Crescent Health Service
স্বাস্থ্য সকল সুখের মূল। একটি সুখী সমৃদ্ধ দেশ গঠনের জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। অধিকাংশ মানুষই সাধারণত অসুস্থ হওয়ার আগে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে খুব বেশি একটা গুরুত্ব দেন না। আবার অসুস্থ হওয়ার পরও যখন আমরা এদিক-সেদিক দৌড় ঝাঁপ শুরু করি। তখন অনেক সময়ই সঠিক নির্দেশনার অভাবে ভালো সেবা পাই না। সুস্বাস্থ্যের জন্য আমরা যেন প্রতিকার মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারি, অসুস্থ হলে আমরা যেন স
26/07/2025
মোহাম্মদ আজিজুল হাকিম আজ ১৪তম বার 🩸রক্তদান করলাম — একজন মা, তার দুটো কিডনিই ড্যামেজ হয়ে গেছে, যিনি ডায়ালাইসিসে জীবনযুদ্ধ করছেন, তার জন্য।
রক্তদান শুধু রক্ত নয়, এটি ভালোবাসা, মানবতা ও নতুন জীবনের প্রতীক। আল্লাহ তাআলা ঐ "মা" কে দ্রুত সুস্থতা দান করুন আমিন।
চলেন, আমরা সবাই একে অপরের পাশে দাঁড়াই — একটা ফোঁটা রক্ত, হতে পারে কারো জন্য নতুন ভোর।
"স্বেচ্ছায় রক্তদান, বাঁচতে পারে একটি প্রান"
যে কোন প্রয়োজনে Crescent Health Service আছে আপনার পাশে💙
31/08/2024
গর্ভাবস্থায় সহবাস করা যাবে কি?
গর্ভাবস্থায় সহবাস করা নিরাপদ কিনা সে ব্যাপারে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে। বিশেষ করে গর্ভবতীর প্রথম তিন মাস এবং শেষের তিন মাসে সহবাস করলে গর্ভের সন্তানের ক্ষতি হতে পারে বলে অনেকে আশংকা করে থাকেন। তবে এই ধারণাটি সঠিক নয়।
আপনার গর্ভাবস্থা যদি স্বাভাবিক হয় এবং যদি নির্দিষ্ট কোন স্বাস্থ্য জটিলতার জন্য ডাক্তার আপনাকে সহবাস থেকে বিরত থাকার পরামর্শ না দিয়ে থাকে, তাহলে আপনার জন্য গর্ভাবস্থায় সহবাস করা সম্পূর্ণ নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত। এতে গর্ভের সন্তানের কোন ধরনের আঘাত পাওয়ার বা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
তবে গর্ভবতী অবস্থায় অনেকেরই সহবাসের ইচ্ছা কমে যায় বা ইচ্ছার পরিবর্তন হয়। এমনটা হওয়া স্বাভাবিক। এটা নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। এমনটা হলে আপনার সঙ্গীর সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করুন। এই বিষয়ে আপনাদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গর্ভাবস্থায় সহবাস কি গর্ভের বাচ্চার কোনো ক্ষতি করে?
আপনার গর্ভাবস্থা যদি স্বাভাবিক ও জটিলতামুক্ত হয়, তাহলে কেবলমাত্র সহবাসের কারণে গর্ভপাত (Miscarriage) বা সময়ের আগে সন্তান প্রসব হওয়ার (Early Labour) কোন সম্ভাবনা নেই। তবে গর্ভাবস্থার শেষের দিকে সহবাসের কারণে জরায়ুতে মৃদু সংকোচন অনুভব করতে পারেন।
এমনটা হলে আপনার জরায়ুর পেশীগুলো শক্ত হয়ে যাচ্ছে বা টান খাচ্ছে বলে মনে হবে। এ ধরনের সংকোচনকে ডাক্তারি ভাষায় “Braxton Hicks Contractions” বলা হয়। এতে আপনার কিছুটা অস্বস্তি বোধ হতে পারে, কিন্তু এটা সত্যিকার অর্থে প্রসব বেদনা নয়।
গর্ভাবস্থার শেষের দিকে সহবাস ছাড়াও অন্যান্য কারণে, এমনকি সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই মাঝে মাঝে এমনটা অনুভূত হতে পারে। এতে চিন্তার কোনো কারণ নেই, এটি গর্ভাবস্থার একটি স্বাভাবিক ঘটনা। এমনটা হলে আপনি কিছুক্ষণ শুয়ে বিশ্রাম নিতে পারেন, অথবা অন্য কোন বিষয়ে মনোযোগ দিয়ে রিল্যাক্সড থাকার চেষ্টা করতে পারেন। সাধারণত এসব মৃদু সংকোচন কিছুক্ষণ পরে নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যায়।
গর্ভাবস্থায় কখন সহবাস এড়িয়ে চলা উচিত?
গর্ভাবস্থায় কিছু ক্ষেত্রে সহবাস থেকে বিরত থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়, যেমন—
১.যদি গর্ভাবস্থায় কোন কারণে মাসিকের রাস্তা দিয়ে ভারী রক্তপাত হয়ে থাকে
২.যদি গর্ভবতীর জরায়ুমুখে (সারভিক্সে) কোন দুর্বলতা বা জটিলতা থাকে
৩.যদি পূর্বের প্রেগন্যান্সিতে নির্ধারিত সময়ের আগেই সন্তান প্রসব হয়ে থাকে
৪.যদি প্লাসেন্টা বা গর্ভফুল নিচে থাকা—ডাক্তারি ভাষায় একে ’প্লাসেন্টা প্রিভিয়া’ বলে
৫.যদি প্রসবের আগে পানি ভাঙ্গে
৬.যদি একই সময়ে দুই বা তার বেশি (জমজ) সন্তান ধারণ করে থাকেন
গর্ভাবস্থায় সহবাস করার নিয়ম
যদিও অধিকাংশ দম্পতির জন্য গর্ভাবস্থায় সহবাস করা নিরাপদ, তবে সবসময় এটি সহজ নাও হতে পারে। গর্ভাবস্থায় স্বাভাবিক সময়ের মত সহবাস করতে কোন সমস্যা হলে বিভিন্নভাবে পজিশন বা অবস্থান পরিবর্তন করে চেষ্টা করে দেখতে পারেন। এক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যের ব্যাপারটিই মুখ্য। তবে গর্ভাবস্থায় সহবাসের ফলে আপনি বা গর্ভের সন্তান যেন কোনোভাবে আঘাত না পান সে ব্যাপারে সবসময় সাবধান থাকা উচিত।
গর্ভাবস্থায় সহবাস করার সময় আপনার সঙ্গী উপরে অবস্থান করলে তা আপনার জন্য কিছুটা অস্বস্তিকর হতে পারে, যেহেতু এসময় আপনার পেট আকারে বাড়তে থাকে আর সেই সাথে স্তন ও শরীরের অন্যান্য অংশে এসময় ব্যথাও অনুভব হয়। এছাড়া গর্ভাবস্থায় সহবাসের সময় পুরুষাঙ্গ আপনার শরীরের বেশি গভীরে গেলেও এসময় অস্বস্তির কারণ হতে পারে৷ তাই এসব সমস্যা এড়াতে যেকোনো একদিকে কাত হয়ে শুয়ে সহবাসের চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
এছাড়া আপনার সঙ্গীর পরিবর্তে আপনি উপরে অবস্থান করে বা আপনি সামনে আপনার সঙ্গী পেছনে অবস্থান করেও চেষ্টা করে দেখতে পারেন। হাতে বা হাঁটুতে ভর দেয়ার সময় বালিশ বা কুশন ব্যবহার করতে পারেন।
গর্ভাবস্থায় সহবাস
গর্ভধারণের প্রথম তিন মাস এবং শেষের তিন মাসে সহবাস করলে গর্ভের সন্তানের ক্ষতি হতে পারে বলে অনেকে আশংকা করে থাকেন। তবে এই ধারণাটি সঠিক নয়।
লিখেছেন ডা. ইমা ইসলাম ও ডা. সামিয়া আফরিন মেডিকেল রিভিউ করেছেন ডা. বিদিশা কুন্ডু
18/12/2022
02/10/2022
চোখ ওঠায় যা করবেন, যা করবেন নাচোখ ওঠা বা কনজাংটিভাইটিস নামের সমস্যার সঙ্গে আমরা সবাই কম-বেশি পরিচিত। এটি একটি ভাইরাসজনিত সমস্যা। কোনো কোনো সময় বা মৌসুমে একসঙ্গে অনেক মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হন। কারণ, এটি সংক্রামক রোগ।
উপসর্গ
বেশির ভাগ সময় দুই চোখ লাল হতে দেখা যায়। তবে এক চোখেও হতে পারে।
চোখে পুঁজের মতো জমা হয়, ঘুম থেকে উঠলে অনেক সময় চোখের পাতা লেগে থাকতে দেখা যায় এবং চোখ থেকে পানি ঝরে।
চোখ জ্বালাপোড়া করে।
চোখে খচখচ ভাব, অস্বস্তি হয়।
হালকা ব্যথা ও ফটোফোবিয়া বা রোদে তাকাতে অসুবিধা হতে পারে।চিকিৎসা
সাধারণ চোখ ওঠা এক থেকে তিন সপ্তাহে সেরে যায়। চোখ উঠলে যা করবেন—
ঠান্ডা বা সর্দির মতো উপসর্গ থাকলে কেবল অ্যান্টিহিস্টামিন সেবনই যথেষ্ট।
অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ ডোজ মেনে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া চোখে ওষুধ ব্যবহার না করাই উত্তম।
সতর্কতা
চোখে পিঁচুটি জমলে হালকা নরম পরিষ্কার কাপড় দিয়ে বা পানির ঝাপটা দিয়ে চোখ পরিষ্কার করা যেতে পারে। তবে কোনোমতেই চোখ রগড়ানো যাবে না।
কালো চশমা রোদে বা আলোতে কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়। তাই বাইরে বেরোলে কালো চশমা পরুন।
চোখে কোনোমতেই হাত দেওয়া যাবে না।
একজনের ব্যবহার করা রুমাল, গামছা, তোয়ালে বা কাপড়চোপড় অন্য কেউ ব্যবহার করবেন না।
হাত সব সময় সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে।
জনসমাগম, অনুষ্ঠান, ক্লাস ইত্যাদি পরিহার করে চলাই ভালো। এ সময়টায় অনেক শিক্ষার্থীর ক্লাস চলছে। চোখ ওঠা নিয়ে ক্লাসে উপস্থিত না হওয়াই ভালো। তবে পরীক্ষা থাকলে ওপরের নিয়মগুলো যথাযথভাবে মেনে স্কুলে যাওয়া যাবে। অবশ্যই কালো চশমা পরে থাকতে হবে এবং অন্যদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করা যাবে না।
ডা. মো. ছায়েদুল হক, চক্ষুবিশেষজ্ঞ, সাবেক সহযোগী অধ্যাপক, জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Address
740/C West Kazipara, Mirpur, Dhaka_1216
Dhaka
1216
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Friday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |