MR Views

MR Views

Share

21/03/2025

ভেনিস: পানির নিচে বনভূমির ওপর ভাসমান এক শহর

৪২১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ভেনিস শহরটি কোটি কোটি কাঠের খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ইস্পাত বা কংক্রিট নয়, বরং মূলত এল্ডার কাঠ এবং কিছু ওক কাঠ দিয়ে পুরো শহরটি তৈরি করা হয়েছে।

লবণাক্ত পানির সংস্পর্শে এসব কাঠের খুঁটি পাথরের মতো শক্ত হয়ে গেছে। শুধুমাত্র সেন্ট মার্কস ক্যাম্পানাইল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে ১ লক্ষ কাঠের খুঁটি, আর বিশাল বাসিলিকা ডেলা সালুতে গড়তে লেগেছে ১০ লাখের বেশি খুঁটি! সেই সময়ের দক্ষ নির্মাণশ্রমিকরা এগুলো সমুদ্রের তলায় পুঁতে দিয়ে এক বিস্ময়কর ‘জলমগ্ন বন’ তৈরি করেছিলেন।

এই কাঠামো প্রায় তিন মিটার গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত, যেখানে খুঁটিগুলো অর্ধ মিটার ব্যবধানে বসানো হয়েছে। পানির স্তর থেকে ১.৬ মিটার নিচে এই অসাধারণ মধ্যযুগীয় প্রকৌশল ১,৫০০ বছর পরও ভেনিস শহরকে দৃঢ়ভাবে ধরে রেখেছে, যা পৃথিবীর অন্যতম বিস্ময়কর নগরী। #একটি_মাত্র_paragraph_শিখলে_লিখা_যাবে_প্রায়_সব_ধরনের_paragraph

31/01/2025

স্ত্রীকে কেন ভালো লাগে না পুরুষের?

সকল পুরুষের পড়া উচিত।

আমার স্ত্রী দেখতে অসুন্দর নয়। তবু কেনো জানি তাকে এখন আর ভালো লাগে না। আমাদের বিয়ে হয়েছে পাঁচ বছর হলো। তিন বছর বয়সী একটা ছেলে সন্তান রয়েছে।

অফিস থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে চলে যাই। ফিরি রাত করে। কারণ বাসায় যেতে ইচ্ছে করে না। অথচ বিয়ের শুরুর দিকে শুধুমাত্র স্ত্রীর টানে অফিস থেকে বেরিয়ে ছুটতাম বাসার দিকে। অফিস না থাকলে সারাদিন বাসায় থাকতাম। ওকে নিয়ে ঘুরতে যেতাম। কী যে ভালো লাগতো স্ত্রীকে তখন!

আর এখন ওর দিকে তাকাতে ইচ্ছে করে না। কথা বলতে ইচ্ছে করে না। ও আশেপাশে থাকলে বিরক্ত লাগে।
বাইরে থাকা অবস্থায় ওর ফোন এলে ধরি না। মেসেজ পাঠালে দেখি না। আর বাসায় থাকা অবস্থায় ও কিছু বললে অনাগ্রহের সাথে হু হা করে চুপ করে থাকি।

আর রাতে যদি ও কাছে আসতে চায় আমি রূঢ় ভাষায় বলি, "জ্বালাতন করো না। সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত হয়ে আছি। ঘুমাতে দাও।"

আসলে ক্লান্তি ট্লান্তি কিছু না। স্ত্রীকে ভালো লাগে না এটাই মূল কথা।

কেনো এমন হচ্ছে বুঝতে পারছি না। এই সমস্যা যে একা আমার হচ্ছে তা নয়। আমি আরো অনেক পুরুষের মধ্যে এই সমস্যা দেখেছি। তাদের কেউ কেউ স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে পরকীয়া করছে। আমি নিজে এখনো পরকীয়া করি নি। তবে করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।

কেনো পুরুষেরা একটা সময় স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এটা জানার জন্য আমি যতো পুরুষের সাথে কথা বলেছি তাদের সবার উত্তর ছিলো এরকম, "এটাই তো স্বাভাবিক। এক জিনিস কী আর বেশিদিন ভালো লাগে?"
তাদের উত্তরটা আমার কাছে সঠিক মনে হয় নি। কারণ এক জিনিস বেশিদিন ভালো না লাগা যদি স্বাভাবিক হতো তাহলে স্ত্রীদের ক্ষেত্রেও সেটা হতো। কিন্তু তা তো হচ্ছে না। স্ত্রীরা বিয়ের যতো বছর পরই হোক তারা ঠিকই আগ্রহ নিয়ে স্বামীর সাথে কথা বলতে চায়। ঘুরতে যেতে চায়। মিলিত হতে চায়।

একটা সময় আমার মনে হলো এটা কি পুরুষের কোনো মানসিক সমস্যা? ডাক্তার দেখালে কি ভালো হয়ে যাবে?
আমি দ্বিধান্বিত মনে একদিন গোপনে এক মানসিক ডাক্তারের কাছে গেলাম।
ডাক্তার আমার সমস্যার কথা শোনার পর বললেন, "আপনি কি আল্লাহকে বিশ্বাস করেন?"

বললাম, "জী করি।"

"আল্লাহর একটা নির্দেশের কথা আপনাকে বলবো। যদি মানতে পারেন তাহলে আপনার এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে। কোনো ওষুধপত্র লাগবে না। গ্যারান্টি দিচ্ছি।"

"কী সেটা?"

"সুরা আন নূরে আল্লাহ বলেছেন, 'হে নবী, পুরুষদের বলে দাও, তারা যেনো নিজেদের দৃষ্টিকে সংযত করে রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্থানসমূহের হেফাজত করে। এটা তাদের জন্য বেশি পবিত্র পদ্ধতি'।"

এরপর ডাক্তার দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, "আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি এক মাস পালন করুন। তারপর নিজেই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।"

সন্দেহ নিয়ে বললাম, "এটাতেই কাজ হয়ে যাবে?"

ডাক্তার হেসে বললেন, "অবশ্যই হবে। তবে আমাকে কথা দিতে হবে আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি নিখুঁত ভাবে পালন করবেন। কোনো ফাঁকি দেবেন না।"

"কথা দিলাম। ফাঁকি দেবো না। নিখুঁত ভাবে পালন করবো।"

শেষে ডাক্তার বললেন, "এক মাস পর আমার কাছে আসবেন।"

আসবো কথা দিয়ে ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরুলাম। চেম্বার থেকে বেরুনোর সময় দেখলাম একটা যুবতী রূপবতী মেয়ে একজন বৃদ্ধাকে নিয়ে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকছে। মেয়েটার দেহ দুর্দান্ত আকর্ষণীয়। আমি লোলুপ দৃষ্টিতে মেয়েটার পুরো অঙ্গের দিকে তাকাতে গেলে আচমকা মনে পড়ে গেলো আল্লাহর নির্দেশের কথা। আমি সঙ্গে সঙ্গে চোখ সরিয়ে নিলাম। এবং মাথা নিচু করে হেঁটে চলে গেলাম। এরপর পথে ঘাটে যদি কোনো মেয়ের দিকে চোখ পড়তো তবে চোখ সরিয়ে নিতাম। দৃষ্টি নত করে হাঁটতাম।

এভাবে দুদিন যাওয়ার পর অনুভব করলাম নারী শরীর দেখার জন্য ভেতরে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু তখনো স্ত্রীর প্রতি টান বোধ করি নি। অস্থিরতা দূর করার জন্য মোবাইল হাতে নিলাম। এবং পর্ণ দেখার সিদ্ধান্ত নিলাম। তারপর হস্তমৈথুন করে নিজেকে শীতল করবো।

গুগলে পর্ণ ওয়েবসাইটের নাম লিখে সার্চ করার মুহূর্তে আল্লাহর নির্দেশের কথা মনে পড়ে গেলো। সাথে সাথে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলাম। এবং মোবাইল রেখে দিলাম।

এর পরদিনের কথা বলি। আপনাদের বলেছিলাম, আমি পরকীয়া না করলেও পরকীয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ঘটনা হলো, আমার এক বন্ধুর পরিচিত এক মেয়ের সাথে গোপন এক সম্পর্ক গড়ে উঠতে শুরু করেছে। মেয়েটি প্রবল যৌন আকর্ষণীয়। ঠিক করেছিলাম মেয়েটিকে নিয়ে কয়েকদিনের জন্য কক্সবাজার থেকে ঘুরে আসবো। আমি যে বিবাহিত এটা মেয়েটিকে বলি নি।

সেই মেয়েটি ঐদিন সন্ধ্যায় ফোন দিলো। আমি তখন অফিস থেকে বেরিয়েছি। ওর ফোন দেখে মনটা খুশিতে ভরে উঠলো। কিন্তু ফোনটা ধরার সময় মনে পড়লো আল্লাহর নির্দেশের কথা। তৎক্ষণাৎ মনকে শক্ত করলাম। এবং ফোনটা ধরলাম না। মেয়েটা যতোবারই ফোন দিলো ধরলাম না।

এভাবে দৃষ্টি সংযত রেখে এবং লজ্জাস্থান হেফাজত করে পনেরো দিন কাটানোর পর লক্ষ্য করলাম আমার মাথায় স্ত্রীর ভাবনা ছাড়া আর কিছু কাজ করছে না।

সেদিন অফিস থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের আড্ডায় না গিয়ে উন্মাদের মতো ছুটলাম বাসার দিকে।
বাসায় ঢুকেই ব্যাকুল হয়ে ডাকলাম, কোথায় তুমি?"

স্ত্রী তখন রান্নাঘরে ছিলো। আমার চিৎকার শুনে দৌড়ে এলো। কারণ স্ত্রীর নাম ধরে বহুদিন ডাকি নি।
ও আশ্চর্য হয়ে বললো, "কী হয়েছে তোমার? ডাকছো কেনো?"

সে কথার জবাব না দিয়ে কাঁধ থেকে অফিসের ব্যাগ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে স্ত্রীকে ঝট করে পাঁজা কোলে তুলে নিলাম। বিয়ের শুরুর দিকে যেমন করতাম।

সে ততোক্ষণে আমার উদ্দেশ্য বুঝে গেছে।

সে লজ্জায় লাল হয়ে বললো, "ছেলেটা ঘুমাচ্ছে। ও জেগে যাবে। কী করো, কী করো?"
স্ত্রীকে পাঁজা কোলে করে রুমে যেতে যেতে আচ্ছন্ন স্বরে বলতে লাগলাম, "ভালোবাসি তোমায়। ভালোবাসি।"

পরদিন ডাক্তারের কাছে গেলাম।
ডাক্তার বললেন, "এখনো তো এক মাস পার হয় নি।"

হেসে বললাম, "সমস্যা দূর হয়ে গেছে। আমি এখন বুঝতে পেরেছি কেনো পুরুষেরা স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে? অতীতের ভুল আর কখনো করবো না।"

ডাক্তার বললেন, "স্বাগতম আপনাকে। আপনার সংসারের জন্য আন্তরিক শুভ কামনা রইলো।"
ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে খুশিয়াল গলায় বললাম, "ধন্যবাদ আল্লাহ। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।"
(Collected)

31/01/2025

কিছু বিজ্ঞ চিন্তাবিদ থেকে উদ্ধৃতি:
1. সত্যিকারের মন্দ এমন একজনের কাছ থেকে আসে যে একবার সদয় ছিল।
সিজার প্যাভেস
2. যারা আমাকে চায় না তাদের হারাতে আমার আপত্তি নেই, কারণ আমি যাদের চেয়েছিলাম তাদের হারিয়েছি এবং আমি এখনও বেঁচে আছি।
কার্ল মে
3. একজন জ্ঞানী ব্যক্তির সাথে একটি কথোপকথন দশ বছরের বই অধ্যয়নের চেয়ে উত্তম।
হেনরি ওয়াডসওয়ার্থ লংফেলো
4. ন্যায়বিচারের দুর্নীতি জাতির পতনের দিকে নিয়ে যায়।
ইবনে খালদুন রহ
5. আপনি যদি উদ্বেগকে জয় করতে চান এবং জীবনযাপন শুরু করতে চান তবে আপনার কষ্টের পরিবর্তে আপনার আশীর্বাদ গণনা করুন।
ডেল কার্নেগি
6. ব্যর্থ হতে চাইলে সবাইকে খুশি করার চেষ্টা করুন।
এরউইন রোমেল
7. আমি যাদের চিনতাম তাদের ছাড়া কেউ আমার ক্ষতি করেনি; আমি জানি না ঈশ্বর সবাইকে মঙ্গল করুন!
আবু আল-আলা আল-মাআরি
8. এই পৃথিবী প্রতিদিন ন্যায়বিচারকে অপমানিত করে।
গাসসান কানাফানি
9. আপনি যদি সিংহের দানাগুলো খালি দেখতে পান, তাহলে ধরে নিবেন না সিংহ হাসছে!
আল-মুতানাব্বি
10. সৎ হতে হলে সবার শত্রু হওয়া।
জিবরান খলিল জিবরান
11. একজন ব্যক্তির বিকাশের প্রথম বাধা হল পরিবার।
লিও টলস্টয়
12. বর্ধিত সচেতনতা ব্যথা তীব্র করে, এবং মনস্তাত্ত্বিক বিষণ্নতায় আক্রান্ত বেশিরভাগই বুদ্ধিজীবী।
আদেল সাদেক
13. যখন আপনি আমাকে ভালভাবে সম্মান করেন এবং আমার সাথে সৌজন্যের সাথে আচরণ করেন, তখন এটি আমার টুপিতে একটি পালক নয়; পরিবর্তে, আপনি আমার মাথার মুকুট হবেন!
ইব্রাহিম এল-ফিকি
14. জীবনকে সত্যিকার অর্থে মূল্য দিতে আপনার মৃত্যু কামনা করতে হবে।
উইনস্টন চার্চিল
15. কথায় উদারতা আত্মবিশ্বাস তৈরি করে, চিন্তাভাবনার উদারতা প্রতিটি অসুবিধার সমাধান করে, এবং দেওয়ার ক্ষেত্রে দয়া ভালবাসা সৃষ্টি করে।
লাও জু
16. ধর্মের নামে একজন নিরপরাধ মানুষকে নিপীড়নের চেয়ে বড় পাপ আমি জানি না।
মহাত্মা গান্ধী
17. দুঃখ একটি মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা যা সচেতনতাকে নিজেকে এবং সমাজের প্রতি প্রতিফলিত করতে দেয়।
জ্যাঁ-জ্যাক রুসো
18. প্রায়শই, আপনি যে শব্দগুলি বলতে ভয় পান সেগুলিই সবচেয়ে বেশি বলা দরকার।
জর্জ বার্নার্ড শ
19. কিছু সময়ের জন্য ইন্টারনেট থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন, এবং আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি অনলাইনে কিছুই মিস করেননি, কিন্তু এর বাইরে অনেক কিছু - যেমন আপনার মায়েরা বার্ধক্য অলক্ষিত!
আবদুল্লাহ আল-মুগলুথ
20. জীবন হল আশা; আশা ছাড়া জীবন হারিয়ে যায়।
প্লেটো
21. হাসি ছাড়া একটি দিন একটি দিন নষ্ট!
চার্লি চ্যাপলিন
22. যারা আপনার চালচলন ভালভাবে জানে তারা ছাড়া কেউ আপনাকে আক্রমণ করতে পারে না। নিরাপদে আপনার গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য আপনার চিন্তাগুলি কারও সাথে ভাগ করবেন না!
Htr
23. আমি কখনই বিশ্বকে সম্মান করব না যতক্ষণ না ভাঙা চোখের একটি শিশু থাকবে। #ফানি_পোস্ট

কুমিল্লা Cumilla 24/01/2025

https://youtu.be/DBT4VoeiDVk #একটি_মাত্র_paragraph_শিখলে_লিখা_যাবে_প্রায়_সব_ধরনের_paragraph

কুমিল্লা Cumilla #কুমিল্লা #কুমিল্লায়

22/01/2025

উচিত জবাব কখনো কথায় দিতে হয় না....
দিতে হয় কাজ দিয়ে!! নিজের সাথে প্রতিযোগিতা করে!!

চলেন একটা গল্প শোনাই!
নামকরা ব্র‍্যান্ড Lamborghini এর নাম তো আপনারা সবাই কম বেশি শুনেছেন!!
কিন্তু আপনি কি জানেন...
এই Lamborghini এর মালিক একজন ট্রাক্টর মেকানিক??

ইটালীর এক গ্রামে কৃষকের ঘরে জন্ম হয় ফেরুচ্চিও ল্যাম্বোরগিনির।
তখন মাত্র ২য় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছে...
ফেরুচ্চিও ল্যাম্বোরগিনি বেশ ভালো মেকানিক্যাল কাজ জানতো।
যুদ্ধ শেষে নিজের মেকানিক্যাল দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে...
গড়ে তুলেছিলেন ট্রাক্টর মেরামত, তৈরী করার ব্যবসা।

আস্তে ধীরে ব্যাবসা বড় হতে লাগলো...
নিজের শখের জন্য একটা ফেরারী গাড়ি কিনে ফেললো!
তখন ফেরারী খুব জনপ্রিয় একটা ব্র‍্যান্ড!! এক নামে সবাই চিনে!

কিন্তু গাড়ি কেনার পরেই শুরু হলো যতো সমস্যা!!!
গাড়ির ক্লাচ নিয়ে ফেরুচ্চিও শান্তি পাচ্ছিলেন না!!
তার কাছে মনে হলো এটাকে আরো ভালোভাবে তৈরী করা যেতে পারতো!!

যেই ভাবা সেই কাজ, ফেরুচ্চিও ঠিক করলো....
এটা ফেরারীকে জানাবে!

অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে...
তিনি সরাসরি যোগাযোগ করলেন ফেরারির প্রতিষ্ঠাতা এনজো ফেরারির সঙ্গে।
এনজো ফেরারি প্রথমে তার কথা শুনলেন...

এরপর বললেন,
"তুমি তো ট্রাক্টর বানাও, গাড়ির তুমি বোঝ টা কি?"

এই কথাটা মারাত্মকভাবে গায়ে লাগে ফেরুচ্চিও ল্যাম্বোরগিনির!
ফেরারীর অফিস থেকে বের হয়ে চলে আসেন তিনি!

এরপর সিদ্ধান্ত নেন,
“আমি নিজেই এমন এক গাড়ি বানাবো, যা ফেরারিকেও হার মানাবে।”

অনেকগুলো বছর পেরিয়ে যায়...
১৯৬৩ সালে ল্যাম্বোরগিনি প্রতিষ্ঠিত হলো।
ডিজাইন আর শক্তিশালী ইঞ্জিনের জন্য এটি রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
এরপর থেকে ফেরারির সঙ্গে শুরু হয় ল্যাম্বোরগিনির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।

Lamborghini এই পর্যন্ত 230,000 গাড়ি তৈরী করেছে পুরো বিশ্বে
কোম্পানীর মার্কেট ভ্যালুয়েশন €19.7 বিলিয়ন!!!
২০২৪ এর নভেম্বরের রিপোর্ট অনুযায়ী Lamborghini এখন আমেরিকান মার্কেটে Ferrari এর চেয়ে বেশী জনপ্রিয়!

এখন একটু ভাবুন তো...
সেইদিনের সেই ট্রাক্টর মেকানিক যদি এই জিদ না করতো!!
যদি ভাবতো ধুর আমি শুধু আমার কাজটাই করি!!
তাহলে কি কোনদিন Lamborghini তৈরী হতো?
গল্পটা এরকম হতো??

এমন অনেক ধরনের বাধা বিপত্তি আমাদের লাইফেও কিন্ত আমরা পেয়ে থাকি!!
মাঝে মাঝে মনে হয় এই বুঝি সব শেষ হয়ে গেলো!!
আমাকে দিয়ে কিছুই হবে না!
নিজের উপর আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলি!

আমরা এটা ভুলে যাই যে, "আমি না পারলে, পারবে কে?"

যা করার আমাকেই তো করতে হবে তাই না?
নিজের জন্য এমন একটা গল্প লিখে যেতে হবে....
যেটা আমি বলতে গর্ব নিয়ে বলতে পারবো!!

অনেকেই আপনাকে নিয়ে হাসি ঠাট্টা করবে!!
পিছনে ট্রল করবে, বার বার থামিয়ে দেবে!!

নিজেকে এমনভাবে প্রস্তুত করেন যেন...
আপনার কাজই একদিন আপনার হয়ে সেই জবাবটা দিয়ে দেয়!!

ইনশাআল্লাহ ❤️ #একটি_মাত্র_paragraph_শিখলে_লিখা_যাবে_প্রায়_সব_ধরনের_paragraph

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Mohammadpur
Dhaka
1207