Hidayah Path
Spreading the نور of Islam 🌙
Daily Quran, Hadith & Islamic reminders
Stay connected with Deen 🤍
ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিতে আমাদের এই প্রচেষ্টা 🌙
প্রতিদিন কুরআন, হাদিস ও ইসলামিক রিমাইন্ডার
দ্বীনের সাথে থাকুন 🤍
03/06/2026
ya rabbul alamin #shortvideo #allah #yarabbulalamin #alamin #viral #reels Enjoy the videos and music you love, upload original content, and share it all with friends, family, and the world on YouTube.
বিখ্যাত বুযুর্গ হযরত সুফিয়ান সাওরী (রহ.) একদিন পবিত্র কাবা শরীফ তাওয়াফ করছিলেন। তিনি দেখলেন, এক যুবক তাওয়াফ করছে কিন্তু সে অন্য কোনো তাসবিহ বা দোয়া পড়ছে না। সে প্রতিটি কদমে কদমে শুধু রাসূলুল্লাহ (সা.) এর ওপর দরুদ শরীফ পাঠ করছে।
সুফিয়ান সাওরী (রহ.) কৌতূহলী হয়ে যুবককে জিজ্ঞেস করলেন: "ভাই! তুমি অন্য সব দোয়া বাদ দিয়ে শুধু দরুদ কেন পড়ছ? এর পেছনে কি বিশেষ কোনো কারণ আছে?"
যুবকটি প্রথমে তাকে চিনতে চাইল। যখন সে জানল ইনি সুফিয়ান সাওরী (রহ.), তখন সে বলল: "আপনি যদি এই যুগের গ্রহনযোগ্য ব্যক্তি না হতেন, তবে আমি আমার গোপন কথা বলতাম না।"
আমি এবং আমার বাবা হজে এসেছিলাম। পথের মাঝে এক জায়গায় আমার বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা গেলেন। মৃত্যুর সাথে সাথেই বাবার চেহারা কুচকুচে কালো হয়ে গেল। বাবার এই অবস্থা দেখে আমি খুব চিন্তিত হয়ে পড়লাম এবং তার মুখের ওপর কাপড় দিয়ে ঢেকে দিলাম। একপর্যায়ে ক্লান্তিতে আমার চোখ লেগে এল এবং আমি ঘুমিয়ে পড়লাম।"
স্বপ্নে দেখলাম, এক অপরূপ সুন্দর এবং সুগন্ধিযুক্ত ব্যক্তি আমার বাবার লাশের কাছে এলেন। তাঁর মতো সুন্দর এবং পরিষ্কার পোশাক পরা মানুষ আমি আগে কখনো দেখিনি। তিনি বাবার মুখের কাপড় সরালেন এবং তাঁর পবিত্র হাত বাবার চেহারায় বুলিয়ে দিলেন। সাথে সাথে বাবার কালো চেহারা পূর্ণিমার চাঁদের মতো ফর্সা ও উজ্জ্বল হয়ে গেল।
তিনি চলে যেতে লাগলেন। আমি দৌড়ে গিয়ে তার জামা ধরে বললাম: 'হে আল্লাহর বান্দা! আপনি কে? আল্লাহ আপনাকে এই বিপদের মুহূর্তে আমাদের সাহায্যকারী হিসেবে কেন পাঠিয়েছেন।'
তিনি মুচকি হেসে বললেন: 'তুমি কি আমাকে চেনো না? আমি মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ (সা.), যার ওপর কুরআন নাজিল হয়েছে।'
তিনি বললেন, 'তোমার বাবা যদিও অনেক পাপে লিপ্ত ছিল এবং নিজের ওপর জুলুম করেছিল, কিন্তু সে আমার ওপর প্রচুর পরিমাণে দরুদ পাঠ করত। তাই যখন সে বিপদে পড়ল, আল্লাহ আমাকে তার সাহায্যে পাঠালেন। আর যে ব্যক্তি আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করে, আমি তার বিপদে (আল্লাহর পক্ষ থেকে) সাহায্যকারী হয়ে আসি।"
যুবক বলল, "আমি ঘুম থেকে জেগে দেখলাম, সত্যিই আমার বাবার চেহারা ধবধবে সাদা হয়ে গেছে।"
বেশি বেশি দরুদ পাঠ করলে দুনিয়া ও আখেরাতের কঠিন বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম || ﷺ
(সূত্র: দাফউশ শুবাহ আনির রাসূল ওয়ার রিসালাহ)
ঈদের সকাল। বিখ্যাত বুযুর্গ হযরত বায়েজিদ বোস্তামী রহ. গোসল শেষ করে নতুন পোশাকে ঘর থেকে বের হচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময়ে, উপরের একটি বাড়ির ছাদ থেকে কেউ একজন অজান্তেই এক থালা উত্তপ্ত ছাই নিচে ফেলে দিল। দুর্ভাগ্যবশত, সেই ছাই এসে পড়ল হযরত বায়েজিদ বোস্তামি রহ. এর মাথার ওপর।
তাঁর পরিষ্কার শরীর, পাগড়ি আর চুল ছাইয়ে মাখামাখি হয়ে গেল। সাধারণ মানুষ হলে হয়তো রেগে গিয়ে উপরের সেই ব্যক্তিকে গালিগালাজ করতেন, কিন্তু হযরত বায়েজিদ বোস্তামী রহ. ছিলেন এক মাটির মানুষ।
তিনি রাগ করার বদলে হাতের তালু দিয়ে মুখমণ্ডল মুছতে মুছতে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করলেন। নিজের মনকে বললেন:
“হে আমার নফস, আমি তো এত পাপ করেছি যে, আমার কপালে পরকালে আগুনের শাস্তিই জুটবার কথা। সেখানে আমি মাত্র সামান্য ছাইয়ের ধুলো পেয়েছি। আগুনের বদলে শুধু ছাই পেয়েছি বলে আমার তো রাগ না করে বরং কৃতজ্ঞ থাকাই উচিত!”
এই ঘটনা উল্লেখ করে আল্লামা শেখ সাদী রহ. বলেন,
• বিনয় মানুষকে উঁচুতে ওঠায়, আর অহংকার মানুষকে ধুলোয় মিশিয়ে দেয়।
• আজ তুমি ভালো অবস্থায় আছো বলে বিপদগ্রস্ত মানুষকে দেখে হেসো না; কাল তুমিও বিপদে পড়ে যেতে পারো।
• নিজেকে বড় মনে করলে আল্লাহকে চেনা যায় না। বড়ত্ব নাম বা পোশাকে নয়, ব্যবহারে।
• নিজের আমল বা কাজ নিয়ে গর্ব করতে নেই; শেষ বিচার ও ক্ষমা একমাত্র আল্লাহর ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল।
📖 বোস্তাঁ-- আল্লামা শেখ সা'দী রহ.
মূসা বিন সোলায়মান আল-হাশেমী নামক এক রাজপুত্র বিলাসী জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিলেন। তার বার্ষিক আয় ছিল প্রায় কোটি দিরহাম, যা তিনি দাস-দাসী, মদ্যপান এবং নাচ-গানের পেছনে উড়িয়ে দিতেন।তিনি ছিলেন আখেরাতের ব্যাপারে সম্পূর্ণ গাফেল।
এক রাতে মদ্যপ অবস্থায় তিনি দাসীদের নিয়ে গানের আসরে মত্ত ছিলেন। হঠাৎ দূর থেকে ভেসে আসা এক করুণ ও হৃদয়বিদারক সুর তাকে চমকে দিল। সুরটি এতই বেদনাদায়ক ছিল যে, তার নেশা কেটে গেল এবং মন অস্থির হয়ে উঠল।
তিনি হুকুম দিলেন, "সব গান-বাজনা বন্ধ করো! এই আওয়াজ কোত্থেকে আসছে, তা খুঁজে বের করো এবং সেই ব্যক্তিকে আমার কাছে নিয়ে এসো।"
খোঁজ নিয়ে জানা গেল, কাছের এক মসজিদে এক দুর্বল ও শীর্ণকায় যুবক আল্লাহর ভয়ে কাঁদছে এবং তিলাওয়াত করছে। তাকে রাজপুত্রের সামনে আনা হলো।
রাজপুত্র বললেন, "তুমি যা পড়ছিলে, তা আমাকে শোনাও। তোমার সুর আমার অন্তরে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে।"
যুবকটি তখন সূরা আল-মুতাফফিফিনের ২২-২৮ নম্বর আয়াতগুলো তিলাওয়াত করল। যার অর্থ,
“পুণ্যবান লোকেরা থাকবে অফুরন্ত নিয়ামাতের মাঝে। উচ্চ আসনে বসে তারা (চারদিকের সবকিছু) দেখতে থাকবে।তুমি তাদের মুখে আরাম আয়েশের উজ্জ্বলতা দেখতে পাবে।
তাদেরকে পান করানো হবে সীল-আঁটা উৎকৃষ্ট পানীয়।তার সীল হবে মিশকের, প্রতিযোগীরা এ বিষয়েই প্রতিযোগিতা করুক।তাতে মেশানো থাকবে ‘তাসনীম,ওটা একটা ঝর্ণা, যা থেকে (আল্লাহর) নৈকট্যপ্রাপ্তরা পান করবে।”
এই আয়াতগুলো শোনার সাথে সাথে রাজপুত্র অস্থির হয়ে গেলেন। জান্নাতের নিয়ামত এবং আখেরাতের সুখের কথা শুনে তার অন্তর কেঁপে উঠল। তিনি ওই যুবকের সাথে মাটিতে বসে পড়লেন এবং তাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলেন।
সেই রাতেই তিনি খাঁটি তওবা করলেন। তিনি তার সব সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় বিলিয়ে দিলেন, দাস-দাসীদের আজাদ করে দিলেন এবং রাজকীয় পোশাক খুলে সাধারণ চটের কাপড় পরলেন।
তিনি খালি পায়েই ওই যুবকের সাথে মক্কার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। হজ করলেন এবং সেখানেই থেকে গেলেন। আল্লাহর প্রেমে তিনি এতটাই দিওয়ানা হলেন যে, একদিন কাবা শরীফ তাওয়াফ করার সময় তিনি আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করতে করতে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন এবং ইন্তেকাল করলেন।
ইন্তেকালের পূর্বে তার শেষ কথা ছিল,
"হে আমার মালিক! আমি তোমার খবর জানতাম না, তাই নাফরমানি করেছি। হে মহান রব! গোলাম ভালো হোক বা মন্দ, দিনশেষে মালিকের কাছেই ফিরে আসে। আমাকে ক্ষমা করে দাও, এছাড়া আমার আর কোনো চাওয়া নেই।"
একবার এক রাজপুত্র ঘোড়া থেকে পড়ে মারাত্মক আহত হলো। তার ঘাড়ে এমন চোট লাগল, ঘাড়ের রগ সরে গিয়ে তার মাথা শরীরের ভেতরে দেবে গেল।
অবস্থা এমন হলো যে, সে আর ঘাড় ঘোরাতে পারত না; ডানে-বাঁয়ে তাকাতে হলে পুরো শরীর ঘোরাতে হতো।
দেশের বড় বড় চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা করতে ব্যর্থ হলেন। সবাই যখন হতাশ, তখন গ্রিস থেকে আগত এক দক্ষ চিকিৎসক এগিয়ে এলেন।
তিনি বিশেষ কায়দায় রাজপুত্রের ঘাড় মটকে রগ ঠিক করে দিলেন। তার চিকিৎসায় রাজপুত্র সুস্থ হয়ে উঠল এবং স্বাভাবিকভাবে ঘাড় নাড়াতে সক্ষম হলো।
সুস্থ হওয়ার পর একদিন সেই চিকিৎসক রাজদরবারে এলেন। আশা ছিল, রাজপুত্র তাকে সম্মান জানাবে বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে। কিন্তু রাজপুত্র তার দিকে ফিরেও তাকাল না, বরং অবজ্ঞাভরে মুখ ফিরিয়ে নিল।
চিকিৎসক এই ব্যবহারে অত্যন্ত লজ্জিত ও অপমানিত বোধ করলেন। তিনি দরবার থেকে বের হওয়ার সময় বিড়বিড় করে বলছিলেন:
“গতকাল যদি আমি তার ঘাড় সোজা না করে দিতাম, তবে আজ সে আমার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা পেত না।”
চিকিৎসক চলে গেলেন, কিন্তু যাওয়ার আগে এক ভৃত্যের হাতে কিছু বিশেষ ভেষজ দিয়ে বললেন, “এগুলো আগুনের পাত্রে (ধূপদানিতে) ছিটিয়ে দিও।”
ভৃত্য নির্দেশ মতো কাজ করল। সেই ভেষজ পোড়া ধোঁয়া যখন রাজপুত্রের নাকে গেল, তখন তার প্রচণ্ড হাঁচি হলো। সেই হাঁচির ঝাকুনিতে তার ঘাড়ের রগ আবার আগের মতো বেঁকে গেল এবং মাথা শরীরের সাথে দেবে গেল।
রাজার লোকেরা ক্ষমা চাওয়ার জন্য এবং পুনরায় চিকিৎসার জন্য সেই চিকিৎসকের খোঁজে বের হলো। কিন্তু অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে আর পাওয়া গেল না। রাজপুত্র সারাজীবনের জন্য সেই বিকলাঙ্গ অবস্থাতেই রয়ে গেল।
এই ঘটনা উল্লেখ করে আল্লামা শেখ সাদী (রহ.) বলেন,
আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ থেকে ঘাড় ফিরিয়ে নিও না। যদি তুমি দুনিয়ায় তাঁর অবাধ্য হও এবং মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে কিয়ামতের দিন তুমি লজ্জায় মাথা তুলতে পারবে না।
উপকারীর উপকার স্বীকার না করা এবং অহংকার করা ধ্বংস ডেকে আনে। আল্লাহ তা’আলা আমাদের যেসব শক্তি ও সামর্থ্য দিয়েছেন, তা তাঁর আনুগত্যে ব্যবহার করা উচিত।
অকৃতজ্ঞ হলে সেই নেয়ামত যেকোনো সময় ছিনিয়ে নেওয়া হতে পারে।
📖 বোস্তাঁ-- আল্লামা শেখ সা'দী রহ.
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:
“তোমরা যদি আল্লাহর ওপর সঠিক ও যথাযথভাবে তাওয়াক্কুল (ভরসা) করতে, তবে তিনি তোমাদেরকে ঠিক সেভাবেই রিযিক দান করতেন, যেভাবে তিনি পাখিদের রিযিক দিয়ে থাকেন; যারা সকালে খালি পেটে বাসা থেকে বের হয় এবং সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে।”
— (মুসনাদে আহমাদ, ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান)
খেয়াল করুন, পাখি কিন্তু বাসায় বসে থাকে না। সে রিযিকের সন্ধানে 'বের হয়'। আমাদেরও বোঝা উচিত, চেষ্টা করা আমাদের কাজ, আর ফলাফল দেওয়া আল্লাহর কাজ।
পাখির আগামীকালের জন্য কোনো ব্যাংক ব্যালেন্স বা স্টোররুম নেই। সে জানে, আজ যিনি খাইয়েছেন, কালও তিনিই খাওয়াবেন। আমরা যখন আগামীকাল বা ১০ বছর পরের চিন্তায় অস্থির হই, তখন এই পাখির তাওয়াক্কুল আমাদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা।
হাদিসের শব্দ ’যথাযথ ভরসা’ মানে হলো, উপায়ের ওপর নির্ভর না করে উপায় দানকারীর (আল্লাহর) ওপর নির্ভর করা। আমাদের রব পরিশ্রমের প্রতিটি কণা দেখেন এবং সঠিক সময়ে আমাদেরকে রিযিক পৌঁছে দেন।
আল্লাহ তা’আলা আমাদের সবাইকে তাঁর ওপর প্রকৃত তাওয়াক্কুল করার তাওফিক দিন এবং পাখির মতো নিশ্চিন্ত রিযিক নসীব করুন। আমীন।
পাকিস্তানের এক আলেম বলেন,
আমার বাবা ছোটবেলা থেকেই একটি স্বপ্ন বুনেছিলেন যে, ছেলেকে হাফেজ, আলেম এবং মুফতি বানাবেন। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে খুব অল্প বয়সে আমাকে মাদরাসায় ভর্তি করে দেওয়া হয়।
ছোটবেলায় আমি মাদরাসায় বসে খুব কাঁদতাম। আমার মনে হতো, বাবা-মা বোধহয় আমার ভালো চান না, তারা আমার ওপর জুলুম করছেন।
আজ জীবনের এই পর্যায়ে এসে যখন পেছনের দিকে তাকাই, তখন চোখ পানিতে ভিজে আসে। আজ বুঝতে পারছি, সেদিন বাবা-মা আমার ওপর জুলুম করেননি, বরং সবচেয়ে বড় উপকার করেছিলেন।
আজ জীবনের প্রতিটি বাঁকে কুরআনের এক একটি আয়াত আমার সামনে আলোকবর্তিকা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।
আল্লাহ আমাদের জীবনের জন্য এমন সব পরিকল্পনা করেন যেগুলোতে মাঝে মাঝে অনেক কষ্ট থাকে। আমাদের মনে হয় আমাদের ওপর জুলুম হচ্ছে, অথচ আল্লাহ কারো ওপর বিন্দুমাত্র জুলুম করেন না। কুরআন বলছে:
"নিশ্চয়ই আল্লাহ মানুষের প্রতি সামান্যতম জুলুম করেন না।" (সূরা ইউনুস: ৪৪)
জীবনের এই কঠিন সময়গুলোর মাধ্যমে আল্লাহ হয়তো আপনাকে দুনিয়াতে বড় কোনো অর্জনের জন্য তৈরি করছেন, অথবা আখিরাতে এমন মর্যাদা লিখে রেখেছেন যা দেখে আপনি নিজেই অবাক হয়ে যাবেন।
সেদিন আপনি বলবেন, "আমি তো এত নেক আমল করিনি, তবে এই পুরস্কার কোথা থেকে এলো?" আসলে তা ছিল দুনিয়ার সেই কঠিন সময়ে আপনার করা 'সবরের' ফল।
সেদিন জান্নাতে ফেরেশতারা মুমিনদের স্বাগত জানিয়ে বলবেন:
"তোমাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক, কারণ তোমরা (দুনিয়াতে) সবর করেছিলে।"(সূরা রা'দ: ২৪)
পরম দয়ালু আল্লাহর পরিকল্পনায় যা-ই আসুক না কেন, তা হাসিমুখে মেনে নিন। আজ যা আপনার কাছে কষ্ট মনে হচ্ছে, একদিন সেটিই আপনার জীবনের শ্রেষ্ঠ নিয়ামত হিসেবে ধরা দেবে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সবর করার তাওফিক দিন। আমিন।
উর্দূ থেকে অনূদিত
24/05/2026
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Dhaka