Science Theme

Science Theme

Share

26/03/2021

"পূর্ববাংলার সূয্যিমামাটাও ৫০বছরের স্বাক্ষর বহন করে আজ জানান দিচ্ছে, আজকের এইদিনে এই বাংলায় তোমাদের ঋণ আমার অস্ত্বিত্বকে অর্থবহ করে তুলেছে, যে দীর্ঘ ২৩ বছরের তৃষ্ণায় আমি তৃষ্ণাত ছিলাম তা আজ আমি পৃথিবীর বুকে জানান দিয়েই, আমি আমার সমস্ত শরীরকে যেন নতুন সাজসজ্জায় রাঙিয়ে নিচ্ছি, আমার স্বাধীনতাকে "

--শামীম
সৌজন্য সায়ন্সথিম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় 03/03/2021

ব্রেকিং নিউজ......
ঢাবির ভর্তির(২০২০-২০২১) শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

২০১৫ সন থেকে ২০১৮ সন পর্যন্ত মাধ্যমিক বা সমমান এবং ২০২০ সনের উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ইউনিটে ভর্তির জন্য নির্ধারিত শর্ত পূরণ করেছে কেবল তারাই ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ১মবর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।

ভর্তি প্রার্থীরা ০৮/০৩/২০২১ তারিখ বিকেল ৪.০০টা থেকে ৩১/০৩/২০২১ তারিখ রাত ১১:৫৯ টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে Internet-এর সুবিধাসম্বলিত কম্পিউটার থেকে Dhaka University Admission Website (https://admission.eis.du.ac.bd) এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবে।

ক-ইউনিট : বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, ফার্মেসী, আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ও ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজী অনুষদ এবং সংশ্লিষ্ট ইনস্টিটিউটে বিজ্ঞান ও কৃষিবিজ্ঞান শাখার ছাত্র/ছাত্রী আবেদন করতে পারবে।

এই ইউনিটের আওতায় যে সকল বিভাগ/ইনস্টিটিউট-এ ভর্তির জন্য আবেদন করা যাবে তা ওয়েবসাইটে প্রদত্ত ইউনিটের ভর্তি নির্দেশিকায় বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।

বিজ্ঞান ও কৃষিবিজ্ঞান শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান শাখায় আলিম ও IGCSE/O Level এবং IAL/GCE A Level পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.৫ (মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ- ৩.৫ থাকতে হবে) আছে তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, ফার্মেসী, আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ও ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজী অনুষদে অন্তর্ভুক্ত বিভাগ/বিষয়সমূহ এবং সংশ্লিষ্ট ইনস্টিটিউটে মেধা অনুযায়ী ভর্তির জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের ভর্তিচ্ছু বিষয়ে অথবা ঐ বিষয়ের সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত অনুমোদিত বিষয়ে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় সর্বনিম্ন গ্রেড/গ্রেড পয়েন্ট প্রাপ্তির শর্তাদি ওয়েবসাইটে প্রদত্ত ভর্তি-নির্দেশিকায় বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।

খ-ইউনিট : কলা, সামাজিক বিজ্ঞান ও আইন অনুষদ-এর সকল বিভাগ এবং আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, জীববিজ্ঞান অনুষদের মনোবিজ্ঞান বিভাগ, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সমাজকল্যাণ, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষা, (বি.এড সম্মান), আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ইংরেজিসহ বিভিন্ন বিদেশী ভাষায় সম্মান কোর্স এবং স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের স্বাস্থ্য অর্থনীতি, ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এন্ড ভালনেরাবিলিটি স্টাডিজ-এর ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এন্ড ভালনেরাবিলিটি স্টাডিজ বিষয়।

মানবিক শাখার ছাত্র-ছাত্রী এবং IGCSE/O Level এবং IAL/GCE A Level বা সমতুল্য পরীক্ষায় যাদের কমপক্ষে ২টি মানবিক শাখার বিষয় আছে তারা আবেদন করতে পারবে।

এই ইউনিটের আওতায় যে সকল বিভাগ/ইনস্টিটিউট-এ ভর্তির জন্য আবেদন করা যাবে তা ওয়েবসাইটে প্রদত্ত ইউনিটের ভর্তি নির্দেশিকায় বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।

মানবিক শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রী ঘ-ইউনিটের (Transfer Unit) মাধ্যমে এই ইউনিটের বিভাগ গুলোতে ভর্তি হতে পারবে না।

মানবিক শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের মানবিক শাখার আলিম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.০ (মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ- ৩.০ থাকতে হবে) আছে তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় সর্বনিম্ন গ্রেড/গ্রেড পয়েন্ট প্রাপ্তির শর্তাদি এবং বিভাগীয় শর্তাদি ওয়েবসাইটে প্রদত্ত ভর্তি নির্দেশিকায় বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।

গ-ইউনিট : বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ

ব্যবসায় শিক্ষা এবং IGCSE/O Level এবং IAL/GCE A Level বা সমতুল্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীগণ আবেদন করতে পারবে।

এই ইউনিটের আওতায় যে সকল বিভাগে ভর্তির জন্য আবেদন করা যাবে তা ওয়েবসাইটে প্রদত্ত ইউনিটের ভর্তি নির্দেশিকায় বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।

ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স ও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.০ (মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ- ৩.৫ থাকতে হবে) আছে তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স ও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট শাখা থেকে আগত প্রার্থীদের একাউন্টিং বিষয়টি অবশ্যই থাকতে হবে এবং উক্ত বিষয়ে ন্যূনতম বি-গ্রেড (গ্রেড-পয়েন্ট ৩.০) হতে হবে। ইউনিট কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য শর্ত ওয়েবসাইটে প্রদত্ত ভর্তি নির্দেশিকায় বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।

গ-ইউনিটভুক্ত প্রার্থীরা কেবল বিজনেস স্টাডিজ অনুষদভুক্ত বিভাগসমূহের আসনগুলোতে ভর্তি হতে পারবে। তাদের ক, খ ও ঘ ইউনিটভুক্ত বিভাগগুলোতে ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তির কোন সুযোগ থাকবে না। তবে কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের বিভাগগুলোতে ভর্তি প্রার্থীদের ঘ-ইউনিটের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে।

ঘ-ইউনিট : বদলি ইউনিট (Transfer Unit)

মানবিক/বিজ্ঞান/ব্যবসায় শিক্ষা/ IGCSE/O Level এবং IAL/GCE A Level বা সমতুল্য শাখার ছাত্র-ছাত্রীগণ আবেদন করতে পারবে।

এই ইউনিটের আওতায় যে সকল বিভাগ/ইনস্টিটিউট-এ ভর্তির জন্য আবেদন করা যাবে তা ওয়েবসাইটে প্রদত্ত ইউনিটের ভর্তি-নির্দেশিকায় বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।

মানবিক শাখার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের মানবিক শাখায় আলিম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ যে সকল প্রার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.০ (মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.০ থাকতে হবে) আছে তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।

বিজ্ঞান, কৃষিবিজ্ঞান, গার্হস্থ্য অর্থনীতি এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান শাখা থেকে আগত যে সকল প্রার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.৫ (মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.৫ থাকতে হবে) আছে তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।

ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স ও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট শাখা থেকে আগত প্রার্থীদের মধ্যে যাদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৮.০ (মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.৫ থাকতে হবে) আছে কেবল তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।

উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় কোন বিষয়ে বি-গ্রেড (গ্রেড পয়েন্ট ৩.০) এর নিচে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। এই ইউনিটের আওতায় যে বিষয়ে ভর্তি হতে ইচ্ছুক সে-বিষয়ে অথবা ঐ বিষয়ের সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত অনুমোদিত বিষয়ে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় সর্বনিম্ন গ্রেড/গ্রেড পয়েন্ট প্রাপ্তির শর্তাদি এবং বিভাগীয় শর্তাদি ওয়েবসাইটে প্রদত্ত ভর্তি নির্দেশিকায় বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।

চ-ইউনিট : চারুকলা অনুষদ

এই ইউনিটের আওতায় নিম্নোক্ত বিভাগগুলোতে ভর্তির জন্য আবেদন করা যাবে:

১. অঙ্কন ও চিত্রায়ণ ২. গ্রাফিক ডিজাইন ৩. প্রিন্টমেকিং ৪. প্রাচ্যকলা ৫. মৃৎশিল্প ৬. ভাস্কর্য ৭. কারুশিল্প ও ৮. শিল্পকলার ইতিহাস।

উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষার যে কোন শাখায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.০ (মাধ্যমিক/সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ- ৩.০ থাকতে হবে) আছে তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় সর্বনিম্ন গ্রেড/গ্রেড পয়েন্ট প্রাপ্তির শর্তাদি এবং বিভাগীয় শর্তাদি ওয়েবসাইটে প্রদত্ত ভর্তি নির্দেশিকায় বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।

সাধারণ নিয়মাবলী (সকল ইউনিটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)

১। IGCSE/O Level এবং IAL/GCE A Level প্রার্থীর ক্ষেত্রে: ২০১৫ সন থেকে ২০১৮ সন পর্যন্ত IGCSE/O Level পরীক্ষায় অন্তত ৫টি বিষয়ে এবং ২০২০ সনের ফল প্রকাশিত IAL/GCE A Level পরীক্ষায় অন্তত ২টি বিষয়ে উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। তাদের IGCSE/O Level এবং IAL/GCE A Level মোট ৭টি বিষয়ের মধ্যে যথাক্রমে ৪টি বিষয়ে কমপক্ষে বি-গ্রেড ও ৩টি বিষয়ে কমপক্ষে সি-গ্রেড থাকতে হবে।

২। সমমানের বিদেশী সার্টিফিকেট/ডিপ্লোমাধারী প্রার্থীরা সংশ্লিষ্ট ইউনিট প্রধানের অনুমতি সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে। তবে সংশ্লিষ্ট অনুষদ কর্তৃক সমতা নিরূপিত হলেই কেবল তারা ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এ ছাড়াও সকল প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট ইউনিট কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হবে।

কোটায় ভর্তি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীর ওয়ার্ডকোটা (কেবল ছেলে/মেয়ে/স্বামী/স্ত্রী) উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি, হরিজন ও দলিত সম্প্রদায়, প্রতিবন্ধি (দৃষ্টি, বাক, শ্রবণ ও শারীরিক) ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/মুক্তিযোদ্ধার নাতি/নাতনীসহ, খেলোয়াড় (শুধুমাত্র বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) থেকে এইচ এস সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীদের) কোটায় ভর্তি প্রার্থীদেরকে সংশ্লিষ্ট ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের ৭ (সাত) দিনের মধ্যে ঐ ইউনিটের ডিন অফিস থেকে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র প্রদর্শন পূর্বক নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করতে হবে।

(ক) ওয়ার্ড কোটার ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট অফিস প্রধানের প্রত্যয়নপত্রসহ।

(খ) উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি কোটার ক্ষেত্রে স্ব-স্ব উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি প্রধান/জেলা প্রশাসক এর সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপিসহ

(গ) হরিজন ও দলিত সম্প্রদায় কোটার ক্ষেত্রে হরিজন ও দলিত সম্প্রদায় সংগঠন প্রধানের সনদপত্রসহ।

(ঘ) প্রতিবন্ধি কোটার (দৃষ্টি, বাক, শ্রবণ ও শারীরিক) ক্ষেত্রে সঠিকতার সনদপত্রসহ।

(ঙ) মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/মুক্তিযোদ্ধার নাতি/নাতনীসহ কোটার ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত সনদপত্র অথবা ১৯৯৭ সন থেকে ২০০১ সন পর্যন্ত বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের অধীনে তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষরিত মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্রসহ।

(চ) খেলোয়াড় কোটায় শুধুমাত্র বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) থেকে এইচ এস সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীরা আবেদন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সনদপত্র প্রাপ্ত হতে হবে।

উপরোক্ত কোটার নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করে তা যথাযথভাবে পূরণ করে যে কোটায় ভর্তি হতে ইচ্ছুক তার প্রত্যয়নপত্র/সনদপত্র/ প্রমাণপত্র সংশ্লিষ্ট ইউনিট প্রধানের অফিসে অফিস চলাকালীন সময়ে জমা দিতে হবে।

যাদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত সনদ নেই কিন্তু সনদের জন্য আবেদন করেছে তাদের ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। তবে ভর্তির জন্য চূড়ান্ত নির্বাচনের পূর্বে অবশ্যই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত সনদপত্র জমা দিতে হবে।

২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি নিম্নরূপ:

ক-ইউনিট - ২১/০৫/২০২১ - শুক্রবার

সকাল ১১.০০ টা থেকে ১২.৩০ মিনিট পর্যন্ত

খ-ইউনিট - ২২/০৫/২০২১ - শনিবার

সকাল ১১.০০ টা থেকে ১২.৩০ মিনিট পর্যন্ত

গ-ইউনিট - ২৭/০৫/২০২১ - বৃহষ্পতিবার

সকাল ১১.০০ টা থেকে ১২.৩০ মিনিট পর্যন্ত

ঘ-ইউনিট - ২৮/০৫/২০২১ - শুক্রবার

সকাল ১১.০০ টা থেকে ১২.৩০ মিনিট পর্যন্ত

চ-ইউনিট (সাধারণ জ্ঞান) - ০৫/০৬/২০২১ - শনিবার

সকাল ১১.০০ টা থেকে ১১.৩০ মিনিট পর্যন্ত

চ-ইউনিট (অংকন) - ১৯/০৬/২০২১ - শনিবার

সকাল ১১.০০ টা থেকে ১২.০০ টা পর্যন্ত



২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় নম্বর ও সময় বন্টন
(ওয়েবসাইটে স্ব স্ব ইউনিটের ভর্তি নির্দেশিকায় বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১মবর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে সকল ইউনিটের ভর্তি প্রার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে Mobile Phone, Calculator, Electronic Device সম্বলিত ঘড়ি ও কলম ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষেধ।

ওয়েবসাইটে প্রদত্ত ভর্তি-নির্দেশিকায় উল্লেখ নেই ভর্তি সংক্রান্ত এমন কোন তথ্য জানতে হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিট কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হবে।

অনলাইনে ভর্তির প্রাথমিক আবেদনের জন্য আবেদনকারীর করণীয়:

সাধারণ তথ্য (সকল আবেদনের জন্য)

যেকোন ইউনিটে ভর্তির আবেদন https://admission.eis.du.ac.bd ওয়েব সাইট থেকে করা যাবে। ভর্তির আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীর উচ্চমাধ্যমিক এবং মাধ্যমিকের তথ্য, বর্তমান ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর, পিতা/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (ঐচ্ছিক), শিক্ষার্থী যে বিভাগীয় শহরের কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আগ্রহী, কোটা এবং স্ক্যান করা একটি ছবির প্রয়োজন পড়বে। ভর্তির আবেদন ফি তাৎক্ষনিক অনলাইনে বা চারটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকে (সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী) নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে জমা প্রদান করা যাবে। আবেদন ও ফি জমার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উক্ত ওয়েব সাইটে পাওয়া যাবে।

সমতা নিরূপনের জন্য

এ-লেভেল/ও-লেভেল/সমমান বিদেশী পাঠক্রমে বা উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সমতা নিরূপনের জন্য https://admission.eis.du.ac.bd ওয়েব সাইটে গিয়ে ‘‘সমমান আবেদন’’ বা "Equivalence Application" মেনুতে আবেদন করে তাৎক্ষনিকভাবে অনলাইনে নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে। সমতা নিরূপনের পর প্রাপ্ত "Equivalence ID" ব্যবহার করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মত তারা একই ওয়েবসাইটে লগইন করে ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবে।

-------------
রেজিস্ট্রার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় Website for Online Admission in University of Dhaka for 2019. Applicants can Apply, download pay-in slip, download admit card, view their seat plan and exam results from this site. All the notices regarding the admission procedure will be posted in this site accordingly.

03/01/2021

✍✍ইংরেজি এমন একটি ভাষা যা আপনার সঠিক ভাবে জানা থাকলে পৃথিবীর যে কোন দেশে গিয়ে জীবন চালাতে পারবেন। কিন্তু আমাদের বাংলাদেশে অনেক মানুষই আছেন যারা ইংরেজিকে ভয় পেয়ে থাকেন। শুধু পড়তে ভয় না, তারা ইংরেজি বলতেও ভয় পেয়ে থাকেন। মনে করেন যে, ইংরেজি বলতে গিয়ে কী থেকে কী বলে ফেলি! ভুল বলে থাকলে মানুষ হাসাহাসি করবে। কিন্তু ভুল বলেই মানুষ সঠিকটা শেখে। এবং যতই ভয় পান না কেন ইংরেজি কিন্তু খুব আনন্দায়ক একটি ভাষা। আপনার সঠিক ভাবে ইংরেজি জানা থাকলে দেখবেন নিজের ওপর নিজের আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে যাবে। তাই জেনে রাখুন যে ৯ টি কারণে আজকাল ইংরেজি জানাটা খুব প্রয়োজন।
👉🏼ইংরেজি শিক্ষা খুব আনন্দদায়ক।
✎ইংরেজি শিক্ষা খুব আনন্দের ঠিকই, তবে অনেকের কাছেই এই বিষয়টি মোটেও আনন্দের নয়। ইংরেজি ভাল না লাগার আসল কারণ হল আপনি কীভাবে ইংরেজি শিখেছেন কিংবা শিখছেন। ইংরেজি শিখতে সময় নিন, ইংরেজি গান শুনুন, সিনেমা দেখুন, গল্পের বই পড়ুন, গেমস খেলুন। আনন্দ নিয়ে ইংরেজি শেখার অনেক উপায় আছে, সেই উপায়গুলোকে কাজে লাগান। দেখবেন একটি সময় যখন ইংরেজি বলতে, বুঝতে ও লিখতে পারবেন, দেখবেন তখন নিজের প্রতি নিজের আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে গিয়েছে।
👉🏼ইংরেজি শিক্ষা আপনার কর্মজীবনে
সফলতা বয়ে আনে।
✎আপনি যখন কোন অাধুনিক কর্মক্ষেত্রে যোগদান করবেন তখন প্রথমেই ইন্টারভিউ থেকে শুরু করে সবকিছুতেই আপনাকে ইংরেজি বলতে হবে। হয়তো সবার সাথে প্রতিনিয়ত ইংরেজিতে কথা বলা একটু কঠিন কাজ, কিন্তু এটিই নিয়ম। কর্মক্ষেত্রে আপনার সফলতা কেউ ধরে রাখতে পারবে না, যদি আপনি ভালমত ইংরেজি জেনে থাকেন। তাই বিশেষ করে নিজের কর্মজীবনকে সফলতার উচ্চে নিতে হলে ইংরেজি জানা খুব জরুরী।
👉🏼ইংরেজি শিক্ষার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক
যোগাযোগ বৃদ্ধি পায়।
✎আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন, কাজের ক্ষেত্রে আপনাকে যে কোন সময় যে কোন মুহূর্তে বিদেশী কোন ক্লাইন্ট এর সাথে যোগাযোগ হতে পারে ঠিক এই সময়ে আপনাকে কিন্তু ইংরেজিতেই কথা বলতে হবে। আপনি বিদেশ যেতে চান পড়ালেখা করতে, আপনি অন্য সব বিষয়ে খুব মেধাবী, কিন্তু ইংরেজি বিষয়টিতে আপনি পারদর্শী নন তাহলে তো হবেনা কারণ বিদেশে গিয়ে জীবন চালাতে হলে, সবার সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে ইংরেজি জানতে হবে ভালমতো।
👉🏼ইংরেজি শিক্ষা আপনাকে সাহায্য করে।
✎আপনি যদি খুব সহজেই ইংরেজি বলতে ও বুঝতে পারেন তাহলে দেখবেন যে কোন কিছু আপনার কাছে খুব সহজ লাগবে ও কোন বিষয়ে নতুন তথ্যও আপনার কাছে খুব সাধারণ মনে হবে। ধরুন আপনি ও পুরো পরিবারের সবাই মিলে দেশের বাইরে কোথাও বেড়াতে গেলেন কিন্তু আপনার পরিবারের কেউ ইংরেজি জানে না, তখন কিন্তু আপনাকেই সবকিছু করতে হবে। তাছাড়া এমন আরও অনেক বিষয় আছে যা ইংরেজি জানা থাকার কারণে আপনাকে খুব সহযোগিতা করে।
👉🏼ইংরেজি শিক্ষা আপনাকে স্মৃতিশক্তি।
লোপ পাওয়া থেকে রক্ষা করবে।
✎বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে, আপনি যদি আপনার মনকে কোন কিছু শিখতে ব্যবহার করেন তাহলে তা আপনার স্মৃতিশক্তিকে অক্ষত রাখতে সাহায্য করে। স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া ও ব্রেনের অন্যান্য অসুখ আপনি খুব সহজেই দূরে রাখতে পারবেন ইংরেজি শিক্ষার মাধ্যমে। তাই এখন থেকেই ইংরেজি শিক্ষায় মনোযোগ দিন।
👉🏼ইংরেজি আপনাকে যেকোন গুরুতর
কঠিন ভাষাও বুঝতে সহায়তা করে।
✎পৃথিবীতে সহজ অনেক বিষয়ের পাশাপাশি কঠিন অনেক বিষয়ও আছে। যা ইংরেজি ঠিক ভাবে জানা থাকলে খুব সহজেই বুঝতে পারবেন। তাছাড়া অনেক বিদেশী আছেন যাদের ইংরেজি ভাষা স্পষ্ট না তখন আপনি যদি ইংরেজি জেনে থাকেন তাদের ভাষা সহজেই বুঝে ফেলতে পারবেন।
👉🏼ইংরেজি শিক্ষা আপনাকে আরও বেশি
শিখতে সাহায্য করে।
✎আপনি ভালোভাবেই ইংরেজি জানেন। কিন্তু আপনি যখন ইংরজিতে কোন একটি বিষয় নিয়ে মস্তিষ্ক খাটাবেন তখন দেখবেন ইংরেজি জানা থাকা সত্ত্বেও আপনার আরও অনেক কিছু জানতে ও শিখতে ইচ্ছে করবে। ধরুন আপনি গল্পের বই পড়তে খুব ভালবাসেন ও গল্পের বই গুলো আপনাকে আরও বেশি করে গল্পের বই পড়তে আগ্রহী করে তোলে, ইংরেজি শিক্ষাটাও ঠিক সেইরকম।
👉🏼ইংরেজি শিক্ষা আপনার মনের ভয় দূর করে।
✎আপনি ইন্টারভিউ দিতে ভয় পাচ্ছেন, দেশের বাইরে গিয়েছেন ঠিকই কিন্তু ইংরেজি না জানার কারণে কারও সাথে কথাও বলতে পারছেন না, কোন ইংরেজি মজার সিনেমা দেখছেন কিন্তু কি বলছে সিনেমাটিতে কিছুই বুঝতে পারছেন না। এই ধরনের সমস্যাগুলো অনেকেরই হয়ে থাকে এবং এটি কিন্তু কোন সাধারণ সমস্যা না। তাই এই সমস্যা দূর করতে ইংরেজি শিক্ষা খুব প্রয়োজন।
👉🏼ইংরেজি হল পুরো বিশ্বের ভাষা।
✎বিভিন্নি দেশের বিভিন্ন ভাষা আছে। কিন্তু নিজ নিজ দেশের ভাষা জানার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষাও জানা কেন খুব জরুরী তা নিশ্চয়ই আপনি এখন বুঝতে পারছেন!

20/12/2020
Photos from Science Theme's post 16/12/2020

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা!

১৬ ডিসেম্বর, রক্তস্নাত বিজয়ের ৪৯তম বার্ষিকী। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের মাথা উচু করার দিন। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র সংগ্রাম করে বহু প্রাণ আর এক সাগর রক্তের বিনিময়ে এদিনে বীর বাঙালি ছিনিয়ে আনে বিজয়ের লাল সূর্য।

পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশের মুক্তিকামী মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের পর এদিন আত্মসমর্পণ করে মুক্তিকামী মানুষের কাছে। আর পাকিস্তানি বাহিনীর এই আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটে দীর্ঘ দুই যুগের পাকিস্তানি শোষণ আর বঞ্চনার। নির্যাতন, নিষ্পেষণের কবল থেকে মুক্ত হয় বাঙালি জাতি।

৪৯ বছরের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশার বিশ্লেষণ হচ্ছে সর্বত্র। বিজয়ের ৪৯ বছর পূর্তিতে আজ মুক্তিযোদ্ধাদের বিদেহী আত্মা পেয়েছে শান্তি- ঘৃণ্য যুদ্ধাপরাধীদের অনেকের বিচার সম্পন্ন হয়েছে। আজ পরম শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় পুরো জাতি স্মরণ করবে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী লাখো শহীদদের। যাদের জীবন উৎসর্গে আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। একই সঙ্গে প্রত্যয় ব্যক্ত হবে সমৃদ্ধ আগামীর বাংলাদেশ গড়ার। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সীমিত ভাবে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে দিবসটি পালিত হবে এবার। দিবসটি উপলক্ষে সারা দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা ওড়ানো হবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পালিত হবে নানা কর্মসূচি।

১৭৫৭ সালে পলাশীর আম্রকাননে স্বাধীনতার যে সূর্য অস্তমিত হয়েছিল সেটির উদয় ঘটে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর।

বিজয়ের মহামুহূর্তটি সূচিত হয়েছিল আজকের এই দিনে। ৯১ হাজার ৫৪৯ পাকিস্তানি সৈন্য প্রকাশ্যে আত্মসমর্পণ করেছিল। ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী মিত্র বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের সর্বাধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিত্ সিং অরোরার কাছে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেছিলেন। দেনদরবার নয়, কারও দয়ার দানে নয়, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বিজয়ের পর নত মস্তকে পাকিস্তানি বাহিনী পরাজয় মেনে নেয়। পৃথিবীতে নতুন একটি রাষ্ট্র হিসেবে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। আর এই বিজয়ের মহানায়ক হিসাবে যিনি ইতিহাসে চির অম্লান ও ভাস্বর হয়ে আছেন তিনি হলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

আনন্দ অনেকভাবেই আসতে পারে জীবনে। কিন্তু মাতৃভূমির পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্তির জন্য প্রাণ উত্সর্গ করা যুদ্ধজয়ের আনন্দের কোনো তুলনা হয়! ৫৫ হাজার বর্গমাইলের এই সবুজ দেশে ৪৭ বছর আগে আজকের এই দিনে উদিত হয়েছিল বিজয়ের লাল সূর্য। মুক্তিপাগল বাঙালি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙ্গে স্বাধীনতার সূর্য ছিনিয়ে এনেছিলো। যে সূর্য কিরণে লেগে ছিল রক্ত দিয়ে অর্জিত বিজয়ের রং। সেই রক্তের রং সবুজ বাংলায় মিশে তৈরি করেছিল লাল সবুজ পতাকা। সেদিনের সেই সূর্যের আলোয় ছিল নতুন দিনের স্বপ্ন, যে স্বপ্ন অর্জনে অকাতরে প্রাণ দিয়েছিল এ দেশের ৩০ লাখ মানুষ। নয় মাসের জঠর-যন্ত্রণা শেষে এদিন জন্ম নেয় একটি নতুন দেশ, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

বস্তুত:বাংলাদেশের স্বাধীনতার মাহেন্দ্রক্ষণ একদিনে আসেনি। এর পেছনে রয়েছে এই জাতির ঘাম ঝরানো সংগ্রাম। সেই সংগ্রামের মহান সেনাপতি হিসেবে কাউকে বিবেচনা করতে গেলেই উচ্চারিত হবে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু মানেই স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধু মানেই আমাদের নতুন অস্তিত্ব। ৫৫ হাজার বর্গমাইল জুড়েই তাঁর অস্তিত্ব বিদ্যমান।

ঔপনিবেশিক ইংরেজ শাসনামলে বাঙালি রক্ত দিয়েছে। লড়াই করেছে শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে। সোয়া ২শ' বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংগ্রাম ও লড়াইয়ে রক্ত দিয়েছে এই বাঙালি জাতি। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পেছনেও ছিলো বাঙালিদের অবদান। বাঙালিরাই ছিলো পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মূল কারিগর। কিন্তু কয়েক বছরেই বাঙালির স্বপ্নভঙ্গ হয়। যে শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে তারা ইংরেজদের বিতাড়িত করেছিলো সেই একই রকম শোষণ বঞ্চনার মুখোমুখি হয়ে পড়ে কয়েক বছরের মধ্যেই। শুরু হয় সংগ্রামের নতুন যুগ। পাকিস্তানীরা এ ভূখন্ডের মানুষকে তাদের তাঁবেদার মনে করতো। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক সর্বক্ষেত্রেই তারা বঞ্চিত করতো বাঙালিদের। এমনকি নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিতেও তারা অস্বীকার করতো।

বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে মুক্তির মহামন্ত্রে উজ্জীবিত করে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের পথে এগিয়ে নিয়ে যান। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ’৪৮-এ বাংলা ভাষার দাবীতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের পথ বেয়ে ’৫২-এর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, ’৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়লাভ, ’৫৬-এর সংবিধান প্রণয়নের আন্দোলন, ’৫৮-এর মার্শাল ’ল বিরোধী আন্দোলন, ’৬২-এর শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলন, ’৬৬-এর বাঙালির মুক্তির সনদ ৬-দফার আন্দোলন, ৬৮-এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ’৬৯-এর রক্তঝরা গণঅভ্যুত্থান, ৬-দফা ভিত্তিক ’৭০-এর ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন, ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ খ্যাত কালজয়ী ঐতিহাসিক ভাষণ ও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন প্রভূত ঘটনা প্রবাহের মধ্য স্বাধীনতা অর্জনের চূড়ান্ত লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওঠে বাঙালি জাতি। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের কালো রাত্রিতে পাকহানাদার বাহিনী কর্তৃক বাঙালির উপর নির্বিচারে গণহত্যা শুরু হলে ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঙালি জাতি। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী জনযুদ্ধ শেষে ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী যৌথবাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে এবং পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে নতুন রাষ্ট্রের অভ্যুদ্বয় ঘটে।

১৬ই ডিসেম্বর বীর বাঙালির বিজয় দিবস। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের সকল দেশপ্রেমিক মানুষের সাথে একাত্ম হয়ে বরাবরের মতো এবারও যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে উৎসব মুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করবে।

মহান বিজয় দিবস পালনে যেন নতুন সাজে সেজেছে বাংলাদেশ। সারা দেশ ছেয়ে গেছে লাল-সবুজ পতাকায়।

Article from: Official Website of Bangladesh Awami League.
Collected by: Smd Kabir Hossain.

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Road 15-Sector 06-Uttara
Dhaka
1230