটিউবে স্মার্টলি ব্যবহার করা যায়।
বি.দ্রঃ ইউটিউবের একটা লেকচার থেকে লেখাগুলো নেওয়া হয়েছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka