DesignTech
Interior Design & Decorations.
05. Architectural & Structural Design.
06. Electric & Plumbing Design
07. Building Construction.
08. Building Construction Supervision.
09. Construction Consultancy.
10. Construction Chemical supply.
11. Artificial fair face work.
সহজে সহজ ভাবে মনে রাখা
১০০ বর্গফুট (প্রায় ১০×১০ ফুট) দেয়ালে কম খরচে ড্যাম/নোনা/স্যাঁতস্যাঁতে রোধ করার জন্য আনুমানিক পরিমাণ আর খরচের হিসাব।
এখানে আমরা পাতলা লেপ/প্লাস্টার প্রায় ¼ ইঞ্চি (৬ মিমি) ধরে নিচ্ছি।
পরিমাণ (১০০ বর্গফুট দেয়ালের জন্য)
A) পাতলা প্লাস্টার (সিমেন্ট+চুন+বালি, অনুপাত 1:1:3)
মোট মিশ্রণ: ~ 2.1 cft (¼" লেপ)
সিমেন্ট: ~0.42 cft ≈ 0.33 ব্যাগ (≈17 কেজি)
চুন (শুকনো লাইম পাউডার): ~0.42 cft (প্রায় 8–10 কেজি, ঘনত্বভেদে ওঠানামা করবে)
বালি (ফাইন/প্লাস্টার স্যান্ড): ~1.25 cft
B) প্রাইমার ও রঙ (২ কোট ধরে)
ড্যাম্প/ওয়াটারপ্রুফ প্রাইমার: ~1.0–1.2 লিটার (২ কোটে)
ইমালসন পেইন্ট (অ্যান্টি-ফাঙ্গাস): ~1.5–1.8 লিটার (২ কোটে)
C) অ্যান্টি-সল্ট/অ্যান্টি-এফ্লোরেসেন্স কেমিক্যাল (ঐচ্ছিক কিন্তু উপকারী)
কনসেনট্রেট: ~200–300 মি.লি. (পানিতে মিশিয়ে ১–২ কোট ব্রাশ/স্প্রে)
D) পরিষ্কারের উপকরণ
সাদা ভিনেগার: ~500 মি.লি.
শক্ত ব্রাশ/স্ক্র্যাপার: ১টি
আনুমানিক খরচ (BDT, ব্র্যান্ড/এলাকা ভেদে পার্থক্য হবে)
সিমেন্ট ১ ব্যাগ (৫০ কেজি): ৳520–৳600 ⇒ 0.33 ব্যাগ = ~৳175–৳200
চুন (লাইম পাউডার) ১০ কেজি: ~৳200–৳350
বালি ৳100–৳180**
ড্যাম্প-প্রুফ প্রাইমার ১ লিটার: ৳350–৳600
ইমালসন পেইন্ট ১ লিটার (অ্যান্টি-ফাঙ্গাস): ৳400–৳700 × ৳600–৳1,200**
অ্যান্টি-সল্ট কেমিক্যাল 250 মি.লি.: ~৳150–৳300
ভিনেগার/স্ক্র্যাপার ইত্যাদি: ~৳150–৳300
উপকরণ মোট (অপশনাল কেমিক্যালসহ): প্রায় ৳1,375 – ৳2,830
(কেমিক্যাল বাদ দিলে ~৳1,200 – ৳2,500 এর মধ্যে)
শ্রম খরচ (এলাকা অনুযায়ী বদলাতে পারে)
পাতলা প্লাস্টার (¼"): ৳15–৳25/বর্গফুট ⇒ ১০০ sqft = ৳1,500–৳2,500
প্রাইমার+রঙ (২ কোট): ৳10–৳18/বর্গফুট ⇒ ১০০ sqft = ৳1,000–৳1,800
শ্রম মোট: ~৳2,500 – ৳4,300
---
মোট আনুমানিক খরচ (১০০ sqft)
উপকরণ + শ্রম: ~৳3,900 – ৳7,100
(এলাকা, ব্র্যান্ড, কারিগরের রেট ও দেয়ালের অবস্থা অনুযায়ী কম-বেশি হতে পারে)
---
কাজের ধাপ (ঝটপট চেকলিস্ট)
1. নোনা ব্রাশে শুকনো অবস্থায় তুলে ফেলুন → ভিনেগার ১:১ পানি স্প্রে → শুকনো করুন।
2. ফাটল/গর্ত মেরামত।
3. সিমেন্ট:চুন:বালি = 1:1:3 মিশ্রণে ¼" পাতলা লেপ দিন → ২–৩ দিন কিউরিং/শুকানো।
4. অ্যান্টি-সল্ট কেমিক্যাল (ঐচ্ছিক) লাগান → শুকান।
5. ড্যাম্প-প্রুফ প্রাইমার ১–২ কোট → শুকিয়ে রঙ ২ কোট।
কীভাবে কম খরচে ভবনের দেয়ালে নোনা (স্যাঁতস্যাঁতে + লবণ দাগ) প্রতিরোধ করা যায়। এখানে ব্যয়বহুল কেমিক্যাল না কিনেও কিছুটা সমাধান পাবেন।
🏠 কম খরচের পদ্ধতি
১. নোনা পরিষ্কার করা
দেয়ালের নোনা অংশ শক্ত ব্রাশ দিয়ে ঘষে তুলে ফেলুন।
ভিনেগার (১ ভাগ) + পানি (১ ভাগ) মিশিয়ে স্প্রে করুন → ১০ মিনিট পর শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন।
১ দিন দেয়াল শুকাতে দিন।
---
২. সিমেন্ট + চুন মিশ্রণ তৈরি
১ ভাগ সিমেন্ট
১ ভাগ শুকনো চুন (lime powder)
২–৩ ভাগ বালি
সামান্য পানি দিয়ে পেস্ট বানান।
👉 চাইলে বাজারে পাওয়া যায় এমন সস্তা ওয়াটারপ্রুফ কেমিক্যাল (Dr. Fixit LW+, Sika Liquid, Fosroc Conplast) কয়েক ফোঁটা মিশিয়ে নিতে পারেন, এতে কার্যকারিতা অনেক বাড়বে।
---
৩. দেয়ালে লাগানো
পরিষ্কার করা দেয়ালের ওপর এই মিশ্রণ প্লাস্টার করুন (পাতলা লেপ দিলেই যথেষ্ট)।
২–৩ দিন শুকিয়ে নিন।
---
৪. প্রাইমার + রঙ করা
শুকানোর পর সাধারণ চুন-সিমেন্ট প্রাইমার ব্যবহার করুন।
তারপর ভালো মানের রঙ (যেমন Berger Robbialac বা Asian Paints) দিন।
রঙে চাইলে ৫–১০% লবণ-প্রতিরোধী কেমিক্যাল মিশিয়ে নিতে পারেন।
---
৫. ছাদ/বাইরের দেয়ালের যত্ন
ছাদে বা বাইরের দেয়ালে ফাটল থাকলে সিমেন্ট-স্যান্ড মর্টার দিয়ে মেরামত করুন।
মাটির কাছের দেয়ালে (গ্রাউন্ড ফ্লোর) ছোট খরচে সমাধান পেতে মাঝে মাঝে চুনের সাদা প্রলেপ দিলে আর্দ্রতা কম ধরে।
---
✅ এভাবে করলে ব্যয় খুব বেশি হবে না, কিন্তু অন্তত ১–২ বছর দেয়াল অনেকটা নোনা মুক্ত থাকবে।
স্থায়ী সমাধানের জন্য অবশ্যই ভবিষ্যতে ভালো মানের ওয়াটারপ্রুফ ট্রিটমেন্ট করা দরকার।
25/08/2025
আপনার বাড়ির দেয়ালে ড্যাম/নোনা ধরেছে ? সমাধান খুঁজছেন ? তাহলে পরবর্তী পোষ্টের মাধ্যমে জেনে নিন কিভাবে ড্যাম/ নোনা দূর করবেন |
সঙ্গে থাকুন লাইক কমেন্ট শেয়ার করে
ভবন বা বিল্ডিং এ নোনা ধরে কেন ?
ভবনে নোনা ধরা অর্থাৎ দেয়ালের সাদা সাদা গুঁড়োর মতো দাগ বের হওয়া, আসলে এক ধরনের Efflorescence বা লবণ বের হওয়ার প্রক্রিয়া।
🏠 নোনা ধরার প্রধান কারণগুলো
1. পানি প্রবেশ করা
ছাদ, দেয়াল বা মেঝে দিয়ে বৃষ্টির পানি ঢুকে ভেতরে জমে যায়।
পাইপ লিক হলে বা স্যাঁতস্যাঁতে মাটি থাকলে পানি ইটের ভেতরে ঢোকে।
2. ইট, বালি বা সিমেন্টে লবণ থাকা
ইট, বালি বা পানির ভেতর লবণজাতীয় খনিজ (সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম সালফেট ইত্যাদি) থাকে।
পানি ঢুকলে এগুলো গলে যায়, পরে শুকালে লবণ দেয়ালের গায়ে সাদা দাগ হিসেবে বের হয়।
3. ভালো ওয়াটারপ্রুফিং না থাকা
প্লাস্টার বা পেইন্টে সঠিক ওয়াটারপ্রুফ কেমিক্যাল ব্যবহার না করলে পানি সহজে টেনে নেয়।
4. বাইরের আর্দ্রতা
মাটির নিচে বা গ্রাউন্ড ফ্লোরে আর্দ্রতা বেশি হলে দেয়াল ভিজে লবণ টেনে আনে।
07/08/2025
Flat area 1300 sft .
আপনার টি কেমন চান ?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Website
Address
Dhaka
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 17:00 |
| Tuesday | 10:00 - 17:00 |
| Wednesday | 10:00 - 17:00 |
| Thursday | 10:00 - 17:00 |
| Saturday | 10:00 - 17:00 |
| Sunday | 10:00 - 17:00 |