Bookmark
বই আমাদের অবসরের সঙ্গী, আমাদের সুখ ও দুঃখের সঙ্গী। বই আমাদের দেয় আনন্দ, খুলে দেয় আমাদের জ্ঞনের চোখ। আমাদের শেখায় মূল্যবোধ। বই আমাদের নিয়ে যায় এমন এক অজানা দুনিয়ায় যা আমাদের কঠিন বাস্তবতা থেকে একটু হলেও মুক্তি দেয়। বই আমাদের কল্পনাশক্তিকে বাড়ায়। তাই বুকমার্কের ছোট প্রয়াস সে সব বইপ্রেমীদের জন্য যারা বই পড়তে ভালোবাসে তাদের হাতে তাদের প্রিয় বইটি তুলে দেবার। :)
19/06/2026
গ্রামের সহজ-সরল এবং আত্মসচেতন যুবক মহেন্দ্র। এতিম এই যুবকের জগৎ তার বসন্ত রোগে দৃষ্টি হারানো দাদা দেবেন্দ্র, অসুস্থ বউদি অপর্ণা এবং এক ভাইপো খোকনকে ঘিরে। একসময়ের স্বচ্ছল পরিবার আজ দিন আনে দিন খায় অবস্থা। তাই অবস্থার উন্নতির জন্য শহরে তার বাবা ক্ষেত্রনাথের বন্ধু উমেশবাবুর কাছে কাজের জন্য আসে।
উমেশবাবু কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাসের পাশাপাশি নিজ বাড়িতে থাকার ব্যবস্থাও করে দিলেন। শুরু হয় তার নতুন জীবন। আর এখানেই পরিচয় হয় উমেশবাবুর একমাত্র কন্যা মাধুরীর সাথে। ভদ্র, সংযত, সাংসারিক, খেলাধুলা থেকে সঙ্গীত সবকিছুতেই পারদর্শী এই মাধুরী তার তিন ভাইয়ের ভীষণ আদরের। বাড়ির কেউ তাকে কোনো কিছুতে বারণ করে না।
পুরো বাড়িতে এই একটিই মানুষই মহেন্দ্রর কাছের মানুষ হয়ে গেল। সেতারের সুরে তাদের মধ্যকার বন্ধন ধীরে ধীরে নিতে থাকে এক অন্য রূপ।
এই রূপ কি পূর্ণতা পাবে? নাকি ধনীর আদরের দুলালী চির অধরাই রয়ে যাবে এক গ্রাম্য যুবকের কাছে?
ভালোবাসার এই অদ্ভুত সুন্দর উপন্যাস দাগ কেটে যাবে সবার হৃদয়েই।
18/06/2026
'আয়নায় দেখেছ নিজেকে? কাজল দিলে কেমন লাগে জানো?' নিজের কথার গাম্ভীর্যে নিজেই চমকে গেলাম।
রুনু এবার সত্যিই ভড়কে গেল। তাকে দেখে প্রথম প্রথম বেশ শক্ত মনে হয়েছিল। কানের একপাশে চুল গুঁজলো রুনু। চোখের কোলে কেমন মেঘ জমল। এমন দৃষ্টি পুরুষের কোথায় গিয়ে আঘাত করে তা যদি মেয়েরা জানত!
'আসলেই বেশি খারাপ লাগছে? চোখ ধুয়ে আসব?'
আমি মনে মনে হাসলাম। খোলা বইয়ের মতো পুরুষদের প্রেমিকের চোখে দেখে না নারীরা। যে পুরুষ নারীকে বিভ্রান্ত করতে পারে, নারী সেই পুরুষের প্রেমে পড়ে।
18/06/2026
তাবেঈদের ঈমানদীপ্ত জীবন
৩৭ জন তাবেঈর জীবনের গল্পভাষ্য নিয়ে রচিত এই বইটির খ্যাতি বিশ্বজোড়া ‘সুওয়ারুম মিন হায়াতিত তাবেয়িন’ নামে।
লেখক ড. আবদুর রহমান রাফাত পাশা রাহি. ছিলেন ইলমের নগরী খ্যাত শাম তথা সিরিয়ার বিখ্যাত একজন আলেম। রাহনুমা'র প্রকাশনায় এই গ্রন্থটির অনুবাদ করে ‘তাবেঈদের ঈমানদীপ্ত জীবন’ নাম দিয়েছেন মাওলানা মাসউদুর রহমান রাহি.।
এই বইটি যখন বাংলাভাষায় অনূদিত হয়, সেই সময়টাতে গুণে মানে এই জনরার বই কমই ছিলো। এখন অবশ্য শত শত বই। তবে প্রকাশের পর থেকে এখনও পর্যন্ত বইটি তার পূর্বের পাঠকপ্রিয়তা যত্নের সাথেই ধরে রেখেছে।
এই বইটি সম্পর্কে ছোট্ট করে এই লিখাটা পড়লে মূল কন্টেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
একেকজন সাহাবার বিদায়ের দিনগুলিতে পৃথিবীতে একদিকে যেমন চলছিল হরিতাভ পাতাঝরার মৌসুম—অন্যদিকে তাদেরই মেহনত ও দোয়ার বরকতে জ্বলে উঠেছিল অন্য এক নক্ষত্রের দল। তাদের নাম তাবেয়িনে কেরাম।
দুনিয়ার আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে এই লোকগুলি কুরআন ও হাদিসের বাণী নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন বিশ্বময়। সেইসব মহিরুহদের জীবনের অনবদ্য গল্প নিয়েই এই বই। এর পাঠে পাঠে দেখা মিলবে হাদিসচর্চার সোনালি সেই দিনগুলি; বক্ষ্যমাণ গ্রন্থে উপস্থিত আছেন এরকম ৩৭ জন মনীষী।
18/06/2026
ছাইয়ের স্তুপের পাশে মাথা রেখে শুয়ে পড়লো নরেন। দেহে কোনো উদ্দীপনা অবশিষ্ট নেই তার। তার প্রচণ্ড ইচ্ছা হলো, এখানেই পড়ে মরে থাক সে, তার লাশ পচে এই রুক্ষ মাটিতে মিশে যাক, অথবা তার দেহটা কোনো মাংশাসী প্রাণীকে শিকারের কষ্ট থেকে মুক্তি দিক, তাকে সপরিবারে ভোজন করুক। সেই মুহূর্তে সে সিদ্ধান্ত নিলো এখান থেকে সে আর নড়বে না, এখানেই ডুবে যাবে। এই সবুজের ভয়াল সমুদ্রে সে আর ভেসে থাকতে পারবে না।
তারপর কত সময় পার হয়েছে, পৃথিবী কতবার তার শরীরে নিরাপদ বিচরণ করেছে, সে টের ঘুরেছে নরেন তা জানে না। কত কীট, সরীসৃপ পেয়েছে তবুও নড়েনি। ধীরে ধীরে সে মাটি হয়ে যাচ্ছিলো। কিন্তু হঠাৎ একদিন সে শুনতে পেলো টিয়া পাখির ডাক, এই ডাকে সে আর চোখ বন্ধ করে রাখতে পারলো না। ধীরে ধীরে চোখ খুলে দেখলো লাল পেড়ে সাদা শাড়ি শরীরে জড়িয়ে শ্যামল রঙের এক নারী তার দিকে ঝুঁকে তাকে মনোযোগ দিয়ে দেখছে। মেয়েটার কাঁধে একটা রঙীন টিয়া, পাখিটিও আগ্রহ নিয়ে তাকে দেখছে। নরেনের মুখে একটা প্রশান্তির হাসি ফুটে উঠলো, ঠোঁটগুলো প্রাণ ফিরে পেলো, শুকনো কণ্ঠে নরেন বহুকষ্টে একটামাত্র শব্দ উচ্চারণ করতে পারলো, বিমলা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
House 20, Road 6, Block D, Banasree, Rampura
Dhaka
1219
Opening Hours
| Monday | 09:30 - 23:30 |
| Tuesday | 09:30 - 23:30 |
| Wednesday | 09:30 - 23:30 |
| Thursday | 09:30 - 23:30 |
| Friday | 09:30 - 23:30 |
| Saturday | 09:30 - 23:30 |
| Sunday | 09:30 - 23:30 |