Ethics Tech Corporation
1.অ্যাডভান্স 50% পেমেন্ট ছাড়া আমরা কোন কাজ করি না।
2.ইসলামিক ধর্ম কিংবা অন্য কোন ধর্মকে অসম্মান করে এমন কোন প্রকার কাজ থেকে বিরত থাকি।
3.ডেলিভারি ক্রেতা উপর নির্ভর করবে ।
22/05/2023
একটি ফেসবুক অ্যাড দিতে একজন অ্যাডভার্টাইজারের কি কি করা উচিত
১. যে পেইজের অ্যাড দিচ্ছেন সে পেইজ আগে ভালো মত স্টাডি করতে হবে।
২. স্টাডি করে যে স্ট্রং পয়েন্ট অথবা উইক পয়েন্ট বেড়িয়ে আসবে সেটা লিস্ট করতে হবে।
৩. স্ট্রং পয়েন্ট অথবা উইক পয়েন্টের কথা ক্লায়েন্টকে জানাতে হবে।
৪. ক্লায়েন্টের কী কী করনীয় সেটা ক্লায়েন্টকে জানাতে হবে।
৫. প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস অনুযায়ী অ্যাড ডিজাইন করতে হবে।
৬. অডিয়েন্স বুঝে অ্যাড টার্গেটিং করতে হবে।
৭. ক্লায়েন্ট ফেসবুক অ্যাড এক্সপার্ট না তাই সে যা বলবে সব কিছু হুবুহু না করে ক্লায়েন্টের সাথে আলোচনা করতে হবে।
৮. মাল্টি টেস্টিং খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রধান পয়েন্ট অ্যাডের ক্ষেত্রে তাই অ্যাড সেটে, অ্যাড কপিতে বিভিন্ন প্যারামিটারে মাল্টিটেস্ট করতে হবে।
৯. বিভিন্ন অ্যাড অবজেক্টিভ দিয়ে নানা রকম ভাবে অ্যাড চালাতে হবে।
১০. অ্যাডের বাইরেও পেইজে বিভিন্ন কাজ থাকে, সেটা ক্লায়েন্ট আপনাকে দিয়ে না করালেও ক্লায়েন্টকে জানাতে হবে তার কি কি করা উচিত।
১১. সাবমিট করা প্রতিদিন মনিটর করতে হবে, তাই বলে প্রতিদিন এডিট না।
১২. অ্যাড কমপ্লিট হয়ে গেলে ক্লায়েন্টকে রিপোর্ট করতে হবে।
18/05/2023
মনে রাখতে হবে ফেসবুক অ্যাডে অডিয়েন্স ডলার দেখে না, আপনি ডলারের মাধ্যমে অডিয়েন্সকে কিছু কন্টেন্ট দেখান, সেটি ছবি হতে পারে, ভিডিও হতে পারে, আরো বিভিন্ন ধরনের কন্টেন্ট হতে পারে।
আপনি মূলত কন্টেন্ট ডেলিভারি করছে অডিয়েন্সকে, এখন আপনি যদি সঠিক ভাবে টার্গেটিং করে সঠিক মানুষের কাছে অ্যাড ডেলিভারি করান, তারপরও আপনার সেল না আসতে পারে, না সার সম্ভাবনাই বেশি যদি আপনার কন্টেন্ট "উন্নত" মানের না হয়। উন্নত শব্দটার মধ্যে কোটেশন দিয়েছে কারন "উন্নত" আপেক্ষিক একটা ব্যাপার, গুলশানে বিলাশ বহুল মালিকের কাছে উন্নতির সংজ্ঞা এবং কোন গ্রামের একজন মানুষের কাছে উন্নতের সংজ্ঞা এক নয়। এখন প্রশ্ন আসে আপনি এখানে কি করবেন। কিভাবে "উন্নত" ডিফাইন করবেন।
খুব কঠিন কাজ কি?
আমার মনে হয় খুব সহজ কাজ কিন্তু যেটা করি না, সেটা হচ্ছে অডিয়েন্স এনালাইসিস আগে করতে হবে, এরপর উন্নত এর ডেফিনেশন বের করতে হবে, এরপর কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে। আপনার অডিয়েন্স যদি গ্রামের একজন মানুষ হয়, তার পছন্দের সাথে অভিজাত এলাকার মানুষের পছন্দ মিলবে না এটা বলাই যায়, কিন্তু আপনি নিজে নিজে কোন ডেফিনেশন সেট করতে পারবেন না, নিজের জায়গা থেকেও না, কোন নির্দিষ্ট কারো কথা চিন্তা করেও না। আপনাকে অডিয়েন্স এনালাইসিস করতে হবে।
যাদের কাছে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস পৌছাতে চান তারা কি পছন্দ করে, তারা কি প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের ভ্যালু জানতে চায় নাকি দাম কম চায়। নাকি উল্টো। যারা দাম কম চায় তাদেরকে ভ্যালু দিয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে পারবেন না, কারন তাদের বাজেট কম। আবার যারা ভ্যালু চায় তাদের কাছে আপনি কম দাম দিয়ে কিছু সেল করতে পারবেন না, কারন তাদের বাজেট আছে, এবং ভ্যালু সম্পর্কে তারা জানে।
তাই শুধু কিছু কমন টার্গেটিং কি ওয়ার্ড দিয়ে অ্যাড না দিয়ে, প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের অডিয়েন্স এনালাইস করুন, এরপর সে অনুযায়ী কন্টেন্ট বানান, এরপর সেটি টার্গেট অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছান।
মনে রাখবেন হাতে একটি ডুয়াল কারেন্সি কার্ড, আর অ্যাড একাউন্টই আপনাকে বিজনেসে সফলতা এনে দিবে না, আপনাকে আরো কিছু জিনিস বুঝতে হবে, জানতে হবে।
16/05/2023
সাইকোগ্রাফিক মার্কেটিং কি এবং কি ভাবে ডাটা কালেক্ট করবেন।
সাইকোগ্রাফিক মার্কেটিং, নাম শুনেই বুঝা যাচ্ছে যে এখানে মানুষের মনের কিছু ব্যাপারের কথা বলছি।
সাইকোগ্রাফিক মার্কেটিং কি
এটা বুস্ট পোস্ট, অ্যাড ম্যানেজার ইত্যাদি টুলের মতন কোন টুল নয়, যে টুলের মাধ্যমে আপনি মার্কেটিং করবেন, এটাকে কিছুটা অডিয়েন্স এনালাইসিস, মার্কেটিং প্ল্যানের মধ্যে রাখতে পারেন।
এখানে আপনার পসিবল কাস্টমারের বিভিন্ন আচরন নিয়ে অনেক গভীরভাবে চিন্তা করা হয় এবং সে অনুযায়ী মার্কেটিং প্ল্যান করা হয় এবং কাসস্টমারের এটিটিউড, ইমোশন, ভয়, আগ্রহ ইত্যাদি বিভিন্ন ব্যাপার চিন্তা করে এবং সেটার সাথে প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস কানেক্ট করে কন্টেন্ট প্ল্যানিং করা হয়।
তাই বুঝতেই পারছেন অডিয়েন্স টার্গেটিং এর আগে, পসিবল কাস্টমারকে নিয়ে গভীরভাবে এনালাইসিস করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। একটি ব্যাপার যে এটা যে শুধু ফেসবুক মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে এমন নয়, সব মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সাইকোগ্রাফিক মার্কেটিং এর কার্যকর। অনেকে এটাকে ইমোশনাল মার্কেটিং বলতে পারেন, ইমোশনাল মার্কেটিং এর কিছু পার্ট এখানে আছে তবে সব কিছুই আবার ইমোশনাল না এখানে।
কিভাবে সাইকোগ্রাফিক মার্কেটিং এর মাধ্যমে ডাটা কালেক্ট করবেন
১। সার্ভে অথবা উত্তর জানার মাধ্যমে
কিছু প্রশ্ন সেট করুন, যার মাধ্যমে আপনি মনে করছেন প্রশ্নের উত্তরগুলো দিয়ে আপনি একটি সিদ্ধান্তে যেতে পারবেন। মনে রাখতে হবে প্রশ্নগুলো যেন আপনার টার্গেট ফিলাপ করতে পারে।
২। সোশ্যাল মিডিয়াতে যে অডিয়েন্স এনালাইস টুল থাকে সেটা ব্যবহার করে কাস্টমারের ইন্টারেস্ট সহ আরো অনেক কিছু বের করা আনা পসিবিল
৩। পারচেজিং হিস্টোরি এবং কি ধরনের প্রোডাক্ট তাদের পছন্দের- আপনার ওয়েবসাইটে ট্র্যাফিক অ্যাড রান করে, কাস্টমারের এক্টিভিটি এনালাইসিস করা খুব জটিল কাজ নয়, এর মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন কি ধরনের প্রোডাক্ট কাস্টমার বেশি পছন্দ করছে, সে অনুযায়ী প্রোডাক্ট সিলেকশন হতে পারে।
৪। বিভিন্ন রকম কুইজ রান করতে পারেন, এর মাধ্যমে অডিয়েন্সের বিভিন্ন মতামত আপনি পাবেন, সেখান থেকে ফিল্টার করে অনেক সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব।
৫। বিভিন্ন গ্রুপে জয়েন করে, বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে কাস্টমার রিভিউ নিয়ে সেখান থেকেও প্রোডাক্ট অথবা অডিয়েন্স কি চিন্তা করছে, কিসে তারা খুশি, কিসে তারা অসন্তুষ্ট, আরো কি হলে ভালো হতো, এই ব্যাপার গুলো আপনি খুব সহজেই গ্রুপ, কাস্টমার রিভিউ, বিভিন্ন অ্যাডের কমেন্ট সেকশন থেকে এনালাইসিস করে বের করতে পারবেন।
এই লেখার লক্ষ্য একটাই, সেটা হচ্ছে আমরা যখন টার্গেটিং করি তখন কিছু কমন টেমপ্লেটের মধ্যে ফেলে করি, কিন্তু সেটার ফলে স্পেসিফিক প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের কাস্টমার হারিয়ে ফেলার সম্ভাবনা থেকে যায়।
আবার কন্টেন্ট বানানোর সময়ও একই ব্যাপার, কিছু কমন লেখা আর কিছু কমন ডিজাইন সব কিছুর মধ্যেই এপ্লাই করার ব্যাপার দেখা যায় কিন্তু সবার পছন্দ তো একরকম নয়, সবাই একই ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে না।
তাই প্রোডাক্ট এবং সার্ভিসের উপর পসিবিল অডিয়েন্স নিয়ে গভীর ভাবে এনালাইসিস ক্রয়া জরুরি, না হলে ডলার খরচ হবে কিন্তু সেল আসবে না।
নোট- "সাইকোগ্রাফিক মার্কেটিং" হয়তো অনেকেই অন্য নামে চিনে থাকবেন কিন্তু তার মানে মনে হয় এই না এই নামটা ভুল।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
6/61A Nadda Pragati Sharani, Baridhara
Dhaka
1212