BooK ShelF

BooK ShelF

Share

31/12/2024

বছর তো শেষ হতে চললো! এ বছরে কয়টি বই পড়লেন আর কয় কোটি reels দেখলেন? হিসাব করেছেন কি...?
আসুন নতুন বছরে কতটি বই পড়তে চান তার একটি টার্গেট করে ফেলি...

year will be start with a new schedule...

19/03/2023

Book Review- 31
বইঃ ❝বাইশের বন্যা❞
লেখকঃ তাসরিফ খান
রেফারেন্সঃ সাকিব বিন মুশফিক।

রিভিউঃ একদম বাস্তব কাহিনীর চিত্রকল্প ফুটে উঠেছে এই বইটিতে। মূলত সিলেটের বন্যার ভয়াবহতা এবং বন্যা দুর্গতদের সাহায্যের কার্যক্রম খুব সূচালো ভাবে বর্ণনা করেছেন তাসরিফ ভাই এখানে। বইটির সূচিক্রমে খন্ড খন্ড মোট সাতটি ঘটনা স্থান পেয়েছে। কিছু কিছু ঘটনা একদম শ্বাসরুদ্ধকর!
একবার তো ডাকাতরা তাদের ত্রাণের নৌকার পিছু নিয়েছিল! তাদের আসল উদ্দেশ্য, তাসরিফ স্কোয়াডের সাথে থাকা টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেয়া। ভাবা যায়, মানুষ কতটা অমানবিক হলে এমন বিপদের দিনে এরকম নিষ্ঠুর কাজ করতে পারে!
আবার একবার তো পুরো তাসরিফ স্কোয়াড ই অপহরণ হয়ে যেতে বসেছিল! সুযোগ সন্ধানী ব্যক্তিরা যে আসলেই নিষ্ঠুর-পাষাণ হৃদয়ের হয়ে থাকে, তা এই ঘটনা থেকেই বোঝা যায়।
আবার কিছু মানুষের উদারতা, মানসিকতা, সাহসিকতা এতটাই মুগ্ধ করেছে পাঠকদেরকে যে তাদের প্রতি একটা সম্মানবোধ মন থেকেই চলে আসে!
"ভারী বাতাস" শিরোনামের একটি ঘটনায়, একবার একটা পিচ্চি ছেলে, বয়ষ্ক একজন ব্যক্তির হাত ধরে একটা কেনো রকম উচু যায়গা থেকে তাসরিফ স্কোয়াডের স্পিড বোট দেখে দৌড়াচ্ছিল আর ডাকছিল স্যার স্যার বলে। বৃদ্ধ লোকটি হাঁটতে পারছিল না, সে কোন রকমে হাতের ইশারায় ডাকছিল আমাদেরকে। কিন্তু তখন ত্রাণ বিতরন শেষ হয়ে যাওয়ার ফলে নৌকায় কোন ত্রাণ বা নগদ টাকা-পঁয়সা কিছুই ছিল না। যার ফলে, ওই পিচ্চি বাচ্চার ডাকে সাড়া না দিয়ে মাথা নিচু করেই স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য হয় তাসরিফ স্কয়াড।
এছাড়াও আরো কিছু শ্বাসরুদ্ধকর উদ্ধার অভিযান এবং ত্রাণ বিতরণ কর্মকাণ্ডের ঘটনা এই বইয়ে স্থান পেয়েছে। দিনের-পর-দিন বন্যা কবলিত মানুষেরা কিভাবে যে প্রতিকূল পরিবেশের সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে ছিল তা এই বইটি না পড়লে বোঝা যাবেনা...
#বাইশের_বন্যা

24/02/2023

Book Review- 26
বইঃ ❝ফেরা❞
লেখকঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল
রেফারেন্সঃ সাকিব বিন মুশফিক।

রিভিউঃ গল্পটা শুরু হয় তরুণ এক কিশোর নাম যার ফজল, তার দুরন্তপনা দিয়ে। সে ক্লাস নাইনে পড়ে। তার বাবার রেডিওতে একদিন হঠাৎ শুনতে পায় দেশে যুদ্ধ লেগেছে।তখন থেকেই সে মুক্তিবাহিনীর ট্রেনিং নিতে শুরু করে। একদিন তাদের গ্রামে মিলিটারি চলে আসে এবং সে খুব খুব কাছ থেকে তাদের ধ্বংসলীলা দেখে। এখন সে যেহেতু মুক্তিবাহিনীর লোক তাই তার প্রাণ নাশের আশঙ্কা ছিল। যার ফলে তার বাবা সিদ্ধান্ত নেন গ্রামে চলে যাবেন সবকিছু ছেড়ে। গ্রামে যাওয়ার সময়, যখন নৌকা পার হবে তখন পাকবাহিনীর কাছে ধরা পড়ে যায়। জীবন বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ দেয় এবং তার বাবা-মা থেকে আলাদা হয়ে যায়।
এরপর থেকেই তার সংগ্রামের জীবন শুরু হয়। মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিং নিতে ভারতে যাওয়ার পথে একটি মেয়েকে উদ্ধার করে আহত অবস্থায়। নাম তার নন্দিনী।মেয়েটা কত চমৎকার তাই এই উপন্যাসটি পড়লে বোঝা যাবে। যাইহোক, তাকে চিকিৎসা দিয়ে তার আত্মীয়র কাছে শরণার্থী শিবিরে পৌঁছে দেয় ফজল। এরপর সে ভারত থেকে গেরিলা যুদ্ধের ট্রেনিং নিয়ে চলে আসে বাংলাদেশে যুদ্ধ করার জন্য। যুদ্ধশেষে সে তার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে জানতে পারে তার বাবাকে মেরে ফেলেছে পাক বাহিনী। এভাবে অতিক্রান্ত হয়ে যায় পাঁচ বছর। এর ভিতর নন্দিনীর কথা অনেকবার মনে পড়ে তার। কিন্তু কখনো দেখা করার সময় বা সুযোগ হয়ে ওঠেনি কারণ পরিবারের চাপ এখন তার কাঁধে। নন্দিনীকে ছেড়ে আসার সময় কিভাবে তারা পরবর্তীতে আবারও দেখা করবে সে বিষয়ে একটি পরামর্শ হয়। আর তা হলো তারা প্রতি বছর মে মাসের পাঁচ তারিখে ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আসবে দেখা করতে। পাঁচ বছর পরে আজকে ফজল যায় সেখানে এরপর নন্দিনীর সাথে তার দেখা হয়েছে কি হয়নি অথবা এরপরের কাহিনী জানতে হলে পড়তে হবে আপনাকে "ফেরা" কিশোর উপন্যাসটি...

23/02/2023

Book Review- 25
বইঃ ❝দরজার ওপাশে❞
লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ
রেফারেন্সঃ সাব্বির আহাম্মেদ।

রিভিউঃ ❝হুমায়ূন আহমেদের হিমু সিরিজের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বই দরজার ওপাশে।
হিমুর পুরো নাম হিমালয়। এ নাম তার বাবার রাখা। হিমুর বাবা হিমালয় নাম রেখেছিলেন, কারণ তিনি চেয়েছিলেন তার ছেলে হিমালয়ের মত বিশাল ও বিস্তৃত হোক। হিমুর বাবার স্বপ্ন ছিল তিনি হিমুকে মহাপুরুষ বানাবেন। কিন্তু হিমুর আসলে কি স্বপ্ন ছিল? সে কি আসলেই মহাপুরুষ হতে চেয়েছিল? আমরা হিমুর বাবার আকাঙ্ক্ষার কথা জানি, কিন্তু হিমুর আকাঙ্ক্ষার কথা জানি না।
বইয়ের গল্প শুরু হয় হিমুর মেস থেকে। তারপর নদীর পানির মত কাহিনী গড়াতে থাকে। গল্পের ভিতরে ধীরে ধীরে হিমুর বন্ধু রফিক, জহির, রফিকের স্ত্রী রানু, জহিরের বোন তিতলী, জহিরের বাবা তেল ও জ্বালানী মন্ত্রী মোবারক হোসেনের আগমন ঘটে।
আর হিমুর অন্যান্য বইয়ের মতই অবধারিতভাবেই ঘটনাচক্রে এসে যুক্ত হয় হিমুর ফুফা, ফুফাতো ভাই বাদল আর একজন পুলিশের ওসি।
এই বইয়ের অসাধারণ অলংকার হল জোছনা রাতের পরিবেশের বর্ণনা যা পাঠককে সহজেই বিভ্রমের বেড়াজালে আক্রান্ত করে ফেলে। আর হিমুর সর্বজনীন সত্যের পিছনে ছুটে চলার কাহিনী পুরো বই জুড়েই বিস্তৃত হয়েছে, যা আসলেই মনোমুগ্ধকর। ❞
সব মিলিয়ে হুমায়ূন আহমেদের দরজার ওপাশে দারুণ একটি বই। একবার শুরু করলে শেষ না করে উঠা যায় না, এমন একটি বই। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি বইটি সকল হুমায়ূন ভক্তদের অবশ্যপাঠ্য...

Want your business to be the top-listed Shop in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka
1205

Opening Hours

09:00 - 17:00