M Sultan
17/05/2026
🟥 নতুন ট্রাফিক আইন বা নিয়মকানুন মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাস্তবায়ন শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (DMP)। ডিএমপি কর্তৃক চালু হওয়া এই ডিজিটাল প্রসিকিউশন বা স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক ব্যবস্থার মূল বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো:
🔶এআই (AI) ট্রাফিক ক্যামেরা কীভাবে কাজ করে?
🔳 রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও সিগন্যালে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এআই ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এই ক্যামেরাগুলো ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিজিটাল মামলা তৈরি করে।
🔸যে ৫টি ভুল করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা হবেএআই ক্যামেরা মূলত পাঁচটি প্রধান ট্রাফিক আইন ভঙ্গকে টার্গেট করে:
🔺১. সিগন্যাল অমান্য করা: লাল বাতি (Red-light) জ্বলন্ত অবস্থায় সিগন্যাল পার হওয়া।
🔺২. উল্টো পথে গাড়ি চালানো: রং সাইড বা ভুল দিকে গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালানো।
🔺৩. লেন ভঙ্গ করা: নির্দিষ্ট লেন বা ক্লোজড লেফট লেন (Closed Left Lane) ব্যবহার না করা।
🔺৪. জেব্রা ক্রসিং আইন: পথচারীদের হাঁটার জায়গা (জেব্রা ক্রসিং) বা ক্রসিংয়ের উপর গাড়ি থামানো।
🔺৫. অবৈধ পার্কিং: ট্রাফিক সিগন্যাল বা নিষিদ্ধ এলাকায় অবৈধভাবে গাড়ি বা যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখা।
▫️মামলার প্রক্রিয়া ও জরিমানা পরিশোধঃ
🔹মামলার নোটিস: এআই ক্যামেরায় আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ ধরা পড়ার পর, তা যাচাই করে গাড়ির মালিকের মোবাইল নম্বরে এসএমএস (SMS) এবং ডাকযোগে বা অনলাইন নোটিশে মামলার বিবরণ পাঠানো হয়।
🔹প্রমাণ: নোটিশে আইন লঙ্ঘনের সময়কার ছবি ও ভিডিও ফুটেজের ডিজিটাল প্রমাণ সংযুক্ত থাকে।
🔹জরিমানা দেওয়ার সময়: নোটিস বা এসএমএস পাওয়ার পর ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।
🔲 এই ডিজিটাল সিস্টেম চালুর ফলে রাজধানীর সড়কগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করেছে এবং মানুষ নিজের থেকেই নিয়ম মানতে বাধ্য হচ্ছে। বিস্তারিত জানতে বা স্বয়ংক্রিয় মামলার বিষয়ে আপডেট পেতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (DMP) ওয়েবসাইটের সহায়তা নিতে পারেন।
🟩 শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন..
🟩 পোষ্ট ভালো লাগলে ফলো দিয়ে উৎসাহিত করুন।👆🏼
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka