shafi.com
জন্মদিনের কবিতা ১
আঁধার ভেঙ্গে সূর্য হাঁসে
বিশ্বভুবন আলোয় ভাসে।
পাখ-পাখালি ধরল গান
নদীর বুকে ওই কলতান।
তরতরিয়ে চলল তরী
মহাসাগর দেবো পাড়ি।
তরু শাঁখায় লাগলো দোল
চল বন্ধু চল জলকে চল।
খুশিতে মন তা ধিন ধিন
আজ যে তোমার জন্মদিন!
২ মিনিটে দাঁত সাদা করবে কলার খোসা।।জেনে নিন বিস্তারিত পদ্ধতি।
আচ্ছা, অতীত কালে তো ডাক্তার ছিল না। আর ছিল না নামকরা ব্রান্ডের পেস্ট ব্রাশ দাঁত মাজার জন্য। তাহলে কি তখন মানুষের দাঁত থাকতো হলদেটে আর দাগে ভরা? মোটেই না। মানুষের কাছে তখন ছিল হরেক রকম ঘরোয়া টিপস। আর তেমনই একটা হচ্ছে কলার খোসা দিয়ে দাঁত সাদা করা।
ভাবছেন এও কি সম্ভব? কিংবা ভাবছেন – “যাহ, সব ভুয়া”… তাই না? কিন্তু অসম্ভব নয়, আর মিথ্যাও নয়। কলার খোসা সত্যিকার অর্থেই বিজ্ঞান সম্মতভাবে আপনার দাঁত সাদা করতে সক্ষম। সুতরাং ভুলে যান দাঁতের ডাক্তারের কাছে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করার ভাবনা, আর ঘরে বসেই নিজের দাঁত গুলোকে রাখুন ঝকঝকে। তবে হ্যাঁ, কাজটা করতে হবে সঠিক পদ্ধতিতে। আর আজ জানানো হচ্ছে সেটাই।
কলার খোসায় আছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান। বিশেষ করে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম আর ম্যাঙ্গানিজ। আর এরাই হচ্ছে দাঁতকে সাদা করে তুলবার প্রধান হাতিয়ার। এছাড়াও কলার খোসায় Banana peel আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি, যারা কিনা দাঁতকে মজবুত করে তোলার পাশাপাশি খনিজ উপাদান গুলো শোষণ করতেও সহায়তা করে। কলার খোসা নিঃসন্দেহে সাদা করে তুলবে আপনার দাঁত, তবে ব্যবহার করতে হবে সঠিক পদ্ধতিতে। এবং অবশ্যই নিয়ম মেনে।
জেনে নিন বিস্তারিত পদ্ধতি।
– প্রথমেই বেছে নিন সঠিক কলা। দাঁত সাদা করার জন্য ঠিক ভাবে পাকা কলা হওয়া জরুরী। খুব বেশি পাকাও নয়, খুব বেশি কাঁচাও নয়। এমন কলা বেছে নিন যারা কিনা এখন নিচের দিকে একটু একটু সবুজ। কেননা এই ধরনের কলায় পটাশিয়াম থাকে উচ্চ মাত্রায়। আর এই পটাশিয়ামই দাঁত সাদা করার দায়িত্ব নেবে।
– কলা উলটো করে ছিলে নিন। হ্যাঁ, যেভাবে আপনি ছিলে থাকেন কলা ঠিক তার উলটো দিক থেকে ছিলে নিন। দেখবেন যে কলার গায়ে লম্বা লম্বা সুতার মতন আঁশ থাকে। উলটো করে ছিলে নিয়ে এই আঁশ গুলো থাকবে খোসার সাথেই।
– খোসা থেকে চারকোনা করে দুটি টুকরো কেটে নিন। আপনার সুবিধা মতন আকারেই কেটে নিন। চাইলে এই কাটা খোসা ফ্রিজেও সংরক্ষণ করতে পারেন।
– এবার সকালে দাঁত ব্রাশ teeth করবার পূর্বে এই কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে আপনার দাঁত খুব ভাল করে ঘষুন। প্রথম টুকরোটি দিয়ে পুরো এক মিনিট ঘষুন। তারপর সেটা বদলে দ্বিতীয় টুকরোটি দিয়ে আরও এক মিনিট। অর্থাৎ পুরো দুই মিনিট দাঁতকে ঘষুন। দাঁতের প্রত্যেকটি অংশে যেন পৌছায় এমন ভাবে ঘষতে হবে।
– দাঁত ঘষা হলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট করতে পারলে ভালো। এই সময়ে পানি বা অন্য কিছু খাবেন না, কিংবা কুলি করবেন না। সময়টা পেরিয়ে গেলে আপনার নিয়মিত ব্যবহারের টুথ পেস্ট দিয়ে দাঁত মেজে নিন।
এবার আয়নায় তাকিয়ে দেখুন তো, লাগছে না দাঁত একটু বেশি পরিষ্কার? ৪/৫ দিন এমন করার পরেই দেখবেন আগের চাইতে অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে আপনার দাঁত। হলদে ভাব যেমন কমে গেছে, তেমনি কালো ছোপটাও অনেকটাই সরে গেছে। যারা ধূমপান বা মদ্যপান করেন, তাদের ক্ষেত্রেও কাজ করবে এই পদ্ধতি। তবে ব্যবহার করতে হবে বেশ দীর্ঘদিন। এবং সঠিক নিয়েম মেনে।
অবশ্যই মনে রাখতে হবে –
– এটা কোনও ম্যাজিক নয়। তাই ভালো ফল পেতে নিয়ম মেনে ব্যবহার করতে হবে।
– অবশ্যই কমপক্ষে ২ মিনিট ঘষতে হবে। এই সময়টা জরুরি। বেশি ঘষলে আরও ভালো।
– ঘষার পর অবশ্যই সময় দিতে হবে খনিজ গুলো দাঁতে শোষিত হবার।
– যাদের দাঁত মদ্যপান, ধূমপান বা অসুস্থতার কারণে হলুদ তাদের ক্ষেত্রে একটু সময় লাগবে।
– কলার খোসায় Banana peel প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। তাই অবশ্যই দাঁত খুব ভালভাবে মেজে নিতে হবে। এবং এই কারণেই দিনে ১ বারের বেশি ব্যবহার করা যাবে না।
– যাদের দাঁত খুব একটা বেশি হলুদ নয়, তারা সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।
অনেকেই বলবেন যে কাজ হয় না, ভুয়া ইত্যাদি। কিন্তু মোদ্দা কথাটা হলো হয় তারা চেষ্টা না করেই বলেছেন, কিংবা চেষ্টা করলেও সঠিক ভাবে করেননি। ফল পাবার জন্য অবশ্যই নিয়ম মেনে প্রয়োগ করতে হবে। আর তাই অন্য লোকের কথা শোনা বাদ দিয়ে নিজেই চেষ্টা করে দেখুন না!
চুলের উকুন দূর করুন মাত্র ১৫ মিনিটে !
উকুনের সমস্যা যেমন অস্বস্তিকর, তেমনি চুলকানির কারণে একটি বিরক্তিকর বিষয়ও বটে। মাথায় উকুন আসার পর ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ডিম পাড়ে। ১০ দিন সময় লাগে উকুন বড় হতে। একসঙ্গে ডিম থেকে উকুন হওয়ার কারণে অনেক দ্রুত চুলে উকুন ছড়িয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে যতই উকুননাশক প্রসাধনী ব্যবহার করেন, উকুন বারবার ফিরে আসে। ঘরোয়া উপায়ে মাত্র ১৫ মিনিটেই আপনি উকুনের সমস্যার সমাধান করতে পারেন।
এসেনশিয়াল অয়েল লাগানো
এসেনশিয়াল অয়েল, যেমন—টি ট্রি অয়েল, ল্যাভেন্ডার অয়েল ও মৌরির তেল উকুন দূর করতে বেশ কার্যকর। ভেজিটেবল অয়েলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে ও চুলে লাগান। এবার একটি তোয়ালে দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন। এক ঘণ্টা পর ভালো করে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, চুলের উকুন একেবারেই দূর হয়ে যাবে।
মেয়োনেজ, মাখন ও পেট্রোলিয়াম জেলি লাগান
মাথার তালু ও চুলে মেয়োনেজ বা মাখন অথবা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে চুল ঢেকে সারা রাত এভাবে রেখে দিন। সকালে বেবি অয়েল দিয়ে চুল ম্যাসাজ করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, চুলের উকুন ও উকুনের ডিম সহজেই দূর হবে।
ভিনেগার দিয়ে চুল ধোয়া
সমান পরিমাণ পানি ও ভিনেগার একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগান। এবার এই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে উকুন মরে যাবে। আপনি চাইলে ভিনেগারের সঙ্গে অলিভ অয়েলও মিশিয়ে নিতে পারেন।
ভেজা চুল আঁচড়ানো
প্রথমে চুল পানি দিয়ে ভিজিয়ে কন্ডিশনার লাগান। এবার চিকন চিরুনি দিয়ে মাথার ত্বক থেকে চুলের আগা পর্যন্ত আঁচড়ান। কয়েকবার এভাবে ভেজা চুল আঁচড়ান। দেখবেন, মাথার উকুন অনেকটা দূর হবে।
পরামর্শ
বাজারের উকুননাশক প্রসাধনী চুলে ব্যবহার করবেন না। এটি চুলের জন্য এবং আপনার স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর।
সব সময় পরিষ্কার বালিশের কভার ব্যবহার করবেন। চিরুনি ও কেশসজ্জার সামগ্রী সাবান মেশানো গরম পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করুন।
অন্যের তোয়ালে বা ক্যাপ ব্যবহার করবেন না। এমনকি অন্যের চিরুনিও ব্যবহার করবেন না। কারণ, এতে আপনার মাথায় উকুনের বংশবিস্তার হতে পারে।
এবার চিরকালের জন্য কোমরের ব্যথা দূর করার জাদুকরি উপায় জেনে রাখুন !
কোমর ব্যথার সমস্যায় কমবেশি সকলেই ভুগে থাকেন। তবে মহিলারা বেশি কোমর ব্যথায় বেশি ভোগেন। প্রথম থেকে কোমরের ব্যথা নির্মূল করতে না পারলে রোগীকে ভবিষ্যৎ এ বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে। একটি উপায়ে খুব সহজে এই ব্যথা উপশম করা সম্ভব। আসুন জেনে নিই কোমর ব্যথা দূর করার জাদুকরি উপায়টি।
কেন হয় কোমর ব্যথা?
ভারী বস্তু তোলার কাজ করলে।
কোমরে চোট পেলে।
অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করলে।
পা পিছে কোথাও পড়ে গেলে।
নিয়মিত গাড়ি চালালে।
সাধারণত কুঁজো হয়ে হাঁটলে বা বসলে।
গর্ভধারণ সময়ে।
হঠাৎ কোনো কারণে হাড়, মাংসপেশি, স্নায়ু—এই তিনটি উপাদানের সামঞ্জস্য নষ্ট হলে।
এই কোমর ব্যথা খুব সহজে দূর করা সম্ভব। আদা যে কোনো ব্যথা কমাতে সক্ষম। আদার মাধ্যমেই দূর করে দিতে পারবেন এই সমস্যা। আসুন জেনে নিই এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী আদা পানি বানানোর প্রক্রিয়াটি।
যা যা লাগবে
আদা
পরিষ্কার পাতলা কাপড়
গরম পানি
কিভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে আদা কুচি করে ফেলুন। এরপর আদা কুচিগুলো পাতলা কাপড়ে রাখুন। কাপড়টির মুখ সুতা বা রশি দিয়ে বন্ধ করে দিন। একটা পুটলি বানিয়ে ফেলুন। এবার চুলায় পানি গরম করতে দিন। এই পানির মধ্যে আদার পটলিটা চিপে রস পানিতে দিন। রস ভাল করে চিপে ফেলার পর আদার পুটলিটা পানির মধ্যে দিয়ে দিন।
এবার একটি কাপড় গরম আদা পানিতে চুবিয়ে নিন। এবার কাপড়টি থেকে ভাল করে পানি চিপড়িয়ে ফেলুন। এই আদা পানিতে চুবানো কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রাখুন। লক্ষ্য রাখবেন কাপড়টা যেন খুব বেশি মোটা না হয়।
সারা রাত কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন। সারা রাত সম্ভব না হলে কয়েক ঘণ্টা এটি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন।
দেখবেন কোমর ব্যথা গায়েব হয়ে গেছে। এটি আপনাকে দীর্ঘমেয়াদি আরাম দেবে।
রাতে খাওয়ার পরে এই কাজটি না করে ঘুমোতে গেলে হতে পারে মারাত্মক বিপদ!
এক এক জন মানুষের রাত্রিকালীন অভ্যাস এক এক রকমের হয়। খাওয়ার পরে কেউ গান শুনতে ভালবাসেন, কেউ বা বই নিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়েন, কেউ আবার খেয়ে উঠেই সটান লম্বা হন ঘুমোবেন বলে। এই সমস্ত অভ্যাসের মধ্যে কোনগুলি শরীরের পক্ষে ভাল, কোনগুলোই বা অস্বাস্থ্যকর? সেগুলি নিয়ে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু অন্তত একটি কাজ খেয়ে উঠে শুতে যাওয়ার আগে না করলে হতে পারে গুরুতর শারীরিক সমস্যা— এমনটাই মনে করছেন ডায়েটিশিয়ান লেজলি ব্যাক।
দা গ্লোব অ্যান্ড মেইল’ নামের দৈনিকে লেজলি জানাচ্ছেন, রাতে খেয়ে ওঠার পরে আর কিছু করুন না করুন, দু’তিন ঘন্টার বেশি কিছুতেই জেগে থাকবেন না। যদি খাওয়ার পরে চার বা পাঁচ ঘন্টা বাদে শুতে যান, তাহলে শরীরে মেটাবলিজম রেটে যেমন গুরুতর পরিবর্তন আসে, তেমনই ঘুমেও সমস্যা দেখা দেয়। এর ফলে রক্তচাপের ইতরবিশেষ ঘটে এবং হার্টের রোগ দেখা দিতে পারে। কাজেই লেজলির পরামর্শ, যদি রাত্রে খাওয়ার পর দীর্ঘক্ষণ জেগে থাকতেই হয় তাহলে ফল কিংবা অন্য কোনও সহজপাচ্য খাবার খেয়ে নিন।
কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘুমোতে যাওয়ার কথা বলছেন লেজলি। তাঁর বক্তব্য, খেয়ে উঠেই ঘুমিয়ে পড়লে গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল রিফ্লাক্সের ফলে গ্যাস, অম্বল বা বুক জ্বালার মতো সমস্যা দেখা দেয়। কাজেই খাওয়া এবং ঘুমোতে যাওয়ার মধ্যে ঘন্টা দেড়-দুই ব্যবধান রাখাই আদর্শ, এমনটাই মত লেজলির।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1362