দায়বদ্ধতার প্রতিজ্ঞা নিয়েছে। আমরা স্পিরুলিনার কোয়ালিটি BSTI/BCSIR এ পরীক্ষা পূর্বক মান নিশ্চিত করে থাকি।
সদস্য: এসএমই ফাউন্ডেশনের বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টার, বিসিক, ইএসডিপি-বিডা এবং বায়েফ ।
লক্ষ্য: বহুমুল্যমান প্রকৃতিকে কম দামে মানুষের হাতে তুলে দেওয়া।
উদ্দেশ্য: বাংলাদেশে প্রকৃতি এবং প্রাকৃতিক অপার সম্ভাবনাময় পুষ্টিকর খাবার সেবা প্রদানের মাধ্যমে সুস্বাস্থ্যে সমৃদ্ধ জাতি গঠনে অবদান রাখা।
স্পিরুলিনা কি?
স্পিরুলিনা অতি ক্ষুদ্র আনুবীক্ষণিক নীলাভ সবুজ শৈবাল জাতীয় উদ্ভিদ। উচ্চ মাত্রার প্রােটিন, ভিটামিন ও একাধিক খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ নানাধরনের রােগ প্রতিরােধকারী শৈবাল । স্বাদ ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন। যা সমুদ্রের তলদেশে জন্মায়। বাংলাদেশে স্পিরুলিনা কৃত্রিমভাবে বৈজ্ঞানিক বেক'মা পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয়।
বায়োনেক স্পিরুলিনা থেকে যা পাবেন
বিটা ক্যারােটিনঃ গাজরের চেয়ে ১০ গুণ বেশী।
লৌহঃ লৌহের অন্যতম উৎস হিসাবে বিবেচিত। অনেক খাদ্যের তুলনায় স্পিরুলিনায় লৌহের পরিমাণ ২০ গুণ বেশী
ভিটামিন বি১২ঃ ভিটামিন বি১২ এর অন্যতম প্রধান উৎস গরুর যকৃতের চেয়ে প্রায় ২.৫ গুণ বেশী ।
ভিটামিন-ইঃ গমের চেয়ে ৩ গুণ বেশী।
প্রােটিনঃ মাছ, মুরগী বা লাল মাংসের চেয়ে অন্তত ৩ গুণ বেশী ।
জি.এল.এ (GLA):মাতৃদুগ্ধে বিদ্যমান GLA স্পিরুলিনাতেও প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। এই GLA উচ্চরক্তচাপ, কোলেস্টেরল, হৃদরােগ, বাত ইত্যাদি রােগ নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। (GLA=Gamma Linolenic Acid)
এস ও ডি (SOD): সুপার অক্সাইড ডিসমিউটেজ স্পিরুলিনার মধ্যে বিদ্যমান শরীরের মধ্যে মুক্ত রেডিক্যালের সংখ্যা কমাতে সাহায্য করে। যা বয়সের প্রভাব ও ক্যান্সার প্রতিরােধ করতে সহায়তা করে।
১-৩ গ্রাম স্পিরুলিনায় রয়েছে ১-৩ কেজি বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজির গুণাবলী।
বায়োনেক স্পিরুলিনা খাওয়ার উপকারিতা?
স্পিরুলিনা নিয়মিত সেবন করলে আমাদের দৈনন্দিন পুষ্টিচাহিদা পূরণ পূর্বক:
*এন্টিঅক্সিডেনটিভ
*এন্টিইনফ্লামেটরি,
*রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি,
*এলার্জি-হেই ফিবার বা সর্দি-কাশি-জ্বরে,
*স্ট্রেস- দুশ্চিন্তা,
*স্নায়ুবিক প্রতিরক্ষা,
*উচ্চ রক্তচাপ
*কোলেষ্টেরল নিয়ন্ত্রণ,
*ডায়াবেটিস,
*এন্টি ফ্রিরেডিক্যাল,
*এন্টি ক্যানসার,
*ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে,
*বার্ধক্য প্রতিরোধে
*চুলপড়া রোধে,
*নোখের যত্নে,
*লিভার সুস্থতায়,
*কিডনি সুস্থতায়,
*হার্টের সুস্থতায়,
*চোখের সুস্থতায়,
*গ্যাস্ট্রিক মুক্তিতে,
*ওজন কমাতে-স্লিম হতে,
*ক্যালশিয়ামের ঘাটতি পূরণে,
*ওসুস্থ বা আক্রান্ত কোষ সুস্থ করতে,
*কোষ্ঠকাঠিন্যে,
*রক্তশূন্যতা,
*রাতকানা,
*আলসার,
*বাত,
*হেপাটাইটিস
*বডি মাসল তৈরি,
*ক্লান্তি দূরসহ আরো নানা উপকার করতে কার্যকরী এবং নিরাপত্তার ভূমিকা পালন করে।।