PureHut

PureHut

Share

Photos from PureHut's post 14/06/2023

#সাজনা_পাতা_moringa_খাওয়ার_উপকারিতা।

১। রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে
ডায়াবেটিস এর প্রধান সমস্যা হলো রক্তে অতিরিক্ত মাত্রায় সুগারের উপস্থিতি যার ফলে শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট, চোখ, কিডনি, স্নায়ুতন্ত্র ইত্যাদির কার্যক্ষমতা এবং যৌন সক্ষমতা কমে যায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে সাজনা পাতা সরাসরি অথবা গুড়ো করে নিয়মিত খাওয়ার ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

০২। এতে প্রচুর জিংক রয়েছে এবং পালং শাকের চেয়ে তিনগুণ বেশি আয়রন রয়েছে, যা রক্তসল্পতা দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

০৩। সজনে শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও অবদান রাখে।

০৪। মানবদেহে প্রায় ২০% প্রোটিন অ্যামিনো অ্যাসিড দিয়ে গঠিত। অ্যামিনো অ্যাসিড বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিপাক এবং শরীরের অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়াকলাপের সম্পূর্ণ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

০৫। এতে ৩৬টি প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি অকাল বার্ধক্যের সমস্যাও দূর করে এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

০৬। নিয়মিত দৈনিক গ্রহণ শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউন স্টিমুলেন্ট’ হওয়ায় এটি এইডস রোগীদের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

০৭। এটি শরীরের হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে পুষ্টি হিসেবে কাজ করে।

০৮। ব্যায়ামের পাশাপাশি এটি শরীরের ওজন কমাতেও বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

০৯। এটি কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই বুকের দুধ বাড়াতে সাহায্য করে। এক টেবিল চামচ পাতার পাউডারে ১৪% প্রোটিন, ৪০% ক্যালসিয়াম, ২৩% আয়রণ বিদ্যমান, যা ১ থেকে তিন বছরের শিশুর সুষ্ঠু বিকাশে সাহায্য করে।

১০। গর্ভাবস্থায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোকালীন সময়ে ৬ টেবিল চামচ পাউডার একজন মায়ের প্রতিদিনের আয়রণ এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে থাকে।

১১। এতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি লিভার এবং কিডনি সুস্থ রাখতে এবং ফর্মের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও কাজ করে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য
এগুলো সাধারন টিপস ,, যে কোন রোগের জন্য খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত ।

❤️আল্লাহ তায়ালা গাছ গাছালির মধ্যে অনেক উপকার রেখেছেন,
সুস্থতা দেওয়ার মালিকও তিনি।
আমরা শুধু অরজিনাল পণ্য দিয়ে থাকি ইনশাআল্লাহ।

অর্ডারের জন্য ইনবক্স করুন।

14/06/2023

কালোজিরা চুলপড়া, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, মাথা ঝিমঝিম করা, মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্ক্রিয়তা ও অলসতা, আহারে অরুচি এবং মস্তিষ্ক শক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়ায়।

এখন ভাবছেন কিভাবে এই কালোজিরা খাবেন??

আপনার সময় বাঁচিয়ে দৈনন্দিন জীবন কে সহজ করার জন্য বস অর্গানিক প্রোডাক্টস আপনার পাশে আছে।

কালোজিরা ভর্তা সকলেরই প্রিয় খাবার কিন্তু কালোজিরা বাটার জন্য অনেকেই ভর্তা খেতে পারছেন না৷

তাদের জন্য আছে বস কালোজিরা পাউডার। পাউডারের সাথে প্রয়োজন মতো লবন, মরিচ ও পেয়াজ মিশিয়ে নিন, ভর্তা কম্প্লিট।

স্বল্প সময়ে শ্রেষ্ট খাবার।

06/03/2023

💝💝সর্দিকাশি, ঠান্ডা লাগা,শ্বাসকষ্ট, বুকে কফ জমা,বৃদ্ধদের প্রচন্ড কাশির জন্য দুলাল চন্দ্র ভড়ের অরিজিনাল তালমিছরি ম্যাজিকের মত কাজ করে।

১ কেজি ৩২০/-
৫০০ গ্রাম ১৭০/-

❤️❣️বাচ্চাদের জন্য নিরাপদ মিষ্টিজাতীয় খাবার।

💟সরাসরি ইন্ডিয়া থেকে আমদানিকৃত দুলাল চন্দ্র ভড়ের অরিজিনাল তালমিস্রি এখনই অর্ডার করুন।

#তালমিছরির গুণাগুণ-
তালমিছরিতে আছে প্রচুর পরিমাণে এসেনশিয়াল ভিটামিনস, মিনারেলস, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, আইরন, জিঙ্ক, ফসফরাস আর আমাইনো এসিডস।
একটি অল্প লভ্য ভিটামিন, বি ১২, যা মূলত আমিষাশী খাবারেই পাওয়া যায়, তা পাওয়া যায় এই তালমিছরিতে।
এছাড়াও এতে আছে ২৪ টি প্রাকৃতিক উপাদান। যার জন্য এটি আয়ুর্বেদিক ওষুধি তৈরির ক্ষেত্রেও ব্যবহার হয়।

#চলুন এবার জেনে নেয়া যাক তালমিছরি খাওয়ার উপকারিতাগুলো সম্পর্কে-

১) গুড় কিংবা চিনিতে কৃমির প্রকোপ বাড়ে। তাই তালমিছরিই ভরসা। বড় ছোট সবাই তালমিছরি নির্ভয়ে খেতে পারেন।

২) কিডনি স্টোন এর জন্য এটি বেশ উপকারী। পেঁয়াজের রসের সঙ্গে তালমিছরি মিশিয়ে খান। কিছুদিনের মধ্যেই প্রস্রাবের সঙ্গে কিডনি স্টোন বেরিয়ে আসবে। তাছাড়া তালমিছরি কিডনির জন্য উপকারী।

৩) প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম আর পটাসিয়াম থাকার কারণে তালমিছরি হাড় ও দাঁত শক্ত করে। তাছাড়া হাড়ের সব সমস্যা দূর করে। নারীদের মেনোপজের পরে হাড় ক্ষয় হতে শুরু করে। আর হাড় ভাঙ্গার সমস্যা একটি দৈনন্দিন সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এই ক্ষয় রোধ করতে নিয়মিত তালমিছরি সেবন করলে উপকার পাওয়া যায়। এই দুটি কারণের জন্য বাচ্চাদের জন্যও তালমিছরি খুব উপকারী।

৪) তালমিছরির রস কাশি উপশম করতে সাহায্য করে এবং গলায় শ্লেষ্মা নরম করে দেয়, ফলে গলায় খুসখুসানি কমে যায়।এক টুকরো তালমিছরি মুখে নিয়ে চুষলে সর্দিতে এবং কাশিতে আরাম পাওয়া যায়।

৫) গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স তালমিছরিতে চিনি বা মধুর তুলনায় অনেক কম থাকায় তালমিছরি ব্লাড গ্লুকোজ লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ডায়েবিটিস প্রতিরোধেও সাহায্য করে।

৬) তালমিছরিতে প্রচুর পরিমাণ আয়রন থাকায় এটা অ্যানিমিয়াতে ভীষণ ভাবে কাজে দেয়। বিশেষত মেয়েদের জন্য তালমিছরি খুব উপকারী। আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিন লেভেল ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

৭) তালমিছরি চোখের দৃষ্টি বাড়ায়। বাদাম, মৌরী, তালমিছরি এবং গোলমরিচ একসঙ্গে গুঁড়া করে নিন। রোজ রাতে ১ চামচ করে এই মিশ্রণ দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খান। এটি চোখের দৃষ্টি বাড়াতে সাহায্য করে।

৮)সাইনাসের জন্য বা চোখের জন্য মাথা ধরা খুব সাধারণ একটি ব্যাপার। অনেক মানুষ এই সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যার সমাধানে আদার রসের সঙ্গে তালমিছরি খেলে সাইনাস জনিত মাথাধরা থেকে উপশম মেলে। তুলসী পাতা, তালমিছরি আর গোটা মরিচ একসঙ্গে খেলেও উপকার পাওয়া যায়।

৯) তালমিছরি পেটের ব্যথার উপশম করে। পাতলা পায়খানাতেও ভীষণ কার্যকরী এটি। নিমপাতার সঙ্গে তালমিছরি খেলে পেটের ব্যথা কমে। ধনে গুঁড়ার সঙ্গে তালমিছরি গুঁড়া মিশিয়ে নিন। এবার এটি পানির সঙ্গে দিনে ২ থেকে ৩ বার মিশিয়ে খান। এর ফলে পাতলা পায়খানা থেকে মুক্তি মেলে। তাছাড়া গরমে হিট স্ট্রোক হলে এটি খুব কাজে লাগে।

১০) অনেকেরই গরমকালে নাক দিয়ে রক্তপাত হয়। নাকের কাছে মিছরি গুঁড়া করে শুঁকলে রক্তপাতের উপশম হয়।

১১) মুখের আলসারের জ্বালাতে উপশম পেতে তালমিছরি আর এলাচ গুঁড়া করে পেস্ট বানিয়ে নিন। এটি মুখের ভেতরে লাগালে আরাম পাওয়া যায়। আলসার কমে। বাচ্চাদের জন্যও ব্যবহার করা যায়।

১২) তালমিছরিতে ডায়েটারি ফাইবারের প্রাচুর্যের জন্য এটি হজমে সাহায্য করে এবং কন্সটিপেশান সারিয়ে তোলে। এছাড়াও চিনি বা মধুর তুলনায় তালমিছরি আমাদের শরীরে অনেক কম পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট তৈরি করে। ফলে তালমিছরি সেবনে ক্লান্তি অনেক কম হয়, শরীরকে সতেজ রাখে।
আপনার যদি উপরের কোনো সমস্যায় পড়ে থাকেন তবে আর দেরি না করে এখন ই তালমিছরি খাওয়া শুরু করুন।

সমস্যা গুলো দূর হবে ইন-শা-আল্লাহ ।

Want your business to be the top-listed Health & Beauty Business in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Mirpur 13
Dhaka
1206