Part Time Freelancing Job

Part Time Freelancing Job

Share

22/01/2020

#ফ্রিল্যানসিং জবঃ
#বেতনঃ ৮০০০ - ২৫০০০ টাকা
#বাড়তি আয়ের সুযোগ আছে
#কাজের ধরনঃ সিপিএ/ডিজিটাল মার্কেটিং
#অভিজ্ঞতাঃ দক্ষ ও অভিজ্ঞ হলে প্রশিক্ষণ ছাড়াই সরাসরি নিয়োগ
#প্রশিক্ষণঃ প্রশিক্ষণের সুযোগ আছে ।
বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন।

18/01/2020

ফ্রিল্যান্সিংয়ের ইতিহাস ( of )
বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিংয়ের ইতিহাস খুব বেশি পুরানো নয়। এই পেশা গত তিন থেকে চার বছরে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তবে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণাটি বিশ্বের অনেক দেশেই প্রথম থেকেই বিদ্যমান। এটি 1998 সালে শুরু হয়েছিল। "গুরু" - প্রথম ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস যা 1998 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল SOFTmoonlighter .com ধারাবাহিকতার পরের মার্কেটপ্লেস গুলো হলো - Elance.com, RentAcoder .com, Upwork.com, GetAFreelancer.com, Freelancer.com, Limeexchange.com ইত্যাদি। বিস্তৃত ইন্টারনেট যোগাযোগের কারণে ফ্রিল্যান্সিংয়ে দিন দিন প্রচুর খ্যাতি অর্জন করা হয়েছিল। বাংলাদেশে।

14/01/2020

...............অনলাইনে কাজ পাওয়ার কিছু কৌশল...................

ইন্টারনেটে আউটসোর্সিংয়ের কাজ দেওয়া-নেওয়ার ওয়েবসাইট (অনলাইন মার্কেটপ্লেস)। মুক্ত পেশাজীবীরা (ফ্রিল্যান্সার) এসব সাইট থেকে কাজ নিয়ে থাকেন। কিছু কৌশল জানা থাকলে কাজ পাওয়াটা হয় সহজ।কেউ কেউ আছেন, যাঁরা চার-পাঁচটা কাজের (জব) জন্য আবেদন করেই কাজ পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ আছেন, যাঁরা ১০০টা আবেদন করেও পান না। এটা অনেকটা নির্ভর করে আপনি কত কম অর্থে (ডলার) কাজটি করে দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তার ওপর।
যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড না, তাদের কাজে আবেদন করবেন না। কারণ, কোনো কনট্রাক্টরকে ভাড়া করতে হলে বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড হতে হয়।
কোনো একটা কাজ দেওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সেটিতে আবেদন করবেন ততই ভালো। তবে আবেদন করার সময় কাভার লেটারটি এমনভাবে লিখবেন, যেন বায়ার বুঝতে পারে আপনি কাজটির বর্ণনা পড়েছেন এবং তা করতে পারবেন।
আপনি যত বেশি মার্কেটপ্লেসে থাকবেন, ততই আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা। কারণ, কিছু কিছু কাজ আছে যেগুলো মার্কেটপ্লেসে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে (এক-দুই ঘণ্টার মধ্যে) সম্পন্ন করে জমা দিতে হয়। যেমন ফেসবুকে বা অন্য কোনো সাইটে ভোট দেওয়া এবং কিছু ভোট সংগ্রহ করে দেওয়া বা হঠাৎ করে কোন ওয়েবসাইটে সমস্যা হয়েছে, তা ঠিক করে দেওয়া ইত্যাদি। কাজেই শুরুতে বেশি সময় অনলাইনে থাকার চেষ্টা করুন, যাতে বায়ার আপনাকে কোনো বার্তা পাঠালে সঙ্গে সঙ্গেই আপনি তার জবাব দিতে পারেন। তাহলে বায়ার বুঝতে পারবে, আপনি কাজের প্রতি আন্তরিক।
অনলাইন মার্কেটপ্লেসে দেখবেন, প্রতি মিনিটে নতুন নতুন কাজ দেওয়া হচ্ছে, সেগুলোতে আবেদন করুন। যেসব কাজে কোনো কনট্রাক্টরের ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছে, সেসবে আবেদন না করাই ভালো।
যেসব কাজে শর্ত দেওয়া রয়েছে, আর সেগুলো যদি আপনি পূরণ করতে না পারেন, তবে সেসব কাজে আবেদন না করাই ভালো। যেমন Feedback Score: At least 4.00 এবং oDesk Hours: At least 100 hour।
যাঁরা ওডেস্কে দু-তিনটা কাজ করেছেন, এখন বেশি ডলার দাম ধরে আবেদন করতে চান, তাঁরা যে কাজের জন্য আবেদন করবেন, তার নিচে দেখুন বায়ারের আগের কাজগুলোর তালিকা দেওয়া আছে। সেখানে যদি দেখেন, বায়ার তার আগের কাজগুলোতে বেশি ডলার দিয়ে অন্য কনট্রাক্টরকে কাজ দিয়েছিল, তবে বেশি ডলার হারে আবেদন করতে পারেন।

13/01/2020

: ৫টি কারণ যার জন্য আপনি হতে পারবেন না একজন সফল #ফ্রীল্যান্সার

আমাদের দেশে এখন ফ্রীল্যান্সিং এর বাতাস বইছে।
আসুন দেখি কি সেই ৫ টি কারণ যার জন্য আপনি হতে পারবেন না একজন সফল ফ্রীল্যান্সার
#ধৈর্য : ফ্রীল্যান্সিং এ সফল হতে ১ম যে গুণ টি দরকার বলে আমি মনে করি তা হল ধৈর্য। ধৈর্য না থাকলে আপনি কখন ই এই ফ্রীল্যান্সিং জগতে ঠিকে থাকতে পারবেন না। আর নতুন ফ্রীল্যান্সারদের দিতে হয় সবচেয়ে বেশি ধৈয্য এর পরীক্ষা । কাজ পেতে ১ মাসের জায়গায় ৩ মাস লাগতে পারে তাই বলে ধৈয্য হারালে চলবে না।সফল ফ্রীল্যান্সার
#দক্ষতা : আপনি কেন মনে করেন যে আপনি ফ্রীল্যান্সিং মার্কেট প্লেস এ কাজ করার যোগ্য ? আপনি কি আন্তর্জাতিক মানের কাজ ডেলেভারি দিতে পারবেন ? ফ্রীল্যান্সিং এ সফল হতে হলে আপনাকে অবশ্যই দক্ষ হতে হবে। abcd শিখে এখানে এসে লাভ নেই। যদি মনে করেন আপনার কাজ আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ড্রাডের কাজ তাহলে ই ফ্রীল্যান্সিং এ আসুন। নতুবা আরো প্র্যাকটিস করুন। কাজ না জেনে হয়ত বা কপালের জোরে কাজ পেতে পারেন, কিন্তু সেই কাজ আপনি কখন ই সফল ভাবে করতে পারবেন না। এর, ওর পিছনে দৌড় দিয়ে কাজ কমপ্লিট করতে পারবেন না। উল্টো আরো দেশের বদনাম করবেন। তাই আগে নিজেকে আন্তর্জাতিক মানের কাজের জন্য তৈরি করুন তারপর ফ্রীল্যান্সিং এ আসুন।
#ইংরেজি : আমি এমন অনেককেই চিনি যারা কাজে যথেষ্ট দক্ষ হওয়া সত্ত্বেও ফ্রীল্যান্সিং এ এসে কোন কাজ পায়না। এর অন্যতম প্রধান কারণ হল ইংরেজিতে ভাল না হওয়া। একজন সফল ফ্রীল্যান্সার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই ইংরেজিতে ভাল হতে হবে। আপনার ক্লায়েন্ট আপনার কাছে কী চাচ্ছে তা যদি আপনি বুঝতেই না পারেন তবে কাজ করবেন কিভাবে ? এ জন্য যে আপনাকে একদম ইংরেজির ডিকশোনারি মুখস্থ করতে হবে তা নয়। মোটামুটি সিম্পল ভাবে কথা বলা কিংবা চ্যাটিং যাতে করা যায় এমন ইংরেজী আপনাকে জানতে হবে। না হলে ফ্রীল্যান্সিং এ আপনি সুবিধা করতে পারবেন না। তাই কাজের দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি ইংরেজিতে দক্ষ হয়ে উঠুন । অনেক কে দেখেছি শুধুমাত্র ইংরেজী ভাল জানার জন্য এপ্লায় করা মাত্রই কাজ পায়।
#অলসতা : কাজ করে খাইতে ইচ্ছা করে না ? কম্পিউটারের সামনে বসলেই ঘুম আসে আপনার ? তাহলে ফ্রীল্যান্সিং আপনার জন্য না। আগেই বলেছি বাইরে থেকে ফ্রীল্যান্সিং দেখতে যতটা সহজ ও আরামের কাজ মনে হয় এতটা সহজ আসলে না। শাররীক চাপের সাথে মানসিক চাপও একসাথে নিতে ফ্রীল্যান্সিং এ। টানা ৮ – ১০ ঘণ্টা ও কাজ করা লাগতে পারে সময় বিশেষে । তাই যদি আপনি অলস ধরণের লোক হয়ে থাকেন তাহলে ফ্রীল্যান্সিং আপনার জন্য না।
#কমরেটে কাজ : উপরের সব গুলো তে আপনি পাশ করার পর ও নিজকে একজন সফল ফ্রীল্যান্সার হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন না যদি, আপনি কম রেটে কাজ করে নিজেকে ফকিন্নি হিসেবে বিদেশী মানুষের কাছে পরিচয় দেন। ১০ -১৫ সেন্টে কাজ করে আপনি যা ইঙ্কাম করবেন তার চেয়ে ঢাকার জিগাতলা মোড়ের ফকির বেশি ইঙ্কাম করে। ফ্রীল্যান্সারতাই কম রেটে কাজ করে মার্কেট নষ্ট না করে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী এভারেজ রেটে কাজ করুন। কম রেটে কাজ করে আপনি যেমন নিজের ক্ষতি করেন সেই সাথে মার্কেটপ্লেস এর সব ফ্রীল্যান্সারদের ও ক্ষতি করেন। তাই ভাল রেটে কাজ করেন দেখবেন কয়েকদিন এর ভিতর আপনার ব্যাংক-ব্যালেন্স ভারী হয়ে গেছে।

Want your business to be the top-listed Recruitment Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Farmget
Dhaka
1215